উত্তমকে নিয়ে বিজেপিতে গৃহযুদ্ধ! অর্জুনের পর এবার নিশানায় কৌস্তভ, পাল্টা তোপ সেন্ট্রাল কমিটির

*ব্যারাকপুরের প্রাক্তন চেয়ারম্যানের গেরুয়া শিবিরে যোগের জল্পনায় প্রকাশ্যে অন্তর্কলহ, 'সুযোগসন্ধানী' বলে কৌস্তভকে পাল্টা আক্রমণ বিজেপি নেতৃত্বের*

*ব্যারাকপুর:* ফের প্রকাশ্যে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এবার দ্বন্দ্বের কেন্দ্রে ব্যারাকপুরের প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন তৃণমূল নেতা উত্তম দাস। তাঁর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা ঘিরে কার্যত দু'ভাগে ভাগ হয়ে গেল গেরুয়া শিবির। একদিকে বিধায়ক কৌস্তভ বাগচির বিস্ফোরক আপত্তি, অন্যদিকে বিজেপি কেন্দ্রীয় কমিটির পাল্টা হুঁশিয়ারি।

ঘটনার সূত্রপাত চলতি বছরের ২১ জুন। ব্যারাকপুরে আয়োজিত ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান প্রীতি ম্যাচে আমন্ত্রিত ছিলেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি এবং রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী তথা ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং। সেই মঞ্চেই উত্তম দাসের উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি তোলেন কৌস্তভ। অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে যেতে যেতে তিনি প্রকাশ্যে বলেন, "উত্তমের মতন মানুষ অনুষ্ঠানে থাকলে আমি থাকব না।"

সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই সোমবার ফের উত্তম দাসের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা তীব্র হয়। আর তাতেই ফের বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন কৌস্তভ বাগচি। শুধু উত্তম দাসই নন, বিজেপি কর্মী খুনের মামলায় অর্জুন সিংয়ের ভূমিকা নিয়েও তিনি অনুযোগ জানান। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, দলের পুরনো এবং লড়াকু কর্মীদের উপেক্ষা করে বাইরে থেকে আসা নেতাদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা মেনে নেওয়া যায় না।

এদিকে আজ উত্তম দাসের বাড়িতে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যান বিজেপির প্রতিনিধি দল। এই সাক্ষাৎ নিয়েই কৌস্তভ জলঘোলা করছেন বলে পাল্টা তোপ দেগেছে বিজেপি নেতৃত্ব।

বিজেপির কমিটির সদস্য অহীন বসু কৌস্তভকে একহাত নিয়ে বলেন, "যিনি বলছেন তিনিও তো একটা কংগ্রেস দল থেকে এসেছেন। কৌস্তভ বাগচির নামে অনেক অভিযোগ আছে। উনি হঠাৎ করে টিকিট পেয়ে বিজেপির বড় নেতা হয়ে গেছেন। তিনি যে কোনও দলেরই হতে পারেন। সৌজন্য সাক্ষাৎ সবাই করতে পারে, এই নিয়ে কৌস্তভ জল ঘোলা করছে।"

অহীন বসু আরও বলেন, "কৌস্তভ বাগচি শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কেও কটু কথা বলেছিলেন। উনি কি ধোয়া তুলসী পাতা হয়ে গেছেন? কে ভালো কে খারাপ সেটা দল ঠিক করবে। উত্তম দাস বিজেপিতে যোগদান করবেন কি করবেন না, এটা নেতৃত্ব ঠিক করবে। তৃণমূল যতদিন থাকবে মাথায় চুল গজাতে দেবেন না - তাহলে তিনি বিজেপিতে এলেন কেন? কংগ্রেস থেকেই তো সেই দাবিটা করতে পারতেন। কৌস্তভ বাগচি সুযোগসন্ধানী। কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে এসেছে।"

ব্যারাকপুরে বিজেপির এই প্রকাশ্য কোন্দলে অস্বস্তি বাড়ছে পদ্ম শিবিরের, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ছবি:উৎপল দাস।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর আশঙ্কায় সুন্দরবনে হাই অ্যালার্ট, নদীর জলপথে মাইকিং, প্রস্তুত ফ্লাড সেন্টার
বসিরহাট : ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ক্রমশ শক্তি বৃদ্ধি করায় সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ও সাধারণ মানুষের সুরক্ষায় বসিরহাট মহকুমার সুন্দরবন বিস্তীর্ণ এলাকায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কবার্তা।সুন্দরবনের নদীমাতৃক এলাকায় নজরদারি জোরদার করতে বসিরহাটের সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জ, ন‍্যাজাট, সন্দেশখালী পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীপথে স্পিডবোট ও নৌকা নিয়ে মাইকিং প্রচার চালানো হচ্ছে। মৎস্যজীবী ও সাধারণ যাত্রীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন কোনো অবস্থাতেই তারা বর্তমানে নদীপথে না যান।ঝড়ের সম্ভাব্য প্রভাবের কথা মাথায় রেখে ন‍্যাজাট, সন্দেশখালী ও হিঙ্গলগঞ্জ সহ আশপাশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে কড়া নজরদারি চালায় পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন। নিচু ও নদীর তীরবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এলাকার ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র গুলি ইতোমধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে পুরোপুরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যাতে পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত মানুষদের সেখানে নিয়ে আসা সম্ভব হয়। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সন্দেশখালীর বিধায়ক সনৎ সর্দার জানান, প্রশাসনিকভাবে আমরা সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত আছি। নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষকে সতর্ক করতে একটানা মাইকিং প্রচার চলছে।ত্রাণ ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে তদারকি করা হচ্ছে।
উপকূলীয় এলাকার মানুষ যাতে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকেন, সে জন্য প্রশাসনের তরফ থেকে সব রকম ব‍বস্থা করা হয়েছে।

ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।
सुप्रीम कोर्ट कॉलेजियम की बड़ी सिफारिश, जस्टिस तपोब्रत चक्रवर्ती बनेंगे तेलंगाना हाईकोर्ट के चीफ जस्टिस

*नई दिल्ली, 27 अक्टूबर:* सुप्रीम कोर्ट कॉलेजियम ने देश के 4 हाईकोर्ट में चीफ जस्टिस की नियुक्ति को लेकर बड़ा फैसला लिया है। कॉलेजियम ने कलकत्ता हाईकोर्ट के वरिष्ठ जज जस्टिस तपोब्रत चक्रवर्ती को तेलंगाना हाईकोर्ट का चीफ जस्टिस बनाने की सिफारिश की है।

सोमवार को भारत के मुख्य न्यायाधीश की अध्यक्षता वाले सुप्रीम कोर्ट कॉलेजियम की बैठक के बाद यह सिफारिश की गई। कॉलेजियम द्वारा जारी सूची के अनुसार कुल 4 हाईकोर्ट में नए चीफ जस्टिस की नियुक्ति का प्रस्ताव केंद्र सरकार को भेजा गया है।

*किसे कहाँ भेजने की सिफारिश?*

1.  *जस्टिस तपोब्रत चक्रवर्ती:* वर्तमान में कलकत्ता हाईकोर्ट में कार्यरत हैं, इन्हें *तेलंगाना हाईकोर्ट का चीफ जस्टिस* बनाने की सिफारिश।
2.  *जस्टिस सुधीर सिंह:* पटना हाईकोर्ट के जज हैं, इन्हें *उत्तराखंड हाईकोर्ट का चीफ जस्टिस* बनाने की सिफारिश।
3.  *जस्टिस मानस रंजन पाठक:* वर्तमान में गुजरात हाईकोर्ट में कार्यरत हैं, इन्हें *गुजरात हाईकोर्ट का ही चीफ जस्टिस* बनाने की सिफारिश।
4.  *जस्टिस पी. साम कोशि:* तेलंगाना हाईकोर्ट के जज हैं, इन्हें *दिल्ली हाईकोर्ट का चीफ जस्टिस* बनाने की सिफारिश।

*कलकत्ता हाईकोर्ट से पुराना नाता*

गौरतलब है कि जस्टिस तपोब्रत चक्रवर्ती कलकत्ता हाईकोर्ट के एक अनुभवी और वरिष्ठ न्यायाधीश हैं। वर्तमान चीफ जस्टिस रविन्द्र वी. घुगे के स्थायी चीफ जस्टिस के तौर पर नियुक्त होने से पहले, जस्टिस चक्रवर्ती ने कई महीनों तक कलकत्ता हाईकोर्ट के कार्यवाहक मुख्य न्यायाधीश (Acting Chief Justice) के रूप में कार्यभार संभाला था। उनके कार्यकाल के दौरान कई महत्वपूर्ण फैसले आए थे।
গাইঘাটা এনকাউন্টারকে সমর্থন আর জি কর নির্যাতিতার মায়ের, তোপ তৎকালীন প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে*

*উৎপল দাস, ব্যারাকপুর* : উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের এনকাউন্টারকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানালেন আর জি কর কাণ্ডের নির্যাতিতার মা তথা পানিহাটির বিধায়িকা রত্না দেবনাথ। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, নারীদের অসম্মানকারীদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই।

এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, "আমি এই এনকাউন্টারকে সমর্থন করি। যারা নারীদের সম্মান করতে জানে না, যারা নারীকে ভোগ্য বস্তু হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, তাদের বেঁচে থাকার কোনও অধিকার নেই।"

একই সঙ্গে দুই মায়ের যন্ত্রণার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর কথায়, "মা হিসেবে আমি কষ্ট পাই - ওই মেয়েটির মায়ের কষ্ট, আবার ওই ছেলেটির মায়ের কষ্টও। কিন্তু তিনি তার ছেলেকে মানুষ করতে পারেননি।"

*নিজের মেয়ের প্রসঙ্গ টেনে প্রশাসনকে নিশানা:*

নিজের মেয়ের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তৎকালীন প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, "আমাদের দাবি তো সবসময়ই আছে। তখনকার প্রশাসন অপরাধীদের আড়াল করতে যতটা তৎপর ছিল, কেন এই ঘটনা ঘটল তা খুঁজে বের করতে ততটা তৎপর হলে আমাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হতো না। তখনই বিচার হয়ে যেত।"

তবে বর্তমান প্রশাসনের কাজে তিনি আশাবাদী বলেও জানান। তাঁর মন্তব্য, "বর্তমান প্রশাসন ঠিকভাবে কাজ করছে এবং তাতে আমার আরও সাহস বাড়ছে। আমরা বিচার পাব।"

*অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি:*

আর জি কর কাণ্ডে জড়িত বাকিদের ক্ষেত্রেও কি তিনি এনকাউন্টারের দাবি জানাচ্ছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে বিধায়িকা বলেন, "আগে প্রশাসন ধরুক, প্রশাসন যা চাইবে তাই হবে, কিন্তু আমরা তাদের বাঁচতে দেব না। এখন নাম বলব না, সব সিবিআইকে বলে দিয়েছি। সবাই ধরা পড়বে এবং অপরাধীরা সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে।"

উল্লেখ্য, গাইঘাটার ঘটনার পর রাজ্যজুড়ে নারী নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আর জি কর নির্যাতিতার মায়ের এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
गाइघाटा में नाबालिग से दुष्कर्म-हत्या मामले में सनसनीखेज मोड़: पुलिस एनकाउंटर में मुख्य आरोपी ढेर*

*क्राइम सीन रीक्रिएशन से लौटते वक्त पुलिस की बंदूक छीनकर फायरिंग का आरोप, जवाबी कार्रवाई में मौत; एक जांच अधिकारी घायल**डिजिटल डेस्क, उत्तर 24 परगना:* उत्तर 24 परगना के गाइघाटा में नाबालिग लड़की के साथ दुष्कर्म और हत्या के मामले में सनसनीखेज मोड़ आ गया है। पुलिस की गोली से मुख्य आरोपी प्रह्लाद दास की मौत हो गई। पुलिस का दावा है कि आरोपी पुलिस हिरासत से भागने की कोशिश कर रहा था। *आखिर हुआ क्या था?* पुलिस सूत्रों के मुताबिक, लक्ष्मी पूजा से एक रात पहले गाइघाटा की वह नाबालिग अपनी मां के साथ पड़ोस के एक कार्यक्रम में गई थी। वहां से लौटते समय वह लापता हो गई। परिवार वालों ने रात भर उसकी तलाश की। अगले दिन सुबह घर के पास ही एक घर के पीछे से उसका क्षत-विक्षत शव बरामद हुआ। परिवार ने आरोप लगाया कि नाबालिग के साथ दुष्कर्म कर उसकी हत्या की गई है। इस घटना से इलाके में भारी तनाव फैल गया। *गिरफ्तारी और कबूलनामा:* मामले की जांच में जुटी गाइघाटा थाने की पुलिस ने तेजी से कार्रवाई करते हुए आरोपी प्रह्लाद दास को गिरफ्तार कर लिया। पुलिस का दावा है कि पूछताछ के दौरान आरोपी ने अपना जुर्म कबूल कर लिया था।*एनकाउंटर में मौत, पुलिस का बयान:*पुलिस ने बताया कि कल रात क्राइम सीन रीक्रिएशन के लिए आरोपी को घटनास्थल पर ले जाया गया था। वहां से लौटते समय अचानक प्रह्लाद ने पुलिस का हथियार छीन लिया और पुलिसकर्मियों पर गोली चला दी। आरोपी की चलाई गोली पुलिस की गाड़ी पर लगी और इस घटना में एक जांच अधिकारी घायल हो गए। स्थिति को नियंत्रित करने के लिए पुलिस को जवाबी फायरिंग करनी पड़ी। पुलिस की गोली से ही दुष्कर्म-हत्या मामले का आरोपी प्रह्लाद दास मारा गया। *प्रतिक्रिया:*इस घटना के बाद शिमुलपुर ग्राम पंचायत के उप-प्रधान ने पुलिस की भूमिका की सराहना करते हुए उन्हें धन्यवाद दिया है। पुलिस ने पूरे मामले की जांच शुरू कर दी है। शव को पोस्टमार्टम के लिए भेज दिया गया है। *तस्वीर: अंकित मुखर्जी।*
মোদী-আদানি 'বন্ধুত্ব' সংক্রান্ত ভিডিও সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের, সব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে কন্টেন্ট ডিলিট করতে হবে

*কলকাতা:* মোদী-আদানি বন্ধুত্ব নিয়ে তৈরি ভিডিও এবং সংক্রান্ত সমস্ত পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অর্য্যক দত্তের বেঞ্চ। আদালত জানিয়েছে, এই নির্দেশ জারি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেখানে যতভাবে ভিডিও আপলোড হয়েছে, তা অবিলম্বে সরিয়ে দিতে হবে।আদানি গোষ্ঠীর তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সংক্রান্ত পোস্টের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হয়।

মামলার শুনানিতে আদানি গোষ্ঠীর আইনজীবী অনির্বাণ রায় বলেন, ভিডিওটি AI generated নয়, ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি নিজেই এই ভিডিও তৈরির দায় স্বীকার করেছেন। আদালতে তিনি বলেন, "সেনসেশন ছড়াতে খুব কৌশলে কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানে দাঙ্গার কথা বলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুত্ব থেকে শুরু করে গুজরাতে কীভাবে জমি পেয়েছে, এক টাকায় জমি পাওয়া নিয়ে কটাক্ষ করা হয়েছে।"

তিনি আরও অভিযোগ করেন, "কয়লার খাদান নিলাম, ২০০০ সালে মুম্বই এয়ারপোর্টের বরাত পাওয়া নিয়ে ২০২৬ সালে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আইন-কানুন টাকার কাছে মাথা নত করে। কোম্পানিকে বদনাম করার জন্য এটা করা হয়েছে। ভিডিওতে বলা হয়েছে এখন ৫ লক্ষ কোটি সম্পত্তি, আরও বাড়বে, যা বেআইনিভাবে করা হয়েছে বলে প্রমাণের চেষ্টা হয়েছে।"

আইনজীবী আরও বলেন, ভিডিওতে মুন্দ্রা পোর্টে ট্যালকম পাউডারের বদলে মাদক ভর্তি কন্টেইনার আসা, তার পিছনে লস্কর সহ মুসলিম জঙ্গি সংগঠনের যোগ, হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট নিয়েও আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে। "আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলতে গিয়ে সেনসেশন তৈরির চেষ্টা হয়েছে। যিনি করেছেন তিনি সাংবাদিক নন, ভারতীয়ও নন।"

এসময় বিচারপতি প্রশ্ন করেন, "এটা কি AI generated? তিনি তো দাবি করেছেন তিনি একটা গল্প বলছেন।"

জবাবে আদানির আইনজীবী বলেন, "মিথ্যে গল্প বলে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। আজও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে। রাজনীতিকরা মতামত দিচ্ছেন। একটা প্ল্যাটফর্মেই ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ভিউ হয়ে গেছে।"

অন্যদিকে, গুগলের পক্ষে আইনজীবী প্রজ্ঞা জৈন বলেন, "এই মামলা গ্রহণযোগ্য নয়, এখানে মামলা করার এক্তিয়ার নেই। তবে কোর্ট নির্দেশ দিলে আমরা আমাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে ভিডিও সরিয়ে দেব।"

আদালত জানিয়েছে, তিনটি প্ল্যাটফর্মে ওই ভিডিও আপলোড করা হয়েছে। আপাতত সব প্ল্যাটফর্ম থেকে ভিডিও প্রত্যাহার করতে হবে। আগামী দিনে সব পক্ষকে হলফনামা দিতে হবে। এরপর দীর্ঘ শুনানি হবে।
ইছামতির চর থেকে অবৈধ ভাবে বালির খনন করে পাচার! পুলিশি অভিযানে সাফল্য
*সৌমাভ মণ্ডল,বসিরহাট :* ইছামতি নদীর চর থেকে অবৈধভাবে সাদা বালি তোলার কারবার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বসিরহাটের সোলাদানা ও গজালমারি এলাকায়। নদীর চর থেকে বালি কেটে নৌকায় করে তা পাচার করার অভিযোগ উঠেছে। সেই বালি এলাকার বিভিন্ন ইটভাটা সহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালায় বসিরহাট থানার পুলিশ। অভিযানে বেশ কয়েকটি বালি বোঝাই নৌকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি এই অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ইছামতি নদীর ওই অংশে সাদা বালি তোলার কারবার চলছে। অভিযোগ, তৃণমূলের আমলে এই ব্যবসা শুরু হয়েছিল। রাজনৈতিক পালাবদলের পরেও সেই কারবার পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে সম্প্রতি প্রশাসনের তৎপরতা বেড়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই এলাকায় অভিযান চালিয়ে বালি তোলার কাজে ব্যবহৃত নৌকা বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার অলকনন্দা ভাওয়ালের নির্দেশে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আকোলকর রাকেশ মহাদেবের নেতৃত্বে ও বসিরহাট থানার আইসি মহম্মদ ফিরোজ আলীর সহযোগিতায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ওই এলাকায় গিয়ে বেশ কয়েকটি নৌকা ও এই অবৈধ বালি কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকা বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে।
নদীর চর থেকে অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বালি তোলার ফলে পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ও চরিত্রের পরিবর্তন, নদীর তলদেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া এবং নদীপাড়ের ক্ষয় বাড়ার মতো সমস্যার আশঙ্কা করছেন পরিবেশ সচেতন মহলের একাংশ। এর পাশাপাশি বর্ষার সময় নদীর জলস্তর বাড়লে সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং অবৈধ বালি তোলার কারবার বন্ধ করতে নিয়মিত নজরদারি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তবে এই কারবারের সঙ্গে কারা জড়িত, কত দিন ধরে বালি তোলা হচ্ছিল এবং এর পিছনে কোনও সংগঠিত চক্র রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।
বিজেপি নেতার পরিবারের এক বিঘা জমির ফসল কেটে নষ্টের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

বসিরহাট : বিজেপি নেতা আব্দুর রউফ সরদারের পরিবারের এক বিঘা জমিতে লাগানো মানকচুর ফসল কেটে নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি বসিরহাট থানার সংগ্রামপুর-শিবহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরামনগর এলাকার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
অভিযোগ, সংগ্রামপুর-শিবহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২নং গ্রামসভার তৃণমূল সদস্যের স্বামী মোশারফ গাজী ওরফে বাবু ওই ফসল কেটে নষ্ট করে দিয়েছেন। জমিতে ফলন ভালো হওয়ার আশা করেছিলেন আব্দুর রউফ সরদার ও তার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু ফসলের গাছ কেটে টুকরো টুকরো করে দেওয়ায় তাদের ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি। বিজেপি নেতা আব্দুর রউফ সরদারের অভিযোগ, তিনি বিজেপি করেন বলেই তার পরিবারের সম্পত্তির ফসল নষ্ট করে প্রতিশোধ নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, ওই এলাকার একটি ইটভাটার মাঠে প্রতি বছর নকআউট ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সেই খেলাকে কেন্দ্র করে অতীতে গ্রামে ব্যাপক গোলমাল হয়েছে। ইটপাটকেল ছোড়ার পাশাপাশি বোমা নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ তার।
আব্দুর রউফের দাবি, এই ধরনের অশান্তি বন্ধ করার জন্য তিনি বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতিকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী খেলার আয়োজন বন্ধ করার উদ্যোগ শুরু হয়। তার অভিযোগ, খেলা বন্ধ হতে পারে জানতে পেরেই তার উপরে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সরাসরি তার ক্ষতি করতে না পেরে পরিবারের এক বিঘা জমিতে লাগানো মানকচুর ফসল কেটে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি ওই বিজেপি নেতার। ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের বক্তব্য, ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক শত্রুতা থাকলেও জমির ফসল নষ্ট করা কোনওভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। এই ঘটনায় বসিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আব্দুর রউফ সরদার। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। যদিও অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মোশারফ গাজীর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ছবি: সৌমাভ মণ্ডল।
ব্যারাকপুরে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, অর্জুন সিং-কে নিশানা করে বিস্ফোরক কৌস্তভ বাগচী


*ব্যারাকপুর* : উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল এবার প্রকাশ্যে। মন্ত্রী অর্জুন সিং-এর মঞ্চে টিটাগড়ের বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের উপস্থিতি নিয়ে সরব হলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী।

সোমবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করে কৌস্তভ অভিযোগ করেন, মণীশ শুক্লা হত্যায় যাদের নাম জড়িয়েছে তারাই এখন দলের একাংশের সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করছেন। বেশ কয়েকটি ছবিও তিনি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

যদিও সরাসরি কারও নাম নেননি, তবে তাঁর ইঙ্গিত স্পষ্ট। কৌস্তভ বলেন, "আমাদের কিছু লোকের সঙ্গে মণীশের হত্যাকারীদের দেখা যাচ্ছে, এটা দেখতে ভালো লাগছে না।"

এদিন আরও আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় ব্যারাকপুরের বিধায়ককে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "উত্তম দাস এবং প্রশান্ত চৌধুরীকে বিজেপিতে ঢুকতে দেব না।"

নিজের রাজনৈতিক অবস্থানের কথা বলতে গিয়ে তিনি পুরনো প্রসঙ্গ টানেন। বলেন, "সাড়ে তিন বছর মাথা কামিয়ে রেখেছিলাম, বলেছিলাম মমতা সরকার না গেলে চুল রাখব না। আমার দৃঢ়তা সবাই জানে। প্রয়োজনে রাজ্য বিজেপি অফিসের সামনে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেব।"

অন্যদিকে, এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে অর্জুন সিং সংক্ষেপে বলেন, "আমি জানি কীভাবে রাজনীতি করতে হয়।"

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে টিটাগড়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গুলি করে খুন করা হয় বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লাকে। সেই ঘটনায় বাইরে থেকে সুপারি কিলার আনার অভিযোগ উঠেছিল।

কৌস্তভ জানিয়েছেন, মামলাটি নতুন করে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, তা নিয়ে তিনি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, সিআইডি এবং ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দেবেন।

এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠছে, বিজেপির এই অন্তর্কলহ কি আরও বাড়বে, নাকি দলীয় হস্তক্ষেপে তা থামবে?

#Barrackpore #BJP #KaustavBagchi #ArjunSingh #ManishShukla #BengalPolitics #Titagarh #BJPInfighting #BreakingNews
নৈহাটির দেশবন্ধু পল্লীতে খুঁটি পুজোর মধ্যে দিয়ে শ্যামা পুজোর প্রস্তুতি শুরু, এবারের ভাবনা 'অরণ্যের অশ্রু'

*নৈহাটি:* উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটির ৬ নম্বর বিজয় নগর এলাকায় দেশবন্ধু পল্লীর 'আমরা সবাই' ক্লাবের ৭৮তম বর্ষের শ্যামা পুজোর খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হল রবিবার। খুঁটি পুজোর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এবারের পুজোর সূচনা হল।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং, বিজেপির ব্যারাকপুরের জেলা সভাপতি তাপস ঘোষ, সূর্য চৌধুরী সহ বিজেপির অন্যান্য নেতা-কর্মী এবং ক্লাবের সদস্যরা।

খুঁটি পুজোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, "নৈহাটির ঐতিহ্য আজকের নয়। নৈহাটিতে কালীপুজো খুব বড় আকারে হয়। আমরা খুঁটি পুজো থেকে বিসর্জন পর্যন্ত পুরোপুরি সচেষ্ট আছি, পুরো নজরদারি রাখছি যাতে কোনো মানুষের অসুবিধা না হয়। মা কালীর পুজো ভালোভাবে হোক এটাই চাই।"

তিনি আরও বলেন, নৈহাটির বড়মার পুজোকে কেন্দ্র করে আগামী দিনে আরও বহু মানুষ এখানে আসবেন, যার ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হবেন। মায়ের আশীর্বাদ সবার উপর থাকবে।

*এবারের ভাবনা 'অরণ্যের অশ্রু':*

ক্লাবের পক্ষ থেকে সেক্রেটারি অভীক মিত্র জানান,এবারে তাদের ৭৮তম বর্ষে ভাবনা 'অরণ্যের অশ্রু'। ক্লাব কর্তৃপক্ষের আবেদন, এই ভাবনার মাধ্যমে মানুষের কাছে বার্তা দিতে চান - যেভাবে দিনের পর দিন অরণ্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, অরণ্যকে বাঁচাতে হবে এবং পশুপাখিদের তাদের নিজস্ব বাসস্থানে বসবাস করতে দিতে হবে। পরিবেশ সচেতনতার বার্তাই এবারের পুজোর মূল আকর্ষণ।

*নিরাপত্তায় বিশেষ নজর:*

সম্প্রতি কলকাতার চোরবাগানের প্যান্ডেলে দুর্ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানান, এবারে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এক্সিট ও এন্ট্রি গেট আলাদা রাখা, পর্যাপ্ত আলো ও ফাঁকা জায়গা রেখে সামঞ্জস্য বজায় রেখে প্যান্ডেল তৈরি করা হবে, যাতে দর্শনার্থীদের কোনো সমস্যা না হয়। ছবি:প্রবীর রায়।