যাদবপুরে বামেদের বইয়ের স্টল নিয়ে বিতর্ক গড়াল হাইকোর্টে
![]()
*কলকাতা:* যাদবপুরে বামেদের অস্থায়ী বইয়ের স্টল ঘিরে উত্তেজনার ঘটনা এবার পৌঁছাল কলকাতা হাইকোর্টে।
সূত্রের খবর, গত শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় সিপিএমের পক্ষ থেকে একটি অস্থায়ী বই বিপণির আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে, সেই স্টল সরিয়ে দেওয়ার জন্য পুলিশ হস্তক্ষেপ করে এবং ঘটনাস্থলে বুলডোজার আনা হয়।
এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সিপিএমের যাদবপুর এরিয়া কমিটি। তাদের তরফে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, মঙ্গলবার
মামলাটির শুনানি হতে পারে।
উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর মরশুমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বামেদের বইয়ের স্টল বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যাদবপুর ছাড়াও বারাসত, নাগেরবাজার সহ একাধিক জায়গায় একই ধরনের ঘটনার খবর সামনে এসেছে। এই ঘটনাগুলিকে কেন্দ্র করে শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বাম নেতৃত্ব।
এর আগে বনগাঁতেও বইয়ের স্টল বসানো নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেখানে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ প্রথমে স্টলের অনুমতি দিলেও, রাজ্য সরকার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। পরে প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ একক বেঞ্চের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেয়।


বসিরহাট : সারা বছর সরকারি পরিষেবা সচল রাখতে ব্যস্ত থাকেন তারা। তারই ফাঁকে নিজেদের অফিস সামলে জমানো অর্থে দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বসিরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তরের সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। তাদের উদ্যোগে বসিরহাট বোটঘাট সংলগ্ন এলাকায় দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ করল ঐক্যতান সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির দুর্গোৎসব। মূলত মহিলা পরিচালিত এই পুজো শুধু উৎসবের আনন্দেই সীমাবদ্ধ নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সামাজিক দায়বদ্ধতাও। বছরভর সরকারি পরিষেবা সচল রাখতে ব্যস্ত থাকার কারণে নিজেদের মতো করে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও উৎসব পালনের সুযোগ খুব একটা পান না সরকারি কর্মচারীরা। সেই আক্ষেপ থেকেই অভিনব উদ্যোগ নেন বসিরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তরের কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। নিজেদের জমানো অর্থেই শুরু করেন এই দুর্গোৎসব। দেখতে দেখতে দ্বিতীয় বছরে পা রেখেছে তাদের এই উদ্যোগ।
বসিরহাট : টাকি পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে এসে দুর্গাপুজোর আনন্দ থেকে যাতে পর্যটকদের বঞ্চিত হতে না হয়, সেই ভাবনা থেকেই অভিনব উদ্যোগ নিল হোটেল কর্তৃপক্ষ। ইছামতি নদীর তীরে দুর্গাপুজোর আয়োজন করলো দিভিরা রিভার রিট্রিট টাকি। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর পাড়ে এই পুজোয় একদিকে যেমন মিলবে নদীর নৈসর্গিক পরিবেশ, তেমনই উপভোগ করা যাবে দুর্গোৎসবের চেনা আবহ। পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বসিরহাটের টাকি ইতিমধ্যেই জেলা ছাড়িয়ে রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে। সারা বছরই এখানে পর্যটকদের আনাগোনা লেগে থাকে। বিশেষ করে পুজোর সময় বহু মানুষ টাকিতে বেড়াতে আসেন। কিন্তু বেড়াতে এসে কোথায় অঞ্জলি দেবেন, কোথায় সন্ধিপুজো দেখবেন কিংবা কোথায় ভোগ খাবেন, তা নিয়ে অনেক সময় সমস্যায় পড়তে হয় তাদের। ভ্রমণের আনন্দে অনেকেই মিস করেন পুজোর বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানও। পর্যটকদের এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই হোটেলের মধ্যেই দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন কর্তৃপক্ষ।
ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।
- *অষ্টমী তিথি শুরু:* রবিবার, 18 অক্টোবর, ভোর *5:52 AM*
*কলকাতা:* রাজ্যে এই মুহূর্তে মিলছে না ১০ টাকা ও ২০ টাকার স্ট্যাম্প পেপার। যাঁদের প্রয়োজন এখন এই স্ট্যাম্প পেপারের, তাঁরা পড়ছেন সমস্যায়। এই অভিযোগে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাই কোর্টে। আগামী ১৯ অক্টোবর, অষ্টমীর দিন এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চে। অভিযোগ, অনুমোদন রয়েছে যে সব স্ট্যাম্প পেপার ভেন্ডারদের, তাদের প্রশাসনের তরফে একটা অলিখিত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর সেই নির্দেশ অনুযায়ী ইতিমধ্যেই নাকি বাজার থেকে ২৫ হাজারের বেশি স্ট্যাম্প পেপার তুলে নেওয়া হয়েছে বলেই অভিযোগ। অভিযোগকারীর দাবি, এই সব স্ট্যাম্প পেপার নাকি পাঠনো হচ্ছে রাজ্যের থানাগুলোতে। অভিযোগ, সাধারণ তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি গিয়ে স্ট্যাম্প পেপারে সই করানো হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টে আবেদনকারী বলেছেন, পুলিশ যেন এই কাজে বিরত থাকে, এমন নির্দেশ দিক কলকাতা হাইকোর্ট। এ ছাড়াও তাঁর আরও আবেদন এই সব স্ট্যাম্প পেপার বাজেয়াপ্ত করা হোক। মামলায় অভিযোগকারী আরও দাবি, কোনও স্ট্যাম্প পেপার তুলতে হলে নির্দিষ্ট কিছু আইন মেনে সেই কাজ করতে হয়। সেই স্ট্যাম্প পেপারের একটা নির্দিষ্ট রেজিস্ট্রেশনও হয়। কিন্তু অভিযোগকারী যে ভাবে কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন, সেখানে কোনও রেজিস্ট্রেশনও হচ্ছে না। আবার কোনও আইন মেনে সেই কাজ করা হচ্ছে না। আর এই মর্মেই কলকাতা হাই কোর্টে দায়ের হয়েছে এই জনস্বার্থ মামলা।
Oct 19 2026, 17:54
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
2- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
0.9k