।। বসিরহাট উত্তরে আইএসএফ সভায় তৃণমূল-বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ নওশাদ সিদ্দিকীর ।।
বসিরহাট : বসিরহাট উত্তর বিধানসভায় নির্বাচনী লড়াই জমে উঠতেই রাজনৈতিক তরজা তীব্র আকার নিচ্ছে। এদিন বিকালে বেঁকি বাজার এলাকায় ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) প্রার্থী মুসা কারিমুল্লার সমর্থনে জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপিকে একসঙ্গে নিশানা করলেন আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকী।
সভামঞ্চ থেকে তিনি দাবি করেন, “বিজেপির গর্ভ থেকেই তৃণমূলের জন্ম”, এবং দুই দলই আসলে একই রাজনৈতিক ধারার অংশ। তার কথায়, মানুষ যেন কোনওভাবেই বিজেপি বা তৃণমূলের “বাইনারি রাজনীতির” ফাঁদে না পড়ে, বরং বিকল্প শক্তিকে সমর্থন করে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস আইনকে অপব্যবহার করছে এবং ২০২১ থেকে ২০২৬ এই সময়কালে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি।
নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, আইএসএফ ক্ষমতায় এলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পানীয় জলের মতো মৌলিক পরিষেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করবে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিজেপি দিল্লি থেকে এসে বাংলার পরিবেশ ও সামাজিক কাঠামো নষ্ট করতে চাইছে, আর তৃণমূল সেই প্রক্রিয়াকেই পরোক্ষে প্রশ্রয় দিচ্ছে। তার বক্তব্য, “বিজেপিকে হারাতে গিয়ে তৃণমূলকে ভোট দেওয়া মানে শেষ পর্যন্ত বিজেপিকেই শক্তিশালী করা।” এসআইআর ইস্যুতেও রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, মুখে বিরোধিতা করলেও বাস্তবে এই প্রক্রিয়াকে সমর্থন করছে তৃণমূল। তার অভিযোগ, এই প্রক্রিয়া পরিচালনায় সাধারণ মানুষের টাকাই খরচ করা হচ্ছে, অথচ শিক্ষা-স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা আড়ালে চলে যাচ্ছে।
এদিনের সভা থেকে বড়সড় দলবদলের ঘটনাও সামনে আসে। প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ তৃণমূল কর্মী-সমর্থক নওশাদ সিদ্দিকীর হাত ধরে আইএসএফে যোগ দেন বলে দাবি করা হয়। দলত্যাগীদের বক্তব্য, তৃণমূলে থেকে “রাহাজানি ও গুন্ডাগিরি” সহ্য করতে না পেরে এবং স্থানীয় প্রার্থীকে পছন্দ না হওয়ায় তারা দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সব মিলিয়ে, বসিরহাট উত্তর কেন্দ্রে আইএসএফ নিজেদের শক্তি বাড়াতে মরিয়া, আর এই সভা থেকে তৃণমূল-বিজেপি বিরোধী তৃতীয় শক্তির বার্তা জোরালো করারই চেষ্টা স্পষ্ট হয়েছে।

বসিরহাট : বসিরহাট উত্তর বিধানসভায় নির্বাচনী লড়াই জমে উঠতেই রাজনৈতিক তরজা তীব্র আকার নিচ্ছে। এদিন বিকালে বেঁকি বাজার এলাকায় ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) প্রার্থী মুসা কারিমুল্লার সমর্থনে জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপিকে একসঙ্গে নিশানা করলেন আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকী।

নিজস্ব সংবাদদাতা: মঙ্গলবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার বীজপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাসের প্রধান কার্যালয়ে হঠাৎ এক যুবক ঢুকে পড়ে। সুদীপ্তর ওপর হামলার আগেই যুবককে দলের কর্মীরা ধরে ফেলে। এরপর তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস বলেন, "ওই যুবকের নাম বাবাই চক্রবর্তী। কাঁচরাপাড়ার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার পকেট থেকে পাঞ্চ জাতীয় কিছু পাওয়া গিয়েছে"।যদিও তিনি বুধবার সকালে নিরাপত্তারক্ষী ছাড়াই কাঁচরাপাড়ার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচার করেন। বিজেপি প্রার্থী আরও বলেন, পুলিশের ওপর সরকারি চাপ আছে। যদিও নির্বাচন কমিশন যে ভূমিকা নিতে চলেছে তাতে করে এই চাপ থাকবে না।
বসিরহাট : বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের আবহ যত গাঢ় হচ্ছে, ততই প্রচারে গতি বাড়াচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ তৌসিফুর রহমান। গ্রামে-গঞ্জে জনসংযোগে বেরিয়ে সাধারণ মানুষের উষ্ণ অভ্যর্থনায় কার্যত আপ্লুত হয়ে পড়ছেন তিনি। মাখালগাছা গ্রামে প্রচারে গিয়ে সেই চিত্রই আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল।
বসিরহাট : দুয়ারে ভোট, পুরোদমে প্রচারের কাজেও ঝাঁপিয়ে পড়েছেন প্রার্থীরা। কিন্তু এখনও কী ক্ষোভের আগুন নিভবে না তৃণমূলে? তৃণমূল ছাড়লেন বাদুড়িয়ার বিদায়ী বিধায়ক কাজী আব্দুর রহিম। এবার তাকে আর দাঁড় করায়নি দল। এর আগেও টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। এবার তৃণমূল ছাড়ার ঘোষণা করলেন একেবারে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে। দলের বাড়তে থাকা গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, যড়যন্ত্রের অভিযোগে সরব হয়েছেন তিনি। ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। তার সফা কথা, ২০২১ সাল দলের কঠিন সময়ে যারা দল করেছে তাদেরকে টিকিট দেওয়া হয়নি। উল্টে যারা দলের বিরোধিতা করেছে তাদের টিকিট দেওয়া হয়েছে। এই সব বিষয় নিয়ে দলের উপরতলার বিরুদ্ধে তোপের পর তোপ দেগেছেন নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে। দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে তীব্র অভিমানের সঙ্গে তিনি লিখছেন, ‘আমি সবসময় সত্য, ন্যায় এবং আদর্শের পথে চলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে জানাতে বাধ্য হচ্ছি, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই আদর্শ ও বাস্তবতার মধ্যে যে গভীর ফারাক তৈরি হয়েছে, তা আর উপেক্ষা করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। বারবার অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ না হওয়ায় আমি মানসিকভাবে অত্যন্ত ব্যথিত।’ এরপরই তার সংযোজন, ‘আমি কখনও আপোসের রাজনীতি করিনি, আর ভবিষ্যতেও করব না। আমার পিতার আদর্শ আমাকে শিখিয়েছে—অন্যায়ের সঙ্গে আপস নয়, সত্যের পথেই অটল থাকা। সেই কারণেই আমি তৃণমূল কংগ্রেসের সকল পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করলাম। আমি মানুষের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব—এটাই আমার অঙ্গীকার।’
1 hour and 42 min ago
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1