১৫ কাউন্সিলরের ইস্তফা, পদ ছাড়লেন উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার পৌরপ্রধানও

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে আশানুরূপ ফল না হওয়ার জেরে তীব্র রাজনৈতিক চাপের মুখে বড়সড় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার উত্তর ব্যারাকপুর পৌরসভায়। ২৩টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই পৌরসভায় ইতিমধ্যেই ৩ জন কাউন্সিলরের মৃত্যু হয়েছে। তার মাঝেই সোমবার একযোগে ইস্তফা দিলেন ১৫ জন কাউন্সিলর।
সূত্রের খবর, নির্বাচনে খারাপ ফলাফলের দায় স্বীকার করেই এই ইস্তফার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পৌরপ্রধান মলয় ঘোষ জানিয়েছেন, উত্তর ব্যারাকপুর পৌরসভা এলাকায় দলের ভরাডুবির পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির দায় নিয়ে পৌরপ্রধান নিজেও পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
একসঙ্গে এত সংখ্যক কাউন্সিলরের ইস্তফায় কার্যত প্রশাসনিক সংকট তৈরি হয়েছে পৌরসভায়। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা।বিরোধীদের দাবি, দীর্ঘদিনের জনবিচ্ছিন্নতা ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যদিও শাসকদলের একাংশের দাবি, সংগঠনকে নতুনভাবে গড়ে তুলতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ছবি: প্রবীর রায়।
প্রয়াত কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি, সওয়াল করেছিলেন আর জি কর মামলায়
সংবাদদাতা, আনন্দ বাংলা:প্রয়াত কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি। জানা গিয়েছে, লিভার-সহ একাধিক বয়সজনিত সমস্যা নিয়ে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন দুঁদে এই আইনজীবী। সেখানেই সোমবার জীবনাবসান হয় তাঁর। ফিরোজ এডুলজির মৃত্যুতে শোকের ছায়া আইনজীবীমহলে।

কলকাতা হাইকোর্টের অন্যতম বর্ষীয়ান আইনজীবীদের মধ্যে একজন ছিলেন ফিরোজ এডুলজি। ন্যাশনাল ল স্কুল অফ ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন ছাত্র। তথ্য বলছে, ১৯৯৭ সাল থেকে কলকাতা হাইকোর্টে আইনজীবী হিসাবে কাজ করেছেন। মামলা লড়েছিলেন একাধিক বড় মামলা। বিশেষ করে সম্প্রতি আর জি কর ধর্ষণ মামলায় শুরুতেই নির্যাতিতা পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সুপ্রিম কোর্টে জোরাল সওয়াল করেছিলেন ফিরোজ এডুলজি। পরিবারকে বিচার পাইয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ছুটে গিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টে। নতুন করে ফের হাইকোর্টে শুরু হয়েছে আর জি কর মামলা শুনানি। কিন্তু এর মধ্যেই তাঁর চলে যাওয়া বড় ধাক্কা হিসাবেই দেখা হচ্ছে।

সম্প্রতি আর জি কর ধর্ষণ মামলায় নির্যাতিতা পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে হাইকোর্টে জোরাল সওয়াল করেছিলেন ফিরোজ এডুলজি। নতুন করে ফের হাইকোর্টে শুরু হয়েছে আর জি কর মামলা। কিন্তু এর মধ্যেই তাঁর চলে যাওয়া বড় ধাক্কা হিসাবেই দেখা হচ্ছে।

শুধু আর জি কর মামলাই নয়, দীর্ঘ জীবনে বগটুই-কামদুনি সহ আরও বেশ কয়েকটি মামলাতেও আইনজীবী হিসাবে সওয়াল করেছেন ফিরোজ এডুলজি। তাঁর সওয়ালেই বগটুই মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় সিবিআইয়ের হাতে। এমনকী কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির হয়েও নিয়োগ-দুর্নীতি মামলা-সহ বেশ কয়েকটি মামলায় ছিলেন এই আইনজীবী।
আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা তোলার অভিযোগে হাসনাবাদে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেত্রী
বসিরহাট : কেন্দ্রীয় আবাস যোজনার প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে হাসনাবাদে গ্রেপ্তার হল তৃণমূল নেত্রী সঞ্চিতা ঋষি দাস। অভিযোগ, রাজ্যে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা অঙ্কের টাকা তোলা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার রাতে অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীকে গ্রেপ্তার করে হাসনাবাদ থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত সঞ্চিতা ঋষি দাস বসিরহাটের হাসনাবাদ ব্লকের আমলানি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ২৭০ নম্বর বুথের তৃণমূল নেত্রী হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরেই তার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে দুর্নীতির অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সরকারি প্রকল্পে ঘর পাওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাধারণ গরিব মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হত। কেউ ১০ হাজার টাকা, আবার কেউ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারীদের বক্তব্য, প্রকৃত উপভোক্তাদের নাম তালিকায় তোলার জন্য রাজনৈতিক পরিচয় এবং অর্থ দুই-ই ব্যবহার করা হতো। বহু মানুষ ঘর পাওয়ার আশায় ধারদেনা করে টাকা দিলেও শেষ পর্যন্ত কেউ ঘর পাননি বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ক্ষোভ জমতে থাকে। পরে একাধিক অভিযোগ পুলিশের কাছে পৌঁছায়। তদন্তে নেমে হাসনাবাদ থানার পুলিশ অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখে। এরপরই শনিবার অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রী সঞ্চিতা ঋষি দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের খবর সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ দাবি করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এই ধরনের দুর্নীতি চলছিল এবং প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপের অভাবেই সাধারণ মানুষ প্রতারিত হয়েছেন।
এদিকে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা নিয়েও দুর্নীতি হয়েছে এবং গরিব মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতকে রবিবার বসিরহাট আদালতে তোলা হয়। পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আরও কেউ এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
।। মেছো ভেঁড়িতে বিষ দিয়ে মাছ মারার অভিযোগ, কে প্রকৃত বিজেপি? তরজায় তপ্ত হাড়োয়া ।।
বসিরহাট : মেছোভেঁড়িতে কীটনাশক মিশিয়ে মাছ মেরে ফেলার অভিযোগকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ালো হাড়োয়ায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে, অন্যদিকে তেমনি সামনে এসেছে রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবি। ফলে বিজেপি ও তৃণমূলকে ঘিরে নতুন করে সরগরম হয়ে উঠেছে বসিরহাটের হাড়োয়া থানার কুলটি এলাকার রাজনীতি।
ফিশারির মালিক কমল সর্দারের অভিযোগ, তিনি বিজেপি সমর্থক হওয়ার কারণেই পরিকল্পিতভাবে তার মেছো ভেঁড়িতে বিষ দেওয়া হয়েছে। তার দাবি, গভীর রাতে স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল কর্মী ফিশারিতে কীটনাশক মিশিয়ে দেয়। ঘটনার পর শনিবার সকালে ভেঁড়ির জলে অসংখ্য মাছ ভেসে উঠতে দেখা যায়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মাছ মরে যাওয়ায় ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। এই ঘটনায় কমল সর্দার স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন। কমলের দাবি, অভিযুক্তরা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত অর্জুন। তার দাবি, তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। অর্জুনের কথায়, “আমরাই এলাকায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী। আমাদের তৃণমূল বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই।” অভিযুক্তদের পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছে, রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই তাদের নাম জড়ানো হয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন এলাকায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। একদিকে ফিশারির মালিক নিজেকে বিজেপি সমর্থক বলে দাবি করছেন, অন্যদিকে অভিযুক্তরাও নিজেদের বিজেপি কর্মী বলেই পরিচয় দিচ্ছেন। ফলে রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। স্থানীয় মানুষের মধ্যেও এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে প্রকৃত বিজেপি কে?
অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের জেরে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে কুলটি এলাকায়। যদিও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বক্তব্য সামনে আসেনি। তবে গোটা ঘটনার তদন্ত ও প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে যদি সাধারণ মানুষের জীবিকা আক্রান্ত হয়, তাহলে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলেই মনে করছেন এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ।
বিধায়িকা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক অফিসে প্রথম সফরে রেখা পাত্র, উন্নয়নের আশ্বাস
বসিরহাট : বিধায়ক হওয়ার পর প্রথমবার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক অফিসে গেলেন রেখা পাত্র। শনিবার দুপুরের দিকে তিনি ব্লক অফিসে পৌঁছান। সেখানে ব্লক আধিকারিক দেবদাস গাঙ্গুলীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, প্রায় কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে এলাকার বিভিন্ন প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
এরপর ব্লক অফিসের কমিউনিটি হলে উপস্থিত একাধিক প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন নব নবনির্বাচিত বিধায়িকা। পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনসাধারণের সমস্যা নিয়ে একাধিক বিষয় উঠে আসে এই বৈঠকে। প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি। বিডিও অফিস থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রেখা পাত্র বলেন, "বিধায়িকা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর হিঙ্গলগঞ্জের মানুষের প্রতি তিনি দায়বদ্ধ।" এলাকার দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যার কথা তার কাছে তুলে ধরা হয়েছে এবং সেগুলির দ্রুত সমাধানের জন্য তিনি উদ্যোগ নেবেন বলে আশ্বাস দেন।
তিনি আরও জানান, প্রশাসনিক আধিকারিকদের সহযোগিতায় এলাকার পরিকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অন্যান্য জনস্বার্থমূলক কাজকে অগ্রাধিকার দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের সমস্যার সমাধান করাই তার মূল লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই সাক্ষাৎতকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মহলে ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। নতুন বিধায়িকার উদ্যোগে হিঙ্গলগঞ্জে উন্নয়নের গতি আরও বাড়বে বলে আশাবাদী সাধারণ মানুষ।
খেলা ইস্টবেঙ্গলের বিজয়োৎসব উদযাপন ঘিরে
নিজস্ব প্রতিনিধি: আই এস এল এ ইস্টবেঙ্গলের বিজয়কে ঘিরে শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল মাঠে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। খেলোয়াড়, কোচ, ক্লাব কর্মকর্তা, সমর্থক সব একসাথে আনন্দে মিলে মিশে একাকার হয়েগিয়েছিল। ট্রফি হাতে ছবি তুলতে দেখা গেল কোচ অস্কার ব্রুজো সহ অন্যান্য খেলোয়াড়দের। এদিন বাম প্রার্থী দীপ্সিতা ধর কেও দেখা গেল সমর্থকদের ভিড়ে আনন্দে ভেসে যেতে। বি: সঞ্জয় হাজরা।
হিঙ্গলগঞ্জে রাজনৈতিক পালাবদলের আনন্দে শুরু ৩২ প্রহর ব্যাপী হরিনাম মহাযজ্ঞ
বসিরহাট : হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভায় রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে এবার ধর্মীয় আবেগ ও উৎসবের মেলবন্ধন দেখা গেল ক্যাওড়াখালী গ্রামে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় এবং দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসানকে কেন্দ্র করে শুরু হলো ৩২ প্রহর ব্যাপী হরিনাম মহাযজ্ঞ। গঙ্গা বারি আনয়নের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হয় এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের। আর সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাওড়াখালী গ্রামে ভিড় জমাতে শুরু করেন এলাকার মানুষজন।
গ্রামের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা থেকে শুরু করে যুবকদের উপস্থিতিতে উৎসবের আবহ তৈরি হয় গোটা এলাকায়। শঙ্খধ্বনি, কীর্তন ও নামসংকীর্তনের মধ্য দিয়ে গঙ্গা বারি নিয়ে গ্রাম পরিক্রমা করা হয়। পরে বিশেষ পূজা ও মঙ্গলাচরণের মাধ্যমে শুরু হয় হরিনাম মহাযোজ্ঞ। আয়োজকদের দাবি, শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবর্তনের আনন্দ নয়, এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি ও মানুষের মঙ্গল কামনাতেও এই যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা সৌমেন নায়ক জানান, নির্বাচনের আগে তিনি ঈশ্বরের কাছে হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভায় পরিবর্তনের প্রার্থনা করেছিলেন। তার দাবি, দীর্ঘদিন পর মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন এবং বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র জয়ী হয়েছেন। সেই মানত পূরণ করতেই এলাকার সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এই ৩২ প্রহর ব্যাপী হরিনাম মহাযোজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “এটা শুধুমাত্র কোনও রাজনৈতিক দলের জয় উদযাপন নয়, মানুষের ইচ্ছার জয়। তাই সকলকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি।”
স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, বহু বছর পর এলাকায় এমন বৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও উৎসাহ চোখে পড়ছে। যজ্ঞ উপলক্ষে প্রতিদিন ভোগ বিতরণ, নামকীর্তন ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দূরদূরান্ত থেকেও ভক্ত ও দর্শনার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসছেন।
হিঙ্গলগঞ্জের রাজনৈতিক পরিবর্তনের আবহে এই ধর্মীয় আয়োজন এখন এলাকার অন্যতম চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক পালাবদলের আনন্দকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে একত্রিত করার এই উদ্যোগকে ঘিরে কয়েকদিন ধরেই উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে ক্যাওড়াখালী গ্রামে।
হিঙ্গলগঞ্জে রাজনৈতিক পালাবদলের আনন্দে শুরু ৩২ প্রহর ব্যাপী হরিনাম মহাযজ্ঞ
বসিরহাট : হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভায় রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে এবার ধর্মীয় আবেগ ও উৎসবের মেলবন্ধন দেখা গেল ক্যাওড়াখালী গ্রামে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় এবং দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসানকে কেন্দ্র করে শুরু হলো ৩২ প্রহর ব্যাপী হরিনাম মহাযজ্ঞ। গঙ্গা বারি আনয়নের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হয় এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের। আর সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাওড়াখালী গ্রামে ভিড় জমাতে শুরু করেন এলাকার মানুষজন।
গ্রামের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা থেকে শুরু করে যুবকদের উপস্থিতিতে উৎসবের আবহ তৈরি হয় গোটা এলাকায়। শঙ্খধ্বনি, কীর্তন ও নামসংকীর্তনের মধ্য দিয়ে গঙ্গা বারি নিয়ে গ্রাম পরিক্রমা করা হয়। পরে বিশেষ পূজা ও মঙ্গলাচরণের মাধ্যমে শুরু হয় হরিনাম মহাযোজ্ঞ। আয়োজকদের দাবি, শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবর্তনের আনন্দ নয়, এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি ও মানুষের মঙ্গল কামনাতেও এই যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা সৌমেন নায়ক জানান, নির্বাচনের আগে তিনি ঈশ্বরের কাছে হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভায় পরিবর্তনের প্রার্থনা করেছিলেন। তার দাবি, দীর্ঘদিন পর মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন এবং বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র জয়ী হয়েছেন। সেই মানত পূরণ করতেই এলাকার সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এই ৩২ প্রহর ব্যাপী হরিনাম মহাযোজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “এটা শুধুমাত্র কোনও রাজনৈতিক দলের জয় উদযাপন নয়, মানুষের ইচ্ছার জয়। তাই সকলকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি।”
স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, বহু বছর পর এলাকায় এমন বৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও উৎসাহ চোখে পড়ছে। যজ্ঞ উপলক্ষে প্রতিদিন ভোগ বিতরণ, নামকীর্তন ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দূরদূরান্ত থেকেও ভক্ত ও দর্শনার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসছেন।
হিঙ্গলগঞ্জের রাজনৈতিক পরিবর্তনের আবহে এই ধর্মীয় আয়োজন এখন এলাকার অন্যতম চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক পালাবদলের আনন্দকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে একত্রিত করার এই উদ্যোগকে ঘিরে কয়েকদিন ধরেই উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে ক্যাওড়াখালী গ্রামে।
হিঙ্গলগঞ্জে রাজনৈতিক পালাবদলের আনন্দে শুরু ৩২ প্রহর ব্যাপী হরিনাম মহাযজ্ঞ
বসিরহাট : হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভায় রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে এবার ধর্মীয় আবেগ ও উৎসবের মেলবন্ধন দেখা গেল ক্যাওড়াখালী গ্রামে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় এবং দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসানকে কেন্দ্র করে শুরু হলো ৩২ প্রহর ব্যাপী হরিনাম মহাযজ্ঞ। গঙ্গা বারি আনয়নের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হয় এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের। আর সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাওড়াখালী গ্রামে ভিড় জমাতে শুরু করেন এলাকার মানুষজন।
গ্রামের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা থেকে শুরু করে যুবকদের উপস্থিতিতে উৎসবের আবহ তৈরি হয় গোটা এলাকায়। শঙ্খধ্বনি, কীর্তন ও নামসংকীর্তনের মধ্য দিয়ে গঙ্গা বারি নিয়ে গ্রাম পরিক্রমা করা হয়। পরে বিশেষ পূজা ও মঙ্গলাচরণের মাধ্যমে শুরু হয় হরিনাম মহাযোজ্ঞ। আয়োজকদের দাবি, শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবর্তনের আনন্দ নয়, এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি ও মানুষের মঙ্গল কামনাতেও এই যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা সৌমেন নায়ক জানান, নির্বাচনের আগে তিনি ঈশ্বরের কাছে হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভায় পরিবর্তনের প্রার্থনা করেছিলেন। তার দাবি, দীর্ঘদিন পর মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন এবং বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র জয়ী হয়েছেন। সেই মানত পূরণ করতেই এলাকার সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এই ৩২ প্রহর ব্যাপী হরিনাম মহাযোজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “এটা শুধুমাত্র কোনও রাজনৈতিক দলের জয় উদযাপন নয়, মানুষের ইচ্ছার জয়। তাই সকলকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি।”
স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, বহু বছর পর এলাকায় এমন বৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও উৎসাহ চোখে পড়ছে। যজ্ঞ উপলক্ষে প্রতিদিন ভোগ বিতরণ, নামকীর্তন ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দূরদূরান্ত থেকেও ভক্ত ও দর্শনার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসছেন।
হিঙ্গলগঞ্জের রাজনৈতিক পরিবর্তনের আবহে এই ধর্মীয় আয়োজন এখন এলাকার অন্যতম চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক পালাবদলের আনন্দকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে একত্রিত করার এই উদ্যোগকে ঘিরে কয়েকদিন ধরেই উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে ক্যাওড়াখালী গ্রামে।
পশ্চিমবঙ্গের মহিলা দের বিনে পয়সায় বাস চড়ার শর্ত,জারি হল বিজ্ঞপ্তি

*কী কী শর্ত আরোপ করা হয়েছে?*

রাজ্যের পরিবহন দফতরের আধিকারিকদের ,বৈঠক সূত্রে খবর, শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হলেই সেই মহিলারা বিনামূল্যে সরকারি বাসে যাতায়াত করতে পারবেন।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, ওই মহিলা বাসিন্দা যে পশ্চিমবঙ্গের সেটা কন্ডাক্টর বুঝবেন কীভাবে?

মূলত প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ম অনুযায়ী যে ১১ টি পরিচয় পত্র প্রত্যেকটি মানুষের থাকে,তার মধ্যে একটি সরকারি বাসে যাতায়াতের সময় কাছে রাখতে হবে।
কন্ডাক্টর বাধ্যতামূলকভাবে সেই পরিচয় পত্র দেখবেন। যতই ভিড় হোক না কেন, সেই পরিচয় পত্র দেখতে হবে কন্ডাক্টরকে।
তারপর কন্ডাক্টর নিজের টিকিট পাঞ্চিং মেশিন থেকে একটি কুপন ইস্যু করবে ওই মহিলা যাত্রীর জন্য।
প্রতিমাসে যে পরিমাণ টিকিট ইস্যু হবে, রাজ্য সরকার সমপরিমাণ টাকা গড় হিসেব ধরে পরিবহন দফতর বা নিগমকে দিয়ে দেবে।
তবে এদিন বৈঠকে উপস্থিত কর্তারা বলেন, এই পরিচয় পত্র নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। কোনটা জাল কোনটা আসল, সেগুলো খতিয়ে দেখার সময় বা পরিস্থিতি কন্ডাক্টরের কাছে থাকে না। যদিও আপাতত এই ধরনের নিয়ম কানুন থাকলেও, ধীরে ধীরে পরিবহন দফতর থেকে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা মহিলাদের জন্য একটি ‘পিঙ্ক কার্ড’ বা ‘স্মার্ট কার্ড’ ইস্যু করবে।

*স্মার্ট কার্ডের আবেদনে কী কী লাগবে?*

স্মার্ট কার্ডে আবেদনের জন্য কিছু নথি লাগবে। এই নথিগুলি হল
আধার কার্ড
ভোটার পরিচয়পত্র (EPIC)
ভি বি-গ্রামজি জব কার্ড (গ্রামীণ রোজগার গ্যারান্টি কার্ড)
আয়ুষ্মান ভারত
ড্রাইভিং লাইসেন্স
প্যান কার্ড
পাসপোর্ট
ছবি-সহ পেনশনের নথি
স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত সরকারি পরিচয়পত্র
পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অন্য যে কোনও পরিচয়পত্র ও সাম্প্রতিক ছবি

*স্মার্ট কার্ড বা পিঙ্ক কার্ডের জন্য কোথায় আবেদন করবেন?*

পরিবহন দফতরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, QR কোড সমৃদ্ধ স্মার্ট কার্ড ইস্যু করা হবে। এসডিও বা বিডিও-র কাছে আবেদন করে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করা যাবে। কম ও বেশি যে কোনও দূরত্বে বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন মহিলারা।

বাসে উঠে সেই পিঙ্ক কার্ড দেখালেই, কন্ডাক্টরদের আর পরিচয় পত্র দেখাতে হবে না। ওই কার্ডের বিনিময় কন্ডাক্টর কুপন ইস্যু করে দেবে।

*কী কী আলোচনা হয়েছে?*

তবে এই কার্ড তৈরি করা এবং বণ্টন করা সময় সাপেক্ষ বলেও পরিবহন দফতর সূত্র জানা গিয়েছে। ততদিন প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ হবে।