/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz শাহ জাহানহীন সন্দেশখালি সহ বসিরহাটে শান্তির ভোট, বিক্ষিপ্ত অভিযোগে উত্তাপ কিছু কেন্দ্রে West Bengal Bangla
শাহ জাহানহীন সন্দেশখালি সহ বসিরহাটে শান্তির ভোট, বিক্ষিপ্ত অভিযোগে উত্তাপ কিছু কেন্দ্রে
সৌমাভ মন্ডল,বসিরহাট : শেখ শাহজাহানহীন সন্দেশখালিতে এবার ভোটের আবহে বদলের ছবি। একসময় যে সন্দেশখালি বুথ দখল, ভোটারদের বাধা এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগে রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রে উঠে এসেছিল। সেই এলাকাতেই বুধবার সকাল থেকে তুলনামূলক শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের ছবি সামনে এসেছে। সকাল থেকেই সন্দেশখালি বিধানসভার বিভিন্ন বুথে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন নজরে পড়ে। মহিলা, প্রবীণ থেকে প্রথমবারের ভোটার সকলের মধ্যেই ছিল ভোটাধিকার প্রয়োগের আগ্রহ। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে বুথ দখল ও ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ ছিল, তার অনুগামীরা বিভিন্ন এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করতেন। তবে বর্তমানে শেখ শাহজাহান জেলে এবং নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারিতে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে বলে দাবি করছেন সাধারণ ভোটাররা। তাদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, ওয়েব কাস্টিং, বাড়তি নিরাপত্তা এবং কমিশনের কঠোর মনোভাবের ফলে এবার তুলনামূলক নির্ভয়ে ভোট দিতে পারছেন মানুষ।
সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সন্দেশখালির অধিকাংশ ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চললেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির অভিযোগও সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দেশখালি বিধানসভার মণিপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ২৪৪ ও ২৪৫নং বুথের ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, স্থানীয় কিছু তৃণমূল কর্মী রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভোটারদের আটকে দিচ্ছিলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটারদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের বচসা শুরু হয় এবং পরে তা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তারক্ষীদের হস্তক্ষেপ করতে হয়।
শুধু সন্দেশখালিই নয়, পার্শ্ববর্তী মিনাখাঁ বিধানসভাতেও ভোট ঘিরে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। নাড়াবুনিয়া এলাকার ২৪১ নম্বর বুথে আইএসএফ অভিযোগ তোলে, তাদের প্রার্থী প্রতীক মণ্ডলের প্রতীকের বোতামের উপরে আঠা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে ভোটাররা নির্দিষ্ট বোতাম টিপতে সমস্যায় পড়ছিলেন বলে অভিযোগ। নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানোর পর ওই বুথে নতুন ইভিএম পাঠানো হয়। কমিশন সূত্রে খবর, পুরনো এবং নতুন দুই ইভিএমের ভোটই গণনার আওতায় আনা হবে।
মিনাখাঁর বকজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মাজমপুর ১৭ নম্বর বুথেও উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূলের অভিযোগ, ১০০ মিটারের বাইরে ক্যাম্প থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় বাহিনী আচমকা অভিযান চালিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি-সহ দলীয় ক্যাম্পে ভাঙচুর চালায়। তৃণমূলের দাবি, এই পদক্ষেপ সাধারণ ভোটারদের উপর চাপ সৃষ্টি এবং ভয় দেখানোর সামিল। একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে মিনাখাঁর তালবেড়িয়া এলাকার ৪০ নম্বর বুথেও। অন্যদিকে, বুথ জ্যাম, ছাপ্পা এবং ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ পেয়ে বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শনে যান বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী ডাঃ সৌর্য্য ব্যানার্জি। তিনি অভিযোগ করেন, একাধিক বুথে ভোট প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে।
হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভার মহিষপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৩ নম্বর বুথে ওয়েব কাস্টিং বিভ্রাট ঘিরেও উত্তেজনা ছড়ায়। সকাল থেকে ওয়েব কাস্টিং পরিষেবা সঠিকভাবে কাজ না করায় সেখানে পৌঁছান বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। বুথে গিয়ে নির্বাচনকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তার বচসা বাধে। অভিযোগ, উত্তেজনার মধ্যে এক ওয়েব কাস্টিং কর্মীর আই-কার্ড টেনে ধরেন তিনি। যদিও রেখা পাত্রর দাবি, ভোটের স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন। নির্বাচনকর্মীদের বক্তব্য, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সাময়িক সমস্যা তৈরি হলেও তা দ্রুত মেরামতের চেষ্টা চলছিল।
সব মিলিয়ে, একসময়ের অশান্ত সন্দেশখালিতে এবার ভোটের ছবিতে তুলনামূলক স্বস্তি থাকলেও বিক্ষিপ্ত অভিযোগ, রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং প্রযুক্তিগত ত্রুটি ঘিরে উত্তাপ বজায় রয়েছে। তবু সাধারণ ভোটারদের বড় অংশের বক্তব্য, দীর্ঘদিন পর এবার তারা অনেকটাই নির্ভয়ে ভোট দিতে পেরেছেন।
রাজ্যের ভোটে আজকের হটস্পট:  কলকাতার ভবানীপুর

রাজ্যের দ্বিতীয় দফা ভোটের হটস্পট কলকাতার ভবানীপুর। লড়াই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।আজ সারাদিনে তাঁরই কিছু মুহূর্ত আমাদের ফটোগ্রাফার *সঞ্জয় হাজরা* ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দি হয়েছে।

ভোট দিলেন অভয়ার মা, বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথ
নিজস্ব প্রতিনিধি: এবারের রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে সব চেয়ে চর্চিত উল্লেখ যোগ্য কেন্দ্রে হল উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি বিধানসভা ।এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথ(অভয়ার মা)। তিনি ২০২৪ হারিয়ে ছিলেন তার ডাঃ মেয়েকে। কর্মস্থলে তাকে খুন হতে হয়েছিল।সাড়া বিশ্বজুড়ে সেই ঘটনায় আলোড়ন উঠেছিল।আজ সেই অভয়ার মা রত্না দেবনাথ পানিহাটির ৫২ নম্বর বুথে তার ভোট দিলেন। সঙ্গে ছিলেন তার স্বামী। তবে তিনি ভোট দিয়ে জানান,"এর আগের বিধানসভা নির্বাচনে মেয়ে কে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে এসেছিলেন।আজ তার সঙ্গে তার মেয়ে নেই।তার মেয়ের সঙ্গে যে অবিচার হয়েছিল তার বিচারের জন্যই বিজেপিতে যোগ দেন এবং প্রার্থী হয়েছেন। মানুষের অন্যায়ের জবাব নিশ্চয়ই দেবেন তাদের ভোটাধিকারে।"
ছবি:উৎপল দাস
WestBengalBangla
ফটো ক্যাপশন
ফটো ক্যাপশন
জগদ্দল থানায় পৌঁছল NIA-এর বিশেষ টিম*

প্রবীর রায়: উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল থানায় পৌঁছাল NIA-এর ৩ সদস্যের টিম। ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী পবন সিংয়ের বাড়িতে বোমা এবং গুলি চালানোর ঘটনায় এক CISF কর্মী জখম হন। সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে NIA।
বঙ্গে ভোট

আগামীকাল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। ভোট গ্রহণ করা হবে ১৪২ টি বিধানসভা কেন্দ্রের।আজ রাজ্যের বিভিন্ন DCRC কেন্দ্র থেকে ভোট কর্মীরা তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে রওনা হচ্ছেন নিজ নিজ ভোট কেন্দ্রের দিকে। আমাদের ক্যামেরায় তুলে ধরলাম উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত বিধানসভা নির্বাচন কেন্দ্রের একটি
DCRC ছবি।
একটি লিফলেট, তা ঘিরেই নোয়াপাড়া রাজনীতিতে শোরগোল

প্রবীর রায়: গতকাল রাতেই একটি লিফলেট উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন অঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে লেখা আছে-"আপনাদের কাছে আমার শেষ অনুরোধ দয়া করে,আমার  স্বর্গীয় স্বামী আপনাদের প্রাণের মানুষ শহীদ বিকাশ বসুর খুনি কেউ দয়া করে ভোট দেবেন না। আমি আপনাদের কাছে তার বিদেহী আত্মার চিরশান্তি প্রার্থনা করছি।
--- তলায় লেখা আছে বিনীত মঞ্জু বসু।
মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলন করে তৃণমূল কংগ্রেসের এই প্রাক্তন বিধায়িকা মঞ্জু বসু অভিযোগ করেন ,তিনি এই ধরনের কোন লিফলেট ছাপাননি বা এটি তার কথা নয়। এটা তার কাছে অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে বিকাশ বসুকে নিয়ে এই ধরনের নোংরা রাজনীতি করা হচ্ছে। এই নিয়ে তিনি থানাতেও অভিযোগ জানিয়েছেন।
কারা এই ধরনের লিফলেট  কেন ছড়ালো তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মঞ্জু বসু।
বসিরহাট উত্তরে রেলমন্ত্রীর রোডশোয়ে জনস্রোত, টাকি রোডে শক্তি প্রদর্শন বিজেপির

বসিরহাট : বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচারে নতুন গতি এল কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীর উপস্থিতিতে। বিজেপি প্রার্থী কৌশিক সিদ্ধার্থের সমর্থনে আয়োজিত এক বিশাল মিছিলে অংশ নিয়ে প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তার উপস্থিতিকে ঘিরে এলাকাজুড়ে উৎসাহ ও ভিড় লক্ষ্য করা যায়। মিছিলটি শুরু হয় মাটিয়া বাজার এলাকা থেকে এবং শেষ হয় খোলাপোতায়। রাজ্য সড়ক ২, অর্থাৎ টাকি রোড ধরে দীর্ঘ এই শোভাযাত্রায় হাজার হাজার দলীয় কর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়ে বহু মানুষ মিছিলকে স্বাগত জানান, ফলে পুরো এলাকা কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
মিছিলে অংশ নিয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণব কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন এবং বিজেপি প্রার্থী কৌশিক সিদ্ধার্থের পক্ষে ভোট চেয়ে আবেদন জানান। তার বক্তব্যে উঠে আসে রেল ও পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রসঙ্গও। তিনি দাবি করেন, দেশের রেলব্যবস্থার আধুনিকীকরণ ও যাত্রী পরিষেবার মানোন্নয়নে একাধিক প্রকল্প ইতিমধ্যেই বাস্তবায়িত হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থী কৌশিক সিদ্ধার্থও মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে এলাকার বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, নির্বাচিত হলে স্থানীয় পরিকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এই মিছিলকে কেন্দ্র করে বসিরহাট উত্তর এলাকায় নির্বাচনী আবহ আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এই ধরনের উপস্থিতি ভোটের আগে সংগঠনকে চাঙ্গা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করার কৌশলেরই অংশ।
সব মিলিয়ে, বসিরহাট উত্তরে এই বৃহৎ মিছিল বিজেপির নির্বাচনী প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করল এবং ভোটের আগে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও জমিয়ে তুলল।
বসিরহাটে সুকান্তের আগুনঝরা মন্তব্য, “টহল নয়, কড়া অ্যাকশন নিক সেন্ট্রাল ফোর্স” ,চড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ
সৌমাভ মন্ডল,বসিরহাট : দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে প্রচারের শেষ দিনে বসিরহাটে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে পৌঁছাল। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার সোমবার বসিরহাটে এসে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে অংশ নিয়ে একাধিক বিতর্কিত ও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন, যা ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাঃ শৌর্য্য ব্যানার্জির সমর্থনে টাকি এলাকায় একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নেন তিনি। শোভাযাত্রায় দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রচার শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন।
তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেন, ভোটের সময় হামলা ও সন্ত্রাসের রাজনীতি নতুন কিছু নয়। তার দাবি, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে তারা সক্ষম এবং কড়া হাতে দমন করা হবে। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে ভয়মুক্ত নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন প্রসঙ্গে তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে আগের তুলনায় হিংসার ঘটনা কিছুটা কমেছে বলে তার ধারণা। প্রথম দফার ভোটে বড় ধরনের অশান্তির ঘটনা সামনে আসেনি বলেও দাবি করেন তিনি। তবে দ্বিতীয় দফায় হিংসার আশঙ্কা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেন এবং নির্বাচন কমিশন সেই পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত বলেও মন্তব্য করেন।
উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার কিছু এলাকায় দুষ্কৃতীদের সক্রিয়তা বেড়েছে বলে অভিযোগ তুলে তিনি বিশেষভাবে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের প্রসঙ্গ টানেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় মাঝে মধ্যেই বাইরের লোক ঢুকে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে আরও সতর্ক ও কঠোর হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে মত তার। সবচেয়ে বেশি বিতর্কের সৃষ্টি করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তার মন্তব্য। তিনি বলেন, শুধুমাত্র মোতায়েন করলেই হবে না, বাহিনীকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। তার কথায়, “সেন্ট্রাল ফোর্স শুধু ঘুরে বেড়ালে হবে না, ক্যালানিও দিতে হবে।” এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে, বসিরহাটে প্রচারের শেষ দিনে সুকান্ত মজুমদারের এই সফর ও বক্তব্য নির্বাচনী লড়াইকে আরও তীব্র করে তুলেছে। ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা আগামী দিনে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে থাকতেই পারে।
সোমবার থেকেই বাইক মিছিল ও একাধিক বাইক নিয়ে চলাফেরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিনিধি:দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বাইকের বিধিনিষেধ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশে সামান্য পরিবর্তন আনল ডিভিশন বেঞ্চ। সোমবার থেকেই বাইক মিছিল ও একাধিক বাইক নিয়ে চলাফেরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করল বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ। গ্রুপ রাইডিং চলবে না বলেই জানিয়ে দিল আদালত। আদালতের মন্তব্য, একজন নাগরিকের অধিকার খর্ব করতে পারেন না কমিশন। বিহার এবং আসামের ক্ষেত্রেও কি একই বিধি-নিষেধ আরোপ করেছিলেন। যদি সেখানে করে থাকেন তাহলে আমি এখানেও করার অনুমতি দেব বলে মন্তব্য করে আদালত। ডিভিশন বেঞ্চের প্রশ্ন গাড়ির ক্ষেত্রে কেন বিধি নিষেধ প্রযোজ্য হবে না। বাইক নিয়ে সিঙ্গেল বেঞ্চের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় নির্বাচন কমিশন। সেই মামলায় এই নির্দেশ দিল আদালত। মূলত, রাজনৈতিক দলের বাইক দাপট রুখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন।ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে বাইকে ‘গ্রুপ রাইডিং’ নিষিদ্ধ থাকবে। দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে কারও ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা যাবে না। বিচারপতি সরকারের মন্তব্য, কারও ব্যক্তি স্বাধীনতায় আমরা হস্তক্ষেপ করতে পারি না। কারও যদি ইচ্ছে হয় বাইকে করে মুক্ত বাতাস নিতে যাবেন, তাতে বাধা কোথায়। সেখানে আমরা বাধা দিতে পারি না। অন্য কোনও রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে কমিশন এমন কোনও পদক্ষেপ করেছে বলেও প্রমাণ দেখাতে পারেনি কমিশন। আদালত জানিয়েছে, নজির হিসাবে অন্য রাজ্যের উদাহরণ দেখালে তা বিবেচনা করা হত। তবে ‘গ্রুপ রাইডিং’ করা যাবে না।