मिशन शक्ति के अंतर्गत कक्षा 12 की छात्रा बनी एक दिन की उपजिलाधिकारी सदर
‎‎ ‎ sb न्यूज़ ब्यूरो रितेश मिश्रा
हारदोई मिशन शक्ति 6.0 के अन्तर्गत वेणी माधव इण्टर कालेज  की कक्षा 12 की छात्रा दिव्यांशी वर्मा द्वारा प्रतीकात्मक रूप से एक दिन के लिए उपजिलाधिकारी सदर के दायित्वों का निर्वहन किया गया। छात्रा द्वारा सभी लेखपालों को निर्धारित समयावधि में आय, निवास आदि प्रमाण पत्र  जारी करने हेतु निर्देश दिए गया। .ग्राम पंचायत रावल से आए व्यक्तियों की सुनवाई कर उचित दिशा निर्देश भी दिए हैं। इस दौरान उपजिलाधिकारी सदर  गुलाब चन्द्र उपस्थित रहे।
রক্তদান করেই এজলাসে প্রধান বিচারপতি, হাইকোর্টে নজিরবিহীন দিন

*কলকাতা:* মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে দেখা গেল এক নজিরবিহীন ছবি। রক্তদান করেই সরাসরি বিচারের কাজে বসল প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি. ঘুগে ও বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ।

হাইকোর্টের ক্লার্কদের সংগঠনের উদ্যোগে এদিন মেডিকেল সেন্টারে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। কমান্ড হাসপাতালের সহযোগিতায় এই শিবিরে মোট ৫৩ জন রক্তদান করেন।

প্রথম রক্তদাতা ছিলেন স্বয়ং প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি. ঘুগে। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন কমান্ড হাসপাতালের জওয়ানরাও। প্রধান বিচারপতির পাশাপাশি রক্তদান করেন বিচারপতি ওম নারায়ণ রাই, অনুজ সিং, রিশাদ মেধোরা-সহ অন্যান্য আইনজীবী ও কর্মীরা। রক্তদানের পরই প্রধান বিচারপতি এজলাসে গিয়ে মামলার শুনানি শুরু করেন।
পুজোর ছুটিতেও খোলা হাইকোর্ট, জরুরি মামলার জন্য বসল বিশেষ বেঞ্চ - নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত প্রধান বিচারপতির

*কলকাতা* : শারদোৎসবের আনন্দের মধ্যেও বিচারপ্রার্থীরা যাতে জরুরি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সেজন্য নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রতি বছর দুর্গাপুজোর দীর্ঘ ছুটিতে আদালত বন্ধ থাকলেও এবার ২০২৬ সালের পুজো ভ্যাকেশনেও হাইকোর্ট সচল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

এই মর্মে মঙ্গলবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে হাইকোর্ট প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত পুজোর ছুটি চলাকালীন জরুরি মামলার শুনানির জন্য বিশেষ ভ্যাকেশন বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। চারটি পর্যায়ে ভাগ করে বিচারপতিদের রোস্টারও প্রকাশ করা হয়েছে।

*উৎসবেও বসবে আদালত*

প্রথম পর্যায়ে ১৬ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত পঞ্চমী থেকে বিজয়া দশমীতে ডিভিশন ও সিঙ্গল বেঞ্চে মামলা শুনবেন প্রধান বিচারপতি নিজে, বিচারপতি রবীন্দ্র ঘুগে, বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদী, বিচারপতি প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, বিচারপতি পার্থ প্রতিম রায় এবং বিচারপতি পার্থ সারথী সেন।

দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত একাদশী থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত বেঞ্চ সামলাবেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ, বিচারপতি রবি কিষাণ কাপুর, বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য, বিচারপতি সন্দীপ কুমার দে-সহ অন্যান্য বিচারপতিরা।

তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ে ১ থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত কালীপুজো, দীপাবলি ও ভাইফোঁটার ছুটিতেও আদালত খোলা থাকবে। সেই সময় বিচারপতি কৌশিক চন্দ, বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়, বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য, বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরী-সহ অন্যান্য বিচারপতিরা জরুরি মামলার শুনানি করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে দুটি বিষয় স্পষ্ট করা হয়েছে। এক, ভ্যাকেশন বেঞ্চে শুধুমাত্র অত্যন্ত জরুরি এবং নিয়মিত বেঞ্চের অনুমতি পাওয়া মামলাই শোনা হবে। দুই, নির্ধারিত দিনের বাইরে অতি জরুরি মামলা দায়ের করতে হলে সংশ্লিষ্ট বিচারপতির ব্যক্তিগত সচিবের সঙ্গে ফোন বা ইমেলে যোগাযোগ করতে হবে। সেই জন্য বিশেষ নম্বরও দেওয়া হয়েছে।

আইনজীবী মহলের একাংশের মতে, উৎসবের মরসুমে সাধারণ মানুষের আইনি সহায়তার কথা মাথায় রেখে প্রধান বিচারপতির এই সিদ্ধান্ত যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক।
আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভিবজিওরের সম্পত্তি বিক্রি, তদন্তে ইডি - নির্দেশ হাইকোর্টের*

*কলকাতা* : চিটফান্ড সংস্থা ভিবজিওরের সম্পত্তি নিয়ে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কমিটির হেফাজতে থাকা সম্পত্তি গোপনে বিক্রি ও হাতবদলের অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আদালত। এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে (ইডি) দায়িত্ব দিল উচ্চ আদালত।

মঙ্গলবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ ও বিচারপতি সুদীপ দেবের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, যে সমস্ত সম্পত্তি এখনও বাজেয়াপ্ত করা হয়নি, সেগুলি অবিলম্বে সিজ করার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। পাশাপাশি কীভাবে এই সম্পত্তি বেহাত হল, তারও বিস্তারিত তদন্ত করবে ইডি।

এদিন শুনানিতে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়, ডিরেক্টরেট অফ ইকোনমিক অফেন্সেস (ডিইও)-কে দিয়ে প্রাথমিক তদন্ত করানো হয়েছে। সেই প্রাইমা ফেসি রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে একাধিক সম্পত্তি নিয়ম ভেঙে হাতবদল করা হয়েছে। শুধু উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সে প্রায় ৫৪ কোটি টাকার সম্পত্তিই নয়, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে থাকা সম্পত্তিও একইভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে আদালতে স্বীকার করেন সরকারি আইনজীবী। পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য আরও সময় চেয়েছে রাজ্য।

অন্যদিকে আমানতকারীদের আইনজীবী শুভাশীষ চক্রবর্তী ও অরিন্দম দাসের দাবি, আদালতের নিষেধাজ্ঞার ফাঁক গলে ভিন্ন নামের সংস্থার মাধ্যমে এই সম্পত্তিগুলির রেজিস্ট্রি ও বিক্রি চলছে। কমিটির নজরদারি এড়িয়ে কোটি কোটি টাকা তছরুপ করা হচ্ছে বলেও তাঁরা সওয়াল করেন।

আদালত আগামী ২৬ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে। সেদিন রাজ্য সরকার, হাইকোর্টের গঠিত কমিটি এবং ইডি - তিন পক্ষকেই বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
পুজোয় জেলেই থাকতে হবে সুজিত বসুকে, জামিন খারিজ হাইকোর্টে

*কলকাতা* : দুর্গাপুজোয় এবার জেলের অন্দরেই থাকতে হচ্ছে প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মঙ্গলবার তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের সিঙ্গল বেঞ্চ এই আবেদন খারিজ করে জানায়, বিস্তারিত রায় পরে আপলোড করা হবে।

বর্তমানে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে রয়েছেন সুজিত বসু। গত ১১ মে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। অভিযোগ, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় প্রায় ১৫০ জনকে বেআইনিভাবে চাকরির সুপারিশ করেছিলেন তিনি। তাঁর নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল নগদ টাকা জমার হদিস মিলেছে বলেও দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার।

তদন্তকারীদের অনুমান, ব্যবসায়ী অয়ন শীলের কাছ থেকে পাওয়া নথির সূত্র ধরেই প্রায় ৬০টি পুরসভায় ৫ হাজার বেআইনি নিয়োগের তথ্য সামনে এসেছে।

এর আগে আগস্ট মাসে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ এই মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। জামিনের শুনানিতে সুজিত বসুর আইনজীবী জানান, ইডির দুটি চার্জশিটের একটিতেও তাঁর মক্কেলের নাম নেই। যদিও আদালতে সেই যুক্তি টেকেনি।

বহু বছর শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের পুজোর প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন সুজিত বসু। এবারই প্রথমবার পুজোয় তিনি অনুপস্থিত থাকবেন।
যুবভারতীতে ইরাকি চ্যালেঞ্জের মুখে ইস্টবেঙ্গল, ম্যাচের আগেই প্রস্তুতি তুঙ্গে
*খেলা*

*এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু*


*স্পোর্টস ডেস্ক,কলকাতা:* এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আগামীকাল ঘরের মাঠে ইরাকের শক্তিশালী দল আল-শোর্তার মুখোমুখি হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল এফসি। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে সন্ধ্যায় এই হাইভোল্টেজ ম্যাচকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে।
ম্যাচের আগে আজ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেই আয়োজিত হয় সাংবাদিক সম্মেলন। সেখানে দুই দলের কোচ ও অধিনায়করা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। ম্যাচ নিয়ে নিজেদের পরিকল্পনা, প্রতিপক্ষ সম্পর্কে ভাবনা এবং দলের প্রস্তুতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন তাঁরা।
সাংবাদিক সম্মেলনের পর নিজ নিজ কোচের অধীনে যুবভারতীতে অনুশীলন সারে দুই দল। শেষ মুহূর্তের রণকৌশল ঝালিয়ে নেয় লাল-হলুদ ব্রিগেড। ঘরের মাঠে জয় তুলে নিতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল।
*ছবি:সঞ্জয় হাজরা।*
শাসনে দুর্গাপুজো কমিটিকে সরকারি আর্থিক সাহায্য, ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়া রোধ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের বার্তা প্রশাসনের

নিজস্ব সংবাদদাতা,উত্তর ২৪ পরগণা : ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি দুর্গাপুজো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে পুজো কমিটিগুলির হাতে রাজ্য সরকারের আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হলো। উত্তর ২৪ পরগণার বারাসাত মহকুমার শাসন থানা সংলগ্ন একটি কমিউনিটি হলে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সেখানে শাসন থানা এলাকার মোট ৪১টি পুজো কমিটিকে রাজ্য সরকারের আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বারাসাত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শুভম বাজাজ, বারাসাত-২ নম্বর ব্লকের যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, দেগঙ্গার এসডিপিও আমিনুল ইসলাম ও শাসন থানার আইসি মহম্মদ আসিফ সানিরা। তাদের উপস্থিতিতে পুজো উদ্যোক্তাদের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। এ দিন পুজো কমিটিগুলিকে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর বার্তা দেওয়া হয়। পুজোর দিনগুলিতে মণ্ডপ ও সংলগ্ন এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, জমা জল সরিয়ে ফেলা এবং মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি, দুর্গাপুজোর সময় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, অতিরিক্ত শব্দে মাইক ও সাউন্ডবক্স না বাজানো এবং মদ্যপান করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা রুখতে কড়া নজরদারির বিষয়েও পুজো উদ্যোক্তাদের সতর্ক করা হয়। উৎসবের দিনগুলিতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে প্রশাসনের নির্দেশিকা মেনে চলার বার্তাও দেওয়া হয়। রাজ্য সরকারের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি প্রশাসনের এই উদ্যোগের মাধ্যমে পুজো কমিটিগুলিকে সামাজিক সচেতনতা ও নিরাপদে উৎসব পালনের বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল করে তোলার চেষ্টা করা হয়।

ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।
।। সংস্কারের অভাবে ধুঁকছে বাদুড়িয়ার একমাত্র পৌর কমিউনিটি হল, ৭ বছর ধরে বন্ধ ৬৪৮ আসনের প্রেক্ষাগৃহ ।।

বসিরহাট : বসিরহাটের বাদুড়িয়া পৌর এলাকার একমাত্র কমিউনিটি হলের বেহাল দশা। দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের অভাবে কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে ৬৪৮ আসনবিশিষ্ট বাদুড়িয়া পৌর কমিউনিটি হল। স্থানীয়দের দাবি, ২০১৯ সালের পর থেকে বন্ধ হয়ে রয়েছে এই হল। একসময় রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে শুরু করে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সভা, সেমিনার এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এখানে অনুষ্ঠিত হত। কিন্তু বর্তমানে হলটি কার্যত ময়লা-আবর্জনার স্তূপে পরিণত হয়েছে। ফলে বাদুড়িয়ার বাসিন্দাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বেসরকারি অনুষ্ঠানবাড়ির উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এর জন্য তাদের গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। বাদুড়িয়া পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শুভদ্বীপ সরখেলের কথায়, "ছোটবেলায় এই কমিউনিটি হলে বহু ম্যাজিক শো ও নাটক দেখেছেন তিনি। এই হলের সঙ্গে এলাকার মানুষের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। নামমাত্র ভাড়ায় এখানে অনুষ্ঠান করা যেত। সুন্দর সাউন্ড সিস্টেম, আলো, পাখা-সহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও ছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই সবই অতীত।" স্থানীয়দের অভিযোগ, এখন প্রায় সমস্ত অনুষ্ঠানই বেসরকারি বিয়েবাড়িতে আয়োজন করতে হচ্ছে। তার জন্য খরচও অনেক বেশি। অতীতে বাদুড়িয়া পৌরসভা ও বিধায়ক, দু’পক্ষই তৃণমূলের হওয়া সত্ত্বেও ইচ্ছা থাকলে এই হলের সংস্কার করা সম্ভব ছিল। কিন্তু সেই সদিচ্ছা দেখা যায়নি। বাদুড়িয়া সংস্কৃতি মঞ্চের আহ্বায়ক গৌতম গুপ্ত জানান, ১৯৯৯ সালের ২ জুলাই তৎকালীন বাদুড়িয়া পৌরসভার চেয়ারম্যান সুশান্ত ঘোষ এবং তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অসীম দাসগুপ্তের উপস্থিতিতে এই কমিউনিটি হলের উদ্বোধন হয়। পরবর্তীকালে হলটির সংস্কারের দাবিতে তাদের সংগঠনের তরফে পৌরসভার চেয়ারম্যান দীপঙ্কর ভট্টাচার্য্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় সংস্কারের আশ্বাসও মিলেছিল। কিন্তু আজও সেই আশ্বাস বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ তাদের। অন্যদিকে, বাদুড়িয়ার বিজেপি নেতা পলাশ সরকার এই পরিস্থিতির জন্য পূর্ববর্তী সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পৌর বোর্ডকে দায়ী করেছেন। তার অভিযোগ, শোষণ ও তোষণের রাজনীতিতে ব্যস্ত থাকার কারণে বাদুড়িয়ার উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে। শুধু কমিউনিটি হল নয়, বিভিন্ন ক্ষেত্রেই দুর্নীতির চিহ্ন রয়ে গিয়েছে বলে দাবি তার। আগামী দিনে রাজ্যের পৌর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের সঙ্গে কথা বলে বাদুড়িয়ার মানুষের জন্য আধুনিক ও উন্নত মানের কমিউনিটি হল গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি। পলাশ সরকারের আরও অভিযোগ, ভুয়ো ডেকরেটর বিল তৈরি এবং কাউন্সিলরদের পকেট ভরানোর কারণেই কমিউনিটি হলের সংস্কার হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা এই কমিউনিটি হলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, রাজনৈতিক চাপানউতোরের ঊর্ধ্বে উঠে দ্রুত হলটি সংস্কার করে পুনরায় চালু করা হোক। তাতে যেমন বাদুড়িয়ার সাংস্কৃতিক চর্চা নতুন করে প্রাণ ফিরে পাবে, তেমনই সাধারণ মানুষ স্বল্প খরচে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ পাবেন।
বৈধ নথি ছাড়া সীমান্ত পেরোনোর অভিযোগে ধৃত ফরাসি শরণার্থীকে জামিন হাই কোর্টের

*কলকাতা:* বৈধ নথি ছাড়া ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পেরোনোর অভিযোগে ধৃত এক ফরাসি পাসপোর্টধারী শরণার্থীকে জামিন দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, তদন্ত শেষ হয়ে চার্জশিট জমা পড়ার পর আর হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন নেই।

বিচারপতি চৈতালি চট্টোপাধ্যায় (দাস) রকি ফ্রান্সিস ডি'কোস্তা নামে ওই ব্যক্তিকে জামিন দিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স আইনের ২১ নম্বর ধারা এবং ১৯৬৭ সালের পাসপোর্ট আইনের ১২ নম্বর ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল।

আদালত জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অতীতে কোনও অপরাধের রেকর্ড নেই। তিনি ফ্রান্সের বৈধ পাসপোর্ট এবং ফরাসি সরকারের দেওয়া শরণার্থী স্ট্যাটাসের নথি পেশ করেছেন।

পাশাপাশি আদালতের নজরে আনা হয়, ডি'কোস্তার মা ২০২২ সাল থেকে ভারতে চিকিৎসাধীন। আদালতের নির্দেশে জমা পড়া রিপোর্টে বলা হয়েছে, অ্যাপোলো মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে পাওয়া তাঁর মায়ের চিকিৎসার নথি আসল।

এই প্রেক্ষিতে আদালতের পর্যবেক্ষণ, "মূল বিষয়টি হল, ফ্রান্সের বৈধ নথি এবং ফরাসি প্রজাতন্ত্রের ইস্যু করা বৈধ পাসপোর্ট থাকা এক ব্যক্তি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পেরোনোর সময় বৈধ নথি না থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন।"
भारत के लोकतंत्र में 'CJP मॉडल' का आंदोलन अप्रासंगिक, पीछे विदेशी ताकतों की छाया !
अमित दास
भारत दुनिया का सबसे बड़ा लोकतंत्र है। इस लोकतंत्र की नींव कोई आयातित सिद्धांत नहीं है, इसकी नींव हजारों साल की सहिष्णुता, सह-अस्तित्व और संवैधानिक मूल्यों पर टिकी है। हाल के दिनों में देश के विभिन्न हिस्सों में Citizens for Justice and Peace या CJP के नाम पर जिस तरह के आंदोलन, प्रचार और न्याय व्यवस्था को प्रभावित करने की प्रवृत्ति देखी जा रही है, उस पर गंभीरता से सोचने का समय आ गया है। क्या इस मॉडल का आंदोलन वास्तव में भारत जैसे बड़े लोकतंत्र के लिए प्रासंगिक है? या इसके पीछे किसी बड़ी विदेशी ताकत की सोची-समझी साजिश काम कर रही है?
सबसे पहले यह समझना होगा कि CJP मॉडल क्या है? इस मॉडल की मुख्य विशेषता है - एक विशेष समुदाय को 'विक्टिम' के रूप में स्थापित करना, राज्य को हमेशा 'अत्याचारी' के रूप में पेश करना, देश की आंतरिक सामाजिक समस्याओं को अंतरराष्ट्रीय मंच पर ले जाकर भारत की छवि खराब करना और विदेशी अनुदान से पोषित होकर देश की न्याय व्यवस्था और प्रशासन पर लगातार दबाव बनाना। ये सीधे जनता के बीच जाकर काम नहीं करते, ये काम करते हैं कुछ अंग्रेजी जानने वाले एनजीओ, अंतरराष्ट्रीय मीडिया और विदेशी लॉबी के माध्यम से।
भारत का लोकतंत्र इस मॉडल के बिल्कुल विपरीत है। यहां 140 करोड़ लोगों का प्रतिनिधित्व है। यहां सुप्रीम कोर्ट से लेकर ग्राम पंचायत तक हर स्तर पर जवाबदेही की व्यवस्था है। यदि किसी नागरिक के अधिकारों का उल्लंघन होता है, तो उसके लिए संविधान द्वारा दिया गया रास्ता है - थाना, अदालत, मानवाधिकार आयोग। CJP जैसे संगठन उस संवैधानिक रास्ते पर भरोसा न करके सीधे विदेशी संसद, अमेरिकी स्टेट डिपार्टमेंट की रिपोर्ट या जिनेवा की मानवाधिकार परिषद में भारत के खिलाफ शिकायत करते हैं। क्या यह देश की न्याय व्यवस्था के प्रति अविश्वास नहीं है?
दूसरे, इस आंदोलन की अर्थव्यवस्था को देखिए। कई जांचों में सामने आया है कि इस तरह के संगठनों का अधिकांश पैसा फोर्ड फाउंडेशन, ओपन सोसाइटी फाउंडेशन जैसी विदेशी संस्थाओं से आता है, जिनका भारत की आंतरिक राजनीति में हस्तक्षेप का इतिहास बहुत पुराना है। जब किसी आंदोलन का खर्च विदेशी ताकतें चलाती हैं, तो उसका एजेंडा भी विदेश में ही तय होता है। भारत जैसे एक संप्रभु राष्ट्र में, जहां चुनावों के माध्यम से सरकार बदलती है, वहां विदेशी पैसे से पोषित होकर सरकार के खिलाफ जनमत बनाने की कोशिश लोकतंत्र पर सीधा हमला है।
तीसरे, यह CJP मॉडल भारत की सामाजिक वास्तविकता को नकारता है। भारत में समस्याएं हैं, दंगे, जात-पात, भेदभाव है - हम इनकार नहीं करते। लेकिन भारत का समाधान भी भारत की मिट्टी से ही निकलता है। रामकृष्ण-विवेकानंद से लेकर गांधीजी, अंबेडकर से लेकर आज के सुप्रीम कोर्ट तक - भारत ने अपनी समस्याओं का समाधान खुद ही किया है। बाहर से 'जस्टिस' और 'पीस' का ज्ञान आयात करने की हमें जरूरत नहीं है। CJP मॉडल भारत को हमेशा एक कमजोर, विभाजित राष्ट्र के रूप में दिखाना चाहता है, जो 75 साल के लोकतांत्रिक भारत की सफलता को नकारता है।
याद रखना होगा, भारत के लोकतंत्र में आंदोलन का अधिकार सभी को है। किसान आंदोलन हुआ है, छात्र आंदोलन हुआ है - वे मिट्टी के आंदोलन थे, देश के लोगों के आंदोलन थे। लेकिन CJP का आंदोलन मिट्टी का नहीं है, यह डॉक्यूमेंट और डॉलर का आंदोलन है। ये गांव में जाकर लोगों के साथ खड़े नहीं होते, ये दिल्ली के पांच सितारा होटलों में प्रेस कॉन्फ्रेंस करते हैं।
इसलिए, अब यह सवाल उठाने का समय आ गया है - जो लोग भारत के लोकतंत्र को कमजोर दिखाना चाहते हैं, क्या वे ही भारत के उदय से डर रहे हैं? जो भारत आज G-20 की अध्यक्षता कर रहा है, चांद पर जा रहा है, दुनिया की तीसरी सबसे बड़ी अर्थव्यवस्था बनने जा रहा है, उसे रोकने के लिए क्या मानवाधिकारों के मुखौटे के पीछे इस CJP मॉडल का इस्तेमाल किया जा रहा है?
भारत की जनता जागरूक है। वह बाहरी उकसावे में भ्रमित नहीं होगी। सरकार को भी चाहिए कि FCRA कानून को और सख्ती से लागू करे और इस तरह के विदेशी अनुदान से चलने वाले संगठनों की पारदर्शिता सुनिश्चित करे। लोकतंत्र में आलोचना तो रहेगी ही, लेकिन वह आलोचना देश के हितों को बेचकर, विदेशी ताकतों की कठपुतली बनकर नहीं की जा सकती।
( यह लेखक के अपने विचार हैं।)