"সকল শরণার্থী পরিবারের দায়িত্ব আমাদের', ঠাকুরনগরের সভায় মতুয়াদের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

 নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট আগামী ২৯ এপ্রিল । ওইদিন ৭ টি জেলার ১৪২ টি আসনে ভোট গ্রহণ হবে।আর আজ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের শেষ হাইভোল্টেজ রবিবার। বিজেপির পক্ষে এই দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথম সভা ছিল উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে । মতুয়া ধর্মের পীঠস্থান ঠাকুরবাড়ির কামনা সাগরের পার্বতীর মাঠে ছিল সেই সভা ।মোদি এই জনসভায় জানান,

'সব শরণার্থী নাগরিকত্ব পাবেন'।

আমি স্পষ্ট করে বলছি, আপনাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। স্থায়ী ঠিকানা পাবেন, প্রত্যেক কাগজ পাবেন যা আপনাদের জন্য দরকারি। সবাই অধিকার পাবেন যা প্রত্যেক ভারতবাসী পান। এটা মোদীর গ্যারেন্টি। কিন্তু তৃণমূলের মিথ্যে থেকে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে।

শরণার্থীদের মোদীর বার্তা ,

জনসংঘ পূর্ব বাংলা থেকে বিতাড়িত শরণার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। তখন তাদের কোনও সরকার ছিল না, কিন্তু শরণার্থীদের কথা তারাই প্রথম তুলেছিল। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে শরণার্থীদের প্রবক্তা মানা হত। ওঁর সংস্কারই আমাদের মধ্যে রয়েছে। আজ আমরা সকল শরণার্থী পরিবারের সুরক্ষা নিজেদের দায়িত্ব হিসেবে মনে করি। আপনাদের সুখ-দুঃখের চিন্তা করা আমাদের দায়িত্ব। তাই আমি সিএএ আইন লাগু করেছি।

এদিন তার ভাষণে, সন্দেশখালি' প্রসঙ্গ উঠে আসে। তিনি বলেন,

রাজ্যের জঙ্গলরাজে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মহিলারাই, আর তাঁদের চোখে ক্ষোভ স্পষ্ট। সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচার হয়েছে এবং সেই ঘটনায় শাসকদল অভিযুক্তদের সমর্থন করেছে। মহিলাদের অপমান করা হয়েছে, গালিগালাজ করা হয়েছে এবং এই ধরনের ঘটনা মানুষ ভুলে যাননি। বর্তমান সরকারের আমলে মেয়েরা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাও ঘটছে, অথচ মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের কোনও চিন্তা নেই।

১৫ বছর আগে তৃণমূল মা-মাটি-মানুষের কথা বলে ক্ষমতায় এসেছিল। এখন ওদের মুখ থেকে আর সে সব কথা শোনা যায় না। কারণ এসব কথা বললে ওদের পাপ প্রকাশ্যে চলে আসবে। তাই আপনাদের বলি, ৪ তারিখ বাজনা বাজিয়ে তৃণমূলকে বিদায় দিন।

আপনাদের একটা ভোট দরকার। তারপরই বাংলাকে আজাদি দেব তৃণমূলের কাটমানি, দুর্নীতি, নারী অত্যাচার, সিন্ডিকেটরাজ থেকে। নেতাজি বলেছিলেন, রক্তের বদলে স্বাধীনতার কথা, আমি আপনাদের থেকে একটা করে ভোট চাইছি।

এরাজ্যে একটাই দোকান চলছে, সেটা হল তৃণমূলের

সিন্ডিকেট-কাটমানির। এমন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতেই হবে, তাদের রাজ্য থেকে তাড়াতেই হবে। তাই গোটা বাংলা একই স্লোগান তুলছে - পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার।প্রথম দফায় ভাঙল তৃণমূলের অহঙ্কার, দ্বিতীয় দফায় হবে বিজেপি সরকার। তৃণমূলের নির্মমতা মা-কে কাঁদিয়েছে, মাটিকে অনুপ্রবেশকারীদের হাতে তুলে দিয়েছে আর মানুষকে নিজের রাজ্য থেকে পালাতে বাধ্য করেছে।

তার ভাষণে স্পষ্ট বলেন,প্রথম দফার ভোটে কামাল করেছে বাংলা। যে হারে ভোট হয়েছে তাতে স্পষ্ট, বিজেপি সরকার আসছে। এমনভাবে চিৎকার করুন যাতে গোটা বাংলা জানতে পারে যে, কার সরকার হচ্ছে।

জগদ্দল বিধানসভা পূর্ব বিদ্যাধরপুর এলাকায় বিজেপি কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি

নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবার ভোর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল বিধানসভার অন্তর্গত মন্ডল পাড়ার বিদ্যাধরপুর এলাকায় বিজেপি কর্মী, শিবু রায়ের বাড়িতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা দুটি বোমা ছোড়ে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাড়ির জালনার কাঁচ। এই ঘটনায় ভয়ের আতঙ্কিত এলাকাবাসী। ঘটনার পর থেকে শিবু রায় বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে প্রাণভয়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়। এদিন তার বাড়িতে যান জগদ্দলের বিজেপি প্রার্থী রাজেশ কুমার। তিনি এলাকাবাসী কে শান্ত থাকার আর্জি জানিয়েছেন। ছবি: প্রবীর রায়।
মোদী দিল্লিতে যা করছেন, পশ্চিমবঙ্গে তাই করছেন মমতা: রাহুল
*প্রচার*

*রাহুল গান্ধী*

*নিজস্ব প্রতিনিধি:* শনিবার বিকেলে কলকাতার শহিদ মিনারে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা কংগ্রেসের ৫৫ জন প্রার্থীর সমর্থনে জনসভা করেন রাহুল গান্ধী। এই সভা থেকে মোদী ও মমতাকে এক আসনে বসিয়ে আক্রমণ করেন। পাশাপাশি, ঘুরপথে পরস্পরের বিরুদ্ধে আঁতাতের অভিযোগও করেন তিনি। *ছবি:  সঞ্জয় হাজরা* ।
ভোটের আগে বাইক চালানো নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোটের তিন দিন আগে থেকে বাইক চালানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি আংশিক সংশোধন করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে নয়, ভোটের মাত্র ১২ ঘণ্টা আগে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইকে কাউকে চাপিয়ে রাস্তায় যাওয়া চলবে না। তবে ভোটের দিনে ভোর ৬ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের ভোট দিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাইকে চাপানো যাবে। তবে ওলা, উবের, সুইগির মতো যাতায়াত বা খাবার পৌঁছিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে যারা কাজ করেন তারা এর আওতায় আসবে না। অফিসেও যাতায়াতের ক্ষেত্রে সঠিক পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে যাতায়াত করা যাবে। তবে রালী করার ক্ষেত্রে কিছুটা কড়া মনোভাব রেখেছে আদালত। সেক্ষেত্রে কমিশনার নির্দেশ মেনে ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে রেলি করা যাবে না।
ব্যারাকপুরের জগদ্দলে অমিত শাহ রোড শো
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে প্রথম দফা ভোটের পর শুক্রবারও রাজ্যে ছিল হেভিওয়েট জনসভা। এদিন অমিত শাহের শেষ কর্মসূচি ছিল উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে জগদ্দলে৷ এক সুবিশাল রোড-শোতে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি।কখনও তিনি হাত নেড়ে, আবার কখনও হাতজোড় করে রাস্তার দু'ধারে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করলেন। বি: প্রবীর রায়।
বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, ‘কোন আইনে এই বিজ্ঞপ্তি?’ কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

*নিজস্ব প্রতিনিধি* : বাইক রালি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত সঙ্গে একমত হলেও কোন আইনে ব্যক্তিগত বাইক ব্যবহারকারীদের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হল, কলকাতা হাইকোর্টে তার কোনো সদুত্তর উ
দিতে পারল না কমিশন। শুক্রবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও একাধিকবার কমিশনের কাছে, আইনের কোন ধারায় এই ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা তার ব্যাখ্যা চান।তিনি জানতে চান, এই অপব্যবহার নিয়েও কত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। কিন্তু তার উত্তর দিতে পারেনি কমিশন। শুক্রবার মামলার শুনানি শেষে রায়দান স্থগিত রাখল আদালত। এদিনের শুনানিতে কমিশনের আইনজীবি জিষ্ণু সেনগুপ্ত বলেন, আমাদের কাছে অনবরত অভিযোগ আসছে যে বাইক চড়ে এসে হুমকি দিয়ে গেছে। বাইকে করে পালিয়ে যাওয়া সহজ। তার দাবি, বাইকে করে নাকা তল্লাশির এলাকা এড়িয়ে যাওয়া সহজ। কমিশনের যুক্তি, যে ব্যক্তি বাইকের পিছনে বসে থাকে সেই অপরাধ বেশি করে থাকে। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী একযোগে আইন রক্ষায় কাজ করছেন বলে সওয়াল করেন জীষ্ণু। সেটা শুনে বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, আইনের কোন ধারায় আপনারা এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। তাঁর মন্তব্য, বাইক মিছিলের ক্ষেত্রে আপনারা ১১০ ভাগ সঠিক। পাল্টা কমিশন জানায়, যারা কাজে যাচ্ছেন, অফিসে যাচ্ছেন তাদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিচারপতি বলেন, যারা মজদুর, যারা কোচিং সেন্টার চালান, যারা সাধারণ শ্রমিক তারা আইডি কার্ড কোথায় পাবেন। আইডি না দেখালে তো আপনারা ছাড় দেবেন না বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। তাঁর প্রশ্ন, নির্বাচনের দিন এই বিধিনিষেধ আরোপ করলে বোঝা যায়, কিন্তু এতো তাড়াতাড়ি কেন।
বিচারপতি মন্তব্য করেন, আপনার কাছে রাজ্য পুলিশ আছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে। আপনারা তাদের ব্যবহার করুন। কেউ যেন বাইক নিয়ে বুথের কাছে যেতে না পারেন সেটা দেখুন। কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, এই রাজ্যে ভোটে হিংসার ইতিহাস আছে। আমার সব তথ্য খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে অস্বাভাবিক কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। তিনি বলেন, রাজ্য সহযোগিতা না করলে আমরা নিয়ম লাগু করতে পারব না, আর এখানে রাজ্য বলছে যে আমরা বেআইনি কাজ করছি।তাঁর সওয়াল, এই বিধিনিষেধ নতুন কিছু নয়, প্রতিবার ২৪ ঘণ্টা আগে থেকে করা হয়, এবার আরও আগে থেকে করা হচ্ছে। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, যান নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধু বাইক-কেই কেন বাছলেন।
কমিশন বলে, নিজের অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান থেকে এই কাজ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি। রাজ্য বলে, এই নির্দেশিকা জারি করার ক্ষমতার উৎস কোথায় সেটা কমিশন জানাতে পারেনি। আইন তৈরির ক্ষমতা কমিশনের নেই।
আইনের কোন ধারায় বাইক নিষিদ্ধ করা হল জানাতে পারেনি কমিশন বলে জানায় রাজ্য। মামলাকারীর আইনজীবী শামীম আহমেদ বলেন, কমিশনের একই ধরনের বিজ্ঞপ্তি মাদ্রাজ ও গুজরাট হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছিল। এদিন মামলার শুনানি শেষে রায়দান স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি।
নৈহাটির বড়মার মন্দিরে পুজো দিয়ে দিনের প্রচার শুরু জগদ্দলের বিজেপি প্রার্থীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে ১৫২ আসনের প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গিয়েছে। এখন বাকি ১৪২ আসনের প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ। আগামী ২৯ এপ্রিল হবে সেই নির্বাচন।ফলত প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থীদের প্রচার হাজির থাকছেন সকাল থেকেই। শুক্রবার সকাল সকাল  নৈহাটির বড়মার মন্দিরে পূজো দিতে হাজির হয়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাজেশ কুমার।তিনি এদিন বড়মা কে পুজো দিয়ে জগদ্দল বিধানসভা এলাকায় প্রচার শুরু করেন। প্রথম দফার ভোট নিয়ে তিনি বললেন," মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে আমরা আশাবাদী দ্বিতীয় দফা ঘটেও ভালোভাবে হবে আমরা সরকার গঠন করবো।" ছবি: প্রবীর রায়।
রাজ্যে প্রথম দফার ভোট বিকেল ৫.৩০ পর্যন্ত ভোটের হার ৯০%

ডেস্ক: আজ  রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ১৬টি জেলার ১৫২টি কেন্দ্রে আজ গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হয়েছিলেন ভোটাররা।

*লাষ্ট আপডেট*

*কোন জেলায় কত ভোট* :-

দার্জিলিং - ৮৬.৪৯ %

কালিম্পং - ৮১.৯৮ %

জলপাইগুড়ি - ৯১.২০ %

কোচবিহার - ৯২.০৭ %

দক্ষিণ দিনাজপুর - ৯৩.১২

উত্তর দিনাজপুর - ৮৯.৭৪ %

আলিপুরদুয়ার - ৮৮.৭৪ %

মালদহ- ৮৯.৫৬ %

মুর্শিদাবাদ - ৯১.৩৬ %

পশ্চিম বর্ধমান - ৮৬.৮৯ %

পশ্চিম মেদিনীপুর - ৯০.৭০ %

পূর্ব মেদিনীপুর  - ৮৮.৫৫ %

পুরুলিয়া - ৮৭. ৩৫ %

ঝাড়গ্রাম - ৯০.৫৩ %

বাঁকুড়া - ৮৯.৯১ %

বীরভূম - ৯১.৫৫ %
ভোটের আগে বাইক বন্ধের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশন কাছে হলফনামা তলব হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোটের তিনদিন আগে থেকে বাইক বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে। এই নির্দেশকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের ধমক খেল নির্বাচন কমিশন। আজ, শুক্রবারের মধ্যে তাদের এই নিয়ে হলফনামা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও।বিচারপতি কমিশনের উদ্দেশে বলেন,, আপনাদের কর্তৃপক্ষ কেনো জরুরি অবস্থা ঘোষণা করছে না। দুদিন আগে থেকে ইমারজেন্সি ঘোষণা করে ভোট করান, তাহলে মানতে হবে কমিশন ব্যর্থ। এই ভাবে সাধারণ নাগরিকের অধিকার হরণ করা যায় না। তিনি বলেন, তাহলে গাড়িও বন্ধ করে দিন। তাতেও তো লোকজন বম আর্মস নিয়ে গিয়ে গোলমাল পাকাতে পারে। কোর্ট কে দেখান, গত পাঁচ বছরে কত বাইকের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে। কতক্ষেত্রে বাইক বাহিনী গোলমাল পাকানোর নজির আছে। দুদিন আগে থেকে সব কিছু স্তব্ধ কিরে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ। বিচারপতি ফের বলেন, আবারও বলছি কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা ঢাকতে এটা করা হচ্ছে। আপনারা নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। যেহেতু ভোটের সময় আপনাদের ক্ষমতা বা এক্তিয়ার আছে। এটা অন্যায়। অন্য রাজ্যে কোথায় কথায় এমন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে, দেখান। ইলেকশন কমিশনের পাওয়ার আছে বলে যা খুশি করা যায় না। নাগরিককে এই ভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার জন্য হলেও মানা যায়। এখানে ৭২ ঘণ্টার বেশি। তিনি বলেন, আপনাদের পুলিশ প্রশাসন আছে, সিসিটিভি আছে তাহলে এইগুলোর দরকার কি। সব বন্ধ করে দিন। বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন। কিসের ভিত্তিতে, নজির কোথায়, রেফারেন্স দিন। অযৌক্তিক ভাবে এতদিন ধরে সব কিছু থামিয়ে রাখার চেষ্টা। তিনি এর পরেই নির্দেশ দেন, কমিশন হলফনামা দিয়ে জানাবে কেনো তিনদিন আগে থেকে বাইক নিয়ে এই নিষেধাজ্ঞা। একইসঙ্গে বাইক নিয়ে অতীতের খারাপ উদাহরণ কি আছে সেটাও জানাতে হবে।
রাস্তার উপর তুলসী মন্দির ভাঙ্গা কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা জগদ্দলের ২৩ নং ওয়ার্ডে

*প্রবীর রায়* : উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের ২৩ নং ওয়ার্ডের ইস্ট কাপ্তেপারা নেহেরু মার্কেট এলাকায় বিগত ৫ বছর ধরে তুলসী বেঁধী স্থাপিত ছিল। সেই তুলসী বেঁধী হঠাৎই জেসিবি দিয়ে ভেঙে দেয় ২৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুকেশ বিশ্বাস। সেই ঘটনা কে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলেএসে পৌঁছায় জগদ্দল বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী রাজেশ কুমার সাংবাদিকদের মুখ মুখী হয়ে জানান ,"পুনরায় এই তুলসী বেঁধী বানিয়ে দিতে হবে। এবং পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কাউন্সিলরের গ্রেফতার করতে হবে বলেও জানান"।
যদিও তৃণমূল কাউন্সিলর সুকেশ বিশ্বাস জানান," রাস্তা তৈরীর কাজ চলছে। সেই কারণেই এই তুলসী বেঁধী টি ভাঙ্গা হয়েছে এবং রাস্তা হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় তুলসী মন্ডপ বানিয়ে দেওয়া হবে।"