মনোনয়নপত্র জমা
![]()
মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং ও মধ্যমগ্রাম বিধানসভার কেন্দ্রের আই এস এফ প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা বর্মন তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন।![]()
মনোনয়নপত্র জমা
![]()
মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর চ্যাটার্জী ও জগদ্দল বিধানসভার কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ড: রাজেশ কুমার তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন।![]()
মনোনয়নপত্র জমা
**
মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ঝর্ণা সরদার ও বারাসাত বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট প্রার্থী হেমন্ত দাস তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন।![]()
মনোনয়নপত্র জমা
![]()
মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙ্গা বিধানসভা কেন্দ্রের আইএস এফ প্রার্থী বিশ্বজিৎ মাইতি ও রাজারহাট নিউটাউন বিধানসভার কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তাপস চ্যাটার্জি তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন।![]()
মনোনয়নপত্র জমা
![]()
মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কৌস্তুভ বাগচী ও বীজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন।![]()
ব্যারাকপুরের ৭ বিজেপি প্রার্থীর সর্মথনে সভা কেন্দ্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এর
![]()
*প্রবীর রায়:* উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর স্টেশনের নিকটবর্তী বিজয় সংকল্প মঞ্চে ব্যারাকপুরের ৭ বিধানসভার প্রার্থীকে নিয়ে সভা করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। মঙ্গলবারের এই সভা থেকে তিনি বলেন, "ব্যারাকপুরের মাটি বঙ্কিমচন্দ্রের মাটি। এখানকার মানুষ লড়াই সংগ্রামে বরাবর এগিয়ে থাকে। এবার বাংলায় পরিবর্তন নিশ্চিত।" এরপর রাজনাথ সিং ৭ প্রার্থীকে নিয়ে রথে চড়ে ব্যারাকপুর প্রশাসনিক ভবনে আসেন। এদিন মনোনয়ন জমা দিলেন বীজপুর, নৈহাটী, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া ও ব্যারাকপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীরা।
সোমবার পাকিস্তান নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের ঠিক পরের দিনই, অর্থাৎ আজ মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে ভোটপ্রচারে এসেছিলেন রাজনাথ। সেখানে ভাষণের অধিকাংশ সময় জুড়েই তিনি সরাসরি নিশানা করেছেন মমতাকে। কিন্তু সম্পূর্ণ ভাবে এড়িয়ে গিয়েছেন পাকমন্ত্রীর হুমকি-প্রসঙ্গ।![]()
![]()
![]()
উন্নয়নের দাবিতে সন্দেশখালিতে আদিবাসী-তপশিলি সম্প্রদায় নামলো রাস্তায়, ভাওতাবাজির অভিযোগে সরব সুকুমার সর্দার
বসিরহাট : সুন্দরবনের উন্নয়নের দাবিতে এবং আদিবাসী ও তপশিলি সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামলেন হাজার হাজার মানুষ। বসিরহাটের সন্দেশখালি বিধানসভার ন্যাজাট, দাউদপুর, খুলনা, কালিনগর ও দুর্গামণ্ডপ সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে মানুষ এই মিছিলে সামিল হন। পুরুষদের পাশাপাশি মহিলাদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য।
ভারতীয় আদিবাসী ও তপশিলি জাতি উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত এই মিছিলের নেতৃত্ব দেন আদিবাসী নেতা সুকুমার সর্দার। তার বক্তব্যে উঠে আসে ক্ষোভ, বঞ্চনা এবং দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষের চিত্র। তিনি অভিযোগ করেন, সুন্দরবনের উন্নয়নের নামে বছরের পর বছর ধরে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, বাস্তবে কাজের দেখা মেলেনি। বিশেষ করে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য কোনো কার্যকর উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেই দাবি তার।
সুকুমার সর্দার বলেন, “সন্দেশখালি জুড়ে দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের নামে শুধু ভাওতাবাজি চলছে। তা আমরা আর মেনে নেব না। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য বাস্তবিক কোনো উন্নয়ন করা হয়নি। অথচ নির্বাচন এলেই আমাদেরই ভোটকে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আমাদের টার্গেট করে, ভোটের সময় আমাদের দরকার হয়, তারপর আমরা আবার উপেক্ষিত হয়ে পড়ি।” তিনি আরও বলেন, “স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে একাধিক আন্দোলনে আমাদের মানুষেরাই রক্ত দিয়েছে। অথচ আজও সেই মানুষগুলোকেই বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। এই অন্যায় আর চলতে পারে না বলেই আমরা রাস্তায় নেমেছি।”
এই মিছিল শুধু একটি প্রতিবাদ নয়, বরং সুন্দরবনের প্রান্তিক মানুষের দীর্ঘদিনের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের বহিঃপ্রকাশ বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে মৌলিক পরিকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার প্রসার, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং আদিবাসী ও তপশিলি সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য নির্দিষ্ট উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা গ্রহণ।
প্রখর রোদ উপেক্ষা করেও যেভাবে সাধারণ মানুষ এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেছেন, তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে ক্ষোভ আর নীরব নেই। সন্দেশখালির মাটিতে এই আন্দোলন আগামী দিনে আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই আশঙ্কা ও প্রত্যাশা, দুইই প্রকাশ পাচ্ছে।
ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসে বড় ভাঙন
নিজস্ব প্রতিনিধি: নির্বাচন কে সামনে রেখে প্রতিদিনিই রাজ্য জুড়ে চলছে ভাঙনের খেলা। সোমবার সেই ধারা অব্যাহত রেখে ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙন ধরাল বিজেপি।বর্তমান ও প্রাক্তন মিলিয়ে দুই তৃণমূল কাউন্সিলর, এক প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং প্রাক্তন বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিলেন। এদিন সন্ধ্যায় জগদ্দল বিধানসভার শ্যামনগর ফিডার রোডে বিজেপির সভামঞ্চে পদ্ম পতাকা তুলে নিলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং, হালিশহর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান রাজু সাহানি, ভাটপাড়া পুরসভার সি আই সি হিমাংশু সরকার, গারুলিয়ার প্রাক্তন কাউন্সিলর অনন্যা সাহা এবং কাউগাছি ১ পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য শম্ভু দত্ত সহ বেশকিছু তৃণমূল কর্মী। এদের প্রত্যেকের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সদস্য সুরেশ রানা , জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ ও অর্জুন সিং।
সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে নাম বাদ ৬৭৯ জনের, বিক্ষোভে উত্তাল ধান্যকুড়িয়া, অবরোধ টাকি রোডে
বসিরহাট : নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়ায় ধাপে ধাপে প্রকাশিত সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল বসিরহাটের ধান্যকুড়িয়ায়। অভিযোগ, ৩১, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর বুথে মোট ৬৭৯ জন ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান এবং টাকি রোড অবরোধ করেন। হঠাৎ করে এত সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, বৈধ ভোটারদের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার সামিল। অবরোধের জেরে কিছুক্ষণের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হন। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনও পূর্বসূচনা বা যাচাই-বাছাই ছাড়াই নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। অনেকেই জানিয়েছেন, বছরের পর বছর ভোট দিয়ে আসলেও হঠাৎ করেই তালিকা থেকে নাম উধাও হয়ে গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে মাটিয়া থানার পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। তবে দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয়রা।
2 hours and 2 min ago
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
2- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
0.4k