_প্রশান্ত বর্মনকে আত্মসমর্পণের জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময়, হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ_
_কলকাতা -_ বহুচর্চিত মামলায় অভিযুক্ত প্রশান্ত বর্মনকে আত্মসমর্পণের জন্য আদালত আরও একবার কড়া সময়সীমা বেঁধে দিল। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, প্রশান্ত বর্মনকে আগামী _৮ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে তিনটার মধ্যে_ আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

শুধু আত্মসমর্পণই নয়, আদালত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে।

_আদালতের বড় নির্দেশ -_
১. _অবিলম্বে বেতন বন্ধ -_ আদালত প্রশান্ত বর্মনের বেতন এখনই বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে।
২. _সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হবে -_ তার সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৩. _সিআইডি রিপোর্ট দেবে -_ এই মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডিকে তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করতে হবে।

আদালত এও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অভিযুক্ত আত্মসমর্পণ না করলে তার বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।

এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে _১৪ ডিসেম্বর_। সেদিনই সিআইডি তাদের তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট আদালতে জমা দেবে।
খোঁচা খাওয়া বাঘের থাবায় ৭ গোল, শিল্ড ফাইনালে ফের ডার্বি*
*খেলা*


*কলকাতা:* ময়দানের সেই পুরনো প্রবাদটাই ফের সত্যি হলো - খেলার শুরু দেখে শেষ আন্দাজ করা যায় না। সোমবার কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে আইএফএ শিল্ডের সেমিফাইনালে তারই প্রমাণ মিলল। প্রথমে পিছিয়ে পড়েও নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডকে সাত গোলের মালা পরিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল।

ম্যাচের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি লাল-হলুদের। প্রথমার্ধে নর্থ-ইস্টের আক্রমণের সামনে কিছুটা অগোছালো লাগছিল ইস্টবেঙ্গল রক্ষণকে। সেই সুযোগেই এগিয়ে যায় পাহাড়ের দলটি। কিন্তু গোল হজম করতেই যেন ঘুম ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের।

আর সেখান থেকেই শুরু ডেভিড-ঝড়। উত্তর-পূর্বেরই ভূমিপুত্র ডেভিড লালরানসাঙ্গা একাই তছনছ করে দিলেন নর্থ-ইস্টের ডিফেন্স। দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে দলকে ফাইনালের টিকিট এনে দিলেন তিনি। ডেভিডের পাশাপাশি বাকিরাও জ্বলে উঠলেন। একের পর এক আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে নর্থ-ইস্ট। শেষ বাঁশি যখন বাজল, স্কোরবোর্ডে জ্বলজ্বল করছে ৭ গোলের ব্যবধান।

এই জয়ের ফলে আরও একবার ফাইনালে সেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিতা। ডুরান্ড কাপের পর এবার আইএফএ শিল্ডের ফাইনালেও মুখোমুখি হতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান। ফাইনালের আগে এই সাত গোলের জয় নিঃসন্দেহে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে লাল-হলুদ শিবিরকে।

ছবি:সংগৃহীত।
মনীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ড: ন্যায়বিচারের দাবিতে ফের সরব বিজেপি, নান্টু ঘোষকে নিশানা

*ব্যারাকপুর:* টিলাগড়ের বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লার মৃত্যুবার্ষিকীতে ফের তদন্তের দাবি তুলল বিজেপি। রবিবার সন্ধ্যায়  মিছিল শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বিজেপির বিধায়ক তথা পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং।

তিনি বলেন, "আজকের দিনেই খুন হয়েছিল মনীশ। মারা যাওয়ার ২ ঘণ্টা আগেও ও আমার সঙ্গে ছিল। আমি কলকাতায় গিয়েছিলাম আমাদের নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে দেখা করতে। ওর ও যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ও অন্য দিকে চলে যায়। আগে থেকেই ফাঁদ পাতা ছিল। থানার সামনেই তৎকালীন কিছু পুলিশ অফিসারের সহযোগিতায় নান্টু ঘোষ অ্যান্ড কোম্পানি এই কাজটা করিয়েছিল।" তিনি আরও জানান, এই মামলায় এখনও অনেক অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়নি। কেসটি এখনও রি-ওপেন হয়নি।

"আমাদের সরকার এখন রাজ্যে, তাই আদালতের মাধ্যমে এই কেস রি-ওপেন করে মনীশ শুক্লার হত্যার বিচার হবে বলেই আশা করছি," বলেন অর্জুন সিং। ছবি:প্রবীর রায়।
मेसी-कांड में वंचित रहे लोगों के लिए बड़ी घोषणा, भारत-उरुग्वे मैच का फ्री टिकट देगी राज्य सरकार
*_खेल_*


*_कोलकाता:_* पिछले साल 13 दिसंबर को युवा भारती में लियोनेल मेसी के 'गोट टूर' को लेकर भारी अव्यवस्था हुई थी। टिकट खरीदने के बावजूद हजारों दर्शक मेसी को देख नहीं पाए थे। उसी गुस्से को शांत करने के लिए अब राज्य सरकार ने बड़ा फैसला लिया है।

शनिवार को युवा भारती में भारत-ब्राजील मैच के दिन ही मुख्यमंत्री शुभेंदु अधिकारी ने घोषणा की थी कि मेसी के कार्यक्रम में वंचित रहे दर्शकों के लिए विशेष व्यवस्था की जाएगी। उसी के मुताबिक रविवार को राज्य के खेल मंत्री इंद्रनील खां ने विस्तार से जानकारी दी।

*_फ्री टिकट कब, कहां मिलेगा?_*

खेल मंत्री ने एक्स हैंडल पर बताया है कि आने वाले 6 अक्टूबर को युवा भारती में भारत बनाम उरुग्वे मैच का टिकट पूरी तरह से मुफ्त में उन दर्शकों को दिया जाएगा, जिन्होंने पिछले साल मेसी के कार्यक्रम का टिकट खरीदा था।

*टिकट लेने का समय: _5 अक्टूबर, सुबह 11 बजे से शाम 5 बजे तक।_*

क्या-क्या लगेगा? सरकारी पहचान पत्र और पिछले साल के मेसी मैच के टिकट का सबूत।

*_इन 8 जगहों पर टिकट मिलेगा -_*

1. राजा मणींद्र रोड स्थित मोहित मैत्र मंच
2. आजाद हिंद बाग का मिलन मंजरी कम्युनिटी हॉल
3. जेम्स लांग सरणी का अभियान कम्युनिटी हॉल
4. विवेकानंद पार्क का उद्यापन कम्युनिटी हॉल
5. एजेसी बोस रोड का शुभनंदन कम्युनिटी हॉल
6. युवा भारती विवेकानंद क्रीड़ांगन
7. बिधाननगर म्युनिसिपैलिटी स्पोर्ट्स कॉम्प्लेक्स
8. राजारहाट गोपालपुर स्विमिंग पूल

प्रशासन सूत्रों के मुताबिक, ऑनलाइन करीब 22 हजार दर्शकों ने पिछली बार टिकट खरीदा था, उन्हीं को यह सुविधा दी जाएगी। हालांकि अंतिम संख्या अभी आधिकारिक तौर पर नहीं बताई गई है।

वहीं, आम दर्शकों के लिए भारत-उरुग्वे मैच के टिकटों की बिक्री शुरू हो गई है। C2 ब्लॉक के बाएं और दाएं तरफ की सीटों की कीमत सिर्फ 199 रुपये रखी गई है, जो ब्राजील मैच की तुलना में काफी कम है।
মেসি-কাণ্ডে বঞ্চিতদের জন্য বড় ঘোষণা, ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের ফ্রি টিকিট দেবে রাজ্য সরকার*
*খেলা*

*কলকাতা:* গত বছর ১৩ ডিসেম্বর যুবভারতীতে লিওনেল মেসির 'গোট ট্যুর' ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলা হয়। টিকিট কেটেও মেসিকে চোখের দেখা দেখতে পাননি হাজার হাজার দর্শক। সেই ক্ষোভ মেটাতে এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।

শনিবার যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের দিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন, মেসির অনুষ্ঠানে বঞ্চিত দর্শকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। সেই মতোই রবিবার বিস্তারিত জানালেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ।

*কবে, কোথায় মিলবে ফ্রি টিকিট?*

এক্স হ্যান্ডেলে ক্রীড়ামন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত বনাম উরুগুয়ে ম্যাচের টিকিট সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হবে সেই সব দর্শকদের, যাঁরা গত বছর মেসির অনুষ্ঠানের টিকিট কেটেছিলেন।

টিকিট সংগ্রহের সময়: *৫ অক্টোবর, সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা।*

কী কী লাগবে? সরকারি পরিচয়পত্র এবং গত বছরের মেসি ম্যাচের টিকিটের প্রমাণ।

*টিকিট পাওয়া যাবে এই ৮ জায়গায় -*

১. রাজা মণীন্দ্র রোডের মোহিত মৈত্র মঞ্চ
২. আজাদ হিন্দ বাগের মিলন মঞ্জরী কমিউনিটি হল
৩. জেমস লং সরণীর অভয়ান কমিউনিটি হল
৪. বিবেকানন্দ পার্কের উদযাপন কমিউনিটি হল
৫. এজেসি বোস রোডের শুভনন্দন কমিউনিটি হল
৬. যুবভারতী বিবেকানন্দ ক্রীড়াঙ্গন
৭. বিধাননগর মিউনিসিপ্যালিটি স্পোর্টস কমপ্লেক্স
৮. রাজারহাট গোপালপুর সুইমিং পুল

প্রশাসন সূত্রে খবর, অনলাইনে যে প্রায় ২২ হাজার দর্শক গতবার টিকিট কেটেছিলেন, তাঁদেরই এই সুবিধা দেওয়া হবে। যদিও চূড়ান্ত সংখ্যা এখনও সরকারিভাবে জানানো হয়নি।

অন্যদিকে, সাধারণ দর্শকদের জন্য ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু হয়ে গিয়েছে। C2 ব্লকের বাঁ ও ডান দিকের আসনের দাম রাখা হয়েছে মাত্র ১৯৯ টাকা, যা ব্রাজিল ম্যাচের তুলনায় অনেকটাই কম।

ছবি: AI দ্বারা নির্মিত ছবি।
ভারতকে ৪-০ হারিয়েও ব্রাজিলকে ধুয়ে দিল নিজের দেশের মিডিয়া! ভিনিদের ফুটবলকে বলা হল 'ঘুমপাড়ানি'*
*খেলা*

*কলকাতা ডেস্ক:* র‍্যাঙ্কিংয়ে ব্যবধান ১৩২ ধাপ। একদিকে বিশ্বের ৬ নম্বর ব্রাজিল, অন্যদিকে ১৩৮ নম্বরে থাকা ভারত। যুবভারতীতে ৪-০ ফল ভারতের জন্য লড়াই করেই হার। কিন্তু ব্রাজিলের জন্য? জিতেও চরম অস্বস্তিতে সেলেকাওরা।

৪ গোল দেওয়ার পরও দেশের মিডিয়ার কাছে তুলোধোনা হচ্ছে কার্লো আনচেলোত্তির দল। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমের চোখে ভারতের বিরুদ্ধে এই জয় মোটেও জয় নয়, বরং ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে খেলা ৯০ মিনিটের এক বিরক্তিকর প্রদর্শনী।

*ভিনিসিয়াসকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা*

ব্রাজিলের জনপ্রিয় পোর্টাল UOL সরাসরি লিখেছে, "আবারও হতাশ করল ব্রাজিল। ১৩৮ নম্বর দলের বিরুদ্ধে ৪-০ জয়টা নিতান্তই নিয়মরক্ষা।" তাদের বিশ্লেষণে, বাঁ-দিকে প্রচুর জায়গা পেয়েও সুপারস্টার ভিনিসিয়াস জুনিয়র ছিলেন সম্পূর্ণ ব্যর্থ। ভুল পাস, ছন্নছাড়া ড্রিবল ছাড়া কিছুই দিতে পারেননি।

আরেক সংবাদমাধ্যম Terra-র খোঁচা, "ব্রাজিলের ইতিহাসে অন্যতম দুর্বল প্রতিপক্ষকে পেয়েও মন ভরাতে পারল না দল।" দেশের প্রথম সারির কাগজ O Globo তো এই ম্যাচকে 'অনুশীলন ম্যাচ' বলেই উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের মতে, বল দখলে থাকলেও গোল করার কোনও তাগিদই ছিল না।

*ক্ষোভ উগরে দিলেন ফেলিপে মেলো*

প্রাক্তন তারকা ফেলিপে মেলো Sportv-তে বিস্ফোরক। তিনি বলেন, "ব্রাজিল শুধু পিছিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় নরওয়ের কাছে হারের পর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে দুটো প্রীতি ম্যাচে (১-১ ও ৪-২) বাজে খেলেছে। কলকাতায় ৪ গোল দিলেও খেলা ছিল কুৎসিত।"

কলকাতার গরমকে অজুহাত মানতে নারাজ মেলো। তাঁর সাফ কথা, "খারাপ খেলতে পারো, কিন্তু লড়াইয়ের মানসিকতা কোথায়? বদলি হিসেবে নামা মার্টিনেলি এবং জোড়া গোল করা সামুয়েল লিনো কিছুটা চেষ্টা করেছে। লিনো আরও সময় পেলে আরও গোল পেত।"

*CBF-কেও একহাত নিল ব্রাজিলের মিডিয়া*

শুধু ফুটবলার নয়, কাঠগড়ায় ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন (CBF)-ও। ফুটবল পোর্টাল Trivela প্রশ্ন তুলেছে, ফাঁকা গ্যালারিতে এই ম্যাচ খেলার মানে কী? তাদের সাংবাদিক কার্লোস ভিনিসিয়াসের লেখায়, "টিকিটের দাম আকাশছোঁয়া। স্টেডিয়াম ভর্তি হয়নি। ভারতের মতো দেশে খেলতে এলে টিকিট সাধারণ মানুষের নাগালে রাখা উচিত ছিল।" তাদের আরও অভিযোগ, ব্রাজিলের বহু রাজ্যে বছরের পর বছর জাতীয় দলের খেলা হয় না। দেশের সমর্থকদের বঞ্চিত করে শুধু টাকার জন্য এশিয়া সফর করছে CBF। বিশ্বকাপের আগে সভাপতি বলেছিলেন দল সাধারণ মানুষের কাছে যাবে, কিন্তু বাস্তবে তা ফাঁকা প্রতিশ্রুতি।

সব মিলিয়ে যুবভারতীতে স্কোরবোর্ডে ৪-০ জিতলেও, পারফরম্যান্সের বিচারে দেশে ফিরে প্রবল চাপে আনচেলোত্তির ব্রাজিল।
ছবি:সঞ্জয় হাজরা।

#IndiaVsBrazil #BrazilFootball #ViniciusJr #YuvaBharati #IndianFootball #CBF #Ancelotti #FelipeMelo #FootballNews
पूर्व नौकरी के आवेदन की जानकारी न देने से पुरानी पेंशन का हक नहीं छीनेगा: कलकत्ता हाईकोर्ट*

*कोलकाता:* सरकारी कर्मचारियों के लिए बड़ी राहत देते हुए कलकत्ता हाईकोर्ट ने एक महत्वपूर्ण फैसला सुनाया है। कोर्ट ने कहा है कि सिर्फ इसलिए कि एक नव-नियुक्त कर्मचारी ने अपनी पुरानी नौकरी के आवेदन की जानकारी नहीं दी थी, उसे पुरानी पेंशन योजना (OPS) के लाभ से वंचित नहीं किया जा सकता।

न्यायमूर्ति अमृता सिन्हा और न्यायमूर्ति बिस्वरूप चौधरी की खंडपीठ ने कहा कि पूर्व आवेदनों के खुलासे से संबंधित प्रक्रियात्मक नियमों की व्याख्या उदारता से की जानी चाहिए, खासकर जब मामला पुरानी पेंशन योजना जैसी कल्याणकारी योजना का हो।

*मामले की पृष्ठभूमि:*

याचिकाकर्ता ने मई 2002 में चपरासी (Peon) के पद के लिए आवेदन किया था और बाद में 2005 में लोअर डिवीजन क्लर्क (LDC) के पद के लिए भी आवेदन किया था। वह चपरासी के पद पर चयनित होकर नौकरी में शामिल हो गया।

चपरासी के रूप में काम करते हुए ही LDC पद का रिजल्ट आया और वह उसमें भी चयनित हो गया। उसे 12 मार्च, 2007 को नियुक्ति पत्र दिया गया। उसने 14 मार्च, 2007 को चपरासी पद से इस्तीफा दे दिया, जिसमें स्पष्ट रूप से लिखा था कि उसका चयन LDC के रूप में हो गया है। उसका इस्तीफा स्वीकार कर लिया गया और उसे 23 मार्च, 2007 को कार्यमुक्त कर दिया गया। उसने 27 मार्च, 2007 को LDC के पद पर ज्वाइन कर लिया।

उसके नए नियुक्ति पत्र में उल्लेख किया गया था कि वह नई पेंशन योजना (NPS), 2004 के तहत आएगा।

*विवाद क्या था:*

केंद्र सरकार ने एक कार्यालय ज्ञापन (Office Memorandum) जारी किया था, जिसमें एकमुश्त विकल्प दिया गया था कि जिन कर्मचारियों के पद का विज्ञापन 22.12.2003 (NPS की अधिसूचना की तारीख) से पहले आया था, वे पुराने CCS (पेंशन) नियम, 1972 के तहत आने का विकल्प चुन सकते हैं। इस विकल्प को चुनने की अंतिम तिथि 31 मार्च, 2023 थी।

कर्मचारी ने OPS के लिए आवेदन किया। लेकिन उसका दावा इस आधार पर खारिज कर दिया गया कि उसने चपरासी पद से "तकनीकी इस्तीफा" (Technical Resignation) नहीं लिया, बल्कि सीधे इस्तीफा दिया था, और चपरासी के पद पर ज्वाइन करते समय अपने लंबित LDC आवेदन के बारे में नहीं बताया था।

केंद्रीय प्रशासनिक अधिकरण (CAT) ने भी उसकी याचिका खारिज कर दी थी।

*हाईकोर्ट में दलीलें:*

कर्मचारी ने तर्क दिया कि उसने कभी भी तथ्य नहीं छिपाए। उसके इस्तीफा पत्र में दूसरी नौकरी मिलने का उल्लेख था। उसने 17 अगस्त, 2016 के OM का भी हवाला दिया, जिसमें कहा गया है कि उचित माध्यम से आवेदन करने के बाद दिया गया इस्तीफा एक तकनीकी औपचारिकता माना जाना चाहिए।

वहीं, विभाग का तर्क था कि उसे चपरासी पद पर ज्वाइन करते समय ही अपने पुराने लंबित आवेदन की जानकारी देनी चाहिए थी, और ऐसा न करने के कारण वह NPS के तहत ही रहेगा।

*कोर्ट की टिप्पणी:*

रिट याचिका को स्वीकार करते हुए खंडपीठ ने कहा कि उसके इस्तीफे को तकनीकी इस्तीफा ही माना जाना चाहिए। कल्याणकारी योजना का उद्देश्य पेंशन लाभ देना है, और अनजाने में हुई एक तकनीकी चूक से किसी का अधिकार खत्म नहीं हो सकता।

कोर्ट ने अधिकारियों को याचिकाकर्ता को पुरानी पेंशन योजना का लाभ देने का निर्देश दिया है।

इस फैसले से ऐसे कई कर्मचारियों को लाभ मिलने की उम्मीद है जो इसी तरह की समस्या का सामना कर रहे हैं।

#CalcuttaHighCourt #OldPensionScheme #OPSvsNPS #PensionNews #HighCourtJudgement #JusticeAmritaSinha #JusticeBiswaroopChowdhury #CCSPensionRules #TechnicalResignation #GovernmentEmployee #KolkataNews
युवाभारती में इतिहास! पहली बार भारत के सामने पांच बार की वर्ल्ड चैंपियन ब्राजील, रयान को लेकर सतर्क हैं एंसेलोटी
*रिपोर्टर: स्वरूप रॉय*

*Kolkata* शनिवार शाम कोलकाता के विवेकानंद युवाभारती क्रीड़ांगन में सिर्फ एक फुटबॉल मैच नहीं, बल्कि भारतीय फुटबॉल का नया इतिहास लिखा जाने वाला है। कोलकाता में पहली बार आमने-सामने होंगे भारत और पांच बार के विश्व चैंपियन ब्राजील।

मैच को लेकर शहर भर में सांबा का जुनून चरम पर है। पूरा कोलकाता पीले-हरे जर्सी में सज गया है। फुटबॉल के दीवाने इस शहर में हर कोई विनिसियस की एक झलक पाने का इंतजार कर रहा है। लेकिन इस जश्न के माहौल में भी ब्राजील टीम भारत को एक पल के लिए भी हल्के में नहीं ले रही है।

शुक्रवार को कोलकाता के एक फाइव स्टार होटल में ब्राजील टीम ने प्रेस कॉन्फ्रेंस की। मंच पर आते ही ब्राजील के कोच कार्लो एंसेलोटी ने पुर्तगाली या अंग्रेजी की जगह ‘नमस्ते’ कहकर अपनी बात शुरू की। उन्होंने कहा, "ब्राजील नेशनल टीम के साथ यहां आना हमारे लिए सच में गर्व की बात है। हम जानते हैं कि यहां के लोग फुटबॉल और नेशनल टीम से कितना प्यार करते हैं।"

भारत को लेकर एंसेलोटी ने साफ संदेश दिया, "हमने भारत का पिछला मैच देखा है। पनामा अच्छी टीम है। भारत के पास एक स्ट्राइकर रयान विलियम्स है, जो हमारे लिए खतरनाक हो सकता है। इसलिए हम उसे लेकर सोच रहे हैं।" उन्होंने आगे कहा, "ब्राजील नेशनल टीम के लिए कोई भी मैच सिर्फ फ्रेंडली मैच नहीं होता। जब सामने भारत है, तो हम उन्हें पूरा सम्मान देकर मैदान में उतरेंगे।"

दूसरी तरफ, ब्राजील के कप्तान मार्किन्होस ने भी भारतीय फुटबॉलरों की तारीफ की। उन्होंने कहा, "भारतीय टीम में कुछ ऐसे खिलाड़ी हैं, जिनका सम्मान करना ही होगा। उनके पास एक गोलकीपर है, जो नेशनल टीम के लिए लगभग 90 मैच खेलने जा रहा है। ये बड़ी उपलब्धि है।"

कोलकाता की हवा में अभी सांबा की धुन है। लेकिन विश्व फुटबॉल की सबसे बड़ी टीमों में से एक के कोच और कप्तान के मुंह से भारत और भारतीय खिलाड़ियों की तारीफ सुनना, युवाभारती के महामुकाबले से पहले एक बड़ी उपलब्धि है।
যুবভারতীতে ইতিহাস! প্রথমবার ভারতের মুখোমুখি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, রায়ানকে নিয়ে সতর্ক আন্সেলোত্তি
*খেলা*


*নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা:* শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ নয়, লেখা হতে চলেছে ভারতীয় ফুটবলের নতুন ইতিহাস। কলকাতার বুকে প্রথমবার মুখোমুখি ভারত এবং পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।

ম্যাচ ঘিরে ইতিমধ্যেই শহরজুড়ে সাম্বার উন্মাদনা তুঙ্গে। হলুদ-সবুজ জার্সিতে সেজে উঠেছে কলকাতা। ভিনিসিয়াসদের এক ঝলক দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে ফুটবলপাগল শহর। কিন্তু এই উৎসবের আবহের মধ্যেও ভারতকে এক মুহূর্তের জন্যও হালকা ভাবে নিচ্ছে না ব্রাজিল শিবির।
*আন্সেলোত্তির মুখে রায়ান-স্তুতি, গুরপ্রীতকে কুর্নিশ মার্কুইনহোসের*

শুক্রবার বাইপাসের ধারে একটি পাঁচতারা হোটেলে সাংবাদিক বৈঠকে হাজির হয় ব্রাজিল দল। মঞ্চে উঠে পর্তুগিজ বা ইংরেজির বদলে ‘নমস্তে’ বলে বক্তব্য শুরু করেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আন্সেলোত্তি।

তিনি বলেন, “ব্রাজিল জাতীয় দলের সঙ্গে এখানে আসতে পারা আমাদের কাছে সত্যিই গর্বের। আমরা জানি, এখানকার মানুষ ফুটবল আর জাতীয় দলকে কতটা ভালোবাসেন।”

ভারতকে নিয়ে আন্সেলোত্তি স্পষ্ট বার্তা দেন, “আমরা ভারতের শেষ ম্যাচটি দেখেছি। পানামা ভালো দল। ভারতের একজন স্ট্রাইকার রায়ান উইলিয়ামস রয়েছে, যে আমাদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। তাই ওকে নিয়ে আমরা ভাবছি।” তিনি আরও যোগ করেন, “ব্রাজিল জাতীয় দলের কাছে কোনও ম্যাচই শুধু প্রীতি ম্যাচ নয়। প্রতিপক্ষ যখন ভারত, তখন তাদের যথাযথ সম্মান দিয়েই আমরা মাঠে নামব।”

অন্যদিকে, ভারতীয় ফুটবলারদের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়েছেন ব্রাজিল অধিনায়ক মার্কুইনহোস। তিনি বলেন, “ভারতীয় দলে এমন কয়েকজন ফুটবলার আছেন, যাঁদের সম্মান করতেই হবে। গোলকিপার রয়েছেন, যিনি জাতীয় দলের হয়ে প্রায় ৯০টি ম্যাচ খেলতে চলেছেন। এটা বড় অর্জন।”

কলকাতার আকাশে এখন সাম্বার সুর। তবে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা দলের কোচ ও অধিনায়কের মুখে ভারতের নাম ও ভারতীয় ফুটবলারের প্রশংসা, যুবভারতীর মহারণের আগে সেটাও কম বড় প্রাপ্তি নয়। ছবি: সঞ্জয় হাজরা।

#IndiaVsBrazil #IndianFootball #BrazilFootballTeam #YuvaBharati #SaltLakeStadium #CarloAncelotti #Marquinhos #RyanWilliams #GurpreetSinghSandhu #FootballInKolkata #SambaInKolkata #BreakingNews #SportsNews
গান্ধী জয়ন্তীতে ব্যারাকপুর গান্ধীঘাটে রাজ্যপালের শ্রদ্ধাঞ্জলি, চরকা কেটে বাপুকে স্মরণ

নিজস্ব সংবাদদাতা: আজ ২ অক্টোবর, জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ১৫৭তম জন্মজয়ন্তী। সারা দেশের সঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে দিনটি পালিত হল উত্তর ২৪ পরগনার ঐতিহাসিক ব্যারাকপুর গান্ধীঘাটেও।

এদিন সকালে গান্ধীঘাটে মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন রাজ্যের রাজ্যপাল আর এন রবি গান্ধীজির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিং, কল্যাণ চক্রবর্তী, রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, উত্তর ২৪ পরগনার জেলা শাসক সহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর উপস্থিত অতিথিরা গান্ধীঘাট চত্বরে আয়োজিত চরকায় সুতো কাটা কর্মসূচি প্রত্যক্ষ করেন। গান্ধীজির স্বনির্ভরতার প্রতীক চরকা কাটার মাধ্যমে তাঁর আদর্শকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ব্যারাকপুরের এই গান্ধীঘাটেই মহাত্মা গান্ধীর চিতাভস্ম একটি অংশ হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত এই স্থানে বিসর্জন দেওয়া হয়েছিল, তাই এই স্থানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতি বছর ২রা অক্টোবর এখানে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।