*আবারও প্রাণঘাতি হামলা চালাতে পারে দুস্কৃতিরা, ব্যারাকপুরের বিজেপি নেতা চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে*

 প্রবীর রায় : উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া ৬ নং গলিতে বাড়ির কাছেই বোমা বিস্ফোরণ, বাড়ির কাছ থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারে আতঙ্কিত বিজেপির নেতা প্রিয়াঙ্কু পান্ডে এবং তার পরিবার। রবিবার নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনার,এন আই এ, স্বরাস্ট্র দপ্তর ও রাজ্যপালের কাছে চিঠি লিখলেন ওই বিজেপি নেতা।এর আগে তার গাড়িতেই বোমা মেরে এবং গুলি চালিয়ে তাকে খুনের চেস্টা করেছিল দুস্কৃতিরা।আবারও ফের খুনের চক্রান্ত চালাচ্ছে অভিযুক্তরা।তবে ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা অর্জুন সিং জানান," প্রিয়াঙ্কু পান্ডে উপর এর আগে গুলি-বোমা চালিয়ে খুন করার চেষ্টা করেছিল স্থানীয় এক বিধায়ক এবং তার দলবল। সেই ঘটনায় এন আই এ এর তদন্ত শেষের পথে।এন আই এ ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে। তাই যাতে এন আই এ এই তদন্ত যাতে বানচাল করা যায় তার জন্য আবার ও প্রিয়াংগুকে খুন করার চেষ্টা চালাচ্ছে দুষ্কৃতীরা।"তবে জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম জানান," কারোর নাম করে কিছু বলবো না।তবে বিজেপি নেতা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে পুলিশ ঠিক ব্যাবস্থা নেবে।"

সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল বাংলা, গুজরাতকে হারাল ৩ উইকেটে

খেলা

Khabar kolkata sports Desk: চলতি সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে টানা দ্বিতীয় জয় ছিনিয়ে নিল বাংলা। শনিবার হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ৭ বল বাকি থাকতে গুজরাতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে।

১২৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে বাংলা জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গেল ১৮.৫ ওভারে, ৭ উইকেট খুইয়ে। শাহবাজ আহমেদ ১৭ বলে ১৯ ও সক্ষম চৌধুরী ৬ বলে ৮ রানে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন ৩৪ বলে ৩৪, শাকির হাবিব গান্ধী ১২ বলে ১৮, করণ লাল ১০ বলে ১৭, অভিষেক পোড়েল ১২ বলে ১৪, সুদীপ কুমার ঘরামি ৭ বলে ৪, ঋত্ত্বিক চট্টোপাধ্যায় ৮ বলে ২ ও প্রদীপ্ত প্রামাণিক ৭ বলে ৫ রান করে আউট হন। হেমাঙ্গ প্যাটেল ৪ ওভারে ২৪, হর্ষল প্যাটেল ৪ ওভারে ২৫ ও রবি বিষ্ণোই ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ২টি করে উইকেট নেন।এর আগে, টস জিতে গুজরাতকে ব্যাট করতে পাঠান বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন। চতুর্থ ওভারের চতুর্থ বলে দলগত ২৯ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি। আগের ম্যাচে শতরানকারী গুজরাত অধিনায়ক উর্বিল প্যাটেলকে সাজঘরে ফেরান সক্ষম চৌধুরী। উর্বিল করেন ১০ বলে ২০। এই ওভারেই উমঙ্গ কুমার (২ বলে ০) সক্ষমের দ্বিতীয় শিকার হন।১০ ওভারের শেষে গুজরাতের স্কোরে ছিল ৫ উইকেটে ৬৫। সেখান থেকে ১৮.৩ ওভারে গুজরাত ১২৭ রানে গুটিয়ে যায়। শেষ পাঁচ উইকেট পড়ে ২৪ রানের ব্যবধানে। ৩০ বলে সর্বাধিক ৩৬ রান করেন বিশাল জয়সওয়াল। সক্ষম চৌধুরী ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে তিন উইকেট পান।মহম্মদ শামি ৩.৩ ওভারে ৩১ রান খরচ করে পেয়েছেন ২টি উইকেট। সায়ন ঘোষ ৩ ওভারে ২৬ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট দখল করেন। ঋত্ত্বিক চট্টোপাধ্যায় ২ ওভারে ১৫ ও করণ লাল ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে একটি করে উইকেট পেয়েছেন।

ছবি সৌজন্যে: সিএবি

*খেলা* *বিশেষ প্রতিবেদন* *১০ম টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতার কাউন্টডাউন শুরু*

ডেস্ক: অলিম্পিক পদকজয়ী কেনি বেডনারেক, ফুটবল কিংবদন্তি ভাইচুং ভুটিয়া এবং অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি থাকছেন এই মর্যাদাপূর্ণ ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স গোল্ড লেবেল দৌড়ে দৌড়বিদদের অনুপ্রেরণা যোগানোর জন্যে।

টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতার নিবন্ধন অভূতপূর্ব গতিতে বাড়ছে। ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স গোল্ড লেবেল-সম্মানিত এই ২৫ কিমি দৌড়ে কলকাতার অংশগ্রহণ দেখাচ্ছে যে শহরটি কীভাবে দেশের অন্যতম বৃহৎ খেলাধুলার উৎসব হিসেবে দৌড়কে গ্রহণ করেছে। এই ইভেন্টটি শহরের অন্তর্ভুক্তি, ক্ষমতায়ন এবং ঐক্যের চেতনাকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

গত ২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত উচ্চ-উদ্দীপনার প্রদর্শনী ম্যাচ “ভাইচুং’স ১০”-এর মাধ্যমে শুরু হলো কাউন্টডাউন। ফুটবল আইকন ও রত্ন ভাইচুং ভুটিয়া আনন্দ রান ক্যাটাগরির নিবন্ধিত নয়জন সৌভাগ্যবান অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে পাঁচ-জনের একটি প্রাণবন্ত ম্যাচে অংশ নেন। টিএসডাব্লিউ ২৫কে রত্ন শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি রেফারির হুইসেল বাজিয়ে ম্যাচের সূচনা করেন।

এই কমিউনিটি-চালিত ইভেন্টটি দৌড়বিদ, স্পনসর, অংশীদার এবং সেলিব্রিটিদের একত্রিত করে খেলাধুলার আনন্দময় সম্প্রীতি উদযাপন করল।

ভাইচুং ভুটিয়া বলেন,

“‘ভাইচুং’স ১০’-এর নেতৃত্ব দিতে পারা এবং টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতার ১০ম বর্ষপূর্তির উদযাপন শুরু করা আমার কাছে গর্বের। আজ যে শক্তি এবং বৈচিত্র্য দেখলাম, তা সত্যিই কলকাতার হৃদয়কে তুলে ধরে। জীবনের নানা স্তরের মানুষকে একত্র হতে দেখে আবারও মনে হলো কেন এই শহরকে ভারতের স্পোর্টিং হার্ট বলা হয়। সকলকে অনুরোধ করছি—নিবন্ধন করুন, অংশ নিন এবং এই স্মরণীয় সংস্করণকে আরও বিশেষ করে তুলুন।”

শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি বলেন,

“আমি সব নারীকে বলতে চাই—কেবল ১৫% নয়, আরও বেশি সংখ্যায় নারীদের অংশগ্রহণ করা উচিত। আমার মনে হয় দৌড় কেবল ফিটনেস বা খেলাধুলার জন্য নয়—নারীদের নিজেদের শক্তি, স্বাধীনতা, স্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য দৌড়ে অংশ নেওয়া উচিত।”

টাটা স্টিল-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট – কর্পোরেট সার্ভিসেস, ডি. বি. সুন্দর রমাম বলেন,“টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতার ১০ম বর্ষপূর্তিতে রেকর্ড-সৃষ্টিকারী অংশগ্রহণ শহরের প্রাণবন্ত চেতনা এবং মানুষের আবেগকে প্রতিফলিত করে। এই ইভেন্ট শুধু অ্যাথলেটিক দক্ষতা প্রদর্শনই নয়, বরং স্বাস্থ্য ও দৌড়ের আনন্দ উদযাপনে কমিউনিটিকে একত্র করে। সবাইকে আমন্ত্রণ জানাই—এই স্মরণীয় সংস্করণকে আরও অনন্য করে তুলুন।”

সব ক্যাটাগরিতে—২৫কে, ওপেন ১০কে, আনন্দ রান, সিনিয়র সিটিজেনস রান, এবং চ্যাম্পিয়ন্স উইথ ডিজঅ্যাবিলিটি—নিবন্ধন দ্রুত ভরে আসছে। নিবন্ধন বন্ধ হওয়ার আগেই সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে দ্রুত নিবন্ধন করতে: https://tatasteelworld25k.procam.in/

আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার, শ্রীপদ শেংদে বলেন,“ম্যারাথন দৌড় এবং আর্থিক সুস্থতা অর্জন—উভয়ের জন্যই পরিকল্পনা এবং নিয়মিততা দরকার। আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাংকে আমাদের কাস্টমার-ফার্স্ট নীতি মানুষকে আর্থিক স্বাধীনতার পথে সহায়তা করে, ঠিক যেমন দৌড়বিদরা ধীরে ধীরে ফিনিশ লাইনের দিকে এগিয়ে যায়। আমরা গর্বিত যে এই আইকনিক ইভেন্টের অংশ হতে পারছি, যা শহরের শক্তি, দৃঢ়তা এবং চেতনাকে উদযাপন করে।”

প্রোক্যাম ইন্টারন্যাশনালের যুগ্ম ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিবেক সিং বলেন,“এই ঐতিহাসিক ১০ম সংস্করণের প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে, এবং কলকাতার উদ্দীপনা অসাধারণ। বছর কয়েকের মধ্যে টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতা দেশের অন্যতম প্রিয়

অংশগ্রহণমূলক স্পোর্টিং ইভেন্টে পরিণত হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য সবসময় ছিল কমিউনিটিকে সক্রিয় রাখা—এবং আজ কলকাতা সত্যিই একটি রানিং সিটি হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে।”

দৌড়বিদদের জন্য বিশেষ আয়োজন ১০ম বর্ষপূর্তিতে অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা বাড়াতে রয়েছে নানা বিশেষ উদ্যোগ। রেস-পূর্ব ও রেস-পরবর্তী উজ্জ্বল বিনোদন, রুটজুড়ে উচ্চ-শক্তির চিয়ারিং ও মিউজিক জ়োন, দ্রুততম কোর্স সুবিধা—সব মিলিয়ে প্রতিটি ক্যাটাগরির দৌড়বিদদের জন্য থাকবে অনন্য অভিজ্ঞতা।

রান ক্লাবগুলোর ঐক্যবদ্ধ সমর্থন

১২টি রান ক্লাবের ২৭৫ জন স্বেচ্ছাসেবক রুটে দৌড়বিদদের সহযোগিতা করবেন এবং বিভিন্ন সহায়তা স্টেশন পরিচালনা করবেন।

২৫কে ফিনিশারদের জন্য ‘মেডেল অফ স্টিল’,২৫কে শেষ করা প্রতিটি দৌড়বিদ পাবেন টাটা স্টিলের বিশেষভাবে তৈরি ‘মেডেল অফ স্টিল’। স্টিল মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তি, দৃঢ়তা ও ধৈর্যের প্রতীক—চ্যালেঞ্জের সামনে না ভেঙে দাঁড়ানোর প্রতীক।

টেন স্পোর্টসের এক্সক্লুসিভ মার্চেন্ডাইজ

২৫কে এবং ১০কের অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকছে টেন স্পোর্টসের বিশেষ রেসডে মার্চেন্ডাইজ। ২৫কের নিশ্চিত অংশগ্রহণকারীরা রেসডে টি-শার্ট পাবেন এবং ওপেন ১০কের দ্রুততম ১০০০ পুরুষ ও মহিলা পাবেন ফিনিশার টি-শার্ট।

বিজয় দিবস ট্রফি

বিজয় দিবসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ভারতীয় সেনা, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী মোট ৩০টি দলের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। প্রতিটি দল ৩ জন করে দৌড়বিদ পাঠাবে। সম্মিলিত সময়ের ভিত্তিতে বিজয়ী নির্ধারিত হবে।

পুলিশ কাপ

কলকাতা পুলিশের নিরলস প্রচেষ্টাকে সম্মান জানাতে চালু হয়েছে পুলিশ কাপ। ১৭৫টি দল—১৫০টি পুরুষ ও ২৫টি মহিলা দল—১০কে দৌড়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

গেট অ্যাকটিভ এক্সপো

দৌড়, স্বাস্থ্য ও লাইফস্টাইল সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য জানার পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের বিব, রেসডে নির্দেশিকা, নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নির্দেশিকা সংগ্রহ করতে পারবেন।

ভেন্যু: নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়াম

তারিখ: ১৯ ও ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫।

কৃতজ্ঞতা ও অংশীদাররা

টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতা কৃতজ্ঞ—

পশ্চিমবঙ্গ সরকার, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, ভারত সরকার, ভারতীয় সেনা – ইস্টার্ন কমান্ড, ক্রীড়া কর্তৃপক্ষ (SAI), অ্যাথলেটিক ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (AFI), কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, কলকাতা পুলিশ, ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স (WA), AIMS এবং GSC-এর প্রতি।

পার্টনাররা:

টাইটেল স্পনসর – টাটা স্টিল

অ্যাসোসিয়েট স্পনসর – আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাংক

স্পোর্টসওয়্যার পার্টনার – টেন স্পোর্টস

হাইড্রেশন পার্টনার – বিসলারি

এনার্জি ড্রিঙ্ক পার্টনার – ফাস্ট&আপ, রেড বুল

হসপিটালিটি পার্টনার – দ্য ললিত গ্রেট ইস্টার্ন

প্রিন্ট পার্টনার – দ্য টেলিগ্রাফ

রেডিও পার্টনার – ৯৮.৩ মির্চি

টেলিকাস্ট পার্টনার – সনি স্পোর্টস ১

মেডিক্যাল পার্টনার – ফোর্টিস

ফিলানথ্রপি পার্টনার – ইমপ্যাক্ট ৩৬০ ফাউন্ডেশন

এসসিআর ফ্যাসিলিটেটর – ইমোহা

ছবি: প্রোক্যামের সৌজন্যে।

*ব্যারাকপুরে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা*

নিজস্ব সংবাদদাতা: উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে শুক্রবার বিজেপির পক্ষ থেকে একটি মিছিল সংঘঠিত করা হয়। আয়োজক বিজেপি ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার ডাকে এই পরিবর্তন যাত্রা সংগঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং সহ ব্যারাকপুর সাংগঠনিক নেতৃত্ব।

দোরগোড়ায় ২০২৬ এর নির্বাচন। তার মধ্যেই রাজ্যে চলছে এসআইআর।বাংলায় সরকার বদলের ডাক দিচ্ছে বিজেপি। সেই লক্ষ্যে বাংলায় শুরু হয়েছে সংকল্প যাত্রা। এবার এই সংকল্প যাত্রায় গিয়ে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার সুর চড়ালেন, কেন বাংলার ‘লক্ষ্মীরা’ নারায়ণ-হারা?

উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে সংকল্প যাত্রায় সুকান্ত বললেন, “বাংলার সব লক্ষ্মীরা লক্ষ্মীর ভান্ডার পাচ্ছেন। কিন্তু লক্ষ্মীদের কাছে নারায়ণ নেই, নারায়ণ কোথায়?” নিজেই উত্তর দেন, ” নারায়ণ গুজরাটে, ইটের ভাটা ইট চাঁই মাথায় নিয়ে উঠছে, কোথাও ধান লাগাতে গিয়েছে, কোথাও ছোট একটা রোজগারের কাজ করছে! কারণ বাংলায় রোজগার নেই। বাংলার লক্ষ্মীদের নারায়ণছাড়া করেছে তৃণমূল।”এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই বাংলায় মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েও সওয়াল করেন। সুকান্তর কথায়, “তৃণমূল মেয়েদের সম্মান করতে পারে না। তাই বাংলার মহিলাদের বলছি, আপনাদের নারায়ণ ছাড়া হতে হয়েছে, তৃণমূলকে ভোট দিলে ইজ্জত ছাড়া হতে হবে।” সুকান্ত ডাক দেন, বাংলাকে বাঁচাতে হলে পরিবর্তন করতেই হবে।

ছবি : প্রবীর রায়

কলকাতায় মেয়র’স কাপ ২০২৫-২০২৬ সিজন শুরু

Khabar kolkata sports Desk: ২২ ইয়ার্ডস স্পোর্টস স্কুল গ্রাউন্ডে শুক্রবার শুরু হল মেয়র’স কাপ। ইন্টার স্কুল আন্ডার-১৫ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৫-২০২৬। উদ্বোধনী ম্যাচে, কামরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় টস জিতে ক্যাথিড্রাল মিশন হাই স্কুলের বিরুদ্ধে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই মরসুমে, মোট ৬৪টি স্কুল, ১৬টি গ্রুপে বিভক্ত, টুর্নামেন্টে অংশ নেবে। প্রথম রাউন্ডের পর, প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দল পরবর্তী পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। উদ্বোধনী খেলার আগে, সিএবি-র শীর্ষ কর্মকর্তা এবং সদস্যদের উপস্থিতিতে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিএবি ভাইস প্রেসিডেন্ট মিঃ নীতীশ রঞ্জন দত্ত, সিএবি যুগ্ম সম্পাদক মিঃ মদন মোহন ঘোষ, সিএবি কোশাধ্যক্ষ মিঃ সঞ্জয় দাস, বাংলার রঞ্জি ট্রফি জয়ী অধিনায়ক মিঃ সম্ভরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সিএবি স্কুল কমিটি চেয়ারম্যান মিঃ সুব্রদীপ গাঙ্গুলি, সিএবি সিনিয়র টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মিঃ প্রদীপ কৃ দে, সিএবি ওবসার্ভার্স কমিটির চেয়ারম্যান মিঃ শ্রিমন্ত কুমার মল্লিক, সিএবি গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মিঃ অমিতাভ আঢ্য, সিএবি আম্পায়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান মিঃ প্রসেনজিৎ ব্যানার্জি, সিএবি অ্যেক্স কমিটির সদস্য মিঃ জয়দীপ মুখার্জি এবং বিভিন্ন সিএবি কমিটির সদস্য এবং জুনিয়র সিলেকশন কমিটির সদস্যরা।

ছবি সৌজন্যে: সিএবি ও সঞ্জয় হাজরা।

*বিলকান্দার মোহিষপোতায় নবনির্মিত মা তাঁরা, মহাদেব ও গ্রহরাজ মন্দিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন*

 নিজস্ব সংবাদদাতা: বিলকান্দা -১ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মোহিষপোতায় নবনির্মিত মা তাঁরা, মহাদেব ও গ্রহরাজ মন্দিরের আনুষ্ঠানিক শুভ সুচনা করা হল। মুলত বিলকান্দা-১ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা খড়দহ ব্লক তৃণমূলের যুব সভাপতি প্রবীর দাস ওরফে বাবাইয়ের তত্ত্বাবধানেই মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়েছে। নয়া এই মন্দিরটি নির্মাণ করতে প্রায় দেড় বছর সময় লেগেছে। এদিন নবনির্মিত মন্দিরটির শুভ দ্বারোৎঘাটন করেন খড়দহের বিধায়ক তথা কৃষি ও পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও দমদম লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ সৌগত রায়। মন্ত্রী ও সাংসদ ছাড়াও এদিন মন্দিরের শুভ দ্বারোৎঘাটন অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন খড়দহ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রসেনজিৎ সাহা,ব্যারাকপুর -২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রবীর রাজবংশী, ব্যারাকপুর -২ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সুকুমার সিং,বন্দীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নন্দরানি বিশ্বাস,পাতুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তপতী দাস বিশ্বাস,উপ প্রধান কিশোর বৈশ্য,বিলকান্দা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতর প্রধান দীপা পাইক,বিলকান্দা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রিনা দাস, খড়দহ ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা মাসুদ লষ্কর সহ চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য ও সদস্যারা। মোহিষপোতা এলাকায় নতুন মন্দিরটির উদ্বোধন হওয়া খুশি এলাকার সাধারণ মানুষ।

ছবি:প্রবীর রায়

*২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে নিজেদের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে শুরু করল তৃণমূল কংগ্রেস*

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই নিজেদের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে শুরু করেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যাযের নির্দেশে রাজ্যের কৃষক এবং খেত মজদুরদের একত্রিত করে বিজেপির বিরুদ্ধে সঙ্ঘবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দেওয়া হয়েছে ।সেইমতো বৃহস্পতিবার দমদম ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা কৃষাণ ক্ষেত মজদুর তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির পক্ষ থেকে তাদের সংগঠনকে আরো বেশি মজবুত করতে বৈঠক আয়োজিত হল। উত্তর ২৪ পরগনার টিটাগড়ে অবস্থিত জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ের যেখানে দলের একাধিক ব্লক এবং জেলার পদ অধিকারীদের এদিন নিযুক্ত করা হল। তাদের হাতে দলের তরফ থেকে তুলে দেওয়া হলো দলীয় চিঠি।এই দিনের সংগঠনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দমদম ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা কৃষাণ ক্ষেত মজদুর তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির সভাপতি লুৎফার রহমান সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দমদম ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা কৃষাণ ক্ষেত মজদুর তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির সভাপতি লুৎফার রহমান জানান," ২০২৬ বিধানসভার নির্বাচনকে পাখির চোখ করে তারা লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন। তাদের লক্ষ্য তৃণমূল কংগ্রেসকে ২৫০টির বেশি আসন পাইয়ে রাজ্যে পুনরায় ক্ষমতায় আনা।"

ছবি:প্রবীর রায়।

সিটের তদন্তে ভরসা নেই, জগদ্দলের মেঘনা গেটের ঘটনায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্তের দাবি অর্জুন সিংয়ের

প্রবীর রায়: চলতি বছরের ২৬ মার্চ জগদ্দলের মেঘনা মিল গেটে ব্যাপক গন্ডগোল হয়েছিল। সেদিন তাঁর বাড়ির সামনে বোমা-গুলি চালানোর অভিযোগ করেছিলেন ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং। যদিও ওই ঘটনায় পুলিশ অভিযোগ নেয় নি। উল্টে নমিত সিং অর্জুন সিংয়ের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ করেছিলেন। পুলিশের পক্ষপাতিত্বের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রাক্তন সাংসদ। গত ২৪ অক্টোবর উচ্চ আদালত রায় দিয়েছে এফআইআর নিতে হবে এবং সিট গঠন করে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে।আদালতের নির্দেশ মতো গত ৫ নভেম্বর জগদ্দল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিটের তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন। তদন্তকারীদের ঘটনার বিবরণ দিয়ে ঘটনাস্থলগুলো দেখিয়ে দেন প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং। এই বিষয়ে তিনি বলেন, সিটের তদন্তে তাঁর ভরসা নেই। ফের তিনি আদালতে দ্বারস্থ হবেন এনআইএ কিংবা সিবিআই তদন্তের জন্য।

*খেলা* জয়ের হ্যাটট্রিক বাংলার মেয়েদের

ডেস্ক:মেয়েদের অনূর্ধ্ব ২৩ টি২০ ট্রফি (এলিট)-এ জয়ের হ্যাটট্রিক বাংলার। নাগপুরের লেডি অমৃতবাঈ দাগা কলেজ মাঠে আজ হায়দরাবাদকে ২২ রানে হারাল তিতাস সাধুর নেতৃত্বাধীন দল। হায়দরাবাদ টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল। ১৯.৫ ওভারে বাংলা ১১৯ রানে অল আউট হয়। পিয়ালি ঘোষ ২৯ বলে ৩০, সুজাতা দে ২১ বলে ২৫ ও সুস্মিতা পাল ১৫ বলে ২০ রান করেন। চার উইকেট নেন এম সাক্ষী রাও। কেশরী দৃথী পান তিন উইকেট।জবাবে ১৯.১ ওভারে ৯৭ রানে শেষ হায়দরাবাদ। জি তৃষা করেন ৩০ বলে ৩৪। রূপাল তিওয়ারি ২১ রানের বিনিময়ে তিন উইকেট নেন। পিয়ালি ঘোষ ও সুস্মিতা গঙ্গোপাধ্যায় ২টি করে উইকেট দখল করেন। তিতাস সাধু ও পায়েল ভাখারিয়া পান একটি করে উইকেট। শনিবার বাংলা খেলবে রাজস্থানের বিরুদ্ধে।

ছবি সৌজন্যে:সিএবি

*রহস্যে ঘেরা মথুরার কৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দির*

ডেস্ক : হিন্দু ধর্মের প্রধান তিন দেবতা হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং মহেশ্বর। বিষ্ণুরই অন্যতম অবতার হলেন শ্রীকৃষ্ণ। তিনি হলেন সনাতন ধর্মের রক্ষাকর্তা। উত্তর প্রদেশের মথুরা হল শ্রীকৃষ্ণের জন্মভূমি। মহাভারত অনুসারে মথুরায় কংসের কারাগারে জন্ম হয় বাসুদেবের ঔরসে দেবকীর গর্ভে জন্ম হয় শ্রীকৃষ্ণের। কংসের যে কারাগারে কৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল, সেই কারাগার কৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দির নামে পরিচিত। যমুনা নদীর তীরে ঘনজনসংখ্যা বিশিষ্ট শহর মথুরায় রয়েছে শ্রীকৃষ্ণের জন্মভূমি। দেশের রাজধানী দিল্লি থেকে ১৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মথুরা নগরী। মথুরার মধ্যিখানে অবস্থিত শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দির। এখানেই প্রচণ্ড অত্যাচারী রাজা কংসকে নিধন করে ধর্মের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। দ্বাপর যুগে অধর্মের নাশ করে ধর্মের প্রতিষ্ঠা করতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। মথুরায় অন্য সব মন্দিরের মধ্যে কৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দিরে পূণ্যার্থীদের ভিড় থাকে সবচেয়ে বেশি।

কংসের কারাগারের যে কুঠুরিতে জন্ম নিয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ, সেই ঘরটিই কৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দিরের গর্ভগৃহ নামে পরিচিত। এই মন্দিরের দেওয়াল পাথরের তৈরি। কারাগারের দেওয়াল যেরকম হয়, সেরকম কঠিন পাথরের তৈরি এই মন্দিরের গর্ভগৃহ। মহাভারত অনুসারে এই দেওয়ালেই আছড়ে ফেলে দেবকীর গর্ভের সদ্যোজাত ছয় সন্তানকে হত্যা করেছিলেন কংস। মন্দির প্রাঙ্গন থেকে পুরাতাত্ত্বিক খনন কার্য চালিয়ে প্রাচীন যুগের বেশ কিছু মূর্তি উদ্ধার করেন ঐতিহাসিকরা। পরে এই কারাগারকে মন্দিরের রূপ দেওয়া হয়। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ পূণ্যার্থী শ্রীকৃষ্ণের জন্মভূমি দর্শন করতে আসেন। জন্মষ্টমীর সময় এই মন্দির প্রাঙ্গনকে নানা ধরনের ফুল দিয়ে সুন্দর করে সাজানো হয়। জন্মাষ্টমীতে এখানে নানা ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। মুঘল আমলে এই মন্দির প্রাঙ্গনে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব এই মন্দিরে হিন্দুদের পুজো দিতে বাধা দান করেছিলেন। বিভিন্ন সময় এই স্থানে উল্লেখযোগ্য মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে শ্রীকৃষ্ণের নাতির ছেলে কংসের কারাগারে কৃষ্ণের জন্মভূমিতে প্রথম মন্দিরটি স্থাপন করেছিলেন। ১০১৭ এডিতে এই মন্দির লুণ্ঠন করেন মহম্মদ গজনি। একাধিক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী মথুরা শহরের বুকে অবস্থিত অতি প্রাচীন এই মন্দির। ১১৫০ খৃষ্টাব্দে মহারানা বিজয়পাল দেবের রাজত্বে যজ্জা নামে এক কৃষ্ণভক্ত এখানে একটি মন্দির নির্মাণ করেন।

সৌজন্যে: www.machinnamasta.in