কলকাতার চোরবাগানের দুর্ঘটনার পর কড়া প্রশাসন, বারাকপুরে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনে জারি হল নতুন নিয়ম
*ব্যারাকপুর:* কলকাতার চোরবাগান পুজো মণ্ডপে সপ্তমীর সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর নড়েচড়ে বসল রাজ্য প্রশাসন। যাতে কোথাও কোনও অঘটন না ঘটে, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জেলায় জেলায়।তারই অঙ্গ হিসেবে আজ ব্যারাকপুরের মঙ্গল পাণ্ডে ঘাট পরিদর্শন করলেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা।

এদিন নদীর ঘাট গুলো পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং, বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার, জেলাশাসক (DM), মহকুমা শাসক (SDO) সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

জানা গেছে, এই ব্যারাকপুর মঙ্গল পাণ্ডে ঘাটে দশমীর দিন প্রতিবছর প্রায় ১০০টি প্রতিমা বিসর্জন হয়। ভিড় সামলাতে এবার বেশ কিছু অতিরিক্ত নিয়ম চালু করছে প্রশাসন।

*এবার কী কী নতুন নিয়ম?*

- এবার থেকে বিসর্জনের শোভাযাত্রার সঙ্গে আসা সাধারণ মানুষকে ঘাট পর্যন্ত যেতে দেওয়া হবে না। আগেই তাদের আটকে দেওয়া হবে।
- প্রতিমা বিসর্জনের মূল কাজটি করবেন সরকারি ভাবে নিযুক্ত প্রশিক্ষিত কর্মীরাই।
- ঘাট চত্বরে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বাড়তি পুলিশ মোতায়েন।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিসর্জন নির্বিঘ্নে এবং নিরাপদে সম্পন্ন করাই এবার প্রধান লক্ষ্য। *ছবি:প্রবীর রায়।*
*পুজো পরিক্রমা* *কলকাতা ও সল্টলেক* *ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
*পুজো পরিক্রমা* *কলকাতা ও সল্টলেক* *ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
যাদবপুরে বামেদের বইয়ের স্টল নিয়ে বিতর্ক গড়াল হাইকোর্টে

*কলকাতা:* যাদবপুরে বামেদের অস্থায়ী বইয়ের স্টল ঘিরে উত্তেজনার ঘটনা এবার পৌঁছাল কলকাতা হাইকোর্টে।

সূত্রের খবর, গত শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় সিপিএমের পক্ষ থেকে একটি অস্থায়ী বই বিপণির আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে, সেই স্টল সরিয়ে দেওয়ার জন্য পুলিশ হস্তক্ষেপ করে এবং ঘটনাস্থলে বুলডোজার আনা হয়।

এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সিপিএমের যাদবপুর এরিয়া কমিটি। তাদের তরফে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, মঙ্গলবার
মামলাটির শুনানি  হতে পারে।

উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর মরশুমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বামেদের বইয়ের স্টল বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যাদবপুর ছাড়াও বারাসত, নাগেরবাজার সহ একাধিক জায়গায় একই ধরনের ঘটনার খবর সামনে এসেছে। এই ঘটনাগুলিকে কেন্দ্র করে শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বাম নেতৃত্ব।

এর আগে বনগাঁতেও বইয়ের স্টল বসানো নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেখানে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ প্রথমে স্টলের অনুমতি দিলেও, রাজ্য সরকার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। পরে প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ একক বেঞ্চের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেয়।
নিজেদের জমানো অর্থে দ্বিতীয় বছরে ঐক্যতানের দুর্গোৎসব, সঙ্গে মায়েদের শাড়ি বিতরণ
বসিরহাট : সারা বছর সরকারি পরিষেবা সচল রাখতে ব্যস্ত থাকেন তারা। তারই ফাঁকে নিজেদের অফিস সামলে জমানো অর্থে দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বসিরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তরের সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। তাদের উদ্যোগে বসিরহাট বোটঘাট সংলগ্ন এলাকায় দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ করল ঐক্যতান সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির দুর্গোৎসব। মূলত মহিলা পরিচালিত এই পুজো শুধু উৎসবের আনন্দেই সীমাবদ্ধ নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সামাজিক দায়বদ্ধতাও। বছরভর সরকারি পরিষেবা সচল রাখতে ব্যস্ত থাকার কারণে নিজেদের মতো করে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও উৎসব পালনের সুযোগ খুব একটা পান না সরকারি কর্মচারীরা। সেই আক্ষেপ থেকেই অভিনব উদ্যোগ নেন বসিরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তরের কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। নিজেদের জমানো অর্থেই শুরু করেন এই দুর্গোৎসব। দেখতে দেখতে দ্বিতীয় বছরে পা রেখেছে তাদের এই উদ্যোগ।
উদ্যোক্তাদের কথায়, সারা বছর দপ্তরের কাজ সামলানোর পাশাপাশি নিজেদের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে দুর্গাপুজোর আয়োজন করতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। এই পুজোর মধ্য দিয়ে বসিরহাটের মানুষের কাছে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছে দিতে চান তারা। মণ্ডপে থাকছে সাবেকি প্রতিমা ও দৃষ্টিনন্দন সাজসজ্জা। পাশাপাশি ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের বিগ্রহের আদলে তৈরি প্রতিমূর্তিও দর্শনার্থীদের আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে আশা উদ্যোক্তাদের।
দুর্গোৎসবের আনন্দকে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নিতেও উদ্যোগী হয়েছেন তারা। পুজোর পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শতাধিক মহিলার হাতে শাড়ি তুলে দিয়েছেন উদ্যোক্তারা। নিজেদের সঞ্চিত অর্থ থেকেই এই বস্ত্র বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক কাজেও নিজেদের যুক্ত রেখে মহিলাদের এই উদ্যোগ এখন ঐক্যতানের দুর্গোৎসবকে বিশেষ মাত্রা দিয়েছে।

ছবি: সৌমাভ মণ্ডল।
ইছামতির তীরে দুর্গাপুজো, টাকিতে পর্যটকদের উৎসবের আনন্দ দিতে অভিনব উদ্যোগ হোটেল কর্তৃপক্ষের
বসিরহাট : টাকি পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে এসে দুর্গাপুজোর আনন্দ থেকে যাতে পর্যটকদের বঞ্চিত হতে না হয়, সেই ভাবনা থেকেই অভিনব উদ্যোগ নিল হোটেল কর্তৃপক্ষ। ইছামতি নদীর তীরে দুর্গাপুজোর আয়োজন করলো দিভিরা রিভার রিট্রিট টাকি। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর পাড়ে এই পুজোয় একদিকে যেমন মিলবে নদীর নৈসর্গিক পরিবেশ, তেমনই উপভোগ করা যাবে দুর্গোৎসবের চেনা আবহ। পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বসিরহাটের টাকি ইতিমধ্যেই জেলা ছাড়িয়ে রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে। সারা বছরই এখানে পর্যটকদের আনাগোনা লেগে থাকে। বিশেষ করে পুজোর সময় বহু মানুষ টাকিতে বেড়াতে আসেন। কিন্তু বেড়াতে এসে কোথায় অঞ্জলি দেবেন, কোথায় সন্ধিপুজো দেখবেন কিংবা কোথায় ভোগ খাবেন, তা নিয়ে অনেক সময় সমস্যায় পড়তে হয় তাদের। ভ্রমণের আনন্দে অনেকেই মিস করেন পুজোর বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানও। পর্যটকদের এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই হোটেলের মধ্যেই দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন কর্তৃপক্ষ।
দিভিরা রিভার রিট্রিটের কর্ণধার জয়ন্ত কুণ্ডু জানান, পুজোর সময় বহু মানুষ টাকিতে বেড়াতে এলেও নানা কারণে অঞ্জলি দেওয়া, সন্ধিপুজো দেখা কিংবা প্রসাদ গ্রহণের সুযোগ পান না। পর্যটকেরা যাতে বেড়ানোর পাশাপাশি দুর্গোৎসবের আনন্দও উপভোগ করতে পারেন, সেই ভাবনা থেকেই এই উদ্যোগ। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর তীরে পুজোর আয়োজনের মাধ্যমে পর্যটকদের ভ্রমণের অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দময় করে তোলাই তাদের লক্ষ্য। হোটেল কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন আগত পর্যটকেরাও। খড়গপুর থেকে আসা এক পর্যটকের কথায়, দিভিরা রিভার রিট্রিটের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। একদিকে উন্নত মানের হোটেলের আতিথেয়তা, অন্যদিকে ইছামতি নদীর তীরে দুর্গাপুজোর আবহ—দুইয়ের মেলবন্ধন পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। টাকিতে বেড়াতে এসে এবার তাই শুধু নদীর সৌন্দর্য উপভোগ নয়, দুর্গোৎসবের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আবহে সামিল হওয়ারও সুযোগ পাচ্ছেন পর্যটকেরা। ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।
যাদবপুরে বামেদের বইয়ের স্টল নিয়ে বিতর্ক গড়াল হাইকোর্টে

*কলকাতা:* যাদবপুরে বামেদের অস্থায়ী বইয়ের স্টল ঘিরে উত্তেজনার ঘটনা এবার পৌঁছাল কলকাতা হাইকোর্টে।

সূত্রের খবর, গত শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় সিপিএমের পক্ষ থেকে একটি অস্থায়ী বই বিপণির আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে, সেই স্টল সরিয়ে দেওয়ার জন্য পুলিশ হস্তক্ষেপ করে এবং ঘটনাস্থলে বুলডোজার আনা হয়।

এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সিপিএমের যাদবপুর এরিয়া কমিটি। তাদের তরফে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, মঙ্গলবার
মামলাটির শুনানি  হতে পারে।

উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর মরশুমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বামেদের বইয়ের স্টল বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যাদবপুর ছাড়াও বারাসত, নাগেরবাজার সহ একাধিক জায়গায় একই ধরনের ঘটনার খবর সামনে এসেছে। এই ঘটনাগুলিকে কেন্দ্র করে শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বাম নেতৃত্ব।

এর আগে বনগাঁতেও বইয়ের স্টল বসানো নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেখানে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ প্রথমে স্টলের অনুমতি দিলেও, রাজ্য সরকার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। পরে প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ একক বেঞ্চের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেয়।
এবারের অষ্টমী পুজো শুদ্ধ *গুপ্ত প্রেস / পি.এম. বাগচী / সনাতন পঞ্জিকা* মতে...
- *অষ্টমী তিথি শুরু:* রবিবার, 18 অক্টোবর, ভোর *5:52 AM*
- *অষ্টমী তিথি শেষ:* সোমবার, 19 অক্টোবর, সকাল *7:49 AM*
- *অষ্টমীর অঞ্জলি:* 19 অক্টোবর সকাল *7:03 AM এর মধ্যে* শেষ করতে হবে, সন্ধিপূজার জন্য অনেকে 7:25 AM পর্যন্ত ধরে
- *সন্ধিপূজা:* 19 অক্টোবর সকাল *7:26 AM থেকে 8:14 AM*
*পুজো পরিক্রমা* *কলকাতা*
*পুজো পরিক্রমা* *কলকাতা*
*পুজো পরিক্রমা* *কলকাতা*
*পুজো পরিক্রমা* *কলকাতা*
রাজ্যে স্ট্যাম্প পেপারের আকাল, অভিযোগে জনস্বার্থ মামলা হাই কোর্টে
*কলকাতা:* রাজ্যে এই মুহূর্তে মিলছে না ১০ টাকা ও ২০ টাকার স্ট্যাম্প পেপার। যাঁদের প্রয়োজন এখন এই স্ট্যাম্প পেপারের, তাঁরা পড়ছেন সমস্যায়। এই অভিযোগে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাই কোর্টে। আগামী ১৯ অক্টোবর, অষ্টমীর দিন এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চে। অভিযোগ, অনুমোদন রয়েছে যে সব স্ট্যাম্প পেপার ভেন্ডারদের, তাদের প্রশাসনের তরফে একটা অলিখিত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর সেই নির্দেশ অনুযায়ী ইতিমধ্যেই নাকি বাজার থেকে ২৫ হাজারের বেশি স্ট্যাম্প পেপার তুলে নেওয়া হয়েছে বলেই অভিযোগ। অভিযোগকারীর দাবি, এই সব স্ট্যাম্প পেপার নাকি পাঠনো হচ্ছে রাজ্যের থানাগুলোতে। অভিযোগ, সাধারণ তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি গিয়ে স্ট্যাম্প পেপারে সই করানো হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টে আবেদনকারী বলেছেন, পুলিশ যেন এই কাজে বিরত থাকে, এমন নির্দেশ দিক কলকাতা হাইকোর্ট। এ ছাড়াও তাঁর আরও আবেদন এই সব স্ট্যাম্প পেপার বাজেয়াপ্ত করা হোক। মামলায় অভিযোগকারী আরও দাবি, কোনও স্ট্যাম্প পেপার তুলতে হলে নির্দিষ্ট কিছু আইন মেনে সেই কাজ করতে হয়। সেই স্ট্যাম্প পেপারের একটা নির্দিষ্ট রেজিস্ট্রেশনও হয়। কিন্তু অভিযোগকারী যে ভাবে কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন, সেখানে কোনও রেজিস্ট্রেশনও হচ্ছে না। আবার কোনও আইন মেনে সেই কাজ করা হচ্ছে না। আর এই মর্মেই কলকাতা হাই কোর্টে দায়ের হয়েছে এই জনস্বার্থ মামলা।

মামলাকারির দাবি, তৃণমূলের প্রতীক সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে হলফনামা জমা দেওয়ার। সেই হলফনামা জমা করতে হবে গণতান্ত্রিক তৃণমূল অর্থাৎ তৃণমূলের ঋতব্রত গোষ্ঠীকে। অভিযোগকারী দাবি করছেন যে, গণতান্ত্রিক তৃণমূলের হয়ে ওই স্ট্যাম্প পেপারে সই করাচ্ছে পুলিশ। ঋতব্রত গোষ্ঠীর হয়ে তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই স্ট্যাম্প পেপারে সই করাচ্ছে পুলিশই।