রাস্তার উপর তুলসী মন্দির ভাঙ্গা কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা জগদ্দলের ২৩ নং ওয়ার্ডে

*প্রবীর রায়* : উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের ২৩ নং ওয়ার্ডের ইস্ট কাপ্তেপারা নেহেরু মার্কেট এলাকায় বিগত ৫ বছর ধরে তুলসী বেঁধী স্থাপিত ছিল। সেই তুলসী বেঁধী হঠাৎই জেসিবি দিয়ে ভেঙে দেয় ২৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুকেশ বিশ্বাস। সেই ঘটনা কে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলেএসে পৌঁছায় জগদ্দল বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী রাজেশ কুমার সাংবাদিকদের মুখ মুখী হয়ে জানান ,"পুনরায় এই তুলসী বেঁধী বানিয়ে দিতে হবে। এবং পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কাউন্সিলরের গ্রেফতার করতে হবে বলেও জানান"।
যদিও তৃণমূল কাউন্সিলর সুকেশ বিশ্বাস জানান," রাস্তা তৈরীর কাজ চলছে। সেই কারণেই এই তুলসী বেঁধী টি ভাঙ্গা হয়েছে এবং রাস্তা হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় তুলসী মন্ডপ বানিয়ে দেওয়া হবে।"
ভোটবঙ্গে প্রথম দফার মহারণে, দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬২.১৮ শতাংশ
*ডেস্ক* : পশ্চিমবঙ্গে আজ ভোট মহারণের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ চলছে সকাল ৭ টা থেকে। এদিন ১৬ জেলায় ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোট গ্রহণ হবে। গোটা উত্তরবঙ্গে আজ যেমন ভোটগ্রহণ হবে, তেমনই ভোট গ্রহণ চলছে জঙ্গলমহল ও মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়।দুপুর ১টা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ভোট পড়েছে ৬২.১৮ শতাংশ।

*ভোট দিতে এসে গরমে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু ভোটারের*

রাজ্যে প্রথম দফার ভোট শুরু হল। এদিন ভোট দিতে গিয়ে মৃত্যু হল এক ভোটারের। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর বিধানসভার দিঘা বুথে ভোট দিয়ে বেরনোর পরে মারা গেলেন এক মহিলা ভোটার। মৃতের নাম ইসরাতন বিবি, তিনি কেশপুরের সীমাগেরিয়ার বাসিন্দা, বয়স ৫০ এর কাছাকাছি।বৃহস্পতিবার সকালে তিনি ভোট দিতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ভোট দিয়ে বেরোনের পরেই এমন ঘটনা।
এছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের বামনবাড় জুনিয়র হাইস্কুলের ২৩৪ নম্বর বুথে গরমে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হল নৃপেন্দ্র দাস (৫৮) নামের এক ব্যক্তির ।

*বহরমপুরে তৃণমূলের ভুরিভোজ*

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের এলাকা হিসেবে পরিচিত ৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের জন্য সকাল থেকেই চলছে রান্নার তোড়জোড়। বহরমপুর জেলা কংগ্রেস কার্যালয় লাগোয়া এক রেস্তোরাঁতে চলছে রান্না। সকালে জলখাবারে ছিল লুচি-আলুর তরকারি-রসগোল্লা। দুপুরের মেনুতে ছিল ফ্রায়েড রাইস, দু'পিস চিকেন ও আলু।

*ছাপ্পা ভোট*

নির্বাচন কমিশন এবার বাংলায় নির্বিঘ্নে ভোট করাতে মোতায়েন রেকর্ড সংখ্যক বাহিনী।নজিরবিহীন ভাবে রাস্তায় নেমেছে সাঁজোয়া গাড়ি। ভোটারদের সুরক্ষাতেও কড়া নজর কমিশনের। ১০০ শতাংশ ওয়েব কাস্টিং সত্ত্বেও এড়ানো গেল ছাপ্পা? উত্তর বঙ্গের শিলিগুড়িতে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তুললেন এক ভোটার। জীবনে প্রথম বার ভোট দিতে এসে ভোটার শুনলেন তাঁর ভোট পড়ে গিয়েছে।চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগ শিলিগুড়ির রামকৃষ্ণ পাঠশালায়।জানা গিয়েছে, ছাপ্পা ভোটের শিকার কাজল দাস নামে এক তরুণী। এই বছরই প্রথম ভোটার তালিকায় নাম ওঠার পর উৎসাহের সঙ্গে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শিলিগুড়ির রামকৃষ্ণ পাঠশালায় তাঁর নিজের বুথে পৌঁছতেই হতাশাজনক অভিজ্ঞতার শিকার হলেন কাজল দাস। ওই তরুণীর অভিযোগ, তাঁর পরিচয়পত্র দেখে প্রিসাইডিং অফিসার জানান, তাঁর ভোট আগেই হয়ে গিয়েছে।
দুর্নীতি মামলায় ইডি হাজিরা থেকে সাময়িক স্বস্তি,তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুর
নিজস্ব প্রতিনিধি:পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি হাজিরা থেকে সাময়িক স্বস্তি পেলেন তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু। দুবছর আগে এই মামলায় চার্জসিট জমা দিয়েছে সিবিআই। সেখানে সুজিত বসুর নাম নেই। অথচ সেই মামলায় ভোটের মুখে ২ এপ্রিল থেকে ইডি বারেবারে সমন দিয়ে তলব করেছে বলে অভিযোগ সুজিতের। এরমধ্যে তিনি সমন পেয়ে ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ইডি তার হাজিরা গ্রাহ্য করেনি। আবার আজ, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) তাকে তলব করেছে ইডি। তাই সুজিতের আবেদন, ভোট মেটার পরে তাকে তলবের নির্দেশ দেওয়া হোক। কারণ তিনি প্রার্থী। যদিও ইডির দাবি, অভিযুক্তের এই মামলা গ্রহণযোগ্য নয়। তাকে একাধিকবার তলব করলেও তিনি সহযোগিতা করছেন না। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের নির্দেশ, সুজিতকে আগামী ১ মে সাড়ে ১০ টায় হাজির হতে হবে ইডি অফিসে। তবে তিনি ছেলেকে নিজের জায়গায় পাঠাতে পারবেন না। আদালতের বক্তব্য, একের পর এক সমন পেয়ে তিনি না গেলেও তার জবাব দিয়েছেন, তাই তাকে এই সময় দেওয়া হচ্ছে ভোটে প্রার্থী হওয়ায়।
"চায়ে পেয়ে, চর্চা" পার্টিতে করেন নোয়াপাড়া বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং

নিজস্ব প্রতিনিধি: বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার কাঁকিনাড়া বাজারে চায়"চায়ে পেয়ে, চর্চা" পার্টিতে অংশগ্রহণ করেন নোয়াপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। তিনি বলেন," মমতা ব্যানার্জি এখন টিটাগড়, ব্যারাকপুর, নোয়াপাড়া, নৈহাটি ,ভাটপাড়া সমস্ত জায়গা ঘুরে বেড়াচ্ছেন।"অর্জুন সিং কটাক্ষ করে বলেন, "মমতা ব্যানার্জি এখন পিসি পার্টি মতো কাজ করে বেড়াচ্ছেন"।

ছবি: প্রবীর রায়

হিঙ্গলগঞ্জে ত্রাণ বণ্টন ঘিরে বিতর্ক, মালপত্র আটকে বিক্ষোভ এলাকাবাসীদের

বসিরহাট : বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ত্রাণের সামগ্রী ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। অভিযোগ, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ও ইয়াশের র ত্রাণ হিসেবে মজুত থাকা সামগ্রী নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছিল। এই অভিযোগকে সামনে রেখেই এলাকার বাসিন্দারা ত্রাণের মালপত্র আটকে বিক্ষোভ দেখান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হিঙ্গলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে আম্ফান ও ইয়াস পরবর্তী ত্রাণের বিভিন্ন সামগ্রী মজুত ছিল। অভিযোগ, সেই সামগ্রী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বের করে শাসক দলের ঘনিষ্ঠ প্রশাসনিক কর্তাদের উপস্থিতিতে নির্দিষ্ট কিছু মানুষের মধ্যে বিলি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার সাধারণ মানুষ। তারা বিদ্যালয়ে গিয়ে ত্রাণের মালপত্র বাইরে বের করতে বাধা দেন এবং সরাসরি আটকে দেন বিতরণ প্রক্রিয়া।
পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন হিঙ্গলগঞ্জের বিডিও দেবদাস গাঙ্গুলী। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি পরিস্থিতি শান্ত করার পরিবর্তে উল্টে বিক্ষোভকারীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বচসা বাঁধে এবং উত্তেজনা আরও বাড়ে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মানুষের জন্য বরাদ্দ ত্রাণ কোনওভাবেই রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়। তাদের মতে, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ত্রাণ পৌঁছানোই প্রশাসনের দায়িত্ব। নির্বাচনের মুখে এই ধরনের পদক্ষেপ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করছে বলেই মত স্থানীয়দের একাংশের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে। যদিও প্রশাসনের তরফে এই অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
প্রচার

*নিবাচনী কেন্দ্র: বারাসাত*

*তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী: সব্যসাচী দত্ত*

*নিজস্ব প্রতিনিধি* : বিধানসভা নির্বাচনে প্রচার এখন তুঙ্গে।২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফায় ভোট হবে। তবে উত্তর ২৪ পরগনায় ভোট ২৯ এপ্রিল। সোমবার সন্ধ্যায় বারাসাত পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে ভোট প্রচারে এসেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী সব্যসাচী দত্ত। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর শিল্পী দাস সহ অন্যান্য তৃণমূল কর্মীবৃন্দ। মিছিলে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীর কথায় তিনিই জিতছেন। *ছবি: কমল গুহ।*
লিফলেট বিলি শেষে ফেরার পথে বিজেপি সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ, গুরুতর জখম যুবক হাসপাতালে
বসিরহাট : টাকিতে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন করে চড়ল বিজেপি সমর্থককে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে টাকি পৌরসভার ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির তরফে প্রচার কর্মসূচি জোরকদমে চলছিল। কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিফলেট বিতরণ করছিলেন এবং ভোটের প্রচার চালাচ্ছিলেন।
অভিযোগ, সোমবার রাতে সেই প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে আচমকাই হামলার মুখে পড়েন বিজেপি সমর্থকরা। বিজেপির দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরাই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালায়। ঘটনায় গুরুতর আহত হন সোহম হালদার নামে এক যুবক। যিনি স্থানীয় এক বিজেপি নেত্রীর ভাই বলেও জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাকে লক্ষ্য করে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং মারাত্মকভাবে জখম অবস্থায় ফেলে রাখা হয়।
ঘটনার পর আহত সোহম হালদারকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় টাকি গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে তার চিকিৎসা শুরু হয়। খবর পেয়ে রাতেই হাসপাতালে পৌঁছে যান বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাঃ শৌর্য্য ব্যানার্জি। তিনি আহতের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি, আক্রান্তের পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে হাসনাবাদ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে। নির্বাচনের মুখে এই ধরনের ঘটনা এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।
অক্ষয় তৃতীয়ার শুভলগ্নে মন্দিরে মহাযজ্ঞে একসাথে তৃণমূল-বিজেপি প্রার্থী
সৌমাভ মন্ডল,বসিরহাট : অক্ষয় তৃতীয়ায় বসিরহাটের টাকির মন্দিরে মহাযজ্ঞে একসাথে পূজোয় বসতে দেখা গেল তৃণমূল-বিজেপি প্রার্থীকে। বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক ময়দানে যখন জোর লড়াই চলছে, ঠিক সেই সময়েই এক ভিন্ন ছবি ধরা পড়লো ওই বিধানসভারই টাকির মধুসূদন মন্দির প্রাঙ্গণে। অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষ্যে আয়োজিত মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানে একসঙ্গে অংশগ্রহণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির দুই প্রার্থী। তৃণমূল প্রার্থী সুরজিৎ মিত্র (বাদল) এবং বিজেপি প্রার্থী শৌর্য্য ব্যানার্জি। দুই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে একই মঞ্চে, একই যজ্ঞকুণ্ডের সামনে বসে ধর্মীয় আচার পালন করতে দেখা যায়। মন্দিরে উপস্থিত সাধুসন্ত ও পুরোহিতদের সঙ্গে নিয়ে তারা যজ্ঞে অংশ নেন। পুরোহিতের দুই পাশে বসে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় এই যজ্ঞ অনুষ্ঠান।
এদিনের এই দৃশ্য রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে।  অনেকেই মনে করছেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে অংশগ্রহণ মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সহাবস্থানের বার্তা দেয়। অক্ষয় তৃতীয়ার এই শুভ দিনে টাকির মধুসূদন মন্দিরে আয়োজিত মহাযজ্ঞ তাই শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং রাজনৈতিক সম্প্রীতির এক অনন্য নজির হিসেবেও উঠে এসেছে।
বীজপুরে ভোট প্রচারে মিঠুন চক্রবর্তী,মেগাষ্টারকে দেখতে জনস্রোত*


*নিজস্ব প্রতিনিধি* : নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যের এ প্রান্তে থেকে ও প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তী। এদিন তিনি বিদ্যুৎ বেগে উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর চৌমাথা থেকে বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাসকে নিয়ে রোড শো করলেন। ষ্টেশন রোড ধরে মিছিল সরকার পর্যন্ত পৌঁছায়। রাস্তার দুধারে নায়ককে দেখতে ভিড় জমিয়েছিল সাধারণ মানুষ। মিছিল শেষে পদ্ম প্রার্থী সুদীপ্ত দাস বলেন, "মহানায়ক উত্তম কুমারের পরই বাংলার নায়ক মিঠুন চক্রবর্তী। সাধারণ মানুষের উচ্ছাসতো থাকবেই। যদিও এসবের বাইরে মানুষ পরিবর্তন চাইছে। তাই একটা মিছিল না করলেও পরিবর্তন নিশ্চিত।"

ছবি: প্রবীর রায়।
প্রচারে উপলব্ধি,বীজপুরে যেন এক মিনি চম্বল -বিজেপি প্রার্থীর

*প্রবীর রায়:* নির্বাচন কমিশন এই রাজ্যে এবার ভয় মুক্ত নির্বাচন করার অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে নেমেছে। কিন্তু কৈ! মানুষের মনের ভয় কি দূর হয়েছে। সোমবার এই রকম এক দৃশ্য দেখা গেল উত্তর ২৪ পরগনার বীজপুর বিধানসভা এলাকার হালিশহর পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের এলাকায়। প্রচারে এসেছিলেন বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস।তার উপলব্ধি হল,বীজপুরে যেন এক মিনি চম্বল। বিজেপি প্রার্থী প্রচারে গিয়ে দেখলেন বাড়ি বাড়ি তালা ঝুলছে! এমনকি মন্দিরেও দেবতা তালা বন্দী।এই দৃশ্য হালিশহর পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বলাকা শিশু মহল এলাকায়। এই ওয়ার্ডের পুরপিতা পৌরসভার চেয়ারম্যান তৃণমূল কংগ্রেসের শুভঙ্কর ঘোষ। তার এলাকায় এদিন প্রচারে যান বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস। প্রথমে তিনি শিব মন্দিরে প্রবেশ করতে গিয়ে দেখেন তালা বন্ধ। এরপর পর পর বাড়িগুলোতে তালা ঝুলছে। এলাকা শুনশান। সাহস নিয়ে কয়েকজন জানালার ফাঁক দিয়ে বাড়ির ছাদ থেকে আড়ালে প্রার্থীকে দেখছিলেন। তার মনে হলো,এ যেন অতীতের এক টুকরো চম্বল। এই বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস বলেন, "অক্ষয় তৃতীয়ার শুভ দিনে মন্দিরে তালা। কি পরিস্থিতিতে এখানকার মানুষ রয়েছে। এলাকার মানুষ মুখ খুলতে পারে না। ভয়ে সিটিয়ে থাকে। তারা শান্তি চায়। তবে এই পরিস্থিতি কাটবে এটাই মানুষকে বলছি।"