/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz জগদ্দলে ঋণের চাপে আত্মঘাতী প্রৌঢ়, রিকভারি এজেন্টদের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ West Bengal Bangla
জগদ্দলে ঋণের চাপে আত্মঘাতী প্রৌঢ়, রিকভারি এজেন্টদের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ


*নিজস্ব সংবাদদাতা, ব্যারাকপুর:* উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল বিধানসভার মন্ডলপাড়া ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে ঋণের চাপে এক ব্যক্তির আত্মহত্যার অভিযোগ উঠল। মৃতের নাম অনিল রায় (৫৫)।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অনিলবাবু একটি বেসরকারি সংস্থা থেকে দু'দফায় মোট ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। এক জায়গা থেকে ৭০ হাজার এবং অন্য জায়গা থেকে ৬০ হাজার টাকা।

অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে ঋণ আদায়কারী সংস্থার কর্মীরা তাঁর বাড়িতে এসে বকেয়া নিয়ে বচসা করেন। অনিলবাবু শারীরিক অসুস্থতার কারণে এই মাসে টাকা দিতে দেরি হবে বলে জানান। পরিবারের দাবি, আজ সকালেও ফের ওই সংস্থার লোকেরা বাড়িতে এসে চাপ সৃষ্টি করেন।এরপরই বাড়িতেই তিনি আত্মঘাতী হন বলে পরিবারের অভিযোগ।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় জগদ্দল থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

মৃতের পরিবারের তরফে ঋণ আদায়কারী সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার কথা জানানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। *ছবি:প্রবীর রায়।*
বিশেষভাবে সক্ষমদের হাতে হুইলচেয়ার তুলে দিলেন বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়

*নিজস্ব প্রতিনিধি:* বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের পাশে দাঁড়াতে মানবিক উদ্যোগ নিলেন বারাসাতের বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে ২০ জন বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের হাতে হুইলচেয়ার তুলে দেন তিনি।

এদিন অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বিধায়ক বলেন, সমাজ সবসময় সফল মানুষদের নিয়েই ভাবে। কিন্তু যারা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে এক জায়গায় পড়ে আছেন, চলতে পারছেন না, তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা কেউ ভাবে না। তাদের চলাফেরার সুবিধার কথা ভেবেই এই সামান্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে হুইলচেয়ারের মাধ্যমে তারা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন।

অনুষ্ঠানে এলাকার উন্নয়ন ও অর্থ ব্যবহার প্রসঙ্গেও সরব হন বিধায়ক। তিনি বলেন, এলাকার টাকা, পরিশ্রমের টাকা এবার এলাকাবাসীর মধ্যেই বিতরণ করা হবে। শাড়ি বিতরণ থেকে শুরু করে চিকিৎসা সহ যেকোনও জনকল্যাণমূলক কাজে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে।

একই সঙ্গে তোলাবাজি বন্ধের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আগে টিএমসি ও সিপিএম-এর একাংশ নেতা গরিব মানুষের কাছ থেকে টোল ট্যাক্সের নামে টাকা তুলত। সেই তোলাবাজি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেই টাকাই এখন গরিব মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করা হচ্ছে। আজ থেকে সেই ব্যবস্থাই চালু হল। ভবিষ্যতে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে প্রয়োজন অনুযায়ী এই ফান্ড থেকেই সাহায্য পৌঁছে দেওয়া হবে। কোনও রকম অনৈতিক কাজ বরদাস্ত করা হবে না বলেও এদিন হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

*ছবি:অঙ্কিত মুখার্জি।*
বারাসাতে কালীপুজোয় নিরাপত্তায় ২০০০-এর বেশি পুলিশ*

*নিজস্ব সংবাদদাতা,বারাসত:* উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতে কালীপুজো নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে সম্পন্ন করতে বড়সড় প্রস্তুতি নিল বারাসাত পুলিশ জেলা। শুক্রবার সব পুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে কো-অর্ডিনেশন মিটিং সারে পুলিশ। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিস্তারিত জানান পুলিশ সুপার।

পুলিশ সুপার জানান, বারাসাতে প্রতি বছর বড় করেই কালীপুজো হয়। সেই কারণে অনেক আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নিরাপত্তার বেশিরভাগ ব্যবস্থাই ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সিনিয়র অফিসাররা নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ব্যারাক সুপারভিশন করছেন। এবার কালীপুজোয় ২০০০-এর বেশি পুলিশ অফিসার ও কর্মী মোতায়েন থাকবেন। শহরের বিভিন্ন জায়গায় ট্রাফিক রেস্ট্রিকশন ও ডাইভারশন থাকবে, যানজট এড়াতে আগাম ট্রাফিক প্ল্যান তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রতিটি প্যান্ডেলে ঢোকা ও বেরোনোর পথ আলাদা করা হয়েছে এবং জরুরি পরিস্থিতির জন্য অতিরিক্ত ইমার্জেন্সি এক্সিট রাখা হয়েছে। মেলার জন্যও থাকছে আলাদা বিধিনিষেধ। পুলিশের পাশাপাশি পূর্ত দফতর, দমকল ও সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে রোজ পরিদর্শন চলছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী এবারের কালীপুজো যাতে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুরক্ষিত হয়, তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, দত্তপুকুরে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের আত্মহত্যা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে, যেখানে একাধিক নাম রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত পরিবারের তরফে কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। তদন্ত শেষ হলেই বিস্তারিত জানানো হবে।

*ছবি: অঙ্কিত মুখার্জি।*
শিলং লাজং ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসী মহামেডান, জয়ে ফেরাই লক্ষ্য: সুধীর মিশ্র
*খেলা*
IFL-এ ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া সাদা-কালো ব্রিগেড, সাংবাদিক সম্মেলনে বার্তা সহকারী কোচ ও মহিতোষের

*Kolkata:* IFL 2026-27 মরসুমের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আগামীকাল শিলং লাজং এফসি-র মুখোমুখি হতে চলেছে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তার আগে আজ প্রি-ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে দলের পরিকল্পনা নিয়ে মুখ খুললেন সহকারী কোচ সুধীর মিশ্র এবং ফুটবলার মহিতোষ রায়।

এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে সুধীর মিশ্র বলেন, "শিলং লাজং খুব ভালো দল, ওদের তরুণ ফুটবলাররা খুব দ্রুত খেলে। কিন্তু আমরা নিজেদের প্রস্তুতি সেরে ফেলেছি। আগের ম্যাচের ভুলগুলো নিয়ে কাজ করেছি। ঘরের মাঠে আমাদের লক্ষ্য একটাই - তিন পয়েন্ট।"

দলের চোট-আঘাত প্রসঙ্গে তিনি জানান, দল প্রায় পুরো শক্তি নিয়েই নামবে এবং ফুটবলাররা জয়ের জন্য মুখিয়ে আছে।

দলের হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মিডফিল্ডার মহিতোষ রায় বলেন, "দলের পরিবেশ খুব ভালো। কোচ আমাদের যেভাবে গাইড করছেন আমরা সেভাবেই অনুশীলন করেছি। শিলং কঠিন প্রতিপক্ষ হলেও আমরা নিজেদের সেরাটা দেব। সমর্থকদের সমর্থন আমাদের বাড়তি শক্তি জোগাবে।"

প্রসঙ্গত, লিগ টেবিলে এই মুহূর্তে কিছুটা চাপে রয়েছে মহামেডান। তাই শিলং ম্যাচ থেকে পুরো পয়েন্ট তুলে লিগে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া কলকাতার এই প্রধান।

*ছবি:উৎপল দাস।*
নীলগঞ্জে বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচীকে ঘিরে দলেরই বিক্ষোভ, 'গো ব্যাক' স্লোগান

মনীশ শুক্লা খুন প্রসঙ্গে অর্জুন সিংকে কটাক্ষের জের, ব্যারাকপুরে পাট গবেষণা কেন্দ্রের সামনে উত্তেজনা

*নিজস্ব সংবাদদাতা,ব্যারাকপুর* :

ব্যারাকপুরে ফের প্রকাশ্যে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। দলেরই বিধায়ককে ঘিরে 'গো ব্যাক' স্লোগান দিলেন স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় ব্যারাকপুরের নীলগঞ্জে অবস্থিত জাতীয় পাট ও সহযোগী আঁশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (NIRJAFT)।
জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টা নাগাদ নীলগঞ্জে ওই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। সেই সময় আগে থেকেই প্রতিষ্ঠানের গেটের সামনে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে জমায়েত করেছিলেন নীলগঞ্জ-মোহনপুর এলাকার বিজেপি কর্মীরা।

অভিযোগ, কৌস্তভ বাগচীকে ঢুকতে দেখা মাত্রই তাঁরা তাঁকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করতে শুরু করেন এবং 'গো ব্যাক' স্লোগান দিতে থাকেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে অবস্থান-বিক্ষোভ।

কেন এই বিক্ষোভ? বিক্ষোভকারী বিজেপি কর্মীদের দাবি, সম্প্রতি মনীশ শুক্লা খুনের ঘটনা নিয়ে নোয়াপাড়ার বিধায়ক তথা রাজ্যের পরিবহন ও শ্রম মন্ত্রী অর্জুন সিং সম্পর্কে প্রকাশ্যে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন কৌস্তভ বাগচী। তারই প্রতিবাদে এই ধিক্কার কর্মসূচি।

যদিও এ বিষয়ে বিধায়ক কৌস্তভ বাগচীর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিজেপির অন্দরের এই প্রকাশ্য কোন্দল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। *ছবি:প্রবীর রায়।*
মোহনপুরে বিজয়া সম্মেলনে বিস্ফোরক অর্জুন সিং: শুভেন্দু অধিকারীকে খুনের ছক অভিষেকের!*

*মোহনপুর, প্রবীর রায়:* উত্তর ২৪ পরগনার মোহনপুর থানার উদ্যোগে আয়োজিত বিজয়া সম্মেলনের মঞ্চ থেকে বিস্ফোরক দাবি করলেন রাজ্যের পরিবহন ও শ্রম মন্ত্রী অর্জুন সিং।

এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, "১৮০ জনের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে, যার মাথায় রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।" তাঁর আরও বিস্ফোরক অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে প্রাণে মারার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

অর্জুন সিং-এর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী কোথায় যাচ্ছেন, কী করছেন, সবকিছুর ওপর নজরদারি চালাচ্ছে ওই গ্রুপ।

প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কাজল শেখ এর আগেও অস্ত্র-সহ ধরা পড়েছে। এই কাজল শেখই ভাইপোকে অস্ত্র সাপ্লাই দিতো।

মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, "সরকার আমাদের। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বেশি দিন বাইরে থাকবে না। তাকে অবিলম্বে গারদে ঢোকাতে হবে।"

মোহনপুর থানার বিজয়া সম্মেলনের মঞ্চ থেকে মন্ত্রীর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

*বি.দ্র. - এটি মন্ত্রী অর্জুন সিং-এর বক্তব্য। এই বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করেনি আমাদের চ্যানেল।*
*১০৩ বছরের ঐতিহ্য মেনে তৃতীয় প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত নৈহাটির বড়মা মন্দিরে

*নিজস্ব সংবাদদাতা,নৈহাটি:* কালীপুজোর আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। তার আগেই সেজে উঠছে নৈহাটির বড়মা মন্দির। বৃহস্পতিবার মহাসমারোহে পালিত হল মন্দিরের তৃতীয় প্রতিষ্ঠা দিবস।

এদিন ভোর থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে মন্ত্রোচ্চারণ, গীতাপাঠ ও চণ্ডীপাঠে। দিনভর চলে বিশেষ হোম-যজ্ঞ। ভক্তদের জন্য ছিল বিনামূল্যে বসে ভোগ গ্রহণের ব্যবস্থা। মন্দির কমিটির সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য জানান, এদিন প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ ভক্তের জন্য কুপনের মাধ্যমে ভোগের আয়োজন করা হয়। বিকেলেও বিতরণ করা হয় অন্নভোগ। বিশেষ পুজোর কারণে এদিন সাধারণ পুজো দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছিল, তবে সকাল থেকেই ভক্তদের জন্য মন্দিরের দরজা খোলা ছিল।

এদিন সকালে বড়মার পুজো দেন বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাস, ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী, জগদ্দলের বিধায়ক রাজেশ কুমার-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর রাজস্থানের উদয়পুর থেকে আনা কষ্টিপাথরের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করা হয় অরবিন্দ রোডের এই মন্দিরে। সেই থেকে প্রতিবছর এই দিনটি প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

এদিকে কালীপুজোয় লক্ষাধিক ভক্তের ভিড় সামলাতে আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে পুলিশ-প্রশাসনও। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশের তরফে জানানো হয়, নৈহাটি স্টেশনের ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ফুটব্রিজ না থাকায় ভিড় নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একদিক দিয়ে ভক্তদের বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে যাতে বিশৃঙ্খলা এড়ানো যায়। ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে বের হলেই সরাসরি বাইরে যাওয়া যাবে, এটাই সুবিধা।

পাশাপাশি কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে-সহ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন থাকবে। দণ্ডী কাটার সময় কোনও ভক্ত অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখছে মন্দির কমিটি। সুষ্ঠুভাবে পুজো পরিচালনার জন্য প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত মহিলা পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবক ও এনসিসি ক্যাডেট মোতায়েনের আবেদন জানানো হয়েছে।
*ছবি: প্রবীর রায়*
কালীপুজোর আগে বারাসাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখল পুলিশ প্রশাসন

*নিজস্ব সংবাদদাতা,বারাসাত :* আজ বৃহস্পতিবার। কালীপুজোর মুখে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে তৎপর পুলিশ প্রশাসন। বুধবার থেকেই বারাসাতের বড় বড় কালীপুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এদিনের পরিদর্শনে ছিলেন এডিজি সাউথ বেঙ্গল রাজেশ কুমার সিং, এসপি সহ জেলা পুলিশের সিনিয়র অফিসাররা।

পরিদর্শনের পরে সাংবাদিকদের এডিজি সাউথ বেঙ্গল রাজেশ কুমার সিং বলেন,"সাধারণ মানুষের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেজন্য বিশেষ ক্রাউড রেগুলেশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে। গত বছরের ভিড় ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়েছে। পুজো কমিটিগুলির সঙ্গেও বৈঠক করা হবে।"

তিনি আরো জানান,মেলা ও পুজো মণ্ডপের ভিড় আলাদা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মেলা পরিচালকদের অনুরোধ করা হয়েছে, দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন কোনও সামগ্রী মেলায় না রাখতে। মেলার দর্শনার্থী ও প্রতিমা দর্শনে আসা ভক্তদের জন্য আলাদা প্রবেশ ও প্রস্থান পথের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মণ্ডপের ভেতর হুইসেল বাজানো প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ভিড়ের মধ্যে দর্শনে বিঘ্ন না ঘটে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। তবে নিরাপত্তার প্রয়োজনে হুইসেল ব্যবহার করা হবে।

বারাসাতের বড় পুজোগুলিকে ঘিরে থাকছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন থাকবে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ও সিনিয়র অফিসাররা। *ছবি:অঙ্কিত মুখার্জি।*
কালীপুজোয় কড়া নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার বার্তা, শান্তিপূর্ণ পুজোর আহ্বান বিধায়কের

*নিজস্ব সংবাদদাতা, বারাসাত:* বারাসাত বাসীকে কালীপুজোর আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে বিশেষ বার্তা দিলেন বারাসাতের বিধায়ক শঙ্কর চ্যাটার্জী।বুধবার একটি পুজো মণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, "আগামী ৮  তারিখ থেকে ১১ তারিখ রাত পর্যন্ত বারাসাত শহর পুজো মুখর থাকবে। বাইরে থেকে প্রচুর মানুষ ঠাকুর দেখতে আসবেন। সবাই আনন্দের সঙ্গে ঠাকুর দেখুন, মণ্ডপ দেখুন।

এদিন ক্লাব কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যেও কড়া বার্তা দেন তিনি। তিনি বলেন, প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করে পুজো করতে হবে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে। প্রতিটি প্যান্ডেলে ঢোকার ও বেরোনোর রাস্তা আলাদা থাকবে, থাকবে এমার্জেন্সি এক্সিট।

ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তিনি জানান, কোনও প্যান্ডেলে অতিরিক্ত ভিড় ঢুকতে দেওয়া হবে না। ভিড় জমলেই সঙ্গে সঙ্গে বের করে দেওয়া হবে। থিমের পুজোতে ৫ মিনিট ধরে দাঁড়ানো যাবে না, ১-২ মিনিটের মধ্যে বেরিয়ে যেতে হবে।

কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না। শান্তিপূর্ণভাবে বারাসতের কালীপুজো সম্পন্ন করতে হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতে বাড়ি ঢুকতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য কার্ড ইস্যু করা হবে। আগামীকাল প্রশাসনের সঙ্গে ক্লাবগুলির বৈঠক রয়েছে বলেও জানান তিনি।
*ছবি:অঙ্কিত মুখার্জি।*
বারাণসীতে বড় অঘটন, যোগীর গড়ে টানটান নাটক - শিক্ষক আসনে বিজেপিকে হারাল সপা
*উত্তরপ্রদেশ*


_ভোটের মুখে পরিষদ নির্বাচনে ধাক্কা, মোদী-যোগীর এলাকায় ভিন্ন ছবি_

*লখনউ* : উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোটের আগে বিধান পরিষদের ফলাফলে অস্বস্তি বাড়ল বিজেপির। মঙ্গলবার যে ১১টি আসনের গণনা হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে চর্চিত বারাণসী শিক্ষক কেন্দ্রে মুখ পুড়েছে পদ্ম শিবিরের। প্রধানমন্ত্রীর লোকসভা কেন্দ্রে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে সমাজবাদী পার্টি।নিরাপত্তার কড়া ঘেরাটোপে শুরু হয় গণনা পর্ব। মোট ১১টি কেন্দ্র - ৫টি গ্র্যাজুয়েট এবং ৬টি টিচার্স কোটার। ভোটার ছিলেন শুধু স্নাতক ও শিক্ষকরা, ভোট হয়েছে ব্যালট পেপারে।

*_বারাণসীতে SP-র চমক:_*

টিচার্স আসনে বিজেপির প্রমোদ মিশ্রকে পরাজিত করেছেন সপা প্রার্থী লালবিহারী যাদব। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১০ হাজার ৯৫৮। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোদীর কেন্দ্রে এই পরাজয় শুধু একটি আসনের হার নয়, মনস্তাত্ত্বিক ধাক্কাও। কয়েক মাস পরেই বিধানসভা যুদ্ধ, তার আগে এই ফল বিজেপিকে ভাবাবে।

*_গোরখপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও বিতর্ক:_*

যোগী আদিত্যনাথের শক্ত ঘাঁটি গোরখপুর-ফৈজাবাদ আসনে শুরুতে পিছিয়ে পড়েন বিজেপির ধ্রুব ত্রিপাঠী। পরে অবশ্য তিনি ঘুরে দাঁড়ান। চতুর্থ রাউন্ড শেষে তিনি পান ১১,৮৮১ ভোট। কাছাকাছি রয়েছেন নির্দল রাজীব যাদব - ১১,৪১৫ ভোট। সপার সঞ্জয়ন ত্রিপাঠী অনেকটাই পিছনে, ৮,৩০১ ভোটে।

এই কেন্দ্রে গোলমালের অভিযোগ উঠেছে। নির্দল প্রার্থীর অভিযোগ, তাঁর ভোট কৌশলে বিজেপি প্রার্থীর খাতায় যোগ করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, ব্যালটে '১' লেখা ভোটকে '৪' বানিয়ে দেখানো হচ্ছে।

*_মীরাটে স্বস্তি:_*

অন্যদিকে, মীরাটে অবশ্য জোড়া জয় পেয়েছে বিজেপি। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্র্যাজুয়েট আসনে দিনেশ কুমার গোয়েল প্রায় সাড়ে ১২ হাজারের বেশি ভোটে এবং শিক্ষক আসনে শ্রী চাঁদ শর্মা ১৩ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন। তাঁদের হাতে জয়ের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে।