নবরাত্রিতে মানবতার পুজো, দলিত সাফাই কর্মী ও যৌনপল্লীর শিশুদের পা ধুইয়ে সম্মান জানালেন বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী
![]()
*ব্যারাকপুর:* নবরাত্রির পুণ্য সকালে অভিনব মানবিক কর্মসূচি নিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। দেবীপক্ষের শুরুতেই সমাজের প্রান্তিক মানুষদের সম্মান জানিয়ে নজির গড়লেন তিনি।
মঙ্গলবার সকালে টিটাগড় পৌরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাফাই কর্মীদের কোয়ার্টারের সামনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে ৯ জন দলিত সাফাই কর্মীর পা নিজে হাতে ধুইয়ে দিয়ে, তাদের হাতে পুজোর নতুন বস্ত্র ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন বিধায়ক। যে মানুষেরা রোজ শহরকে পরিষ্কার রাখেন, নবরাত্রিতে তাদেরই দেবী জ্ঞানে পুজো করলেন জনপ্রতিনিধি।
শুধু সাফাই কর্মীরাই নন, এরপর তিনি যান ব্যারাকপুরের যৌনপল্লীতে। সেখানেও একইভাবে ৯ জন শিশুর পা ধুইয়ে দিয়ে তাদের হাতে পুজোর উপহার তুলে দেন।
এদিনের কর্মসূচি প্রসঙ্গে বিধায়ক বলেন, "নবরাত্রি হলো নারী শক্তির আরাধনা। কিন্তু প্রকৃত শক্তি তো তারাই, যারা সমাজের সবচেয়ে কঠিন কাজগুলো করেন অথচ সবচেয়ে বেশি অবহেলিত থাকেন। এই সাফাই কর্মী এবং ওই শিশুরা - এরাই আমাদের সমাজের আসল কন্যা। তাদের সম্মান জানাতে পেরে আমি ধন্য।"
বিধায়কের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।ছবি: উৎপল দাস।

ছবি: উৎপল দাস।

ছবি: প্রবীর রায়।
*ব্যারাকপুর:* কলকাতার চোরবাগান পুজো মণ্ডপে সপ্তমীর সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর নড়েচড়ে বসল রাজ্য প্রশাসন। যাতে কোথাও কোনও অঘটন না ঘটে, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জেলায় জেলায়।তারই অঙ্গ হিসেবে আজ ব্যারাকপুরের মঙ্গল পাণ্ডে ঘাট পরিদর্শন করলেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা।
*ছবি:প্রবীর রায়।*
বসিরহাট : সারা বছর সরকারি পরিষেবা সচল রাখতে ব্যস্ত থাকেন তারা। তারই ফাঁকে নিজেদের অফিস সামলে জমানো অর্থে দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বসিরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তরের সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। তাদের উদ্যোগে বসিরহাট বোটঘাট সংলগ্ন এলাকায় দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ করল ঐক্যতান সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির দুর্গোৎসব। মূলত মহিলা পরিচালিত এই পুজো শুধু উৎসবের আনন্দেই সীমাবদ্ধ নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সামাজিক দায়বদ্ধতাও। বছরভর সরকারি পরিষেবা সচল রাখতে ব্যস্ত থাকার কারণে নিজেদের মতো করে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও উৎসব পালনের সুযোগ খুব একটা পান না সরকারি কর্মচারীরা। সেই আক্ষেপ থেকেই অভিনব উদ্যোগ নেন বসিরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তরের কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। নিজেদের জমানো অর্থেই শুরু করেন এই দুর্গোৎসব। দেখতে দেখতে দ্বিতীয় বছরে পা রেখেছে তাদের এই উদ্যোগ।
বসিরহাট : টাকি পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে এসে দুর্গাপুজোর আনন্দ থেকে যাতে পর্যটকদের বঞ্চিত হতে না হয়, সেই ভাবনা থেকেই অভিনব উদ্যোগ নিল হোটেল কর্তৃপক্ষ। ইছামতি নদীর তীরে দুর্গাপুজোর আয়োজন করলো দিভিরা রিভার রিট্রিট টাকি। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর পাড়ে এই পুজোয় একদিকে যেমন মিলবে নদীর নৈসর্গিক পরিবেশ, তেমনই উপভোগ করা যাবে দুর্গোৎসবের চেনা আবহ। পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বসিরহাটের টাকি ইতিমধ্যেই জেলা ছাড়িয়ে রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে। সারা বছরই এখানে পর্যটকদের আনাগোনা লেগে থাকে। বিশেষ করে পুজোর সময় বহু মানুষ টাকিতে বেড়াতে আসেন। কিন্তু বেড়াতে এসে কোথায় অঞ্জলি দেবেন, কোথায় সন্ধিপুজো দেখবেন কিংবা কোথায় ভোগ খাবেন, তা নিয়ে অনেক সময় সমস্যায় পড়তে হয় তাদের। ভ্রমণের আনন্দে অনেকেই মিস করেন পুজোর বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানও। পর্যটকদের এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই হোটেলের মধ্যেই দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন কর্তৃপক্ষ।
ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।
Oct 20 2026, 18:18
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
0.3k