হিঙ্গলগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থীর প্রতিজ্ঞা স্তম্ভ’ উন্মোচন
বসিরহাট : সুন্দরবনের প্রান্তিক জনপদ হিঙ্গলগঞ্জ। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই লড়াই করছে ভাঙন, জলোচ্ছ্বাস, দুর্বল পরিকাঠামো এবং জীবিকার অনিশ্চয়তার সঙ্গে। এই বাস্তবতার মধ্যেই একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা সামনে রেখে হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভাকে নতুনভাবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আনন্দ সরকার। সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে ‘প্রতিজ্ঞা স্তম্ভ’ উন্মোচন করে তিনি জানান, জয়ী হলে হিঙ্গলগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নই হবে তার প্রথম লক্ষ্য। বিশেষ করে সুন্দরবনের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে যে সমস্যাগুলি প্রতি বছর প্রকট হয়ে ওঠে। যেমন নদী ভাঙন, লবণাক্ত জলের অনুপ্রবেশ, কৃষিজমির ক্ষতি সেগুলিকে স্থায়ীভাবে মোকাবিলা করার জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আনন্দ সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, নদী বাঁধ সংস্কার এই অঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনও বহু জায়গায় কাঁচা বা দুর্বল বাঁধ রয়েছে, যা বর্ষাকাল বা কোটালের সময় ভেঙে পড়ে। এর ফলে গ্রাম প্লাবিত হয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘরবাড়ি ও চাষের জমি। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শক্তিশালী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হবে, যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি অনেকটাই কমানো যায়।
এর পাশাপাশি ম্যানগ্রোভ রোপণের ওপরও জোর দেন তিনি। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে ম্যানগ্রোভ বনভূমির গুরুত্ব অপরিসীম। এই গাছগুলি জলোচ্ছ্বাসের ধাক্কা কমায় এবং মাটি ধরে রাখতে সাহায্য করে। আনন্দ সরকার জানান, পরিকল্পিতভাবে বৃহৎ পরিসরে ম্যানগ্রোভ রোপণ করা হবে, যাতে পরিবেশ রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হয়। হিঙ্গলগঞ্জের মানুষের জীবিকা মূলত কৃষি, মৎস্যচাষ এবং বনজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার কারণে এই সব ক্ষেত্রেই অনিশ্চয়তা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি, মৎস্যচাষে আধুনিকীকরণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। বিশেষ করে যুব সমাজের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করার কথা বলেন, যাতে তারা স্থানীয়ভাবে কাজের সুযোগ পায়।
পরিকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও একাধিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন আনন্দ সরকার। গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার, সেতু নির্মাণ, বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের পরিষেবা আরও উন্নত করা, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিকাঠামো শক্তিশালী করা এই সব বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। তাঁর দাবি, এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে হিঙ্গলগঞ্জ শুধু সমস্যামুক্তই হবে না, বরং একটি টেকসই ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে উঠবে। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনের মতো সংবেদনশীল অঞ্চলে উন্নয়ন মানেই শুধু নির্মাণ নয়, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে এগিয়ে চলা। তাই প্রতিটি প্রকল্পই পরিবেশবান্ধব হবে এবং স্থানীয় মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই তা বাস্তবায়ন করা হবে। সব মিলিয়ে, প্রতিজ্ঞা স্তম্ভ উন্মোচনের মধ্য দিয়ে হিঙ্গলগঞ্জের উন্নয়নের যে রূপরেখা সামনে আনলেন আনন্দ সরকার, তা এই প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। এখন দেখার, নির্বাচনের ফলাফল তার এই প্রতিশ্রুতিগুলিকে বাস্তবায়নের সুযোগ এনে দেয় কি না।

বসিরহাট : সুন্দরবনের প্রান্তিক জনপদ হিঙ্গলগঞ্জ। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই লড়াই করছে ভাঙন, জলোচ্ছ্বাস, দুর্বল পরিকাঠামো এবং জীবিকার অনিশ্চয়তার সঙ্গে। এই বাস্তবতার মধ্যেই একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা সামনে রেখে হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভাকে নতুনভাবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আনন্দ সরকার। সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে ‘প্রতিজ্ঞা স্তম্ভ’ উন্মোচন করে তিনি জানান, জয়ী হলে হিঙ্গলগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নই হবে তার প্রথম লক্ষ্য। বিশেষ করে সুন্দরবনের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে যে সমস্যাগুলি প্রতি বছর প্রকট হয়ে ওঠে। যেমন নদী ভাঙন, লবণাক্ত জলের অনুপ্রবেশ, কৃষিজমির ক্ষতি সেগুলিকে স্থায়ীভাবে মোকাবিলা করার জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বসিরহাট : বসিরহাটের পিফা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নির্বাচনী প্রচারকে ঘিরে চরম উত্তেজনা ছড়ালো মঙ্গলবার। পিফার সাহাপাড়া এলাকায় বাড়ি বাড়ি প্রচারে গিয়েছিলেন জাগরণ মঞ্চের কর্মী-সমর্থকরা। তারা বিজেপির হয়ে প্রচার করছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় একদল দুষ্কৃতী গিয়ে প্রচারে বাধা দেয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রাণভয়ে এলাকা ছেড়ে সরে এসে জাগরণ মঞ্চের কর্মীরা বিষয়টি বসিরহাট দক্ষিণের প্রার্থী শৌর্য্য ব্যানার্জিকে জানান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী শৌর্য্য ব্যানার্জি। তিনি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় বসে অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন। অবরোধের জেরে মালঞ্চ রোডে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে পড়ে, ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে প্রচারে বেরিয়েছিলেন তাদের কর্মীরা। অথচ তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা পরিকল্পিতভাবে বাধা দিয়ে সেই অধিকার খর্ব করেছে। দোষীদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত অবরোধ তুলে নেওয়া হবে না বলেই সাফ জানিয়ে দেন তারা। এদিকে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বসিরহাট থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুলিশ প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসে অবরোধ তোলার আবেদন জানায়। কিন্তু তাতে সাড়া দেননি আন্দোলনকারীরা।
বসিরহাট : রেখা পাত্রকে ঘিরে আবেগের ঢেউ, চোখের জলে ভাসলেন এলাকার মহিলারা। একসময় রাজ্যের অন্যতম চর্চিত কেন্দ্র ছিল সন্দেশখালি। সেই আন্দোলনের অন্যতম মুখ হিসেবে উঠে এসেছিলেন রেখা পাত্র। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করেও বড় ব্যবধানে পরাজয়ের মুখ দেখতে হয়েছিল তাকে। তবে রাজনৈতিক লড়াই থেকে সরে না গিয়ে এবার নতুন করে ময়দানে নেমেছেন তিনি।
সৌমাভ মন্ডল,বসিরহাট : হাড়োয়া বিধানসভায় নির্বাচনী প্রচারে এক অভিনব ছবি তুলে ধরলেন বিজেপি প্রার্থী ভাস্কর মন্ডল। প্রচারের ফাঁকে গ্রামবাসীদের সঙ্গে মাটি কাটার কাজে হাত লাগিয়ে তিনি যেমন জনসংযোগ বাড়ালেন, তেমনই তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। সোমবার বসিরহাটের হাড়োয়া বিধানসভার হাদিপুর-ঝিকরা ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের আজিজনগরে প্রচারে গিয়ে ভাস্কর মন্ডল সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যান। একটি বাড়ি তৈরির জন্য মাটি কাটার কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। সেই দৃশ্য দেখে তিনি আর দূরে থাকেননি। নিজেই কোদাল হাতে নিয়ে কাজে নেমে পড়েন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ ভোটের ময়দানে প্রার্থীর এমন সরাসরি অংশগ্রহণ সচরাচর দেখা যায় না।
প্রবীর রায়: উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বড় কাঠালিয়া এলাকায় আয়োজিত বিজেপির এক নির্বাচনী পথসভার মঞ্চে প্রাক্তন সেনা আধিকারিক কর্নেল শুভ্রাংশ সিনহা রায় সহ ৫০ জন যোগ দিলেন বিজেপিতে। এদিন তাদের হাতে বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে দেন নোয়াপাড়া বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। এদিনের দলীয় সভার মঞ্চ থেকে শিউলি ও মোহনপুর এলাকায় কৃত্রিমভাবে গ্যাসের অভাব সৃষ্টি করা হচ্ছে তৃণমূল নেতাদের দ্বারা বলে দাবি করলেন অর্জুন সিং।
ছ
বি:সঞ্জয় হাজরা ( খবর কলকাতা)।
বসিরহাট : সন্দেশখালির রাজনৈতিক মাটিতে ফের সরগরম প্রচার। একসময় যে এলাকা ২০২৪ সালের নারী আন্দোলনের কারণে রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছিল, সেই সন্দেশখালিতেই এখন অন্য ছবি। বাড়ি বাড়ি পৌঁছে সরাসরি জনসংযোগে জোর দিচ্ছেন তৃণমূল প্রার্থী ঝর্না সরদার। তার প্রচারের ধরন দেখে অনেকেই বলছেন, “এ যেন দুয়ারে সরকার নয়, দুয়ারে প্রার্থী!”
বসিরহাট : সুন্দরবনের হাওয়ায় রাজনীতি, আর তার মাঝেই একটু “বিনোদনের বাতাস”-এই দুইয়ের মিশেলে বসিরহাটের মিনাখাঁ যেন এক অন্যরকম নির্বাচনী মঞ্চের সাক্ষী থাকল। মিনাখাঁ বিধানসভার মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মুচিখোলা এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী ঊষারাণী মণ্ডলের সমর্থনে আয়োজিত সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। শুরুটা ছিল একেবারে চেনা রাজনৈতিক ছন্দে। কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা, এসআইআর নিয়ে তোপ, আর ভোটের বার্তা। কিন্তু শেষটা? সেটাই হয়ে গেল দিনের আসল “হাইলাইট”।
3 hours ago
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
0.3k