*১০৩ বছরের ঐতিহ্য মেনে তৃতীয় প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত নৈহাটির বড়মা মন্দিরে
*নিজস্ব সংবাদদাতা,নৈহাটি:* কালীপুজোর আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। তার আগেই সেজে উঠছে নৈহাটির বড়মা মন্দির। বৃহস্পতিবার মহাসমারোহে পালিত হল মন্দিরের তৃতীয় প্রতিষ্ঠা দিবস।
এদিন ভোর থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে মন্ত্রোচ্চারণ, গীতাপাঠ ও চণ্ডীপাঠে। দিনভর চলে বিশেষ হোম-যজ্ঞ। ভক্তদের জন্য ছিল বিনামূল্যে বসে ভোগ গ্রহণের ব্যবস্থা। মন্দির কমিটির সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য জানান, এদিন প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ ভক্তের জন্য কুপনের মাধ্যমে ভোগের আয়োজন করা হয়। বিকেলেও বিতরণ করা হয় অন্নভোগ। বিশেষ পুজোর কারণে এদিন সাধারণ পুজো দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছিল, তবে সকাল থেকেই ভক্তদের জন্য মন্দিরের দরজা খোলা ছিল।
এদিন সকালে বড়মার পুজো দেন বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাস, ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী, জগদ্দলের বিধায়ক রাজেশ কুমার-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর রাজস্থানের উদয়পুর থেকে আনা কষ্টিপাথরের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করা হয় অরবিন্দ রোডের এই মন্দিরে। সেই থেকে প্রতিবছর এই দিনটি প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
এদিকে কালীপুজোয় লক্ষাধিক ভক্তের ভিড় সামলাতে আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে পুলিশ-প্রশাসনও। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশের তরফে জানানো হয়, নৈহাটি স্টেশনের ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ফুটব্রিজ না থাকায় ভিড় নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একদিক দিয়ে ভক্তদের বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে যাতে বিশৃঙ্খলা এড়ানো যায়। ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে বের হলেই সরাসরি বাইরে যাওয়া যাবে, এটাই সুবিধা।
পাশাপাশি কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে-সহ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন থাকবে। দণ্ডী কাটার সময় কোনও ভক্ত অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখছে মন্দির কমিটি। সুষ্ঠুভাবে পুজো পরিচালনার জন্য প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত মহিলা পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবক ও এনসিসি ক্যাডেট মোতায়েনের আবেদন জানানো হয়েছে।
*ছবি: প্রবীর রায়*
8 hours ago
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1.2k