রাজ্যের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল ঘোষণা


ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় আজ।প্রায়  ৮৪ দিনের মাথায় এই ফল ঘোষণা করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। এবারের মাধ্যমিকের মেধাতালিকায়  ৯৯.৭১% পেয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে সারদা বিদ্যামন্দিরের অভিরূপ ভদ্র। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৮। এবারের মেধাতালিকায় স্থান করে নিয়েছে ১৩১ জন মেধাবী পড়ুয়া।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বীরভূমের প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায়, প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৬। আর ৬৯৫ পেয়ে তৃতীয় স্থান পেয়েছে ৩ জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সৌর জানা, পূর্ব মেদিনীপুরের অঙ্কন কুমার জানা এবং বাঁকুড়ার মৈনাক মণ্ডল।

এ বছর সবচেয়ে বেশি ভাল ফল করেছে কালিম্পং। দ্বিতীয় স্থানে পূর্ব মেদিনীপুর এবং তৃতীয় স্থান পেয়েছে কলকাতা। এবারের ফলাফলে আবারও প্রমাণিত হল যে, মেধার নিরিখে শহর কলকাতার চেয়ে কোনও অংশেই পিছিয়ে নেই জেলাগুলি। উত্তর দিনাজপুর থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম থেকে মেদিনীপুর - সর্বত্রই ছড়িয়ে রয়েছে কৃতিদের নাম।
নৈহাটী হাসপাতাল না নরক! ঘুরে দেখলেন নয়া বিজেপি বিধায়ক


প্রবীর রায়: বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্য বিধানসভায় ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আগামী ৯ মে শপথ নেবে মন্ত্রীরা।শপথ গ্রহণের আগেই বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটী রাজ্য সাধারণ হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন নব নির্বাচিত বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। নির্বাচনে দাঁড়িয়ে তিনি অঙ্গীকার করেছিলেন এলাকার হাসপাতালের ভালো চিকিৎসা পরিষেবা ফিরিয়ে আনবেন। সেই মতো হাসপাতালের আনাচে কানাচে ঘুরে দেখলেন।গোটা বিল্ডিংয়ের চাঙর খসে পড়ছে। আগাছায় ভরেছে হাসপাতাল চত্বর।বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগিদের দুর্দশার পাশাপাশি নার্সদের অভাব অভিযোগ শুনলেন। পরে এই হাপাতালে কাজের খতিয়ান সুপারের মুখ থেকে শুনলেন বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, "হাসপাতালের কিছু যন্ত্রাংশ অনত্র পাচার হয়েছে। সুপারকে ষ্টোরের হিসাব দিতে বলেছি। এছাড়াও স্মার্ট ওপিডি চালু না করে শুধু ফিতে কেটেছেন সাংসদ পার্থ ভৌমিক। ১৫ বছরে ওনারা মানুষকে শুধু ভাওতা দিয়েছেন তা আজ স্পষ্ট।"
“অত্যাচার আর তোষণের রাজনীতি চালিয়েছে তৃণমূল” ফল প্রকাশের পর তোপ আম জনতা উন্নয়ন পার্টির মুখপাত্রের
বসিরহাট : বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। সেই আবহেই সাংবাদিক সম্মেলন করে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির মুখপাত্র তথা নন্দীগ্রামের প্রার্থী ডক্টর শহিদুল হক মন্ডল। ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর এদিন তিনি রাজ্য সরকারের একাধিক নীতি, সংখ্যালঘু রাজনীতি এবং রাজনৈতিক হিংসার প্রসঙ্গ তুলে সরব হন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডক্টর শহিদুল হক মন্ডল অভিযোগ করেন, “গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে রাজনৈতিক সন্ত্রাস বেড়েছে, সাধারণ মানুষ তার জবাব ভোটের মাধ্যমে দিতে শুরু করেছে। তৃণমূল কংগ্রেস গণতন্ত্রের পরিবেশ নষ্ট করেছে। বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের উপর লাগাতার অত্যাচার, ভয় দেখানো এবং প্রশাসনকে ব্যবহার করার অভিযোগ আজ সর্বত্র শোনা যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংখ্যালঘু সমাজের উন্নয়নের কথা বললেও বাস্তবে মুসলিম সমাজকে শুধুমাত্র ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করেছেন। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, শিল্প কিংবা স্বাস্থ্য কোনো ক্ষেত্রেই মুসলিম সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন হয়নি। মুসলিম যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রাজ্য সরকারের নেই। শুধুমাত্র আবেগের রাজনীতি করে ভোট নেওয়া হয়েছে।”
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। তার অভিযোগ, “রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এখন পরিবর্তনের পথ খুঁজছে।” রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোট পরবর্তী সময়ে এই ধরনের পাল্টা অভিযোগ ও রাজনৈতিক চাপানউতোর আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ককে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার ইঙ্গিতও দেখা যাচ্ছে। নন্দীগ্রাম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ডক্টর শহিদুল হক মন্ডলের এই বিস্ফোরক মন্তব্য ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।
ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি, দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে গুলিতে আহত ৩ পুলিশ কর্মী ও ২ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান
নিজস্ব প্রতিনিধি: ফের উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। মঙ্গলবার রাতে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আহত ন্যাজাট থানার ওসি সহ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান।সন্দেশখালি বিধানসভার অন্তর্গত ন্যাজাটের বামনঘেরি এলাকায় বেশ কয়েকটি বুথে এবারও বিজেপি হেরে যায়। বিজেপি এখানে হেরে যাওয়ার পর তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয় বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে  মঙ্গলবার বিকেল থেকেই উত্তপ্ত ছিল এলাকা। ঘটনার পর মঙ্গলবার রাতে ওই এলাকায় টহল দিতে আসে পুলিশ ও কেন্দ্র বাহিনী। তখন পুলিশ ও কেন্দ্র বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় তৃণমূলের কর্মীরা ‌। ঘটনায় ৩ পুলিশ কর্মী ও দুই কেন্দ্রীয় বাহিনী গুরুতর আহত হয়। ঘটনার পর বুধবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে   আগ্নেয়াস্ত্র ও তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। েখা ও ছবি: সৌমাভ মন্ডল।
ঝাল মুড়ি খাইয়ে বিজয় উৎসব পালন

ডিজে না বাজিয়ে ঝাল মুড়ি খাইয়ে বিজয় উৎসব পালন করছে উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল বিধানসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।
*ছবি: প্রবীর রায়*।
রাজ্যে পালাবদল হতেই ইস্তফা অ্যাডভোকেট জেনারেলের
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে পালাবদল হতেই ইস্তফা অ্যাডভোকেট জেনারেলের। রাজ্যপাল এন রবির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিলেন কিশোর দত্ত। সোমবার বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়েছে। এখনও একটি কেন্দ্রে ভোটগণনা চলছে। তবে ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারকে হটিয়ে, বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। সেই আবহেই অ্যাডভোকেট জেনারেল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কিশোর দত্ত।

২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) পদ থেকে ইস্তফা দেন সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। ওই বছরেরই ডিসেম্বর মাসে এজি পদে কিশোর দত্তকে নিয়োগ করা হয়। তারপর থেকে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল পদ সামলাচ্ছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, সোমবার ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে ২০৭টি আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে বিজেপি। তৃণমূল থেমেছে মাত্র ৮০-তে। বামজোট পেয়েছে ২টি আসন। এদিকে কংগ্রেস ও আমজনতা উন্নয়ন পার্টি ২টি করে আসন পেয়েছে। এই ফল থেকে পরিষ্কার, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের পতন হয়েছে। সাধারণত অ্যাডভোকেট জেনারেল একটি সাংবিধানিক পদ। এই পদে থাকা ব্যক্তি রাজ্যের মুখ্য আইনি উপদেষ্টা। কিন্তু বর্তমানে নতুন সরকার গঠিত হলে তার দৃষ্টিভঙ্গি, নীতির বদল হয়। সেই অনুযায়ী কাজ করেন অ্যাডভোকেট জেনারেল। সেই কারণে সরকারের বদল হলে অ্যাডভোকেট জেনারেল ইস্তফা দেন।
পশ্চিমবঙ্গের মানুষের রায় গেল পরিবর্তনের পক্ষে।
*ভোট*



রাজ্য জুড়ে বিজেপির জয়যাত্রার কিছু চিত্র ধরা পড়েছে আমাদের ফটোগ্রাফার *সঞ্জয় হাজরার*
ক্যামেরায় *ছবি: সঞ্জয় হাজরা*
নোয়াপাড়ায় বিজেপি নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি
নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া থানার অন্তর্গত গারুলিয়ায় শনিবার রাতে বিজেপির ব্যারাকপুর জেলার সম্পাদক কুন্দন সিংয়ের বাড়ি লক্ষ্য করে দুষ্কীতিরা গুলি ছোড়ে। সি সি ক্যামেরায় গুলি করার দৃশ্য ধরা পড়েছে। এই ঘটনা নিয়ে নোয়াপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং জানান, "সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের আকাশ চৌধুরী ওরফে গুলু এবং আমন চৌধুরী গিয়ে দলীয় নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। এই দুজনকে ভোটের দিন পুলিশ আটক করে থানায় রেখেছিল। ভোট শেষে ছেড়ে দেয়। এরা কুখ্যাত অপরাধী। গণনায় যাতে কুন্দন সিং না যায় তার জন্য ভয় দেখাতেই এই ঘটনা।" *ছবি: প্রবীর রায়*
ISC  টপার অনুস্কা ঘোষের বাড়িতে সুজন চক্রবর্তী, রাজ,অর্জুন, সৃজন ও কলোতান
প্রবীর রায়: ২০২৬ এর ISC র মেধা তালিকায় সর্বভারতীয় স্তরে প্রথম স্থান অধিকার করে বাংলার জয়পতাকা উড়িয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনার অনুষ্কা ঘোষ।এবারের ফলাফলে সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।ব্যারাকপুরের অনুষ্কা ঘোষ ISC পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন। তিনি ৪০০ নম্বরের পরীক্ষায় পূর্ণমান অর্থাৎ ৪০০-তে ৪০০ নম্বর পেয়ে দেশজুড়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান অনুষ্কার এই সাফল্যে খুশি শুধু তার পরিবার বা স্কুল নয়, গর্বিত গোটা বাংলা।

অনুষ্কার বাড়ি ব্যারাকপুরের আনন্দপুরীতে। ২০২৪ সালে ICSE-তেও প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। ক্লাস টেনের রেজাল্ট নিয়ে এদিন তিনি বলেন, “ক্লাস টেনের পরীক্ষায় ২ নম্বর ইংরেজিতে কম পেয়েছিলাম। সেই জন্য ভেবেছিলাম, এবার পুরো নম্বর পেতেই হবে।” সেটাই দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় করে দেখিয়েছেন অনুষ্কা।

অনুষ্কার এই সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাজ্যের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ঐতিহাসিক মে দিবসের তাকে অভিনন্দন জানাতে তার বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিলেন ব্যারাকপুরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা এবারের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী।উপস্থিত হয়েছিলেন বামফ্রন্ট নেতা সুজন চক্রবর্তী,কলোতান,সৃজন সহ সিপিএমের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।বিজেপির পক্ষ থেকে উপস্থিত হন অর্জুন সিং, কৌস্তুভ বাগচী সব স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অনুষ্কা জানিয়েছেন,বাম পন্থায় বিশ্বাসী সে। ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়।দেশের মানুষের জন্য যদি রাজনীতিতে নামতে হয়, তাহলে রাজনীতিতে যোগদান করবে সে।তবে সুজন চক্রবর্তী জানান,আগে অনুস্কা নিজে তৈরি হোক।পরে দেশে গড়ার জন্য রাজনীতিতে নামবে। বি: প্রবীর রায় ।
প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বারাসাতের তৃণমূল প্রার্থীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত বিধানসভা কেন্দ্রের ছোট জাগুলিয়ার ২২ নম্বর বুথে প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ আনলেন তৃণমূল প্রার্থী সব্যসাচী দত্ত। ছোট জাগুলিয়ার ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে সংগঠিত হওয়া ২২ নম্বর বুথের প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে সব্যসাচী দত্তের অভিযোগ ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রিসাইডিং অফিসার। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুথের গেটেই দাঁড়িয়ে থেকে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বেলা ৩ টের থেকে দাঁড়িয়ে থাকা একজন ভোটার সন্ধ্যা ছ'টার সময় গেটের বাইরে এসে দাঁড়ালে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী তাকে আর ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয় না। সব্যসাচী দত্তের আবেদন সত্ত্বেও বিন্দুমাত্র কর্ণপাত করেনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। অবশেষে ভোট না দিয়ে গেটের সামনে থেকেই বাড়ি ফিরে যেতে হয় ওই ভোটারকে। সব্যসাচীর দত্তের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের কোন গাফিলতি নেই, প্রিসাইডিং অফিসারের নির্দেশ মেনেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা পক্ষপাত মূলক আচরণ করে যাচ্ছেন।