রাজ্যের জনমুখী বাজেটের সুবিধা ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে, বসিরহাটে অঙ্গীকার তৃণমূলের
বসিরহাট : বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্য্যালয়ে শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য বাজেটের জনমুখী দিকগুলি তুলে ধরলো জেলা নেতৃত্ব।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি বুরহানুল মুকাদ্দীম লিটন, চেয়ারম্যান সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায়, আইএনটিটিইউসি সভাপতি এটিএম আব্দুল্লাহ রনি, যুব সভাপতি শমীক রায় অধিকারী, ছাত্র পরিষদের সভাপতি অভিষেক মজুমদার রিকি, মহিলা তৃণমূলের সভাপতি সবিতা রায়ের পাশাপাশি মাইনোরিটি সেল ও কৃষক সেলের সভাপতিরা। এছাড়াও একাধিক বিধানসভার বিধায়ক, বিভিন্ন ব্লক ও টাউন সভাপতি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও পৌরপ্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে জেলা নেতৃত্বের বক্তব্যের মূল সুর ছিল রাজ্য বাজেট সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো। এই ৫ টি স্তম্ভকে সামনে রেখে সরকার যে পরিকল্পনা নিয়েছে, তার সুফল শহর-গ্রাম নির্বিশেষে মানুষের কাছে পৌঁছবে বলেই তাদের দাবি। বিশেষ করে নারী ক্ষমতায়ন, কৃষক সহায়তা ও শ্রমিক কল্যাণে বরাদ্দ বৃদ্ধির কথা তুলে ধরে বলা হয়, এই বাজেট কেবল সংখ্যার হিসাব নয়, মানুষের জীবনের মান উন্নয়নের রূপরেখা।
জেলা সভাপতি বুরহানুল মুকাদ্দীম লিটন বলেন, "রাজ্য সরকারের লক্ষ্য সবসময়ই মানুষের কাছে সুবিধা পৌঁছনো। এই বাজেটে সেই অঙ্গীকার আরও স্পষ্ট হয়েছে।" তিনি জানান, সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প।গুলির পরিধি বাড়ানো হয়েছে, স্বাস্থ্যখাতে পরিষেবা আরও মজবুত করার জন্য অতিরিক্ত জোর দেওয়া হয়েছে, আর শিক্ষায় অবকাঠামো ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবসমাজকে কর্মমুখী করে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। লিটনের দাবি, "এই বাজেট কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ নয়। এটা মাঠে নেমে মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলবে।"
চেয়ারম্যান সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা দুটোই দরকার। তার মতে, রাজ্য বাজেট সেই দিকেই এগিয়েছে। শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে এটিএম আব্দুল্লাহ রনি শ্রমজীবী মানুষের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ও কাজের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ করেন। যুব সভাপতি শমীক রায় অধিকারী যুবসমাজের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের রোডম্যাপের কথা বলেন। উপস্থিত বিধায়ক ও স্থানীয় নেতৃত্বেরা জানান, ব্লক ও পৌর স্তরে এই বার্তা পৌঁছে দিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি নেওয়া হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি জানতে পারেন কোন প্রকল্পে কীভাবে উপকৃত হওয়া যাবে।
সব মিলিয়ে, এদিনের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে তৃণমূল নেতৃত্বের বার্তা স্পষ্ট। রাজ্য বাজেটকে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়াই তাদের লক্ষ্য। বুরহানুল মুকাদ্দীম লিটনের কথায়, “রাজনীতির সার্থকতা তখনই, যখন বাজেটের প্রতিটি টাকাই মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনে।” সেই লক্ষ্যেই সংগঠনের সব স্তরের নেতৃত্ব মাঠে নেমে কাজ করবে বলে জানানো হয়।
3 hours ago
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
6.7k