বনগাঁয় সিপিআইএমের বুক স্টল তৈরিতে অনুমতি হাইকোর্টের, রাজ্যের আপত্তি খারিজ
![]()
*কলকাতা:* বনগাঁয় সিপিআইএমের বুক স্টল তৈরির অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালতের নির্দেশ, পার্টি অফিসের ১০০ মিটারের মধ্যে সিপিআইএমকে বুক স্টল তৈরি করতে দিতে হবে। স্টল তৈরির সময় এবং তার পরেও যাতে এলাকায় কোনও অশান্তি না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েনেরও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জেলার পুলিশ সুপারকে আগামী ২৩ নভেম্বর এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।
এই নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন জানায় রাজ্য সরকার। সেই আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি ভট্টাচার্য।
*আদালতের পর্যবেক্ষণ:*
শুনানি চলাকালীন বিচারপতি ভট্টাচার্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আদালত এটা নিয়ে চিন্তিত যে, অন্যরা নিজেদের মর্জিমতো কোনও অনুমতি ছাড়াই স্টল তৈরি করছে, অথচ সিপিআইএমকে আলাদা করে অনুমতি নিয়ে বুক স্টল করতে হচ্ছে।
রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র সওয়াল করেন, হাইওয়ের ওপর কোনও নির্মাণ করতে গেলে হাইওয়ে অথরিটির অনুমতি প্রয়োজন এবং হাইওয়ের ওপর কোনও নির্মাণ করা যায় না। এর উত্তরে বিচারপতি বলেন, "তাহলে হাইওয়ে অথরিটি এসে বলুক সেটা।"
বিচারপতির আরও মন্তব্য, "একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম নিয়ম থাকতে পারে না। আইন সবার জন্য সমান। কাউকে অনুমতি দিলাম আর কাউকে দিলাম না, এটা করলে ভুল বার্তা যাবে।"
তিনি প্রশ্ন তোলেন, "কেউ স্টল করতে চাইল, আর কেউ এসে বাধা দিল। এটা করলে অস্থিরতা তৈরি হবে না?"
অ্যাডভোকেট জেনারেল যখন বলেন, পুলিশ কোনও নির্মাণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা দিতে বা সহায়তা করতে পারে না, তখন বিচারপতি পাল্টা প্রশ্ন করেন, "কেউ অস্থায়ী কাঠামো বানানোর সময় পুলিশ বাধা দেবে আর কোনও শক্তিশালী পক্ষ অস্থায়ী কাঠামো বানানোর সময় পুলিশ দর্শকের ভূমিকা পালন করবে, এটা কি হতে পারে?"
বিচারপতি আরও বলেন, "আগামীকালের মধ্যে সব ভেঙে দিন, তাহলে আর সমস্যা থাকবে না। আমি রাজ্যকে এক বছর সময় দিচ্ছি। রাজ্য নির্দিষ্ট নীতি তৈরি করুক। রাজ্যকে নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করতে হবে। আমি হাইওয়ে অথরিটিকে বলছি যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব নির্মাণ ভেঙে দিক।"
অ্যাডভোকেট জেনারেলকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, "আপনি কি এটা বলতে চান যে সিপিআইএম-এর পার্টি অফিসের সামনে কোনও অস্থায়ী নির্মাণ হয়নি? আপনি যদি বলেন যে হয়নি তাহলে মামলা এখানেই শেষ।"
অন্যদিকে, অ্যাডিশনাল অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য সওয়াল করেন, PWD-র কাছে সিপিআইএম কোনও অনুমতি চায়নি। যে বাড়িতে সিপিআইএম-এর পার্টি অফিস রয়েছে, সেই বাড়ির মালিক হিন্দু জাগরণ মঞ্চকে স্টল বানানোর অনুমতি দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গতকাল বনগাঁ থানার আইসিকে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। পরে প্রধান বিচারপতি মামলাটি ফের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চেই ফেরত পাঠান।


বসিরহাট : বসিরহাট শহরের ৯নং ওয়ার্ডে শোনপুকুর সংলগ্ন জাস্ট পিৎজা় ক্যাফে অ্যান্ড রেস্তোরাঁয় চালু হলো দম বিরিয়ানি। ফুড কালারের বদলে আসল জাফরান ব্যবহার করে বিরিয়ানির স্বাদ ও গন্ধে নতুনত্ব আনার উদ্যোগ নিয়েছে এই রেস্তোরাঁ। হায়দ্রাবাদী রীতিতে তৈরি এই বিরিয়ানিতে ব্যবহার করা হচ্ছে কেশর, খোয়া ক্ষীর, কাজু ও জায়ত্রী-জায়ফল সহ বিভিন্ন উপকরণ। ফলে বিরিয়ানি প্রেমীদের কাছে নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে এই পদ। বিরিয়ানি একসময় ভিন রাজ্যের খাবার হিসাবে পরিচিত থাকলেও বাঙালির খাদ্যতালিকায় এখন তার বিশেষ জায়গা রয়েছে। বিশেষ করে উৎসবের মরশুমে বিরিয়ানির চাহিদা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। কিন্তু বসিরহাট শহরে পছন্দমতো বিরিয়ানির সন্ধানে অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয় খাদ্যরসিকদের। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই নতুন করে দম বিরিয়ানি পরিবেশন শুরু করেছে জাস্ট পিৎজা় ক্যাফে অ্যান্ড রেস্তোরাঁ।
বসিরহাট : দুর্গাপুজোর আনন্দ অসহায় মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগী হয়েছে সিস্টার নিবেদিতা চ্যারিটেবল ট্রাস্ট। পুজোর প্রাক্কালে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে ‘পুজোর খুশি—নতুন বস্ত্র উপহার’ কর্মসূচির আয়োজন করেছে ট্রাস্ট। বসিরহাটের সংগ্রামপুর কালীবাড়ির পাশের মাঠে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের আনন্দ থেকে যাতে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই এই মানবিক উদ্যোগ। উদ্যোক্তাদের আশা, সকলের সামান্য সহযোগিতায় অসহায় পরিবারগুলির মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব হবে।
Oct 15 2026, 18:38
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
2.6k