।। হিঙ্গলগঞ্জে উদ্ধার বিলুপ্তপ্রায় তক্ষক, বন দফতরের হাতে তুলে দিল পুলিশ ।।

বসিরহাট : পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার হল একটি বিলুপ্তপ্রায় তক্ষক। বিরল প্রজাতির এই সরীসৃপটিকে নিরাপদে উদ্ধার করে বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জ থানার উত্তর বোলতলা গ্রামের বাসিন্দা মহিউদ্দিন গাজীর বাড়িতে একটি তক্ষক দেখতে পান স্থানীয়রা। বিরল প্রজাতির এই প্রাণীটিকে ঘিরে এলাকায় কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশ। থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রাহুল হালদারের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল তক্ষকটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ হেফাজতে নেয়। পরে বন দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে রামপুর ফরেস্ট রেঞ্জের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পুলিশের পক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া তক্ষকটি বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া তক্ষকটির দৈর্ঘ্য প্রায় এক থেকে দেড় ফুট। আন্তর্জাতিক অবৈধ বন্যপ্রাণী পাচার চক্রের কাছে এই প্রাণীর চাহিদা থাকায় এর কালোবাজারি মূল্য কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে দাবি স্থানীয়দের। উদ্ধার হওয়া তক্ষকটির ওজন আনুমানিক ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম।
রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্টিত হল  লোকভবনে। সোমবার তাদের শপথবাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল আরএন রবি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, শান্তনু ঠাকুর সহ বিশিষ্ট জনেরা।আজই দপ্তর বণ্টনের সম্ভাবনাও রয়েছে। মোট ৩৫ জন শপথ নিলেন আজ। এর মধ্যে পূর্ণমন্ত্রী ১৩ জন, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ৩ জন, প্রতিমন্ত্রী ১৯ জন।আগেই শপথ নিয়েছেন ৫ জন। পশ্চিমবঙ্গে মোট ৪১ জনের মন্ত্রিসভা গঠিত হল।

*আজ শপথ নিলেন যে পূর্ণমন্ত্রীরা*

১) তাপস রায়,২) দীপক বর্মন,৩)অর্জুন সিং ৪) শঙ্কর ঘোষ ৫) মনোজকুমার ওরাওঁ,৬)গৌরীশঙ্কর ঘোষ,৭) জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়,৮) স্বপন দাশগুপ্ত,৯) কল্যাণ চক্রবর্তী,১০) শারদ্বত মুখোপাধ্যায়,১১)অরূপকুমার দাস,১২) অজয়কুমার পোদ্দার১৩)দুধকুমার মণ্ডল

*স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর নামের তালিকা*

১. মালতী রাভা রায়

২. ইন্দ্রনীল খাঁ

৩. রাজেশ মাহাতা


*প্রতিমন্ত্রীর নামের তালিকা*

১. জুয়েল মুর্মু

২. হরেকৃষ্ণ বেরা

৩. আনন্দময় বর্মন

৪. অশোক দিন্দা

৫. নাদিয়ার চাঁদ বাউরি

৬. বিশাল লামা

৭. শান্তনু প্রামাণিক

৮. মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র

৯. উদয় উমেশ রাই

১০. পূর্ণিমা চক্রবর্তী

১১. কৌশিক চৌধুরী

১২. ভাস্কর ভট্টাচার্য

১৩. দিবাকর ঘরামি

১৪. অমিয় কিস্কু

১৫. কলিতা মাজি

১৬. গার্গী দাস ঘোষ

১৭. বিরাজ বিশ্বাস

১৮. দীপঙ্কর জানা

১৯. সুমনা সরকার
তৃণমূলে ভাঙন, বসিরহাটে কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রায় ১৫০ জন কর্মী-সমর্থক ও পঞ্চায়েত সদস্য
বসিরহাট : বসিরহাটে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করল কংগ্রেসে যোগদান কর্মসূচি। রবিবার বসিরহাটের ইন্দিরা ভবনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক ও কর্মী-সহ প্রায় ১৫০ জন মানুষ কংগ্রেসে যোগদান করেন। এআইসিসি সদস্য অমিত মজুমদারের হাত ধরে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসে যোগ দেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসিরহাট আদালতের আইনজীবী জিয়ারুল মোল্লা। তার নেতৃত্বে এই বৃহৎ যোগদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সাধারণ মানুষ, তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এদিন কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নেন।
যোগদানকারীদের মধ্যে ভবানীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য আজিজুল গাজী সহ একাধিক পঞ্চায়েত প্রতিনিধি ছিলেন বলে কংগ্রেস সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যোগদানের পর মোহাম্মদ আজিজুল গাজী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসে থেকে তিনি নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন এবং দলের অভ্যন্তরে কাজের পরিবেশ নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন। সেই কারণেই তিনি কংগ্রেসে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
স্বচ্ছ ভারত মিশনের ১২টি টোটোর মধ্যে ৯টি উধাও!

পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে বিক্রির অভিযোগে তোলপাড় বাদুড়িয়া

*সৌমাভ মণ্ডল,বসিরহাট* : স্বচ্ছ ভারত মিশনের আওতায় সরকারি প্রকল্পের সম্পত্তি বিক্রির অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বসিরহাটের বাদুড়িয়া ব্লকের যদুরহাটি উত্তর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান জাহিদুল হক বৈদ্যের বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পে পাওয়া ব্যাটারিচালিত ময়লা সংগ্রহের গাড়ি বা টোটো বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন এলাকার বাসিন্দারা। ঘটনাকে ঘিরে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে বাদুড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, স্বচ্ছ ভারত মিশন প্রকল্পের অধীনে যদুরহাটি উত্তর গ্রাম পঞ্চায়েতকে প্রায় তিন বছর আগে ১২টি ব্যাটারিচালিত ময়লা সংগ্রহের গাড়ি দেওয়া হয়েছিল। এই গাড়িগুলির মাধ্যমে পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন গ্রাম থেকে বর্জ্য সংগ্রহের কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, গাড়িগুলি জনস্বার্থে ব্যবহার না করে পঞ্চায়েত প্রধান সেগুলি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যান এবং একটি পার্শ্ববর্তী এলাকার আমবাগানে রেখে দেন।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে গাড়িগুলি ব্যবহার না হওয়ায় তাদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে তারা খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, ১২টি টোটোর মধ্যে বর্তমানে মাত্র ৩টি গাড়ি সেখানে রয়েছে। বাকি ৯টি গাড়ি এবং কিছু ক্ষেত্রে ব্যাটারি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি সামনে আসতেই এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় বাসিন্দারা বাদুড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ জমা পড়ার পর পরিস্থিতি আরও নাটকীয় মোড় নেয় বলে দাবি গ্রামবাসীদের। তাদের অভিযোগ, অভিযোগের খবর জানাজানি হওয়ার পর রাতের অন্ধকারে অবশিষ্ট ৩টি টোটো আমবাগান থেকে সরিয়ে প্রধানের বাড়ির ভেতরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় এক গ্রামবাসী ঘটনায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে মারধর করা হয়। আহত ওই ব্যক্তি প্রথমে বাদুড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তিনি মারধরের অভিযোগে বাদুড়িয়া থানায় পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগ, সরকারি সম্পদ সরিয়ে ফেলার প্রতিবাদ করায় তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে বাদুড়িয়া থানার পুলিশ এলাকায় পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পঞ্চায়েত প্রধান জাহিদুল হক বৈদ্যকে এলাকায় দেখা যায়নি বলে দাবি স্থানীয়দের। ফলে তাকে ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সরকারি প্রকল্পের সম্পদ যদি সত্যিই বিক্রি হয়ে থাকে, তাহলে তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। সরকারি সম্পত্তি কীভাবে এবং কার কাছে বিক্রি হয়েছে, সেই বিষয়েও তদন্তের দাবি উঠেছে। পাশাপাশি এই প্রকল্পে বরাদ্দ হওয়া সম্পদের ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশাসনিক পর্যায়ে নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন তারা। তবে অভিযুক্ত প্রধানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলির সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। এখন তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে স্থানীয় মানুষের। সরকারি প্রকল্পের সম্পত্তির অপব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে বাদুড়িয়ার এই ঘটনা ইতিমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
অল ইন্ডিয়া স্কুল রোয়িং প্রতিযোগিতা
নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা লেক ক্লাবের উদ্যোগে ৫১ তম অল ইন্ডিয়া স্কুল রোয়িং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে গেল কলকাতার রবীন্দ্র সরোবরে। শনিবারের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত সাঁতারু বুলা চৌধুরী সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। কলকাতা শহরতলী এবং বিভিন্ন রাজ্য মিলিয়ে ৪৩ টি স্কুল এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল।
ছবি: সঞ্জয় হাজরা
।। হস্টেলের ঘরে বছরের পর বছর মজুত ত্রাণ! সন্দেশখালিতে উদ্ধার সামগ্রী ঘিরে তীব্র বিতর্ক ।।
বসিরহাট : সন্দেশখালির রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের নতুন বিতর্কের জন্ম দিল বহু বছরের পুরনো ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনা। অভিযোগ, আয়লা, বুলবুল ও আম্ফানের মতো ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বছরের পর বছর ধরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল একটি স্কুল হস্টেলের ঘরে। সম্প্রতি সেই মজুত ত্রাণসামগ্রী সামনে আসতেই উত্তাল হয়ে উঠলো বসিরহাটের সন্দেশখালি-২ নম্বর ব্লকের খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাটগাছা হাই স্কুলের হস্টেলের একটি ঘর খুলে বিপুল পরিমাণ ত্রিপল সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার করেন এলাকার বাসিন্দারা। অভিযোগ, দুর্যোগের সময় দুর্গত মানুষের মধ্যে সেগুলি বিতরণ না করে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে মজুত করে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষ।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন খুলনা অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন প্রাক্তন নেতা। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কিছু প্রভাবশালী নেতা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ত্রাণসামগ্রী সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছতে দেননি। তাদের অভিযোগ, সরকারি সাহায্য প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে না পৌঁছে বছরের পর বছর ধরে একটি হস্টেল ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা মালতী পাত্রের অভিযোগ, আম্ফানের সময় থেকেই ওই সামগ্রী সেখানে রাখা হয়েছিল। তার দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বহু মানুষ সরকারি ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। একই সুর শোনা গিয়েছে শোভা বরের কথাতেও। তিনি বলেন, এলাকার মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি ত্রাণসামগ্রী মানুষের হাতে না পৌঁছে গোপনে মজুত করে রাখা হয়েছিল, যা অত্যন্ত গুরুতর ঘটনা।
ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে সামনে এসেছে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগও। স্থানীয়দের দাবি, শুধু ত্রাণ বণ্টন নয়, সরকারি আবাসন প্রকল্পে কাটমানি, একশো দিনের কাজের প্রকল্পে অনিয়ম এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের উপর চাপ সৃষ্টি করার মতো ঘটনাও দীর্ঘদিন ধরে চলে এসেছে। তাদের অভিযোগ, ক্ষমতার প্রভাবেই এতদিন এসব অভিযোগ চাপা পড়ে ছিল। ঘটনার জেরে এলাকায় বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের বক্তব্য, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন তারা। যদিও যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফলে অভিযোগের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
সন্দেশখালিতে একের পর এক বিতর্ক ও দুর্নীতির অভিযোগের আবহে এই নতুন ‘ত্রাণ কাণ্ড’ ফের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে। দুর্যোগের সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি সাহায্য আদৌ প্রকৃত প্রাপকদের হাতে পৌঁছেছিল কি না, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকায়। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের ভূমিকার দিকে নজর রয়েছে সকলের। একই সঙ্গে ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের দাবি, দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কড়া পদক্ষেপ করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে মানুষের প্রাপ্য সরকারি সাহায্য আর কোনওভাবেই বঞ্চিত না হয়।
।। সীমান্তে কাঁটাতারের জট কাটাতে মাঠে মন্ত্রী, পরিদর্শনে অশোক কীর্তনীয়া ।।
বসিরহাট : বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের কৈজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের সীমান্তবর্তী গাবর্ডাহ্ গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাঁটাতার নির্মাণ প্রকল্পের জট খুলতে উদ্যোগী হলো রাজ্য প্রশাসন। সেই লক্ষ্যে শনিবার এলাকায় পরিদর্শনে এলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া। সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হওয়ায় আশার আলো দেখছেন সীমান্তবাসীরা। জানা গিয়েছে, স্বরূপনগরের সীমান্তবর্তী বড়ুল গাবর্ডাহ্ এলাকায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর কাজ বহুদিন ধরে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে ছিল। কোথাও বসতবাড়ির উপর দিয়ে, আবার কোথাও ব্যক্তিগত কৃষিজমির মধ্য দিয়ে সীমান্তরেখা চলে যাওয়ায় কাঁটাতার নির্মাণে নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল প্রশাসন ও বিএসএফকে। ফলে সীমান্তের বেশ কিছু অংশ এখনও সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত করা সম্ভব হয়নি। এদিন গাবর্ডাহ্ গ্রামে পৌঁছে প্রথমে সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বসিরহাটের এসডিও জসলিন কৌর, বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার আলোকনন্দা ভাওয়াল ও স্বরূপনগরের বিজেপি নেতা তারক সাহা সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। পরে বিএসএফ আধিকারিকদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন তিনি। বৈঠকে সীমান্ত এলাকার বিস্তারিত মানচিত্র তুলে ধরে আধিকারিকরা কাঁটাতার নির্মাণের সম্ভাব্য রূপরেখা, জমির অবস্থান, সীমান্ত নির্ধারণের বিভিন্ন দিক এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। কোন অংশে কীভাবে কাঁটাতার বসানো হবে এবং জমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বিএসএফের সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্ত্রী স্বরূপনগর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের দপ্তরে যান। সেখানে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকদের নিয়ে আরও একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী মানুষের স্বার্থ রক্ষা করে কীভাবে দ্রুত কাঁটাতার নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমি ও সীমান্ত নির্ধারণের সমস্যার কারণে কাঁটাতার নির্মাণের কাজ থমকে ছিল। এতে নিরাপত্তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছিল। প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের উদ্যোগে এবার সেই জট কাটার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় খুশি এলাকার মানুষ।
সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করার পাশাপাশি জমির মালিকদের স্বার্থ এবং স্থানীয় বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার দিকেই এখন নজর প্রশাসনের। মন্ত্রীর এই পরিদর্শনের পর দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে কাঁটাতার নির্মাণের কাজ নতুন গতি পাবে বলেই আশা সীমান্তবাসীদের।
কোলে গৃহদেবতা ‘গোপাল’, পাঁচ বছর পর রাজনৈতিক হিংসার স্মৃতি পেরিয়ে ঘরে ফিরলেন হাড়োয়ার বিজেপি নেত্রী
সৌমাভ মণ্ডল,বসিরহাট : পাঁচ বছর আগে রাজনৈতিক হিংসার আতঙ্কে রাতের অন্ধকারে ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। সঙ্গে ছিল না কোনও আসবাব, জামাকাপড় কিংবা মূল্যবান জিনিসপত্র। কোলে আঁকড়ে ছিলেন শুধু পরিবারের গৃহদেবতা ‘গোপাল’। সেই স্মৃতি বুকে নিয়েই দীর্ঘ পাঁচ বছর পর অবশেষে নিজের ভিটেমাটিতে ফিরলেন হাড়োয়ার বিজেপি নেত্রী পারমিতা দাস। গৃহদেবতাকে সঙ্গে নিয়ে স্বামী ও সন্তানকে পাশে রেখেই বাড়িতে ফেরেন তিনি। তার সঙ্গে ছিলেন এলাকার শতাধিক বিজেপি কর্মী ও সমর্থক।
পারমিতা দাস বসিরহাটের হাড়োয়া ব্লকের গোপালপুর ১নং গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা এবং হাড়োয়া ১ মণ্ডলের বিজেপির সহ সভানেত্রী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার সময় তাকে ও তার পরিবারকে গ্রাম ছাড়তে হয়েছিল বলে অভিযোগ। পারমিতার দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এলাকায় তৃণমূল সমর্থকদের হামলার মুখে পড়েন তারা। বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়, মারধর করা হয় তাকে ও তার স্বামীকে। এমনকি বিজেপির রাজনীতি চালিয়ে গেলে তার ছেলেকে খুন করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে, প্রাণভয়ে এক বস্ত্রে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন পারমিতা। সেই সময় তাড়াহুড়োর মধ্যে তিনি সঙ্গে নিতে পেরেছিলেন শুধু পরিবারের পিতলের গৃহদেবতা গোপালকে। এরপর দীর্ঘদিন উত্তর ২৪ পরগণার বনগাঁয় আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে কাটাতে হয় তাদের। পারমিতার অভিযোগ, সেই সময় থানায় অভিযোগ জানাতে গেলেও পুলিশ কোনও সহযোগিতা করেনি, এমনকি অভিযোগ পর্যন্ত নেয়নি। পাঁচ বছর পর অবশেষে যখন তিনি বাড়িতে ফেরেন, তখনও ঘরের ভেতরে রয়ে গিয়েছে সেই হামলার ক্ষতচিহ্ন। বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙাচোরা, ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পুরনো বাসন ও নষ্ট হয়ে যাওয়া জিনিসপত্র। দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকা বাড়িতে ঢুকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পারমিতা দাস। গৃহদেবতা গোপালকে ঘরে প্রতিষ্ঠা করার পর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রণাম করেন তিনি।।পারমিতা দাস বলেন, “বিজেপি করার অপরাধে আমাদের উপর অকথ্য অত্যাচার হয়েছিল। ছেলেকে পর্যন্ত উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে আসতে দেওয়া হয়নি। সেই সময় প্রাণ বাঁচাতে বাড়ি ছেড়েছিলাম। যাওয়ার সময় সংকল্প করেছিলাম, একদিন পরিস্থিতি বদলাবে, তখনই নিজের বাড়িতে ফিরব। আজ পাঁচ বছর পর গৃহদেবতাকে নিয়ে নিজের ভিটেতে ফিরতে পেরে মনে হচ্ছে যেন নতুন করে জীবন শুরু করলাম।”
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আবারও রাজনৈতিক হিংসা ও ঘরছাড়া ইস্যু সামনে এসেছে। বিজেপির দাবি, ২০২১ সালের পর বহু কর্মী-সমর্থক রাজনৈতিক কারণে ঘরছাড়া হয়েছিলেন। অন্যদিকে তৃণমূলের তরফে এই ধরনের অভিযোগ বারবার অস্বীকার করা হয়েছে। তবে পাঁচ বছর পর গৃহদেবতাকে সঙ্গে নিয়ে পারমিতা দাসের বাড়ি ফেরা এখন হাড়োয়া এলাকায় রাজনৈতিক ও আবেগঘন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
ক্ষণিকের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড বাসন্তী হাইওয়ে, গাছ পড়ে অবরুদ্ধ রাস্তা
বসিরহাট : ক্ষণিকের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড বাসন্তী হাইওয়ে, গাছ পড়ে অবরুদ্ধ রাস্তা। বাসন্তী হাইওয়ের হাড়োয়ার ঘোষপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় আচমকাই ঝড়-বৃষ্টির দাপটে বিপর্যস্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার জেরে রাস্তার ধারে থাকা একটি বড় গাছ ভেঙে সরাসরি হাইওয়ের উপর পড়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে। হঠাৎ এই ঘটনায় পথচলতি মানুষ ও গাড়ির চালকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গাছ পড়ে যাওয়ার ফলে বাসন্তী হাইওয়ের দু’দিকেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। অফিসফেরত যাত্রী থেকে শুরু করে নিত্যযাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ির চালকেরা সমস্যায় পড়েন। হাইওয়ের উপর গাছ পড়ে থাকায় কিছুক্ষণ পরিস্থিতি কার্যত অচল হয়ে যায়। বহু যাত্রীকে দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় আটকে থাকতে হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় হাড়োয়া থানার লাউগাছি বিট হাউসের পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু করে। স্থানীয় মানুষজনও পুলিশের কাজে সহযোগিতা করেন। পুলিশের দ্রুত উপস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলাপে বাড়ি বাড়ি যাওয়ার নির্দেশ, বসিরহাটে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন বিএলওরা

বসিরহাট : রাজ্য সরকারের নতুন নির্দেশিকা ঘিরে চরম ক্ষোভ ছড়াল বুথ লেভেল অফিসারদের (বিএলও) মধ্যে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের নতুন ফর্ম ফিলাপকে কেন্দ্র করে এবার প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ালেন বিএলওরা। অভিযোগ, নির্বাচনী দায়িত্বের বাইরে গিয়ে তাদের দিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম সংগ্রহ ও পূরণের কাজ করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর সেই নির্দেশের প্রতিবাদেই শুক্রবার বসিরহাট বসিরহাট দক্ষিণ চক্রের এসআই অফিসের সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বহু বিএলও। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তারা নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করেন এবং ভোটার তালিকা সংশোধন, নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, ভোটের কাজ ছাড়া অন্য কোনও সরকারি প্রকল্পের দায়িত্ব তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না। অথচ হঠাৎ করেই তাদের হোয়াটসঅ্যাপে একটি বার্তা পাঠানো হয়, যেখানে জানানো হয় অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের নতুন ফর্ম বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করতে হবে এবং সেই কাজ অবিলম্বে শুরু করতে হবে।
এই নির্দেশের পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিএলওরা। তাদের বক্তব্য, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সময়ে একাধিক অতিরিক্ত কাজের চাপ তাদের উপর চাপানো হয়েছে। নির্বাচন ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহ, সমীক্ষা ও প্রশাসনিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে তাদের। ফলে মূল নির্বাচনী কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তার উপর এবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলাপের নির্দেশ কার্যত “অতিরিক্ত বোঝা” বলে দাবি করেন তারা। বিক্ষোভে সামিল একাধিক বিএলও জানান, তারা সরকারি কর্মচারী হলেও নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট গাইডলাইন মেনেই কাজ করেন। সেই নিয়ম ভেঙে অন্য প্রকল্পের কাজ চাপিয়ে দেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। অনেকের অভিযোগ, মৌখিক ও ডিজিটাল নির্দেশ দিয়ে কাজ করানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কোনও লিখিত সরকারি নির্দেশ এখনো পর্যন্ত তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। এদিন বসিরহাট দক্ষিণ চক্র এসআই অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান বিএলওরা। চলে স্লোগান, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ উগরে দেওয়া। তারা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, “নির্বাচনী কাজ ছাড়া অন্য কোনও কাজ আমরা করব না।” পাশাপাশি দ্রুত এই নির্দেশ প্রত্যাহারের দাবিও তোলেন তারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। পাশাপাশি বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভার নির্বাচক নিবন্ধন আধিকারিককে লিখিত অভিযোগ করা হয়। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পকে ঘিরে রাজ্যজুড়ে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেই কাজের দায়িত্ব বিএলওদের উপর চাপানো নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।