মোদী-আদানি 'বন্ধুত্ব' সংক্রান্ত ভিডিও সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের, সব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে কন্টেন্ট ডিলিট করতে হবে

*কলকাতা:* মোদী-আদানি বন্ধুত্ব নিয়ে তৈরি ভিডিও এবং সংক্রান্ত সমস্ত পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অর্য্যক দত্তের বেঞ্চ। আদালত জানিয়েছে, এই নির্দেশ জারি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেখানে যতভাবে ভিডিও আপলোড হয়েছে, তা অবিলম্বে সরিয়ে দিতে হবে।আদানি গোষ্ঠীর তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সংক্রান্ত পোস্টের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হয়।

মামলার শুনানিতে আদানি গোষ্ঠীর আইনজীবী অনির্বাণ রায় বলেন, ভিডিওটি AI generated নয়, ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি নিজেই এই ভিডিও তৈরির দায় স্বীকার করেছেন। আদালতে তিনি বলেন, "সেনসেশন ছড়াতে খুব কৌশলে কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানে দাঙ্গার কথা বলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুত্ব থেকে শুরু করে গুজরাতে কীভাবে জমি পেয়েছে, এক টাকায় জমি পাওয়া নিয়ে কটাক্ষ করা হয়েছে।"

তিনি আরও অভিযোগ করেন, "কয়লার খাদান নিলাম, ২০০০ সালে মুম্বই এয়ারপোর্টের বরাত পাওয়া নিয়ে ২০২৬ সালে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আইন-কানুন টাকার কাছে মাথা নত করে। কোম্পানিকে বদনাম করার জন্য এটা করা হয়েছে। ভিডিওতে বলা হয়েছে এখন ৫ লক্ষ কোটি সম্পত্তি, আরও বাড়বে, যা বেআইনিভাবে করা হয়েছে বলে প্রমাণের চেষ্টা হয়েছে।"

আইনজীবী আরও বলেন, ভিডিওতে মুন্দ্রা পোর্টে ট্যালকম পাউডারের বদলে মাদক ভর্তি কন্টেইনার আসা, তার পিছনে লস্কর সহ মুসলিম জঙ্গি সংগঠনের যোগ, হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট নিয়েও আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে। "আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলতে গিয়ে সেনসেশন তৈরির চেষ্টা হয়েছে। যিনি করেছেন তিনি সাংবাদিক নন, ভারতীয়ও নন।"

এসময় বিচারপতি প্রশ্ন করেন, "এটা কি AI generated? তিনি তো দাবি করেছেন তিনি একটা গল্প বলছেন।"

জবাবে আদানির আইনজীবী বলেন, "মিথ্যে গল্প বলে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। আজও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে। রাজনীতিকরা মতামত দিচ্ছেন। একটা প্ল্যাটফর্মেই ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ভিউ হয়ে গেছে।"

অন্যদিকে, গুগলের পক্ষে আইনজীবী প্রজ্ঞা জৈন বলেন, "এই মামলা গ্রহণযোগ্য নয়, এখানে মামলা করার এক্তিয়ার নেই। তবে কোর্ট নির্দেশ দিলে আমরা আমাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে ভিডিও সরিয়ে দেব।"

আদালত জানিয়েছে, তিনটি প্ল্যাটফর্মে ওই ভিডিও আপলোড করা হয়েছে। আপাতত সব প্ল্যাটফর্ম থেকে ভিডিও প্রত্যাহার করতে হবে। আগামী দিনে সব পক্ষকে হলফনামা দিতে হবে। এরপর দীর্ঘ শুনানি হবে।
ইছামতির চর থেকে অবৈধ ভাবে বালির খনন করে পাচার! পুলিশি অভিযানে সাফল্য
*সৌমাভ মণ্ডল,বসিরহাট :* ইছামতি নদীর চর থেকে অবৈধভাবে সাদা বালি তোলার কারবার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বসিরহাটের সোলাদানা ও গজালমারি এলাকায়। নদীর চর থেকে বালি কেটে নৌকায় করে তা পাচার করার অভিযোগ উঠেছে। সেই বালি এলাকার বিভিন্ন ইটভাটা সহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালায় বসিরহাট থানার পুলিশ। অভিযানে বেশ কয়েকটি বালি বোঝাই নৌকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি এই অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ইছামতি নদীর ওই অংশে সাদা বালি তোলার কারবার চলছে। অভিযোগ, তৃণমূলের আমলে এই ব্যবসা শুরু হয়েছিল। রাজনৈতিক পালাবদলের পরেও সেই কারবার পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে সম্প্রতি প্রশাসনের তৎপরতা বেড়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই এলাকায় অভিযান চালিয়ে বালি তোলার কাজে ব্যবহৃত নৌকা বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার অলকনন্দা ভাওয়ালের নির্দেশে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আকোলকর রাকেশ মহাদেবের নেতৃত্বে ও বসিরহাট থানার আইসি মহম্মদ ফিরোজ আলীর সহযোগিতায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ওই এলাকায় গিয়ে বেশ কয়েকটি নৌকা ও এই অবৈধ বালি কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকা বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে।
নদীর চর থেকে অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বালি তোলার ফলে পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ও চরিত্রের পরিবর্তন, নদীর তলদেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া এবং নদীপাড়ের ক্ষয় বাড়ার মতো সমস্যার আশঙ্কা করছেন পরিবেশ সচেতন মহলের একাংশ। এর পাশাপাশি বর্ষার সময় নদীর জলস্তর বাড়লে সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং অবৈধ বালি তোলার কারবার বন্ধ করতে নিয়মিত নজরদারি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তবে এই কারবারের সঙ্গে কারা জড়িত, কত দিন ধরে বালি তোলা হচ্ছিল এবং এর পিছনে কোনও সংগঠিত চক্র রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।
বিজেপি নেতার পরিবারের এক বিঘা জমির ফসল কেটে নষ্টের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

বসিরহাট : বিজেপি নেতা আব্দুর রউফ সরদারের পরিবারের এক বিঘা জমিতে লাগানো মানকচুর ফসল কেটে নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি বসিরহাট থানার সংগ্রামপুর-শিবহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরামনগর এলাকার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
অভিযোগ, সংগ্রামপুর-শিবহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২নং গ্রামসভার তৃণমূল সদস্যের স্বামী মোশারফ গাজী ওরফে বাবু ওই ফসল কেটে নষ্ট করে দিয়েছেন। জমিতে ফলন ভালো হওয়ার আশা করেছিলেন আব্দুর রউফ সরদার ও তার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু ফসলের গাছ কেটে টুকরো টুকরো করে দেওয়ায় তাদের ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি। বিজেপি নেতা আব্দুর রউফ সরদারের অভিযোগ, তিনি বিজেপি করেন বলেই তার পরিবারের সম্পত্তির ফসল নষ্ট করে প্রতিশোধ নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, ওই এলাকার একটি ইটভাটার মাঠে প্রতি বছর নকআউট ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সেই খেলাকে কেন্দ্র করে অতীতে গ্রামে ব্যাপক গোলমাল হয়েছে। ইটপাটকেল ছোড়ার পাশাপাশি বোমা নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ তার।
আব্দুর রউফের দাবি, এই ধরনের অশান্তি বন্ধ করার জন্য তিনি বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতিকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী খেলার আয়োজন বন্ধ করার উদ্যোগ শুরু হয়। তার অভিযোগ, খেলা বন্ধ হতে পারে জানতে পেরেই তার উপরে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সরাসরি তার ক্ষতি করতে না পেরে পরিবারের এক বিঘা জমিতে লাগানো মানকচুর ফসল কেটে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি ওই বিজেপি নেতার। ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের বক্তব্য, ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক শত্রুতা থাকলেও জমির ফসল নষ্ট করা কোনওভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। এই ঘটনায় বসিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আব্দুর রউফ সরদার। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। যদিও অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মোশারফ গাজীর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ছবি: সৌমাভ মণ্ডল।
ব্যারাকপুরে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, অর্জুন সিং-কে নিশানা করে বিস্ফোরক কৌস্তভ বাগচী


*ব্যারাকপুর* : উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল এবার প্রকাশ্যে। মন্ত্রী অর্জুন সিং-এর মঞ্চে টিটাগড়ের বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের উপস্থিতি নিয়ে সরব হলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী।

সোমবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করে কৌস্তভ অভিযোগ করেন, মণীশ শুক্লা হত্যায় যাদের নাম জড়িয়েছে তারাই এখন দলের একাংশের সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করছেন। বেশ কয়েকটি ছবিও তিনি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

যদিও সরাসরি কারও নাম নেননি, তবে তাঁর ইঙ্গিত স্পষ্ট। কৌস্তভ বলেন, "আমাদের কিছু লোকের সঙ্গে মণীশের হত্যাকারীদের দেখা যাচ্ছে, এটা দেখতে ভালো লাগছে না।"

এদিন আরও আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় ব্যারাকপুরের বিধায়ককে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "উত্তম দাস এবং প্রশান্ত চৌধুরীকে বিজেপিতে ঢুকতে দেব না।"

নিজের রাজনৈতিক অবস্থানের কথা বলতে গিয়ে তিনি পুরনো প্রসঙ্গ টানেন। বলেন, "সাড়ে তিন বছর মাথা কামিয়ে রেখেছিলাম, বলেছিলাম মমতা সরকার না গেলে চুল রাখব না। আমার দৃঢ়তা সবাই জানে। প্রয়োজনে রাজ্য বিজেপি অফিসের সামনে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেব।"

অন্যদিকে, এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে অর্জুন সিং সংক্ষেপে বলেন, "আমি জানি কীভাবে রাজনীতি করতে হয়।"

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে টিটাগড়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গুলি করে খুন করা হয় বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লাকে। সেই ঘটনায় বাইরে থেকে সুপারি কিলার আনার অভিযোগ উঠেছিল।

কৌস্তভ জানিয়েছেন, মামলাটি নতুন করে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, তা নিয়ে তিনি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, সিআইডি এবং ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দেবেন।

এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠছে, বিজেপির এই অন্তর্কলহ কি আরও বাড়বে, নাকি দলীয় হস্তক্ষেপে তা থামবে?

#Barrackpore #BJP #KaustavBagchi #ArjunSingh #ManishShukla #BengalPolitics #Titagarh #BJPInfighting #BreakingNews
নৈহাটির দেশবন্ধু পল্লীতে খুঁটি পুজোর মধ্যে দিয়ে শ্যামা পুজোর প্রস্তুতি শুরু, এবারের ভাবনা 'অরণ্যের অশ্রু'

*নৈহাটি:* উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটির ৬ নম্বর বিজয় নগর এলাকায় দেশবন্ধু পল্লীর 'আমরা সবাই' ক্লাবের ৭৮তম বর্ষের শ্যামা পুজোর খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হল রবিবার। খুঁটি পুজোর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এবারের পুজোর সূচনা হল।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং, বিজেপির ব্যারাকপুরের জেলা সভাপতি তাপস ঘোষ, সূর্য চৌধুরী সহ বিজেপির অন্যান্য নেতা-কর্মী এবং ক্লাবের সদস্যরা।

খুঁটি পুজোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, "নৈহাটির ঐতিহ্য আজকের নয়। নৈহাটিতে কালীপুজো খুব বড় আকারে হয়। আমরা খুঁটি পুজো থেকে বিসর্জন পর্যন্ত পুরোপুরি সচেষ্ট আছি, পুরো নজরদারি রাখছি যাতে কোনো মানুষের অসুবিধা না হয়। মা কালীর পুজো ভালোভাবে হোক এটাই চাই।"

তিনি আরও বলেন, নৈহাটির বড়মার পুজোকে কেন্দ্র করে আগামী দিনে আরও বহু মানুষ এখানে আসবেন, যার ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হবেন। মায়ের আশীর্বাদ সবার উপর থাকবে।

*এবারের ভাবনা 'অরণ্যের অশ্রু':*

ক্লাবের পক্ষ থেকে সেক্রেটারি অভীক মিত্র জানান,এবারে তাদের ৭৮তম বর্ষে ভাবনা 'অরণ্যের অশ্রু'। ক্লাব কর্তৃপক্ষের আবেদন, এই ভাবনার মাধ্যমে মানুষের কাছে বার্তা দিতে চান - যেভাবে দিনের পর দিন অরণ্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, অরণ্যকে বাঁচাতে হবে এবং পশুপাখিদের তাদের নিজস্ব বাসস্থানে বসবাস করতে দিতে হবে। পরিবেশ সচেতনতার বার্তাই এবারের পুজোর মূল আকর্ষণ।

*নিরাপত্তায় বিশেষ নজর:*

সম্প্রতি কলকাতার চোরবাগানের প্যান্ডেলে দুর্ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানান, এবারে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এক্সিট ও এন্ট্রি গেট আলাদা রাখা, পর্যাপ্ত আলো ও ফাঁকা জায়গা রেখে সামঞ্জস্য বজায় রেখে প্যান্ডেল তৈরি করা হবে, যাতে দর্শনার্থীদের কোনো সমস্যা না হয়। ছবি:প্রবীর রায়।
BREAKING NEWS প্রয়াত বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরী

*কলকাতা:* প্রয়াত বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরী। রবিবার সকাল ১০টা নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ব্লাড ক্যানসার ও মূত্রনালীর সংক্রমণে ভুগছিলেন তিনি। শনিবার রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সম্মতিতে তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হল না।
बसीरहाट में अमित शाह के 62वें जन्मदिन पर 62 दीप प्रज्वलित कर लंबी उम्र की कामना

*बसीरहाट:* केंद्रीय गृह मंत्री अमित शाह का 62वां जन्मदिन गुरुवार को था। इस अवसर पर उनके दीर्घायु और मंगल की कामना के लिए 62 दीप और 62 धूप जलाकर पूजा की गई। यह विशेष पूजा बीजेपी के प्रदेश नेता डॉ. शौर्य बनर्जी द्वारा की गई।

बसीरहाट के संग्रामपुर के प्राचीन दक्षिणा काली मंदिर में कल देर रात इस विशेष पूजा का आयोजन किया गया था। अमित शाह के जन्मदिन के मौके पर देश के विभिन्न हिस्सों में पार्टी कार्यकर्ताओं और समर्थकों में जश्न का माहौल बना हुआ है। उसी कड़ी में भारत-बांग्लादेश सीमा से सटे शहर उत्तर 24 परगना के बसीरहाट में भी उनका जन्मदिन मनाया गया।

धार्मिक अनुष्ठान के जरिए जन्मदिन मनाने के इस आयोजन में बीजेपी नेतृत्व ने अमित शाह के प्रति अपना सम्मान और शुभकामनाएं व्यक्त कीं।

*तस्वीर: सौमाभ मंडल।*
দত্তপুকুরে গাড়ি থেকে বিস্ফোরক ও নিষিদ্ধ রাসায়নিক উদ্ধার, গ্রেফতার ১

*বারাসাত, উত্তর ২৪ পরগনা:* উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে একটি গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এবং নিষিদ্ধ রাসায়নিক উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য। বুধবার রাতে দত্তপুকুরের তেঁতুলতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই সামগ্রী উদ্ধার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ), এনএসজি, এসটিএফ এবং ফরেনসিক দল। এই ঘটনায় স্থানীয় এক বাইক শোরুমের মালিক রাকিবুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দত্তপুকুরের তেঁতুলতলা এলাকায় একটি গাড়িতে সন্দেহজনক সামগ্রী রয়েছে, এমন গোপন খবর আগে থেকেই ছিল এসটিএফ-এর কাছে। সেই সূত্র ধরেই গাড়িটির উপর নজরদারি শুরু হয়। বুধবার রাতে গাড়িটি আটক করে তার মালিক রাকিবুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তল্লাশিতে গাড়ি থেকে বিস্ফোরক জাতীয় পদার্থ, লোহার জালকাঠি-সহ বেশ কিছু নিষিদ্ধ রাসায়নিক উদ্ধার হয়।

প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক এবং রাসায়নিক নিয়ে কলকাতার দিকে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। নাশকতামূলক কাজে তা ব্যবহারের ছক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর প্রকৃতি ও কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করে দেখছে ফরেনসিক দল।

সূত্রের খবর ধৃত রাকিবুলকে বৃহস্পতিবার আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে এনআইএ। বিস্ফোরক কোথা থেকে এল, কার নির্দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এবং এর পিছনে আর কেউ জড়িত কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশ সূত্রে খবর এখনো অভিযুক্তকে দত্তপুকুর থানাতেই রাখা হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে বারাসাত পুলিশ জেলার সুপার এম মার্সি বলেন, "তদন্ত চলছে। কেমন ধরনের বিস্ফোরক, তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিটা তদন্তের পর বলা যাবে।"

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাকিবুল প্রায় ১০ বছর আগে গাড়ি মেরামতির কাজ ছেড়ে বাইকের শোরুমের ব্যবসা শুরু করেন। বর্তমানে তেঁতুলতলা, বিড়া, দেগঙ্গার বেড়াচাঁপা-সহ বিভিন্ন এলাকায় তাঁর ৪ টি শোরুম রয়েছে। কয়েক বছর আগে আমডাঙায় তাঁরই একটি শোরুমে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। আগের সেই ঘটনার সঙ্গে বর্তমান ঘটনার কোনও যোগসূত্র আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, গাড়িটি দু'দিন আগে থেকেই তেঁতুলতলা রোডে তাঁর শোরুমের পাশে রাখা ছিল। *ছবি:অঙ্কিত মুখার্জি।*
*চোরবাগান কাণ্ডে নিহত ১৯, প্রতিশ্রুতি রেখে বিলকান্দায় মৃতের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী

*উৎপল দাস, ব্যারাকপুর:* দুর্গাপূজার প্রথম সপ্তমীর সন্ধ্যায় কলকাতার চোরবাগানে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন দর্শনার্থী। উৎসবের আনন্দের মাঝেই নেমে আসে শোকের ছায়া। ঘটনার খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে ছুটে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। সেখানেই তিনি নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন এবং জানিয়েছিলেন, তিনি নিজে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন।

প্রতিশ্রুতি মতোই বুধবার সকালেই মুখ্যমন্ত্রী পৌঁছে যান উত্তর ২৪ পরগনার বিলকান্দা যোগেন্দ্রনগরে। সেখানে চোরবাগান দুর্ঘটনায় মৃত প্রিয়া সমাজদারের বাড়িতে যান তিনি। প্রিয়া সমাজদারের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে গভীর সমবেদনা জানান এবং সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন।

মুখ্যমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে শোকাহত পরিবার। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সাহায্য করা হবে।

পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তিনি গতকাল ৬টি পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন। আজও বাকিদের কাছে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, তারাই সব নথি খতিয়ে দেখবে।

উল্লেখ্য, প্রশাসনের তরফে নিহতদের পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা এবং প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা সহ মোট ২৭ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। ছ বি: উৎপল দাস।

#ChorbaganTragedy #KolkataDurgaPuja #PanchamiNightAccident #CMVisitsVictimFamily #PriyaSamajdar #Bilkanda #Jogendranagar #WestBengalNews #BreakingNews
টাকি রাজবাড়ী ঘাটে বিসর্জনের জোর প্রস্তুতি, ইছামতীর মাঝবরাবর BSF-এর কড়া টহলদারি

*সীমান্তে হাই অ্যালার্ট  ইছামতীতে যৌথ নিরাপত্তা**সৌমাভ মণ্ডল,টাকি:*  বিসর্জনের আগে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ঐতিহ্যবাহী উত্তর ২৪ পরগনার টাকি রাজবাড়ী ঘাটে চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুতি। দুই বাংলার মিলনস্থল এই ঘাটেই প্রতি বছরের মতো এবারও হবে ঐতিহ্যবাহী বিসর্জন। আর সেই বিসর্জনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী।জানা গিয়েছে, গোটা রাজবাড়ী ঘাট চত্বরকে মুড়ে ফেলা হয়েছে টিভি ক্যামেরা ও সিসিটিভির নজরদারিতে। সূত্রের খবর, ঘাট চত্বরে মোট আনুমানিক ১৪টি হাই-রেজোলিউশনের সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। প্রতিটি ক্যামেরা থেকে সরাসরি নজরদারি চালাবে পুলিশ ও প্রশাসন।শুধু স্থলপথেই নয়, জলপথেও চলছে কড়া নজরদারি। ইছামতী নদীর মাঝ বরাবর নৌকা নিয়ে টহল দিচ্ছে BSF ও পুলিশ। সীমান্ত সুরক্ষার জন্য নদীকে দুই ভাগে ভাগ করে নজরদারি চালানো হচ্ছে।প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, বিসর্জনের সময় কোনও ভারতীয় নাগরিক যাতে ভুলবশতও বাংলাদেশ সীমানায় প্রবেশ করতে না পারেন এবং কোনও বাংলাদেশি নাগরিক যাতে ভারতীয় সীমানায় চলে না আসেন, তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা। ইছামতীর মাঝ বরাবর BSF-এর নৌকা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে অদৃশ্য লাইন অফ কন্ট্রোল।টাকি রাজবাড়ী ঘাটের এই বিসর্জন শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি দুই বাংলার আবেগের মিলনক্ষেত্র। তাই শান্তিপূর্ণভাবে বিসর্জন সম্পন্ন করতে তৎপর প্রশাসন।স্থানীয় রীতি মেনে টাকি রাজবাড়ীর প্রতিমা প্রথম বিসর্জন হয় ইচ্ছামতীতে।তার মা'কে বরণ করেন মহিলারা। এরপর শুরু হয়েছে সিঁদুর খেলা। *ছবি: সৌমাভ মণ্ডল।* #Taki #TakiRajbariGhat #Ichamati #DurgaVisarjan #IndiaBangladeshBorder
#BSF #North24Parganas