*পুজো পরিক্রমা* *কলকাতা*
*পুজো পরিক্রমা* *কলকাতা*
*পুজো পরিক্রমা*
*কলকাতা*
*ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
*পুজো পরিক্রমা*
*কলকাতা*
*ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
*পুজো পরিক্রমা*
*কলকাতা*
*ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
*পুজো পরিক্রমা*
*কলকাতা*
*ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
*পুজো পরিক্রমা*
*কলকাতা*
*ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
*পুজো পরিক্রমা*
*কলকাতা*
*ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
*পুজো পরিক্রমা*
*কলকাতা*
*ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
*পুজো পরিক্রমা*
*কলকাতা*
*ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
*পুজো পরিক্রমা*
*কলকাতা*
*ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
*পুজো পরিক্রমা*
*কলকাতা*
*ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
*পুজো পরিক্রমা*
*কলকাতা*
*ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।
*ছবি :সঞ্জয় হাজরা* ।


*কলকাতা:* রাজ্যে এই মুহূর্তে মিলছে না ১০ টাকা ও ২০ টাকার স্ট্যাম্প পেপার। যাঁদের প্রয়োজন এখন এই স্ট্যাম্প পেপারের, তাঁরা পড়ছেন সমস্যায়। এই অভিযোগে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাই কোর্টে। আগামী ১৯ অক্টোবর, অষ্টমীর দিন এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চে। অভিযোগ, অনুমোদন রয়েছে যে সব স্ট্যাম্প পেপার ভেন্ডারদের, তাদের প্রশাসনের তরফে একটা অলিখিত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর সেই নির্দেশ অনুযায়ী ইতিমধ্যেই নাকি বাজার থেকে ২৫ হাজারের বেশি স্ট্যাম্প পেপার তুলে নেওয়া হয়েছে বলেই অভিযোগ। অভিযোগকারীর দাবি, এই সব স্ট্যাম্প পেপার নাকি পাঠনো হচ্ছে রাজ্যের থানাগুলোতে। অভিযোগ, সাধারণ তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি গিয়ে স্ট্যাম্প পেপারে সই করানো হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টে আবেদনকারী বলেছেন, পুলিশ যেন এই কাজে বিরত থাকে, এমন নির্দেশ দিক কলকাতা হাইকোর্ট। এ ছাড়াও তাঁর আরও আবেদন এই সব স্ট্যাম্প পেপার বাজেয়াপ্ত করা হোক। মামলায় অভিযোগকারী আরও দাবি, কোনও স্ট্যাম্প পেপার তুলতে হলে নির্দিষ্ট কিছু আইন মেনে সেই কাজ করতে হয়। সেই স্ট্যাম্প পেপারের একটা নির্দিষ্ট রেজিস্ট্রেশনও হয়। কিন্তু অভিযোগকারী যে ভাবে কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন, সেখানে কোনও রেজিস্ট্রেশনও হচ্ছে না। আবার কোনও আইন মেনে সেই কাজ করা হচ্ছে না। আর এই মর্মেই কলকাতা হাই কোর্টে দায়ের হয়েছে এই জনস্বার্থ মামলা।
বসিরহাট : দুর্গাপুজোর আবহে গভীর রাতে নাকা তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র, দু’টি তাজা কার্তুজ এবং একটি চোরাই মোটরসাইকেল-সহ দুই যুবককে গ্রেফতার করলো বসিরহাটের মাটিয়া থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম শেখ আবদুল্লাহ্ ওরফে প্রিন্স (২৬) এবং শেখ ইমতিয়াজ আলম (৩৬)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত প্রিন্সের আদি বাড়ি নৈহাটির ঠাকুরপাড়ায়। বর্তমানে তিনি মাটিয়া থানার সাংবেড়িয়া এলাকায় থাকতেন। অন্যদিকে, ইমতিয়াজের বাড়ি মাটিয়া থানার চাঁদনগর গ্রামে। ধৃতদের বিরুদ্ধে মাটিয়া সহ একাধিক থানায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। দীর্ঘদিন ধরেই তাদের খোঁজ চালাচ্ছিল পুলিশ। দুর্গাপুজোর আগে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে রাতের নাকা তল্লাশি চালানোর সময় মাটিয়া থানার আইসি দীনেশচন্দ্র পালের নেতৃত্বাধীন পুলিশের হাতে ধরা পড়ে ওই দুই যুবক। তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় পিস্তল, দু’টি তাজা কার্তুজ এবং একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার হয়।
*कोलकाता:* 'वी वांट जस्टिस' के नारे ने कभी पूरे बंगाल को हिला दिया था। रात पर महिलाओं ने कब्जा किया था, आम लोग मोमबत्ती लेकर सड़कों पर उतरे थे। उस आंदोलन के दो साल बाद, RG कर के पूर्व प्राचार्य संदीप घोष को सुप्रीम कोर्ट से मिली जमानत ने फिर याद दिला दिया — एक व्यक्ति को सजा होने का मतलब यह नहीं कि सारे सवालों के जवाब मिल गए।
*নিজস্ব সংবাদদাতা, বেলগাছিয়া:* উত্তর কলকাতার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী পুজো বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব এবার ৭৯ তম বর্ষে পদার্পণ করল।
*পরিক্রমার রুটে যা থাকছে:*
*পুলিশের তরফে বিশেষ ব্যবস্থা:*
*ছবি:সঞ্জয় হাজরা।*
বসিরহাট : সালটা ১৫৮০, হয়তো সেই সময় সবেমাত্র ভারতবর্ষে পদার্পণ হয়েছে ব্রিটিশদের। এই সালেই হুগলির আকনা গ্রামের ঘোষ বংশের সপ্তদশ বংশধর সদানন্দ ঘোষ বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ হন বসিরহাটের ট্যাঁটরা নিবাসী রায়চৌধুরী বাড়ির কন্যার সঙ্গে। ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে যখন জোব চার্ণকের কলকাতা ছিল ক্যালকাটা, যার বয়স ছিল মাত্র ১০বছর, বসিরহাটের শিকড়া কুলিনগ্রামে সেই সালেই গোল পাতায় ছাওয়া মাটির আটচালায় দেবী দুর্গার আরাধনা শুরু করেন ঘোষ বংশেরই বংশধর দেবিদাস ঘোষ। পরবর্তীতে ১৮১০ থেকে ১৮২০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে কালীপ্রসাদ ঘোষ পাঁচ খিলান যুক্ত পাকা দুর্গা দালান নির্মাণ করেন, তারপর থেকে সেই দুর্গাদালানেই দেবী দুর্গার আরাধনা হয়ে যাচ্ছে। ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দ এই ঘোষ বংশেই পিতা আনন্দমোহন ঘোষ ও মাতা হেমাঙ্গিনী দেবীর কোল আলো করে জন্মগ্রহণ করেন রাখালদাস ঘোষ, যিনি পরবর্তীতে ঠাকুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের মানসপুত্র ও স্বামী বিবেকানন্দের গুরুভাই স্বামী ব্রহ্মানন্দ হিসেবে পরিচিত হন। ইতিহাস ঘাটলে জানা যায়, বালক রাখাল দুর্গাদালানের দেবী দুর্গার রূপ দেখে ধ্যানস্থ হতেন। অনতিদূরে বোধন তলায় সহপাঠীদের সঙ্গে তিনি মেতে উঠতেন পূজা পূজা খেলায় এবং বোধনতলার চারপাশে ঘুরে ঘুরে তিনি শ্যামাসংগীত গাইতেন। পরবর্তীকালে শিকড়া কুলিন গ্রামে এসে বোধন তলায় মাতা হেমাঙ্গিনী দেবীকে ভূমিষ্ঠ প্রণাম জানিয়েছিলেন। পরবর্তী।কালে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে স্বামী ব্রহ্মানন্দের পূণ্য জন্মভূমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় শিকড়া কুলিন গ্রাম রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন।
ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।
Oct 18 2026, 15:50
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1.2k