/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz ১২ বছরে খরচ ১২০ কোটি, ফেরত মাত্র ৯৬ কোটি! চিটফান্ড কমিটিকে তুলোধোনা হাইকোর্টের West Bengal Bangla
১২ বছরে খরচ ১২০ কোটি, ফেরত মাত্র ৯৬ কোটি! চিটফান্ড কমিটিকে তুলোধোনা হাইকোর্টের

*কলকাতা:* চিটফান্ড মামলায় গঠিত জাস্টিস এসপি তালুকদার কমিটির কাজ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ ও বিচারপতি সুদীপ দেবের ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন তুলল, ১২ বছর ধরে কমিটি ঠিক কী কাজ করেছে?

আদালতের পর্যবেক্ষণ, জনগণের রাজকোষের টাকা এভাবে নষ্ট হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার। শুনানিতে আদালত মূলত তিনটি প্রশ্ন তোলে। প্রথমত, এখনও পর্যন্ত যে ১০৩টি সংস্থাকে পাঠানো হয়েছে, তাদের মোট কতগুলি কোম্পানি রয়েছে? যেমন রোজভ্যালিরই ৫৪টি কোম্পানি ছিল। দ্বিতীয়ত, ওই সংস্থাগুলির মোট সম্পত্তির পরিমাণ কত? দ্রুত সম্পত্তি চিহ্নিত না হলে তা হাতবদল হয়ে যেতে পারে। তৃতীয়ত, মোট আমানতকারী কত লক্ষ এবং কতজন আবেদন করেছেন, যার ভিত্তিতে আনুপাতিক হারে টাকা ফেরানো যাবে।

আদালত স্পষ্ট জানায়, প্রভাবশালী আমানতকারীদের জন্য আদালত বসেনি। ৫ বা ১০ হাজার টাকা রাখা গরিব ও মধ্যবিত্ত আমানতকারীদের টাকা ফেরানোই প্রধান অগ্রাধিকার।

সম্পত্তি রক্ষায় গাফিলতি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে বেঞ্চ। ডুয়ার্সে ভিবজিওরের ৫৪ কোটি টাকার সম্পত্তি কমিটির আওতায় থাকা সত্ত্বেও ২০২৫ সালে বিক্রি হয়ে গেছে, অভিযোগ পেয়েও কমিটি পদক্ষেপ করেনি।

সবচেয়ে কড়া সমালোচনা হয় খরচ নিয়ে। কমিটি কর্মীর অভাবের কথা বললেও আদালত জানায়, ২৪ জন কর্মী ও ১৩ জন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর থাকা সত্ত্বেও অগ্রগতি নেই। আদালতের হিসাব, বছরে ১০ কোটি ধরলে ১২ বছরে প্রায় ১২০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে, অথচ ফেরত দেওয়া হয়েছে মাত্র ৯৬ কোটি টাকা, যা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

আগামী ১৯ নভেম্বরের শুনানিতে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
উৎসবের আগে মানবিক মুখ বিজেপির, পানিহাটিতে ১০ টাকার বস্ত্র বাজার — প্রশংসায় সুকান্ত মজুমদার

*নিজস্ব সংবাদদাতা,পানিহাটি:* উৎসবের মরসুমের আগে মানবিক উদ্যোগ বিজেপির। উত্তর কলকাতা শহরতলি জেলার উদ্যোগে পানিহাটিতে শুরু হল ১০ টাকার বস্ত্র বাজার। যেখানে মাত্র ১০ টাকার কুপনের বিনিময়ে পছন্দের পোশাক কিনতে পারছেন গরিব ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষরা।এই অভিনব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানালেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন,"আমাদের কর্মী ও নেতৃত্ব প্রায় ৭০০০ পোশাক সংগ্রহ করেছে। এখানে বাচ্চাদের জামা, মহিলাদের শাড়ি এবং পুরুষদের পোশাক রয়েছে। মানুষ ১০ টাকার কুপন নিয়ে নিজের পছন্দমতো যে কোনো পোশাক বেছে নিতে পারবেন। এটি একটি অভিনব উদ্যোগ।"

তিনি আরও বলেন, "বিজেপির আদর্শ হল 'সেবাই সংগঠন' এবং অন্ত্যোদয় - সমাজের শেষ সারির মানুষের পাশে দাঁড়ানো। অন্য দলগুলিকে শুধু ভোটের আগে দেখা যায়, কিন্তু বিজেপি ভোট না থাকলেও মানুষের পাশে থাকে। গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের লক্ষ্য। তারা বিনামূল্যে নিচ্ছেন না, ১০ টাকা দিয়ে সম্মানের সঙ্গে নিচ্ছেন।"

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সেবা কার্যে অনুপ্রাণিত হয়ে পানিহাটির বিক্রম, অমিত, সুমন এবং শুভঙ্কর যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্ম মাসে সেবা কার্যের অঙ্গ হিসেবেই ১০ টাকায় পুজোর কেনাকাটার ব্যবস্থা করেছেন। এখানে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষেরা কেনা কাটা করতে পারবেন। ৮ ই অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই শপিংমল চলবে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার বিশেষ এই উদ্যোগের সূচনা করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। এছাড়াও  উপস্থিত ছিলেন  বিজেপি কলকাতা উত্তর শহরতলী সাংগঠনিক জেলা সভাপতি চন্ডীচরণ রায়,বিজেপির যুব মোর্চার নেতা জয় সাহা অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
*ছবি: উৎপল দাস*।

#BJP #SukantaMajumdar #10TakaBastraBazar #North24Parganas #BengalNews
প্রবীণ বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকরের প্রয়াণ, বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর

*গোয়া / নয়া দিল্লি, ৮ই অক্টোবর -* প্রবীণ অভিনেতা এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা নানা পাটেকর আজ ৭৫ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গোয়ায় তাঁর বাসভবনে প্রয়াত হয়েছেন। তাঁকে ডোনা পাওলার বাড়িতে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় এবং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকরা প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। ভোর ৫টা ২০ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

১লা জানুয়ারি, ১৯৫১ সালে মহারাষ্ট্রের মুরুদ-জাঞ্জিরায় বিশ্বনাথ পাটেকর নামে জন্মগ্রহণ করেন, তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং প্রভাবশালী অভিনেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

তিনি ১৯৭৮ সালে _গমন_ ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন এবং অস্কার মনোনীত _সালাম বম্বে_ (১৯৮৮) এবং _পরিন্দা_ (১৯৮৯) ছবির মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন, যার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছিলেন।

প্রায় পাঁচ দশকের ক্যারিয়ারে তিনি _অঙ্গার, তিরঙ্গা, ক্রান্তিবীর, অগ্নি সাক্ষী, খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল, অব তক ছাপ্পান, অপহরণ, রাজনীতি_ এবং _ওয়েলকাম_ ছবিতে উদয় শেট্টির চরিত্রে স্মরণীয় অভিনয় করেছেন। তিনি একজন পরিচালক (_প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক_), গায়ক এবং সমাজসেবীও ছিলেন।

তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং ২০১৩ সালে পদ্মশ্রী প্রাপক পাটেকরকে শেষবার চার দিন আগে গোয়ায় প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল।
IFA Shield Final: ডুরান্ডের বদলা নয়, নতুন লড়াই — মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটেই ম্যাচ শেষ করতে চান হাবাস
*খেলা*


*কলকাতা:* ডুরান্ড কাপ ফাইনালের পর ফের ডার্বি ফাইনাল। তবে এবার মঞ্চ IFA শিল্ড। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে নামার আগে ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের বড় চিন্তা প্রতিপক্ষ নয়, নিজের দলের ফুটবলারদের ফিটনেস।

জাতীয় দলের হয়ে টানা ম্যাচ খেলে ফেরা একাধিক ফুটবলারকে নিয়ে ফাইনালে নামতে হবে লাল-হলুদকে। তার কয়েকদিন পরই রয়েছে AFC-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। ফলে প্রথম একাদশ বাছাই থেকে শুরু করে ফুটবলারদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা নিয়ে অঙ্ক কষতে হচ্ছে হাবাসকে।

তবে অজুহাত দিতে নারাজ স্প্যানিশ কোচ। তাঁর স্পষ্ট বার্তা — প্রতিপক্ষকে সম্মান করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রাখতে চায় ইস্টবেঙ্গল। ৯০ মিনিটের মধ্যেই খেলা শেষ করাই লক্ষ্য।

*ডুরান্ডের সঙ্গে তুলনা নয়*

সেমিফাইনালের বাধা পেরিয়ে ফাইনালে ওঠার পর দলের আত্মবিশ্বাস নিয়ে কোনও সংশয় নেই হাবাসের। কিন্তু ডুরান্ড ফাইনালের সঙ্গে এই ম্যাচের তুলনা টানতে রাজি নন তিনি।

ফাইনালের আগে হাবাস বলেন, _"আমরা ফাইনালের জন্য ১০০ শতাংশ প্রস্তুত। আমার খেলোয়াড়দের উপর আমার বিশ্বাস আছে। আমরা অবশ্যই প্রতিপক্ষকে সম্মান করি। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য এমন একটা ম্যাচ খেলা, যা আগের ডুরান্ড কাপের ফাইনালের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে। দুটো ম্যাচের পরিস্থিতিও এক নয়। তাই আগের ম্যাচের সঙ্গে এই ম্যাচকে তুলনা করার কোনও কারণ নেই।"_

অন্যদিকে,ফাইনালের আগে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে দুই দলের ফর্ম নিয়ে। ইস্টবেঙ্গল যেখানে গোলের বন্যা বইয়ে ফাইনালে উঠেছে, সেখানে মোহনবাগানকে লড়াই করতে হয়েছে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। কিন্তু প্রতিপক্ষের বর্তমান ফর্ম নিয়ে ভাবতে নারাজ পানোস।মোহনবাগান কোচ বলেন, "আমি ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে ভাবছি না। আমার নজর আমাদের দলের দিকে। আমরা কী করছি, আমাদের খেলোয়াড়রা কী করবে এবং মাঠে আমরা কী করতে চাই, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।"

ছবি:সঞ্জয় হাজরা।
IFA Shield Final: ডুরান্ডের বদলা নয়, নতুন লড়াই — মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটেই ম্যাচ শেষ করতে চান হাবাস
*খেলা*


*কলকাতা:* ডুরান্ড কাপ ফাইনালের পর ফের ডার্বি ফাইনাল। তবে এবার মঞ্চ IFA শিল্ড। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে নামার আগে ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের বড় চিন্তা প্রতিপক্ষ নয়, নিজের দলের ফুটবলারদের ফিটনেস।

জাতীয় দলের হয়ে টানা ম্যাচ খেলে ফেরা একাধিক ফুটবলারকে নিয়ে ফাইনালে নামতে হবে লাল-হলুদকে। তার কয়েকদিন পরই রয়েছে AFC-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। ফলে প্রথম একাদশ বাছাই থেকে শুরু করে ফুটবলারদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা নিয়ে অঙ্ক কষতে হচ্ছে হাবাসকে।

তবে অজুহাত দিতে নারাজ স্প্যানিশ কোচ। তাঁর স্পষ্ট বার্তা — প্রতিপক্ষকে সম্মান করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রাখতে চায় ইস্টবেঙ্গল। ৯০ মিনিটের মধ্যেই খেলা শেষ করাই লক্ষ্য।

*ডুরান্ডের সঙ্গে তুলনা নয়*

সেমিফাইনালের বাধা পেরিয়ে ফাইনালে ওঠার পর দলের আত্মবিশ্বাস নিয়ে কোনও সংশয় নেই হাবাসের। কিন্তু ডুরান্ড ফাইনালের সঙ্গে এই ম্যাচের তুলনা টানতে রাজি নন তিনি।

ফাইনালের আগে হাবাস বলেন, _"আমরা ফাইনালের জন্য ১০০ শতাংশ প্রস্তুত। আমার খেলোয়াড়দের উপর আমার বিশ্বাস আছে। আমরা অবশ্যই প্রতিপক্ষকে সম্মান করি। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য এমন একটা ম্যাচ খেলা, যা আগের ডুরান্ড কাপের ফাইনালের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে। দুটো ম্যাচের পরিস্থিতিও এক নয়। তাই আগের ম্যাচের সঙ্গে এই ম্যাচকে তুলনা করার কোনও কারণ নেই।"_

ছবি:সঞ্জয় হাজরা।
পুজোর পাস বিক্রিতে ইউনেস্কোর নাম! আগাম জামিন মামলায় বিপাকে ইন্দ্রনীল সেন

*কলকাতা:* ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শোয়ের টিকিট বিক্রির অভিযোগে প্রাক্তন পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের আগাম জামিন মামলায় কড়া পর্যবেক্ষণ করলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।

*বিচারপতির পর্যবেক্ষণ:* "তৎকালীন রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, তাই প্রভাব খাটানোটা তাঁর কাছে কোনও কঠিন বিষয় নয়।"

*রাজ্যের দাবি:* শুনানিতে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার জানান, প্রিভিউ শোয়ের নামে প্রতি পাসে ৪,৫০০ থেকে ১৭,০০০ টাকা নেওয়া হতো। ইউনেস্কোর নাম ও লোগো বেআইনিভাবে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে।

*ইন্দ্রনীলের আইনজীবীর সওয়াল:* "আমি তো পুজো প্রোমোটিংয়ের কাজ করেছি।" চুক্তিপত্র পেশ করে দাবি, সে সময় কাজের প্রশংসা হয়েছিল। ২০২৩ সালে প্রিভিউ শো ফ্রি ছিল, বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য বিনামূল্যে ছিল। মন্ত্রী হওয়ার আগেও সংস্থা মাস আর্ট ৪০টি টেন্ডার নিয়ে কাজ করেছে। ইডি ১৯ জায়গায় তল্লাশি চালিয়েও কিছু পায়নি।

*আদালতের প্রশ্ন:* কোন ক্ষমতাবলে এই কাজ? প্রিভিউ শোয়ের নামে পাস বিক্রি করা যায় কি? ইউনেস্কোর নাম বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা যায় কি? মানি ফ্লো-এর অভিযোগ রয়েছে, তদন্ত বন্ধ করা যায় না। তৎকালীন মন্ত্রী হিসেবে টেন্ডারে প্রভাব খাটাননি, তা কীভাবে নিশ্চিত হবে আদালত?

*মামলার প্রেক্ষাপট:* ইউনেস্কোর নামে ভিআইপি টিকিট বিক্রির অভিযোগে ইন্দ্রনীল সেন, তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন-সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বৌবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। গ্রেফতারির আশঙ্কায় আগাম জামিন চেয়ে প্রথমে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে যান ইন্দ্রনীল। বিচারপতি অসুস্থ থাকায় মামলা শুনছেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। রাজ্যকে ফ্লো-চার্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী শুনানি শুক্রবার।
আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে পুঁথিগত শিক্ষার মেলবন্ধন, বসিরহাটের বিদ্যালয়ে অভিনব শিক্ষামূলক প্রদর্শনী
বসিরহাট : আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে পুঁথিগত শিক্ষার মেলবন্ধন ঘটিয়ে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল করে তুলতে উদ্যোগী বসিরহাটের রঘুনাথপুরের একটি বেসরকারি স্কুল। বিদ্যালয়ে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীতে পড়াশোনার বিভিন্ন বিষয়কে হাতেকলমে তুলে ধরার সুযোগ পেল পড়ুয়ারা। প্রদর্শনীতে সাহিত্য, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও অঙ্ক সহ একাধিক বিষয়ের নানা মডেল ও শিক্ষামূলক উপস্থাপনা দেখা যায়। শুধু পাঠ্যপুস্তকের পাতায় বিষয়গুলি পড়া নয়, বাস্তবে সেগুলিকে কীভাবে প্রয়োগ করা যায়, প্রদর্শনীর মাধ্যমে তারই ধারণা দেওয়া হয় পড়ুয়াদের। ফলে একই সঙ্গে জ্ঞানার্জন ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটছে বলে মনে করছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া এক ছাত্রী জানায়, “বইয়ে যে বিষয়গুলি পড়ি, সেগুলিকে নিজের হাতে তৈরি করে এবং সামনে থেকে দেখে বোঝার সুযোগ পেয়েছি। এতে পড়াশোনার বিষয়গুলি আরও সহজে মনে থাকছে। এই ধরনের প্রদর্শনীতে অংশ নিতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত এবং নিজেদের সমৃদ্ধ মনে করছি।”
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “শুধু পুঁথিগত শিক্ষার মধ্যে ছাত্রছাত্রীদের সীমাবদ্ধ না রেখে আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে তার মেলবন্ধন ঘটানোই আমাদের লক্ষ্য। পড়ুয়ারা যাতে নিজেদের চিন্তাভাবনা, সৃজনশীলতা ও প্রতিভাকে কাজে লাগাতে পারে, সেই উদ্দেশ্যেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন। বইয়ের বিষয়গুলিকে বাস্তবের সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে শেখার আগ্রহ আরও বাড়ে। আগামী দিনেও এই ধরনের শিক্ষামূলক উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়া হবে।” বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, এই ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীল চিন্তাভাবনা ও ব্যবহারিক জ্ঞানও বাড়বে। ফলে আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে পুঁথিগত শিক্ষার সমন্বয়ে আগামী দিনে পড়ুয়াদের আরও দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।
ব্যারাকপুরে সেবা সংকল্প অভিযানের সূচনা, সাইকেল র‍্যালি করে উদ্বোধন বিধায়ক কৌস্তভের

*নিজস্ব সংবাদদাতা, ব্যারাকপুর:* ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে সেবা সংকল্প অভিযান। স্বচ্ছ ভারত, প্লাস্টিক বর্জন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে বিকশিত ভারত প্রকল্পের আওতায় এই অভিযান চলছে।

এই উপলক্ষ্যে বুধবার ব্যারাকপুর পৌরসভার পরিচালনায় ব্যারাকপুর হিন্দি স্কুলের মাঠ থেকে একটি সাইকেল র‍্যালির আয়োজন করা হয়। র‍্যালির শুভ উদ্বোধন করেন বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। নিজে সাইকেল চালিয়ে তিনি এই কর্মসূচির সূচনা করেন। ছবি:উৎপল দাস।
১৬ বছর পরেও অন্তর্ধান রহস্য, বেহালা-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

*কলকাতা:* ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও খোঁজ মেলেনি বেহালার দুই কলেজ পড়ুয়ার। অবশেষে সেই বহুচর্চিত নিখোঁজ রহস্যের তদন্তভার সিবিআই-এর হাতে তুলে দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি আর্যক দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত জানিয়েছে, প্রয়োজনে নতুন করে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করতে পারবে কেন্দ্রীয় সংস্থা। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট জমা দিতে হবে সিবিআইকে।

ঘটনাটি ঘটে ২০১১ সালের ১৮ এপ্রিল। বেহালা থেকে ১৯ বছর বয়সী দুই ছাত্র হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের অভিযোগ, নিখোঁজের দু'দিন পর তাদের কাছে মুক্তিপণের ফোন আসে। মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। পরিবার দাবি মতো টাকা দিয়েও দেয়। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরেও বাড়ি ফেরেনি দুই তরুণ।

এরপর দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত করে রাজ্য পুলিশ এবং পরে সিআইডি। কিন্তু ১৬ বছরেও কিনারা হয়নি এই অপহরণ রহস্যের। তদন্তে গতি না থাকায় শেষ পর্যন্ত পরিবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়।

আদালতের এই নির্দেশের পর ফের একবার সন্তানদের ফিরে পাওয়ার আশায় বুক বাঁধছেন নিখোঁজ দুই ছাত্রের পরিবার।
দীর্ঘদিন বকেয়া বেতন না পেয়ে বিক্ষোভে পানিহাটির আশা কর্মীরা

*পানিহাটি:* দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া পারিশ্রমিক না পাওয়ার অভিযোগে পৌরসভার গেট বন্ধ করে বিক্ষোভে শামিল হলেন উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির আশা কর্মীরা।

জানা গেছে, দীর্ঘক্ষণ ধরে পৌরসভার গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর পরও কোনও সুরাহা না হওয়ায় তাঁরা বি টি রোড অবরোধ করেন। এর জেরে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশের তৎপরতায় অবরোধ উঠে যায়। ছবি: উৎপল দাস।