/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz ।। বসিরহাটে সাইবার সচেতনতা কর্মসূচি, ১২০টি হারানো ফোন ও ১৪.৭০ লক্ষ টাকা ফেরালো পুলিশ ।। West Bengal Bangla
।। বসিরহাটে সাইবার সচেতনতা কর্মসূচি, ১২০টি হারানো ফোন ও ১৪.৭০ লক্ষ টাকা ফেরালো পুলিশ ।।
বসিরহাট : বসিরহাট টাউন হলে শুক্রবার বসিরহাট পুলিশ জেলার উদ্যোগে বিশেষ সাইবার সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ছাত্রছাত্রী ও প্রবীণ নাগরিকদের নতুন ধরনের সাইবার হুমকি, অনলাইন আর্থিক প্রতারণা ও তার থেকে সুরক্ষিত থাকার উপায় সম্পর্কে সচেতন করতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার, একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সাইবার বিশেষজ্ঞ দল এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের যৌথ তত্ত্বাবধানে আলোচনা সভাটি পরিচালিত হয়। সেখানে অনলাইনে প্রতারণার বিভিন্ন কৌশল, সন্দেহজনক লিঙ্ক বা ফোনে প্রতারিত না হওয়া এবং আর্থিক প্রতারণার ঘটনা ঘটলে দ্রুত কী পদক্ষেপ করতে হবে, তা নিয়ে সচেতন করা হয়।
এদিনের অনুষ্ঠানে বসিরহাট পুলিশ জেলার উদ্যোগে উদ্ধার হওয়া প্রায় ১২০টি হারানো মোবাইল ফোন আনুষ্ঠানিকভাবে সেগুলির প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পর হারানো ফোন ফিরে পেয়ে খুশি হন অনেকেই। পাশাপাশি সাইবার প্রতারণার শিকার হওয়া নাগরিকদের খোয়া যাওয়া আনুমানিক ১৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা চেকের মাধ্যমে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশের তৎপরতায় প্রতারিত টাকা ও হারানো মোবাইল ফিরে পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেন ক্ষতিগ্রস্তরা। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমানে সাইবার অপরাধের ধরন দ্রুত বদলাচ্ছে। তাই অপরিচিত ফোন, মেসেজ, লিঙ্ক বা অনলাইন লেনদেনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা এবং প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো অত্যন্ত জরুরি। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা আরও বাড়ানোর বার্তা দেওয়া হয়।
।। দুর্নীতির অভিযোগে পোশাক কারখানা বন্ধ, কর্মহীন শয়ে শয়ে শ্রমিকের থানা ঘেরাও ।।
বসিরহাট : পোশাক তৈরির কারখানা বন্ধ, কর্মহীন হাজার হাজার শ্রমিক। দুর্গাপুজোর আগে বিক্ষোভে উত্তাল বসিরহাট। বসিরহাটের মাটিয়া থানার খোলাপোতা সংলগ্ন আটাপাড়া এলাকায় একটি পোশাক তৈরির কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার শ্রমিক। কারখানা বন্ধের জেরে শুধু কর্মরত শ্রমিকরাই নন, পরোক্ষভাবে এই কারখানার উপর নির্ভরশীল প্রায় কয়েক হাজার পরিবারের সংসারেও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। দুর্গাপুজোর আগে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন শ্রমিকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ওই কারখানায় কয়েকশো শ্রমিক কাজ করতেন। সম্প্রতি কারখানার কয়েকজন উচ্চপদস্থ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, ওই ঘটনায় কারখানার মালিক আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়েন। এরপরই কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে শ্রমিকদের দাবি। কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এক ধাক্কায় কাজ হারিয়েছেন প্রচুর শ্রমিক। তাদের বক্তব্য, কারখানার উপার্জনের উপর নির্ভর করেই তাদের সংসার চলতো। পাশাপাশি কারখানাকে কেন্দ্র করে পরিবহণ, ছোট ব্যবসা-সহ বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত বহু পরিবারেরও রোজগার নির্ভরশীল ছিল। ফলে কারখানা বন্ধের প্রভাব সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে বহু পরিবারের উপর পড়েছে। সামনেই দুর্গাপুজো, তার আগে কাজ হারিয়ে আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ায় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়ছে। অবিলম্বে কারখানা খুলে দিয়ে শ্রমিকদের কাজে ফেরানোর দাবিতে প্রথমে আটাপাড়া এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান শ্রমিকরা। পরে তারা মাটিয়া থানায় গিয়ে থানার সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। শ্রমিকদের দাবি, কারখানা বন্ধের কারণ যাই হোক না কেন, তাদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত কারখানা চালু করার উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি কারখানা বন্ধের ফলে যে শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জীবন-জীবিকা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে, সেই সমস্যারও দ্রুত সমাধান করতে হবে।
দিবারাত্রী নকআউট ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন l
*খেলা*

নিজস্ব সংবাদদাতা ; কলকাতা উত্তর সহ গঠনিক জেলার উদ্যোগে ৩ দিনব্যাপী দিবারাত্রীর নকআউট ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা রাজ্যসভার সংসদ শমীক ভট্টাচার্য। এদিন প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্যে দিয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতার সূচনা করেন সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি অনিন্দ্য ব্যানার্জি, বিজেপি কলকাতা উত্তর সহতলী সাংগঠনিক জেলা সভাপতি চণ্ডীচরণ রায়, পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ সহ ক্রীড়া জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
ছবি: উৎপল দাস।
লাদাখের মাউন্ট কাং ইয়াৎসে জয় করে কলকাতায় ফিরল হিমালয়ান অ্যাসোসিয়েশনের দল*
*কলকাতা:* ফের বড় সাফল্য বাংলার প্রাচীনতম পর্বতারোহণ সংস্থা হিমালয়ান অ্যাসোসিয়েশনের। পশ্চিম হিমালয়ের লাদাখ অঞ্চলের দুর্গম মাউন্ট কাং ইয়াৎসে শৃঙ্গ (৬,৪০১ মিটার / ২১,০০০ ফুট) সফলভাবে আরোহণ করে আজ কলকাতায় ফিরল অভিযাত্রী দল।

গত ৬ই সেপ্টেম্বর দলনেতা সুব্রত চক্রবর্তী এবং দলের ম্যানেজার অমিতাভ বিশ্বাসের নেতৃত্বে কলকাতা থেকে লাদাখের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল দলটি। দলে ছিলেন পর্বতারোহী শুভঙ্কর দত্ত, শঙ্কর রায়, বিশ্বম্ভর পাঁজা, অপর্ণা গায়েন এবং ডাক্তার নীরেন্দ্র নাথ সাহা।

প্রবল প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে গত ১৭ই সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় শৃঙ্গ জয় করেন তিন অভিযাত্রী - বিশ্বম্ভর পাঁজা, অপর্ণা গায়েন এবং শুভঙ্কর দত্ত। দলনেতা সুব্রত চক্রবর্তীর নেতৃত্বে এই সফল অভিযানে উচ্ছ্বসিত অ্যাসোসিয়েশনের সকল সদস্য।

আজ অভিযাত্রীরা কলকাতা স্টেশনে এসে পৌঁছলে তাঁদের উষ্ণ অভিনন্দন জানান সংস্থার সভাপতি তথা বরিষ্ঠ পর্বতারোহী উজ্জ্বল গাঙ্গুলি, সাধারণ সম্পাদক অলোক কুমার মুখোপাধ্যায় এবং সহ-সভাপতি সুশান্ত কুমার মজুমদার। ছবি : সংগৃহীত।

*#Ladakh #MountKangYatse #KangYatseExpedition #HimalayanAssociation #Kolkata #BengalMountaineering #LadakhExpedition #HowrahNews #KolkataNews #Mountaineering #Himalaya*
২০৩৫-এর মধ্যে বাংলায় ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ, ঘোষণা গৌতম আদানির*
*কলকাতা:* বাংলায় বড় বিনিয়োগের ব্লু-প্রিন্ট ঘোষণা করলেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। বৃহস্পতিবার নিউটাউনে আদানি আরোগ্য মন্দিরের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে তিনি জানান, ২০৩৫ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করবে আদানি গোষ্ঠী।

কোথায় কোথায় বিনিয়োগ? আদানি জানিয়েছেন, বন্দর, পণ্য পরিবহণ ও লজিস্টিক, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বণ্টন, সড়ক ও সেতু নির্মাণ, সিমেন্ট কারখানা, রোপওয়ে এবং হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার - একাধিক কোর সেক্টরে এই লগ্নি হবে।

মঞ্চ থেকে আদানির বার্তা ছিল স্পষ্ট, “পরিকাঠামো লক্ষ লক্ষ মানুষের সম্ভাবনাকে বদলে দিতে পারে। আদানি গোষ্ঠীতে আমরা যা করি, তার কেন্দ্রেই রয়েছে পরিকাঠামো।”

*কেন বাংলা?*

বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে বাংলাকে বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে রাজ্যের ভৌগোলিক অবস্থানকে তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ভারতের খুব কম রাজ্যেই প্রকৃতি, যোগাযোগ এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনার এমন সমন্বয় রয়েছে।

তিনি বলেন, “ভারতের শিল্পাঞ্চল এবং উত্তর-পূর্বকে বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে বাংলার অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামুদ্রিক পথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং তার বাইরের বাজারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রেও পশ্চিমবঙ্গ সুবিধাজনক জায়গায় রয়েছে।”

আদানির মতে, সঠিক পরিকল্পনা হলে বাংলা শুধু পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার নয়, এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ সমন্বিত অর্থনৈতিক মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে।

*আদানির শিল্পায়ন মডেল কী?*

নিজের শিল্পায়ন মডেলও ব্যাখ্যা করেন গৌতম আদানি।
“বন্দর উন্নত লজিস্টিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে। লজিস্টিক শিল্পকে আকর্ষণ করে। শিল্প উৎপাদন ক্ষেত্রকে প্রসারিত করে। উৎপাদনের জন্য প্রয়োজন হয় শক্তির। শক্তি ডিজিটাল পরিকাঠামোকে সক্ষম করে এবং ডিজিটাল পরিকাঠামো ভবিষ্যতের শিল্পকে নিয়ে আসে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, এর ফলে কাজের সুযোগ বহুগুণ বাড়ে।”

বিশেষ করে হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টারে বিনিয়োগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। AI, ক্লাউড পরিষেবা এবং ডিজিটাল লেনদেনের যুগে এর হাত ধরে বিদ্যুৎ, টেলিকম ও দক্ষ কর্মসংস্থানে বড় সুযোগ তৈরি হবে।

এক লক্ষ কোটি টাকার এই মেগা-ঘোষণা কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে শিল্পমহল।

ছবি: সংগৃহীত।
#GautamAdani #AdaniGroup #WestBengal #BengalInvestment #AdaniInBengal #NewTown #AdaniArogyaMandir #Infrastructure #BengalBusiness #DigitalBengal #MakeInBengal
অপেক্ষার অবসান, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও পাচ্ছেন বকেয়া ডিএ, হাইকোর্টে জানাল রাজ্য

কলকাতা: দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে আশার আলো দেখলেন রাজ্যের সরকার পোষিত ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা। এবার তাঁরাও পেতে চলেছেন বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ)। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে রাজ্য সরকারের তরফে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগবে বলে আদালতে জানিয়েছে রাজ্য।

*কী নিয়ে মামলা?*

২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া ডিএ-র দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ প্রধান শিক্ষক সমিতি। সংগঠনের অভিযোগ, 'গ্রান্ট ইন এড' বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিভিন্ন স্তরের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী এবং কর্মচারীরা বারবার বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন।

*আদালতে কী জানাল রাজ্য?*

এদিন শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী স্পষ্ট জানান, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত ও সরকার পোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদেরও বকেয়া ডিএ দেওয়ার বিষয়ে রাজ্য সম্মত। প্রক্রিয়া শুরু হবে, তবে আর্থিক ও প্রশাসনিক কারণে কিছুটা সময় লাগবে।

*মামলার প্রেক্ষাপট*

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বঞ্চনার মামলা চলছে ২০১৭ সাল থেকে। SAT থেকে কলকাতা হাইকোর্ট হয়ে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (AICPI) অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে।

*পুরসভার কর্মীদের কী হবে?*

বকেয়া ডিএ-র ক্ষেত্রে পুরসভার কর্মীদের ভবিষ্যৎ কী, তা নিয়ে প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরেই ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে এদিনের শুনানির পর আইনজীবী মহলের একাংশের মত, যেহেতু মামলাটি 'গ্রান্ট ইন এড' কর্মচারীদের নিয়ে, সেক্ষেত্রে পুরসভার কর্মীরাও এই সুবিধার আওতায় আসতে পারেন।

#DABakeya #GrantInAid #CalcuttaHighCourt #AmritaSinha #WestBengalTeachers #DAUpdate #WBNews #SupremeCourt #AICPI
২.৬৬ কোটির ডিজিটাল অ্যারেস্ট কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

*কলকাতা* : ২.৬৬ কোটি টাকার ডিজিটাল অ্যারেস্ট প্রতারণা মামলায় নজিরবিহীন নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নরেন্দ্রপুর থানায় দায়ের হওয়া মামলাটি সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী ৭ দিনের মধ্যে রাজ্যকে সমস্ত নথি হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে জয়শ্রী রামকৃষ্ণন ও অপর এক আবেদনকারীর দায়ের করা মামলার শুনানি হয়। আবেদনকারীদের অভিযোগ, ডিজিটাল অ্যারেস্টের ফাঁদে ফেলে তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ২.৬৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।

মামলাকারীদের আইনজীবীরা আদালতে জানান, ডিজিটাল অ্যারেস্ট সংক্রান্ত প্রতারণার মামলাগুলির তদন্তে সিবিআইকে প্রাথমিক তদন্তকারী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে। সেই নির্দেশ বিবেচনা করেই হাইকোর্ট নরেন্দ্রপুরের মামলাটি সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

#DigitalArrest #CBIBreaking #CalcuttaHighCourt #Narendrapur #CyberFraud #CBIProbe
বিধানসভা ভোটের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ব্যারাকপুরে থামছে মা তারা এক্সপ্রেস*
*নিজস্ব সংবাদদাতা,ব্যারাকপুর* : নির্বাচনের আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আর জয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই তা পূরণ করে দেখালেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী।

বিজেপি প্রার্থী হিসেবে তাঁর অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল মা তারা এক্সপ্রেসের ব্যারাকপুর স্টপেজ। সেই কথা মতো আজ থেকেই প্রতিদিন সকাল ৭টা ৪২ মিনিটে তারাপীঠগামী মা তারা এক্সপ্রেস থামবে ব্যারাকপুর স্টেশনে। ফেরার পথেও যাত্রীরা ব্যারাকপুর স্টেশনে নামতে পারবেন।

আজ সকালে উৎসবের মেজাজে নতুন স্টপেজের সূচনা হয়। ঢাকঢোল, পুষ্পবৃষ্টির মধ্যে দিয়ে মা তারা এক্সপ্রেসকে বরণ করে নেন বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী, রেল আধিকারিক ও ব্যারাকপুরবাসী। পতাকা নেড়ে ট্রেনের যাত্রার সূচনা করেন বিধায়ক।

সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কৌস্তভ বাগচী বলেন, "সাধারণ মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি একের পর এক পূরণ করবে বর্তমান সরকার। মা তারা এক্সপ্রেসের স্টপেজ তারই প্রমাণ।"

তাঁর আবেদন, তারাপীঠ, রামপুরহাট, বর্ধমানগামী যাত্রীরা মা তারা এক্সপ্রেসকেই প্রাধান্য দিন। যাত্রী সংখ্যা বাড়লে ব্যারাকপুরে এই স্টপেজ স্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যতে উত্তরবঙ্গগামী আরও ট্রেনের স্টপেজ পাওয়া সহজ হবে। ছবি: উৎপল দাস।

#Barrackpore #KoustavBagchi #MaaTaraExpress #IndianRailways #BarrackporeNews #BJP #WestBengalNews #Tarapith
অভিষেকের আমতলার অফিস ভাঙায় স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়াল হাইকোর্ট*
কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার অফিস ভাঙার উপর জারি থাকা অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়াল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ওই জমিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে আদালত রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে, আমতলার ওই অফিস থেকে কী কী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্টের কপি পরবর্তী শুনানির আগেই আবেদনকারী তৃণমূল কংগ্রেসকে দিতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৬ নভেম্বর।মামলার শুনানিতে তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত বলেন, রাজ্য জমি খালি করার নির্দেশ দিচ্ছে। ৫০৭, ৫০৯ ও ৫১২ দাগ নম্বর নিয়ে সমস্যা রয়েছে।রাজ্যের তরফে রিপোর্টে জানানো হয়, ৫০৭ দাগে পূর্বতন শাসকদলের অফিস রয়েছে। ডাকা হলেও সাক্ষ্য দেওয়া হয়নি। ৫০৯ দাগে মতি মল্লিকের ঘর আছে এবং ৫১২ নম্বর দাগ লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে রয়েছে। পুরসভার এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রিপোর্টে জানিয়েছেন, অনুমতির বাইরে ৬.৫ মিটার নির্মাণ হয়েছিল।শুনানি চলাকালীন বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, পঞ্চায়েত পর্যন্ত যাওয়ার পর কি আপনাদের আর কোনও দায়িত্ব থাকে না?
হাইকোর্টে ধাক্কা খেলেন টুলু মণ্ডল, নিম্ন আদালতে হাজিরার নির্দেশ*
কলকাতা: বীরভূমের ‘পলাতক’ পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডল কলকাতা হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন না। গ্রেফতারি পরোয়ানাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তাঁর আবেদন খারিজ করে দেন। আদালত জানিয়েছে, নিম্ন আদালতের নির্দেশ মতো টুলুকে হাজিরা দিতেই হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ জুলাই গভীর রাতে মহম্মদবাজারের ডেউচা গ্রামে টুলুর আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়িতে হানা দিয়ে পুলিশ সাড়ে ২৮ কোটি টাকা নগদ এবং ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার করে। এর পর থেকেই তদন্তকারীদের নজরে টুলু। পুলিশের দাবি, তিনি বিদেশে পালিয়েছেন।

গত ৩০ জুলাই মহম্মদবাজার থানায় এফআইআর রুজু হয় এবং ওই দিনই সিউড়ির এসিজেএম আদালত জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। পরে ১০ অগস্ট নিম্ন আদালত ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হাজিরার নির্দেশ দেয়।

টুলুর আইনজীবী সিদ্ধার্থ দাভের প্রশ্ন, কোনও সুযোগ না দিয়ে কীভাবে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা যায়? জবাবে রাজ্য মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট দিয়ে জানায়, ২৩ মে টুলু বিদেশে পালিয়েছেন জানার পরই পরোয়ানা জারি হয়েছে।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, টুলু বিদেশে পালিয়েছেন বলে তদন্তকারীদের স্পষ্ট ধারণা রয়েছে। তাই নিম্ন আদালতে হাজিরা দেওয়া উচিত। প্রয়োজনে পরে জামিনের আইনি পথ খোলা রয়েছে।