চ্যাম্পিয়ন হিসেবে খেতাব রক্ষার লড়াই শুরু ইস্টবেঙ্গলের, প্রতিপক্ষ আত্মবিশ্বাসী চার্চিল
*খেলা*
*আইএসএল*
![]()
*মারগাও, ১৭ অক্টোবর:* এমজি ইন্ডিয়ান সুপার লিগ ২০২৬-২৭-এ রবিবার ফতোরদা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী চার্চিল ব্রাদার্স এসসি গোয়া এবং ইস্টবেঙ্গল এফসি। মুম্বই সিটি এফসি-কে ২-১ গোলে হারিয়ে আইএসএলে ঐতিহাসিক অভিষেক জয় নিয়ে মাঠে নামবে চার্চিল, অন্যদিকে মহাদেশীয় এবং কাপের ব্যস্ত সূচির পর ঘরোয়া লিগে অভিযান শুরু করছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল।
শীর্ষ লিগে প্রথম ম্যাচেই নিজেদের জাত চিনিয়ে দিয়েছে চার্চিল ব্রাদার্স। গৌরব বোরার গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর কলম্বিয়ান স্ট্রাইকার সেবাস্তিয়ান গুতিয়েরেজের শেষ মুহূর্তের গোলে আইল্যান্ডার্সদের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে গোয়ার ক্লাবটি। তবে হেড কোচ দিমিত্রিস দিমিত্রিউ মনে করছেন, টানা দ্বিতীয় হোম ম্যাচের আগে আরও উন্নতির জায়গা রয়েছে।
দিমিত্রিউ বলেন, “অবশ্যই আমরা জিতেছি, প্রথম তিন পয়েন্ট পেয়েছি। কিন্তু নিশ্চিতভাবেই উন্নতির অনেক জায়গা আছে। আমরা খুব কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং আমাদের খেলা বিশ্লেষণ করেছি। আমি বিশ্বাস করি রবিবার আমরা আরও ভাল ফুটবল খেলব।”
ইস্টবেঙ্গলের জন্য রবিবারের ম্যাচটি লিগে খেতাব রক্ষার লড়াইয়ের শুরু। গোলরক্ষক ফুরবা লাচেনপা, মিডফিল্ডার দানি রামিরেজ, অস্ট্রেলিয়ান অ্যাটাকার ক্রিস ইকোনোমিডিস, ফরোয়ার্ড আকে লোবা এবং পোলিশ স্ট্রাইকার লুকাস জ্বোলিনস্কির মতো নতুন মুখ নিয়ে মাঠে নামবে লাল-হলুদ। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল। সদ্য এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-তে ইরাকের আল-শোরতার কাছে ৩-২ গোলে হেরেছে তারা, দু’টি গোলই করেছেন ডেভিড লালহ্লানসাঙ্গা।
হাবাস কঠিন পরীক্ষার আশা করলেও লক্ষ্য পরিষ্কার — লিগ অভিযান তিন পয়েন্ট দিয়েই শুরু করা। হাবাস বলেন, “এটা আমাদের জন্য বিপজ্জনক ম্যাচ এবং আমাদের বিরুদ্ধে বিপজ্জনক দল। আমাদের লক্ষ্য তিন পয়েন্ট। আমরা তাদের সম্মান করি, কিন্তু আমাদের নিজেদের স্তর আরও বাড়াতে হবে।”
এই লড়াই দুই ক্লাবের ন্যাশনাল ফুটবল লিগ এবং আই-লিগের পুরনো ইতিহাসকে ফিরিয়ে আনে। তাদের শেষ সাক্ষাৎ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ১-১ ড্র হয়েছিল। রবিবারের ম্যাচটি এমজি আইএসএলের ইতিহাসে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ, যা এই দ্বৈরথে নতুন অধ্যায় যোগ করবে।
এই ম্যাচটি প্রভাত লাকরার জন্যও বিশেষ, প্রাক্তন ক্লাব ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে চার্চিলের জার্সিতে নামবেন তিনি। ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগাতে মরিয়া স্বাগতিকরা, অন্যদিকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বার্তা দিতে তিন পয়েন্ট ছাড়া অন্য কিছু ভাবছে না ইস্টবেঙ্গল।ম্যাচ শুরু রবিবার, ১৮ অক্টোবর বিকেল ৫টায়।
ছবি:সঞ্জয় হাজরা।


বসিরহাট : দুর্গাপুজোর আবহে গভীর রাতে নাকা তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র, দু’টি তাজা কার্তুজ এবং একটি চোরাই মোটরসাইকেল-সহ দুই যুবককে গ্রেফতার করলো বসিরহাটের মাটিয়া থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম শেখ আবদুল্লাহ্ ওরফে প্রিন্স (২৬) এবং শেখ ইমতিয়াজ আলম (৩৬)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত প্রিন্সের আদি বাড়ি নৈহাটির ঠাকুরপাড়ায়। বর্তমানে তিনি মাটিয়া থানার সাংবেড়িয়া এলাকায় থাকতেন। অন্যদিকে, ইমতিয়াজের বাড়ি মাটিয়া থানার চাঁদনগর গ্রামে। ধৃতদের বিরুদ্ধে মাটিয়া সহ একাধিক থানায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। দীর্ঘদিন ধরেই তাদের খোঁজ চালাচ্ছিল পুলিশ। দুর্গাপুজোর আগে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে রাতের নাকা তল্লাশি চালানোর সময় মাটিয়া থানার আইসি দীনেশচন্দ্র পালের নেতৃত্বাধীন পুলিশের হাতে ধরা পড়ে ওই দুই যুবক। তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় পিস্তল, দু’টি তাজা কার্তুজ এবং একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার হয়।
*कोलकाता:* 'वी वांट जस्टिस' के नारे ने कभी पूरे बंगाल को हिला दिया था। रात पर महिलाओं ने कब्जा किया था, आम लोग मोमबत्ती लेकर सड़कों पर उतरे थे। उस आंदोलन के दो साल बाद, RG कर के पूर्व प्राचार्य संदीप घोष को सुप्रीम कोर्ट से मिली जमानत ने फिर याद दिला दिया — एक व्यक्ति को सजा होने का मतलब यह नहीं कि सारे सवालों के जवाब मिल गए।
*নিজস্ব সংবাদদাতা, বেলগাছিয়া:* উত্তর কলকাতার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী পুজো বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব এবার ৭৯ তম বর্ষে পদার্পণ করল।
*পরিক্রমার রুটে যা থাকছে:*
*পুলিশের তরফে বিশেষ ব্যবস্থা:*
*ছবি:সঞ্জয় হাজরা।*
বসিরহাট : সালটা ১৫৮০, হয়তো সেই সময় সবেমাত্র ভারতবর্ষে পদার্পণ হয়েছে ব্রিটিশদের। এই সালেই হুগলির আকনা গ্রামের ঘোষ বংশের সপ্তদশ বংশধর সদানন্দ ঘোষ বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ হন বসিরহাটের ট্যাঁটরা নিবাসী রায়চৌধুরী বাড়ির কন্যার সঙ্গে। ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে যখন জোব চার্ণকের কলকাতা ছিল ক্যালকাটা, যার বয়স ছিল মাত্র ১০বছর, বসিরহাটের শিকড়া কুলিনগ্রামে সেই সালেই গোল পাতায় ছাওয়া মাটির আটচালায় দেবী দুর্গার আরাধনা শুরু করেন ঘোষ বংশেরই বংশধর দেবিদাস ঘোষ। পরবর্তীতে ১৮১০ থেকে ১৮২০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে কালীপ্রসাদ ঘোষ পাঁচ খিলান যুক্ত পাকা দুর্গা দালান নির্মাণ করেন, তারপর থেকে সেই দুর্গাদালানেই দেবী দুর্গার আরাধনা হয়ে যাচ্ছে। ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দ এই ঘোষ বংশেই পিতা আনন্দমোহন ঘোষ ও মাতা হেমাঙ্গিনী দেবীর কোল আলো করে জন্মগ্রহণ করেন রাখালদাস ঘোষ, যিনি পরবর্তীতে ঠাকুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের মানসপুত্র ও স্বামী বিবেকানন্দের গুরুভাই স্বামী ব্রহ্মানন্দ হিসেবে পরিচিত হন। ইতিহাস ঘাটলে জানা যায়, বালক রাখাল দুর্গাদালানের দেবী দুর্গার রূপ দেখে ধ্যানস্থ হতেন। অনতিদূরে বোধন তলায় সহপাঠীদের সঙ্গে তিনি মেতে উঠতেন পূজা পূজা খেলায় এবং বোধনতলার চারপাশে ঘুরে ঘুরে তিনি শ্যামাসংগীত গাইতেন। পরবর্তীকালে শিকড়া কুলিন গ্রামে এসে বোধন তলায় মাতা হেমাঙ্গিনী দেবীকে ভূমিষ্ঠ প্রণাম জানিয়েছিলেন। পরবর্তী।কালে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে স্বামী ব্রহ্মানন্দের পূণ্য জন্মভূমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় শিকড়া কুলিন গ্রাম রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন।
ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।
Oct 17 2026, 17:23
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
2.2k