টাকি রাজবাড়ী ঘাটে বিসর্জনের জোর প্রস্তুতি, ইছামতীর মাঝবরাবর BSF-এর কড়া টহলদারি

*সীমান্তে হাই অ্যালার্ট  ইছামতীতে যৌথ নিরাপত্তা**সৌমাভ মণ্ডল,টাকি:*  বিসর্জনের আগে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ঐতিহ্যবাহী উত্তর ২৪ পরগনার টাকি রাজবাড়ী ঘাটে চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুতি। দুই বাংলার মিলনস্থল এই ঘাটেই প্রতি বছরের মতো এবারও হবে ঐতিহ্যবাহী বিসর্জন। আর সেই বিসর্জনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী।জানা গিয়েছে, গোটা রাজবাড়ী ঘাট চত্বরকে মুড়ে ফেলা হয়েছে টিভি ক্যামেরা ও সিসিটিভির নজরদারিতে। সূত্রের খবর, ঘাট চত্বরে মোট আনুমানিক ১৪টি হাই-রেজোলিউশনের সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। প্রতিটি ক্যামেরা থেকে সরাসরি নজরদারি চালাবে পুলিশ ও প্রশাসন।শুধু স্থলপথেই নয়, জলপথেও চলছে কড়া নজরদারি। ইছামতী নদীর মাঝ বরাবর নৌকা নিয়ে টহল দিচ্ছে BSF ও পুলিশ। সীমান্ত সুরক্ষার জন্য নদীকে দুই ভাগে ভাগ করে নজরদারি চালানো হচ্ছে।প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, বিসর্জনের সময় কোনও ভারতীয় নাগরিক যাতে ভুলবশতও বাংলাদেশ সীমানায় প্রবেশ করতে না পারেন এবং কোনও বাংলাদেশি নাগরিক যাতে ভারতীয় সীমানায় চলে না আসেন, তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা। ইছামতীর মাঝ বরাবর BSF-এর নৌকা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে অদৃশ্য লাইন অফ কন্ট্রোল।টাকি রাজবাড়ী ঘাটের এই বিসর্জন শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি দুই বাংলার আবেগের মিলনক্ষেত্র। তাই শান্তিপূর্ণভাবে বিসর্জন সম্পন্ন করতে তৎপর প্রশাসন।স্থানীয় রীতি মেনে টাকি রাজবাড়ীর প্রতিমা প্রথম বিসর্জন হয় ইচ্ছামতীতে।তার মা'কে বরণ করেন মহিলারা। এরপর শুরু হয়েছে সিঁদুর খেলা। *ছবি: সৌমাভ মণ্ডল।* #Taki #TakiRajbariGhat #Ichamati #DurgaVisarjan #IndiaBangladeshBorder
#BSF #North24Parganas
নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের জামিনের মেয়াদ বাড়াল হাইকোর্ট

*কলকাতা* : নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে পরাজিত কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের শর্তসাপেক্ষ অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ বাড়িয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর জামিন বহাল থাকবে বলে মঙ্গলবার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি পার্থপ্রতিম রায়। এর ফলে আপাতত আইনি স্বস্তিতে থাকলেন এই কংগ্রেস নেতা।

জানা গিয়েছে, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে মোট ৬টি মামলা রয়েছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর শুধুমাত্র উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছিল হাইকোর্ট।

পরবর্তীকালে রাজ্য সরকার সেই জামিনের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে যায়। কিন্তু গত ৭ অক্টোবর শীর্ষ আদালত হাইকোর্টের নির্দেশেই হস্তক্ষেপ করেনি। রাজ্যকে হাইকোর্টেই ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

হাইকোর্টের আগের নির্দেশ অনুযায়ী, উপনির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ২১ অক্টোবর তাঁর হলদিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করার কথা ছিল। কিন্তু তার ঠিক একদিন আগেই হাইকোর্ট জামিনের মেয়াদ ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়ায় আপাতত আত্মসমর্পণ করতে হচ্ছে না তাঁকে।
যাদবপুরে সিপিএমের বুক স্টল ভাঙা নিয়ে মামলা খারিজ হাইকোর্টে

*কলকাতা:* দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে যাদবপুরে সিপিএমের অস্থায়ী বইয়ের স্টল ভাঙার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি পার্থপ্রতিম রায়ের বেঞ্চ মঙ্গলবার এই মামলা খারিজ করে দেয়।

*কি ঘটেছিল যাদবপুরে?*
গত শনিবার, সপ্তমীর সন্ধ্যায় যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ডের কাছে সিপিএমের অস্থায়ী বুক স্টল ভাঙাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। সিপিএমের অভিযোগ, পুলিশ ও পুরসভার আধিকারিকরা কোনও বৈধ নোটিস ছাড়াই স্টল ভাঙতে আসেন। সঙ্গে আনা হয় বুলডোজারও।

বাম নেতৃত্বের দাবি, প্রশাসনের কাছে স্টল ভাঙার কোনও আইনি নোটিস ছিল না। এই নিয়ে সিপিএম কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে প্রশাসনের বচসা বাধে এবং এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।

*হাইকোর্টে মামলা*
এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে সোমবার হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সিপিএম। মঙ্গলবার বিচারপতি পার্থপ্রতিম রায়ের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়।

সিপিএমের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেন, প্রশাসনের এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণ বেআইনি। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অভিযান না চালানো হয়, তা আদালত নিশ্চিত করুক।

তবে আদালত সিপিএমের আবেদন খারিজ করে দেয়। ঠিক কী কারণে মামলা খারিজ করা হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আদালতের নির্দেশের বিস্তারিত কপি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
নবরাত্রিতে মানবতার পুজো, দলিত সাফাই কর্মী ও যৌনপল্লীর শিশুদের পা ধুইয়ে সম্মান জানালেন বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী

*ব্যারাকপুর:* নবরাত্রির পুণ্য সকালে অভিনব মানবিক কর্মসূচি নিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। দেবীপক্ষের শুরুতেই সমাজের প্রান্তিক মানুষদের সম্মান জানিয়ে নজির গড়লেন তিনি।

মঙ্গলবার সকালে টিটাগড় পৌরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাফাই কর্মীদের কোয়ার্টারের সামনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে ৯ জন দলিত সাফাই কর্মীর পা নিজে হাতে ধুইয়ে দিয়ে, তাদের হাতে পুজোর নতুন বস্ত্র ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন বিধায়ক। যে মানুষেরা রোজ শহরকে পরিষ্কার রাখেন, নবরাত্রিতে তাদেরই দেবী জ্ঞানে পুজো করলেন জনপ্রতিনিধি।

শুধু সাফাই কর্মীরাই নন, এরপর তিনি যান ব্যারাকপুরের যৌনপল্লীতে। সেখানেও একইভাবে ৯ জন শিশুর পা ধুইয়ে দিয়ে তাদের হাতে পুজোর উপহার তুলে দেন।

এদিনের কর্মসূচি প্রসঙ্গে বিধায়ক বলেন, "নবরাত্রি হলো নারী শক্তির আরাধনা। কিন্তু প্রকৃত শক্তি তো তারাই, যারা সমাজের সবচেয়ে কঠিন কাজগুলো করেন অথচ সবচেয়ে বেশি অবহেলিত থাকেন। এই সাফাই কর্মী এবং ওই শিশুরা - এরাই আমাদের সমাজের আসল কন্যা। তাদের সম্মান জানাতে পেরে আমি ধন্য।"

বিধায়কের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। ছবি: উৎপল দাস।
বইয়ের টানে রাজনীতির ঊর্ধ্বে সৌজন্য, ব্যারাকপুরে SUCI-র বুক স্টলে বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী*

*ব্যারাকপুর:* রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা হলেও বইয়ের প্রতি ভালোবাসায় কোনও বিভেদ থাকে না। তারই প্রমাণ মিলল উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে। সুকান্ত সদনের সামনে আয়োজিত SUCI (Communist) দলের বুক স্টল পরিদর্শন করলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী।

মঙ্গলবার ব্যারাকপুর সুকান্ত সদনের সামনে SUCI (Communist) দলের পক্ষ থেকে বইয়ের স্টল দেওয়া হয়। সেই স্টল ঘুরে দেখেন বিধায়ক। স্টলে থাকা মার্কসবাদী সাহিত্য, রাজনৈতিক বিশ্লেষণধর্মী বই এবং অন্যান্য প্রগতিশীল বইপত্র খুঁটিয়ে দেখেন তিনি।

এই সময় SUCI (Communist) দলের কর্মীদের পক্ষ থেকে সৌজন্যের নিদর্শন হিসেবে বিধায়কের হাতে কিছু বই তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘক্ষণ স্টলে থেকে কর্মীদের সঙ্গে বই নিয়ে আলোচনাও করেন কৌস্তভ বাবু।

রাজনৈতিক মহলের মতে, বর্তমান সময়ে যখন রাজনৈতিক সৌজন্য প্রায় হারাতে বসেছে, সেখানে একজন কংগ্রেস বিধায়কের বামপন্থী দলের বুক স্টলে যাওয়া এবং বই গ্রহণ করা নিঃসন্দেহে এক ইতিবাচক বার্তা বহন করে। ছবি: প্রবীর রায়।
চোরবাগান কান্ডে কর্মরত বিচারপতি নয়, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে কমিশন গঠনের পরামর্শ হাইকোর্টের
*#Kolkata #ChorbaganTragedy #CalcuttaHighCourt #BreakingNews*


*কলকাতা:* পুজোর মাঝে কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। কর্মরত কোনও বিচারপতিকে দিয়ে কমিশন গঠন করা সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি।

*কি হয়েছিল?*
গত শনিবার, সপ্তমীর সন্ধ্যায় বৃষ্টি ও অতিরিক্ত ভিড়ের চাপে ভেঙে পড়ে চোরবাগান সর্বজনীনের পুজো মণ্ডপের গেট। উৎসবের আবহেই বিষাদ নেমে আসে শহরে। পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারান ১৯ জন। এই মর্মান্তিক ঘটনা কলকাতার বুকে গভীর ক্ষত রেখে গিয়েছে।

*মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা ও মুখ্যসচিবের চিঠি*
কার গাফিলতিতে এই প্রাণহানি, তা খতিয়ে দেখতে বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠনের কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই মতো মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল সোমবার প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লেখেন। পাশাপাশি ঘটনা নিয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলাও দায়ের হয়। মঙ্গলবার ছিল সেই মামলার শুনানি।

*হাইকোর্ট কি বলল?*
মঙ্গলবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানান, *"সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কর্মরত বিচারপতিকে কমিশনে নিযুক্ত করা সম্ভব নয়।"*

তিনি আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী এবং বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারপতির সংখ্যা পর্যাপ্ত না থাকায় কোনও কর্মরত বিচারপতিকে দিয়ে কমিশন গঠন সম্ভব নয়। তবে রাজ্য সরকার চাইলে নিজেদের পছন্দমতো একজন *অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে* তদন্ত কমিশন গঠন করতে পারে।
স্ট্যাম্প পেপার অমিল কাণ্ডে রাজ্যের জবাব তলব হাইকোর্টের, হলফনামা জমার নির্দেশ

*কলকাতা:* রাজ্যজুড়ে ১০ ও ২০ টাকার স্ট্যাম্প পেপার অমিলের অভিযোগে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় এবার রাজ্য সরকারের কাছে জবাব চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে ২০ নভেম্বরের মধ্যে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মামলাকারীকে পাল্টা হলফনামা দিতে হবে ২৭ নভেম্বরের আগে। মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ ডিসেম্বর।

*কি অভিযোগ?*
মামলাকারীর অভিযোগ অনুযায়ী, রাজ্যে দুই গোষ্ঠীর তৃণমূলের দ্বন্দ্বের জেরেই এই সংকট তৈরি হয়েছে। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের দাবি, প্রশাসনিক নির্দেশে ভেন্ডরদের কাছ থেকে প্রায় ২৫ হাজার স্ট্যাম্প পেপার তুলে নিয়ে বিভিন্ন থানায় পাঠানো হয়েছে। এরপর পুলিশ কর্মীরা ঋতব্রতপন্থী গোষ্ঠীর হয়ে সাধারণ তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ওই কাগজে সই করাচ্ছেন। এর জেরেই বাজারে কম দামের স্ট্যাম্প পেপারের আকাল দেখা দিয়েছে।

*এদিন আদালতে কি হলো?*
শুনানিতে প্রধান বিচারপতি রাজ্যের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, মহারাষ্ট্রে তেলগি স্ট্যাম্প কেলেঙ্কারির পর স্ট্যাম্প বণ্টন নিয়ে যে কড়া নিয়ম চালু হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গ কি সেই নিয়ম মেনে চলছে?

জবাবে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এই মামলাটি গ্রহণযোগ্যই নয়।

অন্যদিকে, মামলাকারীর পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, গত তিন সপ্তাহে রাজ্যে কত স্ট্যাম্প পেপার বিলি হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ হিসাব আদালতে পেশ করুক রাজ্য।

এর উত্তরে রাজ্যের আইনজীবী জানান, তারা এ সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট আকারে আদালতে জমা দিতে প্রস্তুত।
কলকাতার চোরবাগানের দুর্ঘটনার পর কড়া প্রশাসন, বারাকপুরে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনে জারি হল নতুন নিয়ম
*ব্যারাকপুর:* কলকাতার চোরবাগান পুজো মণ্ডপে সপ্তমীর সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর নড়েচড়ে বসল রাজ্য প্রশাসন। যাতে কোথাও কোনও অঘটন না ঘটে, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জেলায় জেলায়।তারই অঙ্গ হিসেবে আজ ব্যারাকপুরের মঙ্গল পাণ্ডে ঘাট পরিদর্শন করলেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা।

এদিন নদীর ঘাট গুলো পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং, বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার, জেলাশাসক (DM), মহকুমা শাসক (SDO) সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

জানা গেছে, এই ব্যারাকপুর মঙ্গল পাণ্ডে ঘাটে দশমীর দিন প্রতিবছর প্রায় ১০০টি প্রতিমা বিসর্জন হয়। ভিড় সামলাতে এবার বেশ কিছু অতিরিক্ত নিয়ম চালু করছে প্রশাসন।

*এবার কী কী নতুন নিয়ম?*

- এবার থেকে বিসর্জনের শোভাযাত্রার সঙ্গে আসা সাধারণ মানুষকে ঘাট পর্যন্ত যেতে দেওয়া হবে না। আগেই তাদের আটকে দেওয়া হবে।
- প্রতিমা বিসর্জনের মূল কাজটি করবেন সরকারি ভাবে নিযুক্ত প্রশিক্ষিত কর্মীরাই।
- ঘাট চত্বরে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বাড়তি পুলিশ মোতায়েন।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিসর্জন নির্বিঘ্নে এবং নিরাপদে সম্পন্ন করাই এবার প্রধান লক্ষ্য। *ছবি:প্রবীর রায়।*
*পুজো পরিক্রমা* *কলকাতা ও সল্টলেক* *ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
*পুজো পরিক্রমা* *কলকাতা ও সল্টলেক* *ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
যাদবপুরে বামেদের বইয়ের স্টল নিয়ে বিতর্ক গড়াল হাইকোর্টে

*কলকাতা:* যাদবপুরে বামেদের অস্থায়ী বইয়ের স্টল ঘিরে উত্তেজনার ঘটনা এবার পৌঁছাল কলকাতা হাইকোর্টে।

সূত্রের খবর, গত শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় সিপিএমের পক্ষ থেকে একটি অস্থায়ী বই বিপণির আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে, সেই স্টল সরিয়ে দেওয়ার জন্য পুলিশ হস্তক্ষেপ করে এবং ঘটনাস্থলে বুলডোজার আনা হয়।

এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সিপিএমের যাদবপুর এরিয়া কমিটি। তাদের তরফে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, মঙ্গলবার
মামলাটির শুনানি  হতে পারে।

উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর মরশুমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বামেদের বইয়ের স্টল বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যাদবপুর ছাড়াও বারাসত, নাগেরবাজার সহ একাধিক জায়গায় একই ধরনের ঘটনার খবর সামনে এসেছে। এই ঘটনাগুলিকে কেন্দ্র করে শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বাম নেতৃত্ব।

এর আগে বনগাঁতেও বইয়ের স্টল বসানো নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেখানে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ প্রথমে স্টলের অনুমতি দিলেও, রাজ্য সরকার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। পরে প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ একক বেঞ্চের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেয়।