डेस्क टू पिच कप – सीजन 1 : चौथा मुकाबला | WTC Star11 की दमदार जीत
जिज्ञासा क्रिकेट ग्राउंड
लखनऊ। कॉर्पोरेट क्रिकेट टूर्नामेंट डेस्क टू पिच कप – सीजन 1 के चौथे मुकाबले में WTC Star11 ने शानदार ऑलराउंड प्रदर्शन करते हुए Lucknow Super Strikers को करारी शिकस्त दी और टूर्नामेंट में अपनी मजबूत दावेदारी पेश की।
- WTC Star11 की विस्फोटक बल्लेबाजी
टॉस जीतकर पहले बल्लेबाजी करते हुए WTC Star11 ने आक्रामक अंदाज में शुरुआत की। टीम ने निर्धारित 20 ओवर में 8 विकेट के नुकसान पर 220 रन का विशाल स्कोर खड़ा किया। सुमित चौधरी ने तूफानी पारी खेलते हुए मात्र 28 गेंदों पर 47 रन बनाए। 6 चौके,1 छक्का ।
Lucknow Super Strikers की ओर से गेंदबाजी में
संजय पासी – 2 विकेट
हरी प्रकाश – 2 विकेट
ने अच्छी कोशिश की, लेकिन विपक्षी टीम को बड़े स्कोर से रोकने में कामयाब नहीं हो सके।
- लक्ष्य का पीछा करते हुए लड़खड़ाई Lucknow Super Strikers
221 रन के चुनौतीपूर्ण लक्ष्य का पीछा करने उतरी Lucknow Super Strikers की टीम शुरुआत से दबाव में नजर आई। पूरी टीम 20 ओवर में 9 विकेट खोकर 144 रन ही बना सकी। आकाश ने अकेले दम पर संघर्ष करते हुए 45 गेंदों पर 64 रन बनाए।
- 8 चौके
- 2 छक्के, लेकिन उन्हें अन्य बल्लेबाजों का साथ नहीं मिल सका।
WTC Star11 की ओर से गेंदबाजी में राहुल, हेमंत ने शानदार प्रदर्शन करते हुए अहम विकेट झटके और विपक्षी टीम को लक्ष्य से काफी दूर रोक दिया।
- पुरस्कार विजेता
- मैन ऑफ द मैच: सुमित चौधरी
- सर्वश्रेष्ठ बल्लेबाज: आकाश (64 रन)
- सर्वश्रेष्ठ गेंदबाज: राहुल
WTC Star11 की यह जीत न केवल शानदार रही, बल्कि टीम के संतुलित प्रदर्शन ने यह संकेत भी दे दिया है कि वह इस टूर्नामेंट की प्रबल दावेदारों में से एक है।



প্রবীর রায়: ভাটপাড়া পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের মন্ডল পাড়ায় বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ বিজলী সরকারের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন শান্তা মন্ডল। বিগত ৪০ বিজলি সরকারের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন শান্তা। কিন্তু বৃহস্পতিবার বিজলী সরকারের বাড়ির শৌচালয় থেকে পরিচারিকা শান্তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যাঙ্কে বেরিয়েছিলেন বিজলি সরকার, ব্যাংক থেকে বাড়িতে ফিরে তিনি শান্তার খোঁজ পাচ্ছিলেন না। বেশ কিছুক্ষণ খোজার পর শৌচালয়ের জানলার সঙ্গে তাঁকে ঝুলে থাকতে দেখা যায়। তৎক্ষণাৎ থানায় খবর দিলে ভাটপাড়া থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েদেয়। যদিও এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মৃতের আত্মীয় পরিজনরা বাড়ির মালকিনকে দায়ী করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। তবে এই ঘটনা নিয়ে বাড়ির মালিক বিজলি সরকার জানান ৪০ বছর ধরে তাঁর বাড়িতে ছিল, শান্তা এই বাড়ি থেকেই বড় হয়েছে, শান্তার যাবতীয় দরকারি জিনিস তিনি জোগাড় করে দিতেন, কিন্তু তিনি অভিযোগ করেন তার বাড়িতে দুই বছর ধরে জঙ্গল পরিষ্কারের কাজ করতো রমেশ বিশ্বাস তার সাথে শান্তার ঘনিষ্ঠতা বাড়ে, মাঝে মধ্যে রমেশ শান্তার সাথে দেখা করতে আসতো, এমনকি ৯ তারিক রাতে রমেশকে বাড়িতে ঢোকায় শান্তা সেই ছবি ধরা পড়ে সিসিটিভি ক্যামেরায়। এবং বৃহস্পতিবার বিজলী সরকার সেই সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এনে শান্তা কে জিজ্ঞাসা করলে শান্তা সেটা এড়িয়ে যায় এবং ব্যাংকে যাওয়ার সময় রমেশ কেও ফোন করে একই কথা জিজ্ঞাসা করেন বিজলী সরকার, কিন্তু রমেশ সেই কথা এড়িয়ে যায়। এবং সন্ধের দিকে ব্যাঙ্ক থেকে বাড়ি ফিরে তিনি শান্তার কোনও পান না। শেষপর্যন্ত তিনি দেখেন শৌচালয়ে মশারীর দড়ি দিয়ে শান্তা ঝুলছে। তাঁর অনুমান করেন শান্তার সঙ্গে রমেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তিনি জেনে যাওয়ার রমেশ শান্তাকে হত্যা করেছে। এবং বিজলী সরকার রমেশের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ও জানিয়েছেন বলে জানান।
বসিরহাট : বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দীঘি রোডের সংস্কার কাজ শুরু হতেই নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে অর্থ বরাদ্দের অঙ্ক। রাস্তার কাজ নিয়ে খুশির বদলে এখন প্রশ্ন উঠছে। প্রকৃতপক্ষে এই প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে? বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক ডাঃ সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুদিন আগে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে জানান, দীঘিরোড সংস্কারের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৮ কোটি ১৮ লক্ষ ৬৫ হাজার ৩৮৩ টাকা। কিন্তু বাস্তবে সরকারি নথি ও প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য সামনে আসতেই শুরু হয় বিভ্রান্তি। স্থানীয়দের নজরে আসে, রাস্তায় টাঙানো প্রকল্প ফলকে লেখা রয়েছে মোট ব্যয় ৬ কোটি ৪৫ লক্ষ ১১ হাজার ৯৭৬ টাকা। আবার যে টেন্ডার পাশ হয়েছে, তার নথিতে উল্লেখ রয়েছে ৭ কোটি ৩৪ লক্ষ ৯ হাজার ১৬৭ টাকার অঙ্ক। তিন জায়গায় তিন রকম টাকার হিসাব। এই বৈপরীত্য ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। বসিরহাট দক্ষিণ ও বসিরহাট উত্তর এই দুই বিধানসভাকে সংযোগ করে এই রাস্তা। পাশাপাশি এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভ্যাবলা স্টেশনে ট্রেন ধরতে যান। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে দীঘি রোড বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। খানাখন্দে ভরা এই রাস্তায় চলাচল কার্যত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। বহুবার জনপ্রতিনিধি থেকে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। এখন যখন অবশেষে দীঘি রোডের কাজ শুরু হয়েছে, তখনই বিভিন্ন নথিতে অর্থ বরাদ্দের অঙ্ক আলাদা হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই সন্দেহ দানা বাঁধছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কোন অঙ্কটি সঠিক? যদি প্রকল্পের টাকার হিসাবেই স্বচ্ছতা না থাকে, তাহলে কাজের গুণমান নিয়ে কীভাবে ভরসা করা যায়? অনেকের মনেই আশঙ্কা, তবে কি সরকারি অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা চলছে? এই বিতর্ক ঘিরে এলাকায় চর্চা তুঙ্গে। সাধারণ মানুষের দাবি, বিষয়টি স্পষ্ট করা হোক এবং প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্ত আর্থিক তথ্য প্রকাশ্যে এনে স্বচ্ছ তদন্ত করা হোক। এখন দেখার, এই বিভ্রান্তির জবাব দেন কি না বিধায়ক ও সংশ্লিষ্ট দফতর। বিষয়টি নিয়ে বিধায়ক সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।



*उज्ज्वला गैस के लाभार्थियों को :शुल्क सिलेंडर रिफिल सब्सिडी का मिला चेक*
रिजर्व पुलिस लाइन स्थित सभागार में अपर पुलिस अधीक्षक द्वारा शॉल व फूलमाला पहनाकर उज्ज्वल भविष्य की दी गई शुभकामनाएं-

বসিরহাট : এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর বাদুড়িয়া বিধানসভায় নয়া বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, আব্দুল করিম বর্তমানে বসিরহাটের বাদুড়িয়া বিধানসভার ১৬৫নং জগন্নাথপুর পার্টের বুথ লেভেল অফিসার হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। চূড়ান্ত তালিকায় তার নাম বিচারাধীন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। নির্বাচন সংক্রান্ত প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে এই বিষয়টি ঘিরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঐ বিএলওর দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধন, নতুন নাম সংযোজন ও বাদ দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজের সঙ্গে যুক্ত বিএলওদের ভূমিকাই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ভিত্তি। সেই ক্ষেত্রে কোনও বিএলওর নাম বিচারাধীন অবস্থায় থাকা বা একাধিক বিএলওর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা প্রশাসনিকভাবে কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ১৬৫ নম্বর জগন্নাথপুর পার্টের মতো সংবেদনশীল এলাকায় ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কাজ নিয়ে অতীতেও অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয়দের একাংশ দাবি করছেন। শুধু আব্দুল করিম নয়, একাধিক বিএলওর নাম বিচারাধীন প্রক্রিয়া দেখাচ্ছে বাদুড়িয়া বিধানসভা জুড়ে। বাদুড়িয়া ব্লকের একাধিক বিএলওর নাম বিচারাধীন অবস্থায় থাকার অর্থ, তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ বা অনিয়ম সংক্রান্ত বিষয় এখনও নিষ্পত্তির অপেক্ষায়। প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী, এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দায়িত্ব পুনর্বিবেচনা করা হয় কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল। এ বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বিএলওদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও বিচারাধীন তালিকাভুক্ত নামগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা হচ্ছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নজরদারির মধ্যেই থাকবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, ভোটার তালিকার মতো সংবেদনশীল কাজে যুক্ত আধিকারিকদের ক্ষেত্রে কি আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন নয়? এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন ও ব্লক প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নজর রাখছে সব পক্ষই।
30 min ago
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1