ससुराल के खिलाफ अस्पष्ट आरोप पर 498A का केस नहीं चलेगा - हाईकोर्ट का बड़ा फैसला*

#CalcuttaHighCourt

रिपोर्ट: स्वरूप रॉय

कोलकाता, 11 सितंबर:

पति-पत्नी के झगड़े में पूरे ससुराल को फंसा देने के चलन पर कलकत्ता हाईकोर्ट ने ब्रेक लगा दिया है। कोर्ट ने साफ कह दिया है कि सिर्फ घिसे-पिटे और अस्पष्ट आरोपों के आधार पर ससुराल वालों के खिलाफ 498A का केस नहीं टिकेगा।

जस्टिस शम्पा दत्त (पॉल) की बेंच ने डॉ. शैबल अधिकारी और अन्य की याचिका पर सुनवाई करते हुए ससुराल पक्ष के खिलाफ चल रही पूरी कार्यवाही को रद्द कर दिया।

क्या था पूरा मामला?

एक महिला ने अपने पति और ससुराल के लोगों पर दहेज के लिए मानसिक और शारीरिक प्रताड़ना का आरोप लगाकर 498A / 406 / 323 / 506 / 34 के तहत FIR दर्ज कराई थी।

ससुराल पक्ष ने हाईकोर्ट में कहा कि वे अलग रहते हैं। उनका इस झगड़े से कोई लेना-देना नहीं है, सिर्फ पति के रिश्तेदार होने के कारण उन्हें फंसाया गया है।

वहीं पत्नी पक्ष का आरोप था कि ससुराल वालों ने सब कुछ जानते हुए भी बेटे को रोका नहीं, बल्कि उसे उकसाया।

हाईकोर्ट की 5 बड़ी टिप्पणियां:

1. शिकायत में कोई तारीख, समय या घटना का जिक्र नहीं है। आरोप बेहद सामान्य हैं।

2. सिर्फ यह जानकर चुप रहना कि बेटा बहू को प्रताड़ित कर रहा है, 498A के तहत क्रूरता नहीं है।

3. केस डायरी में ससुराल वालों के खिलाफ कोई मेडिकल रिपोर्ट, बरामदगी या स्वतंत्र गवाह नहीं है।

4. सुप्रीम कोर्ट के भजनलाल, प्रीति गुप्ता और गीता मेहरोत्रा फैसलों का हवाला, जहां पूरे परिवार को घसीटने से मना किया गया है।

5. ऐसे केस को चलने देना कानून की प्रक्रिया का दुरुपयोग होगा।

कोर्ट का अंतिम आदेश: ससुराल वालों के खिलाफ केस खारिज। पति के खिलाफ केस चलता रहेगा।

শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অস্পষ্ট অভিযোগে ৪৯৮এ মামলা টিকবে না, বড় রায় হাইকোর্টের*

#CalcuttaHighCourt (Paul)

কলকাতা, ১১ সেপ্টেম্বর: বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া হলেই শ্বশুরবাড়ির সবাইকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার দিন শেষ। এমনই কড়া বার্তা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়ে দিল, শুধুমাত্র সাধারণ ও অস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ৪৯৮এ ধারায় শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা চলতে পারে না।বিচারপতি শম্পা দত্ত (পাল)-এর একক বেঞ্চ ডাঃ শৈবাল অধিকারী ও অন্যদের করা একটি মামলা খারিজ করতে গিয়ে এই পর্যবেক্ষণ দেন।

কী হয়েছিল?

এক মহিলা তাঁর স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে পণের জন্য অত্যাচারের অভিযোগে থানায় এফআইআর করেছিলেন। অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাসহ একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়।

শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দাবি ছিল, তাঁরা আলাদা থাকেন। স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ঝগড়ার সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। শুধু স্বামীর আত্মীয় হওয়ার কারণে তাঁদের জড়ানো হয়েছে। তাই তাঁরা হাইকোর্টে মামলা খারিজের আবেদন করেন।

স্ত্রীর পক্ষ কী বলেছিল?

স্ত্রীর পক্ষ থেকে বলা হয়, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা সব জানতেন। ছেলে বউয়ের উপর অত্যাচার করছে জেনেও তাঁরা কোনও ব্যবস্থা নেননি। তাঁরা স্বামীকে প্ররোচনা দিয়েছেন।

হাইকোর্ট কী বলল? এই রায় কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কেস ডায়েরি ও চার্জশিট খতিয়ে দেখে বিচারপতি পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন:

১. অভিযোগে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই: অভিযোগপত্রে কোথাও বলা নেই কবে, কোথায়, কীভাবে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা অত্যাচার করেছেন। পুরো অভিযোগটাই খুব সাধারণ ভাবে লেখা।

২. চুপ থাকা মানেই অপরাধ নয়: আদালতের সবচেয়ে বড় পর্যবেক্ষণ, শুধু ছেলে বউকে অত্যাচার করছে জেনে চুপ থাকা বা বাধা না দেওয়াটা ৪৯৮এ ধারায় ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসাবে ধরা হবে না।

৩. কোনও প্রমাণ নেই: পুলিশের কেস ডায়েরিতে এই সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনও মেডিকেল রিপোর্ট, কোনও উদ্ধার হওয়া জিনিস বা কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষীর বয়ান নেই।

৪. সুপ্রিম কোর্টের রায়: সুপ্রিম কোর্ট আগেও বহুবার বলেছে, বৈবাহিক বিরোধে পুরো পরিবারকে টেনে আনা যাবে না। হাইকোর্ট সেই ভজনলাল, প্রীতি গুপ্তা ও গীতা মেহরোত্রা মামলার রায়গুলির কথা উল্লেখ করে।

৫. আইনের অপব্যবহার: এই ধরনের অস্পষ্ট মামলা চলতে দেওয়া মানে আদালতের সময় নষ্ট এবং আইনের অপব্যবহার।

আদালতের নির্দেশ

আদালত শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে চলা মামলা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছে। তবে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা আগের মতোই চলবে।

এই রায়ের ফলে রাজ্যে ৪৯৮এ ধারার অপব্যবহার রুখতে একটি বড় নজির তৈরি হল বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।

বেআইনি বহুতল নির্মাণে দুর্নীতি, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের*

#CalcuttaHighCourt

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: শহরে বেআইনি বহুতল নির্মাণে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। প্রয়োজনে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করতে পারবে সিবিআই। আগামী ১৪ অক্টোবর প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করতে হবে।

মামলাটি বেলেঘাটা, মানিকতলা, রাজাবাজার এবং ক্যানাল ইস্ট রোড এলাকার ৫০টির বেশি বেআইনি বহুতল নির্মাণ সংক্রান্ত। অভিযোগ, এর আগে আদালত নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দিলেও তা কার্যকর হয়নি।

আবেদনকারী পক্ষের দাবি, এই নির্মাণ ব্যবসায় কয়েক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। কালো টাকা সাদা করা এবং বেআইনি ভাবে বিদেশি মুদ্রা বিনিয়োগের অভিযোগও রয়েছে। বহু ক্ষেত্রে ন্যূনতম অনুমতি ছাড়াই বহুতল গড়ে উঠেছে। এর জেরে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, “কেন এতোদিন স্বতঃপ্রণোদিত অনুসন্ধান করা হয়নি? এটা পুরসভা বা রাজ্যের করার কথা। বেআইনি নির্মাণ হয়েই চলেছে। কলকাতায় যেমন, মুম্বইতেও তেমন। পুরসভার স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করা জরুরি। কেন বেআইনি হলে পুরসভা নিজে তা ভাঙবে না?”

এ সময় পুরসভার আইনজীবী সময় চেয়ে বলেন, তাঁরা বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে চান। তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করে বেঞ্চ বলে, “এটা সময় নষ্ট করার একটা পদ্ধতি। প্রয়োজনে আমরা কমিশনারকে ডেকে পাঠাচ্ছি। তাঁরা বেতন পাচ্ছেন কাজ করার জন্য, কাজ না করার জন্য নয়।”

আদালত জানায়, পুরসভার নিজের রিপোর্ট অনুযায়ীও নির্মাণগুলি বেআইনি। মামলাকারী পক্ষ জানায়, বহু নির্মাণের প্রকৃত মালিক কে, তার হদিস নেই। বিশাল অঙ্কের কালো টাকা লগ্নি হয়েছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে উদ্বেগজনক। ইতিমধ্যেই ৪২টি বেআইনি বাড়ি চিহ্নিত করা হয়েছে।

এর পরই বেঞ্চ সিবিআইকে প্রাথমিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয়। পুরসভা ও পুলিশের থেকে নথি নিয়ে তদন্ত এগোবে সংস্থা।

কলকাতা হাইকোর্টের ৪৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে*

#CalcuttaHighCourt

কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাজ্যপাল আর. এন. রবি তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জুন তিনি বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জুন মাসে তিনি বোম্বে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজনেরা:

এদিনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের আইনমন্ত্রী বিরাজ বিশ্বাস, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র সহ হাইকোর্টের একাধিক বিচারপতি ও আইনজীবীরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ধীরাজ ত্রিবেদী, বার লাইব্রেরি ক্লাবের সভাপতি সুদীপ্ত সরকার, বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অশোক কুমার ধান্দানিয়া এবং ইনকর্পোরেটেড ল সোসাইটির সম্পাদক পরিতোষ সিংহ।

আইনজীবীদের বার্তা দিলেন প্রধান বিচারপতি:

আইনজীবীদের পক্ষ থেকে স্বাগত ভাষণের উত্তরে প্রধান বিচারপতি ঘুগে কলকাতা বার পরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁকে গ্রহণ করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আমি সব সময় বারের জন্য উন্মুক্ত। বারের যে কোনও সমস্যা নিয়ে আপনারা আমার কাছে আসতে পারেন। অন্যান্য বিচারপতিদের সহযোগিতায় আমি সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।"

জুনিয়র আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "পেশার প্রথম দিকে আমি সাইকেলে চড়ে বাড়ি থেকে আদালতে যাতায়াত করতাম। সততা এবং পেশার প্রতি ভালোবাসা থাকলে সাফল্য আসবেই।"

আবেগঘন প্রধান বিচারপতি:

নিজের বক্তব্যে আবেগঘন হয়ে পড়েন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, "আমার শৈশবের কথা খুব মনে পড়ে। আমার কর্মজীবনে সাড়ে সাত বছর মোটরসাইকেলই ছিল আমার সঙ্গী। আমি কখনও হেলমেট পরতে ভুলিনি। আমার জীবন সংগ্রামে আমার স্ত্রী সব সময় আমার সঙ্গী। এই যাত্রা একা সম্ভব হতো না। আমার পরিবারের সমর্থন এবং আমার প্রয়াত মায়ের নীরব আত্মত্যাগের কথা মনে পড়ছে। এই মুহূর্তে আমার প্রয়াত মাকে খুব মনে পড়ছে। তিনি যেখানেই থাকুন, আমাকে আশীর্বাদ করছেন। আমি নিজেকে সব সময় একজন আইনজীবী বলেই মনে করি। আমার দরজা সবার জন্য খোলা।"

তিনি আরও বলেন, "আমার স্ত্রীর সমর্থনের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমার দুই মেয়ে সহ আমার পরিবারের কাছে তিনি ঢালের মতো।" শেষে পশ্চিমবঙ্গের বিচার বিভাগের সকল সদস্যের মঙ্গল কামনা করেন প্রধান বিচারপতি।

ছবি:সৌজন্যে লাইভ ল।

মোহনবাগানকে আটকে দিল ইস্টবেঙ্গল,ডুরান্ডের বদলা নেওয়া হল না, ডার্বি ড্র ১-১*

খেলা 

 কলকাতা ফুটবল লিগ 

#KolkataDerby

নিজস্ব সংবাদদাতা, বারাসাত: তারকাখচিত দল নামিয়েও কাজ হল না। কলকাতা লিগের ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের কাছে আটকে গেল মোহনবাগান। সোমবার বারাসাত স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষ হল ১-১ গোলে।

প্রথমার্ধে মনবীর সিংয়ের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি মহম্মদ বিলালের গোলে সমতা ফেরায় ইস্টবেঙ্গল। শেষ দিকে সুযোগ পেয়েও জয় হাতছাড়া করে লাল-হলুদ ব্রিগেড।

সুপার সিক্সে প্রভাব নেই, তবুও প্রেস্টিজ ফাইট

গ্রুপ পর্বের পয়েন্ট সুপার সিক্সে যোগ হবে না, তাই এই ম্যাচ ছিল নিয়মরক্ষার। তবু ডুরান্ড কাপ ফাইনালে হারের বদলা নেওয়ার ম্যাচ হিসেবে দেখছিলেন সমর্থকরা। বিজয় মুর্মু, চাকু মান্ডি, জয় বাজদের লড়াইয়ে সেই বদলা অধরাই রইল সবুজ-মেরুনের।

এই ড্রয়ের ফলে ইস্টবেঙ্গল ১১ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই শেষ করল।মোহনবাগানের ১১ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট।

প্রথম একাদশে চমক

ইস্টবেঙ্গল পুরো জুনিয়র দল নামালেও, মোহনবাগান নামিয়েছিল ফার্স্ট টিমের ফুটবলারদের। মেহতাব সিং, রাহুল ভেকে, শুভাশিস বসু, আপুইয়া, সাহাল সামাদ, মনবীর সিংয়ের মতো তারকারা ছিলেন প্রথম একাদশে।

বৃষ্টিভেজা মাঠে শুরু থেকেই বলের দখল বেশি ছিল মোহনবাগানের। কিন্তু জমাট রক্ষণে আটকে দেয় ইস্টবেঙ্গল। ৮ মিনিটে বিজয়ের ফ্রিকিক অল্পের জন্য বাইরে যায়।

ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট

৩৮ মিনিটে ভুল থেকেই গোল খায় ইস্টবেঙ্গল। দূর থেকে ভেসে আসা বল অঙ্কন ভট্টাচার্য আটকাতে ব্যর্থ হন, গোলকিপার গৌরব এগিয়ে এলেও মনবীর ঠান্ডা মাথায় অঙ্কনের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়ান (১-০)।

দ্বিতীয়ার্ধে খোলস ছেড়ে বেরোয় ইস্টবেঙ্গল এবং বিলালের গোলে ম্যাচে ফেরে।

 ছবি:সঞ্জয় হাজরা।

ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে তৃণমূলকে স্বস্তি দিল না হাই কোর্ট, খারিজ অন্তর্বর্তী নির্দেশের আর্জি*

*শিরোনাম:* ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড বিতর্ক: হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল, মিলল না অন্তর্বর্তী স্বস্তি, গ্রেফতার ১৩

*কলকাতা, ২৮ আগস্ট:* কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। কলকাতা পুরসভার উচ্ছেদ অভিযানকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল না আদালত।

শুক্রবার সকালে বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর এজলাসে মামলাটির উল্লেখ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। আদালত মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে এবং আজই নম্বর নিয়ে আসলে শুনানির আশ্বাস দিয়েছে।

আইনজীবী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪:৪৫ নাগাদ কলকাতা পুরসভার কর্মীরা তৃণমূল ভবনে ঢুকে বিলবোর্ড ভাঙচুর করেন।

এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি বসুচৌধুরী বলেন, "মামলার নম্বর না পড়লে শুনানি সম্ভব নয়। নম্বর নিয়ে আসুন, আজকেই শুনব।" তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, "ইতিমধ্যেই হোর্ডিং খুলে দেওয়া হয়েছে, ফলে এখনই আদালতের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।" তৃণমূলের হোর্ডিং পুনরায় লাগানোর আর্জিও খারিজ করে আদালত জানায়, মামলাটি এখনও অপরিণত পর্যায়ে রয়েছে। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে, তারপরই পরবর্তী শুনানি।

জানা গেছে, ক্যামাক স্ট্রিটে প্রায় ৩০০০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' লেখা সাইনবোর্ড খুলে দেয় পুরসভা।

তৃণমূলের অভিযোগ, তালা ভেঙে ছাদে উঠে সাইনবোর্ড উপড়ে ফেলা হয়। বাধা দিতে গিয়ে সিঁড়িতে শুয়ে পড়েন সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন সহ নেতা-কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়।

এই ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় ৩টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এফ আই আর-এ নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও'ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও হুমায়ুন কবীরের।

পুরসভা বোর্ড খুলে দিলেও, বৃহস্পতিবার রাতেই ওই স্থানে ফের তৃণমূলের ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিষেকের দাবি, এটি বিজেপির প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির ফল এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে বেআইনি হস্তক্ষেপ।

*#Tags:* #CamacStreet #TMC #AbhishekBanerjee #KolkataHighCourt #KMC
कोलकाता में भीषण अग्निकांड, होटल में आग लगने से 9 बांग्लादेशी नागरिकों की दर्दनाक मौत

#westbengalkolkatafireincidentmanydiedandinjuredinmassive_fire

पश्चिम बंगाल की राजधानी कोलकाता में आज भयंकर आग लगी। इस दर्दनाक हादसे में 2 महिलाओं और 1 बच्चे समेत 9 लोगों की मौत हो गई। हादसे में छह लोग घायल हुए हैं। जिस इलाके में आग लगी है, वह कोलकाता का व्यक्त इलाका है। पास में ही एक नामी स्कूल भी है और पश्चिम बंगाल फायर डिपार्टमेंट का हेडक्वार्टर भी नजदीक है।

रात करीब 2 बजे लगी आग

कोलकाता के मिर्जा गालिब स्ट्रीट स्थित एक होटल में रात करीब 2 बजे आग लगी। पुलिस के मुताबिक, आग रात करीब 1:45 बजे लगी। सूचना मिलते ही दमकल की पांच गाड़ियां मौके पर पहुंचीं। पुलिस और आपदा प्रबंधन विभाग की टीमों ने राहत और बचाव अभियान शुरू किया। अधिकारियों ने बताया कि इमारत से करीब 80 लोगों को सुरक्षित बाहर निकाल लिया गया है।

मरने वाले सभी बांग्लादेशी नागरिक

समाचार एजेंसी एनआई की मानें तो मरने वालों की पहचान बांग्लादेशी नागरिकों के तौर पर हुई है। ये सभी बांग्लादेशी इलाज के लिए कोलकाता आए थे। होटल के गेस्ट गहरी नींद में सो रहे थे, जिससे कई मेहमान इमारत के अंदर फंस गए और बड़े पैमाने पर बचाव अभियान शुरू करना पड़ा।

एसी विस्फोट के कारण आग लगने की आशंका

शुरुआती खबरों से पता चलता है कि आग एयर-कंडीशनर में विस्फोट के कारण लगी हो सकती है, हालांकि आग लगने की सही वजह की अभी पुष्टि नहीं हुई है। यह घटना पश्चिम बंगाल में एक और होटल में आग लगने के ठीक दो दिन बाद हुई है। सोमवार को बीरभूम जिले के तारापीठ स्थित एक होटल में कथित तौर पर शॉर्ट सर्किट के कारण कम से कम 7 लोगों की मौत हो गई थी।

ससुराल के खिलाफ अस्पष्ट आरोप पर 498A का केस नहीं चलेगा - हाईकोर्ट का बड़ा फैसला*

#CalcuttaHighCourt

रिपोर्ट: स्वरूप रॉय

कोलकाता, 11 सितंबर:

पति-पत्नी के झगड़े में पूरे ससुराल को फंसा देने के चलन पर कलकत्ता हाईकोर्ट ने ब्रेक लगा दिया है। कोर्ट ने साफ कह दिया है कि सिर्फ घिसे-पिटे और अस्पष्ट आरोपों के आधार पर ससुराल वालों के खिलाफ 498A का केस नहीं टिकेगा।

जस्टिस शम्पा दत्त (पॉल) की बेंच ने डॉ. शैबल अधिकारी और अन्य की याचिका पर सुनवाई करते हुए ससुराल पक्ष के खिलाफ चल रही पूरी कार्यवाही को रद्द कर दिया।

क्या था पूरा मामला?

एक महिला ने अपने पति और ससुराल के लोगों पर दहेज के लिए मानसिक और शारीरिक प्रताड़ना का आरोप लगाकर 498A / 406 / 323 / 506 / 34 के तहत FIR दर्ज कराई थी।

ससुराल पक्ष ने हाईकोर्ट में कहा कि वे अलग रहते हैं। उनका इस झगड़े से कोई लेना-देना नहीं है, सिर्फ पति के रिश्तेदार होने के कारण उन्हें फंसाया गया है।

वहीं पत्नी पक्ष का आरोप था कि ससुराल वालों ने सब कुछ जानते हुए भी बेटे को रोका नहीं, बल्कि उसे उकसाया।

हाईकोर्ट की 5 बड़ी टिप्पणियां:

1. शिकायत में कोई तारीख, समय या घटना का जिक्र नहीं है। आरोप बेहद सामान्य हैं।

2. सिर्फ यह जानकर चुप रहना कि बेटा बहू को प्रताड़ित कर रहा है, 498A के तहत क्रूरता नहीं है।

3. केस डायरी में ससुराल वालों के खिलाफ कोई मेडिकल रिपोर्ट, बरामदगी या स्वतंत्र गवाह नहीं है।

4. सुप्रीम कोर्ट के भजनलाल, प्रीति गुप्ता और गीता मेहरोत्रा फैसलों का हवाला, जहां पूरे परिवार को घसीटने से मना किया गया है।

5. ऐसे केस को चलने देना कानून की प्रक्रिया का दुरुपयोग होगा।

कोर्ट का अंतिम आदेश: ससुराल वालों के खिलाफ केस खारिज। पति के खिलाफ केस चलता रहेगा।

শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অস্পষ্ট অভিযোগে ৪৯৮এ মামলা টিকবে না, বড় রায় হাইকোর্টের*

#CalcuttaHighCourt (Paul)

কলকাতা, ১১ সেপ্টেম্বর: বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া হলেই শ্বশুরবাড়ির সবাইকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার দিন শেষ। এমনই কড়া বার্তা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়ে দিল, শুধুমাত্র সাধারণ ও অস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ৪৯৮এ ধারায় শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা চলতে পারে না।বিচারপতি শম্পা দত্ত (পাল)-এর একক বেঞ্চ ডাঃ শৈবাল অধিকারী ও অন্যদের করা একটি মামলা খারিজ করতে গিয়ে এই পর্যবেক্ষণ দেন।

কী হয়েছিল?

এক মহিলা তাঁর স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে পণের জন্য অত্যাচারের অভিযোগে থানায় এফআইআর করেছিলেন। অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাসহ একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়।

শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দাবি ছিল, তাঁরা আলাদা থাকেন। স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ঝগড়ার সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। শুধু স্বামীর আত্মীয় হওয়ার কারণে তাঁদের জড়ানো হয়েছে। তাই তাঁরা হাইকোর্টে মামলা খারিজের আবেদন করেন।

স্ত্রীর পক্ষ কী বলেছিল?

স্ত্রীর পক্ষ থেকে বলা হয়, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা সব জানতেন। ছেলে বউয়ের উপর অত্যাচার করছে জেনেও তাঁরা কোনও ব্যবস্থা নেননি। তাঁরা স্বামীকে প্ররোচনা দিয়েছেন।

হাইকোর্ট কী বলল? এই রায় কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কেস ডায়েরি ও চার্জশিট খতিয়ে দেখে বিচারপতি পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন:

১. অভিযোগে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই: অভিযোগপত্রে কোথাও বলা নেই কবে, কোথায়, কীভাবে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা অত্যাচার করেছেন। পুরো অভিযোগটাই খুব সাধারণ ভাবে লেখা।

২. চুপ থাকা মানেই অপরাধ নয়: আদালতের সবচেয়ে বড় পর্যবেক্ষণ, শুধু ছেলে বউকে অত্যাচার করছে জেনে চুপ থাকা বা বাধা না দেওয়াটা ৪৯৮এ ধারায় ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসাবে ধরা হবে না।

৩. কোনও প্রমাণ নেই: পুলিশের কেস ডায়েরিতে এই সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনও মেডিকেল রিপোর্ট, কোনও উদ্ধার হওয়া জিনিস বা কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষীর বয়ান নেই।

৪. সুপ্রিম কোর্টের রায়: সুপ্রিম কোর্ট আগেও বহুবার বলেছে, বৈবাহিক বিরোধে পুরো পরিবারকে টেনে আনা যাবে না। হাইকোর্ট সেই ভজনলাল, প্রীতি গুপ্তা ও গীতা মেহরোত্রা মামলার রায়গুলির কথা উল্লেখ করে।

৫. আইনের অপব্যবহার: এই ধরনের অস্পষ্ট মামলা চলতে দেওয়া মানে আদালতের সময় নষ্ট এবং আইনের অপব্যবহার।

আদালতের নির্দেশ

আদালত শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে চলা মামলা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছে। তবে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা আগের মতোই চলবে।

এই রায়ের ফলে রাজ্যে ৪৯৮এ ধারার অপব্যবহার রুখতে একটি বড় নজির তৈরি হল বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।

বেআইনি বহুতল নির্মাণে দুর্নীতি, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের*

#CalcuttaHighCourt

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: শহরে বেআইনি বহুতল নির্মাণে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। প্রয়োজনে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করতে পারবে সিবিআই। আগামী ১৪ অক্টোবর প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করতে হবে।

মামলাটি বেলেঘাটা, মানিকতলা, রাজাবাজার এবং ক্যানাল ইস্ট রোড এলাকার ৫০টির বেশি বেআইনি বহুতল নির্মাণ সংক্রান্ত। অভিযোগ, এর আগে আদালত নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দিলেও তা কার্যকর হয়নি।

আবেদনকারী পক্ষের দাবি, এই নির্মাণ ব্যবসায় কয়েক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। কালো টাকা সাদা করা এবং বেআইনি ভাবে বিদেশি মুদ্রা বিনিয়োগের অভিযোগও রয়েছে। বহু ক্ষেত্রে ন্যূনতম অনুমতি ছাড়াই বহুতল গড়ে উঠেছে। এর জেরে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, “কেন এতোদিন স্বতঃপ্রণোদিত অনুসন্ধান করা হয়নি? এটা পুরসভা বা রাজ্যের করার কথা। বেআইনি নির্মাণ হয়েই চলেছে। কলকাতায় যেমন, মুম্বইতেও তেমন। পুরসভার স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করা জরুরি। কেন বেআইনি হলে পুরসভা নিজে তা ভাঙবে না?”

এ সময় পুরসভার আইনজীবী সময় চেয়ে বলেন, তাঁরা বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে চান। তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করে বেঞ্চ বলে, “এটা সময় নষ্ট করার একটা পদ্ধতি। প্রয়োজনে আমরা কমিশনারকে ডেকে পাঠাচ্ছি। তাঁরা বেতন পাচ্ছেন কাজ করার জন্য, কাজ না করার জন্য নয়।”

আদালত জানায়, পুরসভার নিজের রিপোর্ট অনুযায়ীও নির্মাণগুলি বেআইনি। মামলাকারী পক্ষ জানায়, বহু নির্মাণের প্রকৃত মালিক কে, তার হদিস নেই। বিশাল অঙ্কের কালো টাকা লগ্নি হয়েছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে উদ্বেগজনক। ইতিমধ্যেই ৪২টি বেআইনি বাড়ি চিহ্নিত করা হয়েছে।

এর পরই বেঞ্চ সিবিআইকে প্রাথমিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয়। পুরসভা ও পুলিশের থেকে নথি নিয়ে তদন্ত এগোবে সংস্থা।

কলকাতা হাইকোর্টের ৪৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে*

#CalcuttaHighCourt

কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাজ্যপাল আর. এন. রবি তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জুন তিনি বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জুন মাসে তিনি বোম্বে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজনেরা:

এদিনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের আইনমন্ত্রী বিরাজ বিশ্বাস, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র সহ হাইকোর্টের একাধিক বিচারপতি ও আইনজীবীরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ধীরাজ ত্রিবেদী, বার লাইব্রেরি ক্লাবের সভাপতি সুদীপ্ত সরকার, বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অশোক কুমার ধান্দানিয়া এবং ইনকর্পোরেটেড ল সোসাইটির সম্পাদক পরিতোষ সিংহ।

আইনজীবীদের বার্তা দিলেন প্রধান বিচারপতি:

আইনজীবীদের পক্ষ থেকে স্বাগত ভাষণের উত্তরে প্রধান বিচারপতি ঘুগে কলকাতা বার পরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁকে গ্রহণ করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আমি সব সময় বারের জন্য উন্মুক্ত। বারের যে কোনও সমস্যা নিয়ে আপনারা আমার কাছে আসতে পারেন। অন্যান্য বিচারপতিদের সহযোগিতায় আমি সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।"

জুনিয়র আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "পেশার প্রথম দিকে আমি সাইকেলে চড়ে বাড়ি থেকে আদালতে যাতায়াত করতাম। সততা এবং পেশার প্রতি ভালোবাসা থাকলে সাফল্য আসবেই।"

আবেগঘন প্রধান বিচারপতি:

নিজের বক্তব্যে আবেগঘন হয়ে পড়েন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, "আমার শৈশবের কথা খুব মনে পড়ে। আমার কর্মজীবনে সাড়ে সাত বছর মোটরসাইকেলই ছিল আমার সঙ্গী। আমি কখনও হেলমেট পরতে ভুলিনি। আমার জীবন সংগ্রামে আমার স্ত্রী সব সময় আমার সঙ্গী। এই যাত্রা একা সম্ভব হতো না। আমার পরিবারের সমর্থন এবং আমার প্রয়াত মায়ের নীরব আত্মত্যাগের কথা মনে পড়ছে। এই মুহূর্তে আমার প্রয়াত মাকে খুব মনে পড়ছে। তিনি যেখানেই থাকুন, আমাকে আশীর্বাদ করছেন। আমি নিজেকে সব সময় একজন আইনজীবী বলেই মনে করি। আমার দরজা সবার জন্য খোলা।"

তিনি আরও বলেন, "আমার স্ত্রীর সমর্থনের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমার দুই মেয়ে সহ আমার পরিবারের কাছে তিনি ঢালের মতো।" শেষে পশ্চিমবঙ্গের বিচার বিভাগের সকল সদস্যের মঙ্গল কামনা করেন প্রধান বিচারপতি।

ছবি:সৌজন্যে লাইভ ল।

মোহনবাগানকে আটকে দিল ইস্টবেঙ্গল,ডুরান্ডের বদলা নেওয়া হল না, ডার্বি ড্র ১-১*

খেলা 

 কলকাতা ফুটবল লিগ 

#KolkataDerby

নিজস্ব সংবাদদাতা, বারাসাত: তারকাখচিত দল নামিয়েও কাজ হল না। কলকাতা লিগের ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের কাছে আটকে গেল মোহনবাগান। সোমবার বারাসাত স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষ হল ১-১ গোলে।

প্রথমার্ধে মনবীর সিংয়ের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি মহম্মদ বিলালের গোলে সমতা ফেরায় ইস্টবেঙ্গল। শেষ দিকে সুযোগ পেয়েও জয় হাতছাড়া করে লাল-হলুদ ব্রিগেড।

সুপার সিক্সে প্রভাব নেই, তবুও প্রেস্টিজ ফাইট

গ্রুপ পর্বের পয়েন্ট সুপার সিক্সে যোগ হবে না, তাই এই ম্যাচ ছিল নিয়মরক্ষার। তবু ডুরান্ড কাপ ফাইনালে হারের বদলা নেওয়ার ম্যাচ হিসেবে দেখছিলেন সমর্থকরা। বিজয় মুর্মু, চাকু মান্ডি, জয় বাজদের লড়াইয়ে সেই বদলা অধরাই রইল সবুজ-মেরুনের।

এই ড্রয়ের ফলে ইস্টবেঙ্গল ১১ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই শেষ করল।মোহনবাগানের ১১ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট।

প্রথম একাদশে চমক

ইস্টবেঙ্গল পুরো জুনিয়র দল নামালেও, মোহনবাগান নামিয়েছিল ফার্স্ট টিমের ফুটবলারদের। মেহতাব সিং, রাহুল ভেকে, শুভাশিস বসু, আপুইয়া, সাহাল সামাদ, মনবীর সিংয়ের মতো তারকারা ছিলেন প্রথম একাদশে।

বৃষ্টিভেজা মাঠে শুরু থেকেই বলের দখল বেশি ছিল মোহনবাগানের। কিন্তু জমাট রক্ষণে আটকে দেয় ইস্টবেঙ্গল। ৮ মিনিটে বিজয়ের ফ্রিকিক অল্পের জন্য বাইরে যায়।

ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট

৩৮ মিনিটে ভুল থেকেই গোল খায় ইস্টবেঙ্গল। দূর থেকে ভেসে আসা বল অঙ্কন ভট্টাচার্য আটকাতে ব্যর্থ হন, গোলকিপার গৌরব এগিয়ে এলেও মনবীর ঠান্ডা মাথায় অঙ্কনের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়ান (১-০)।

দ্বিতীয়ার্ধে খোলস ছেড়ে বেরোয় ইস্টবেঙ্গল এবং বিলালের গোলে ম্যাচে ফেরে।

 ছবি:সঞ্জয় হাজরা।

ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে তৃণমূলকে স্বস্তি দিল না হাই কোর্ট, খারিজ অন্তর্বর্তী নির্দেশের আর্জি*

*শিরোনাম:* ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড বিতর্ক: হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল, মিলল না অন্তর্বর্তী স্বস্তি, গ্রেফতার ১৩

*কলকাতা, ২৮ আগস্ট:* কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। কলকাতা পুরসভার উচ্ছেদ অভিযানকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল না আদালত।

শুক্রবার সকালে বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর এজলাসে মামলাটির উল্লেখ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। আদালত মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে এবং আজই নম্বর নিয়ে আসলে শুনানির আশ্বাস দিয়েছে।

আইনজীবী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪:৪৫ নাগাদ কলকাতা পুরসভার কর্মীরা তৃণমূল ভবনে ঢুকে বিলবোর্ড ভাঙচুর করেন।

এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি বসুচৌধুরী বলেন, "মামলার নম্বর না পড়লে শুনানি সম্ভব নয়। নম্বর নিয়ে আসুন, আজকেই শুনব।" তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, "ইতিমধ্যেই হোর্ডিং খুলে দেওয়া হয়েছে, ফলে এখনই আদালতের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।" তৃণমূলের হোর্ডিং পুনরায় লাগানোর আর্জিও খারিজ করে আদালত জানায়, মামলাটি এখনও অপরিণত পর্যায়ে রয়েছে। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে, তারপরই পরবর্তী শুনানি।

জানা গেছে, ক্যামাক স্ট্রিটে প্রায় ৩০০০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' লেখা সাইনবোর্ড খুলে দেয় পুরসভা।

তৃণমূলের অভিযোগ, তালা ভেঙে ছাদে উঠে সাইনবোর্ড উপড়ে ফেলা হয়। বাধা দিতে গিয়ে সিঁড়িতে শুয়ে পড়েন সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন সহ নেতা-কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়।

এই ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় ৩টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এফ আই আর-এ নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও'ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও হুমায়ুন কবীরের।

পুরসভা বোর্ড খুলে দিলেও, বৃহস্পতিবার রাতেই ওই স্থানে ফের তৃণমূলের ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিষেকের দাবি, এটি বিজেপির প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির ফল এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে বেআইনি হস্তক্ষেপ।

*#Tags:* #CamacStreet #TMC #AbhishekBanerjee #KolkataHighCourt #KMC
कोलकाता में भीषण अग्निकांड, होटल में आग लगने से 9 बांग्लादेशी नागरिकों की दर्दनाक मौत

#westbengalkolkatafireincidentmanydiedandinjuredinmassive_fire

पश्चिम बंगाल की राजधानी कोलकाता में आज भयंकर आग लगी। इस दर्दनाक हादसे में 2 महिलाओं और 1 बच्चे समेत 9 लोगों की मौत हो गई। हादसे में छह लोग घायल हुए हैं। जिस इलाके में आग लगी है, वह कोलकाता का व्यक्त इलाका है। पास में ही एक नामी स्कूल भी है और पश्चिम बंगाल फायर डिपार्टमेंट का हेडक्वार्टर भी नजदीक है।

रात करीब 2 बजे लगी आग

कोलकाता के मिर्जा गालिब स्ट्रीट स्थित एक होटल में रात करीब 2 बजे आग लगी। पुलिस के मुताबिक, आग रात करीब 1:45 बजे लगी। सूचना मिलते ही दमकल की पांच गाड़ियां मौके पर पहुंचीं। पुलिस और आपदा प्रबंधन विभाग की टीमों ने राहत और बचाव अभियान शुरू किया। अधिकारियों ने बताया कि इमारत से करीब 80 लोगों को सुरक्षित बाहर निकाल लिया गया है।

मरने वाले सभी बांग्लादेशी नागरिक

समाचार एजेंसी एनआई की मानें तो मरने वालों की पहचान बांग्लादेशी नागरिकों के तौर पर हुई है। ये सभी बांग्लादेशी इलाज के लिए कोलकाता आए थे। होटल के गेस्ट गहरी नींद में सो रहे थे, जिससे कई मेहमान इमारत के अंदर फंस गए और बड़े पैमाने पर बचाव अभियान शुरू करना पड़ा।

एसी विस्फोट के कारण आग लगने की आशंका

शुरुआती खबरों से पता चलता है कि आग एयर-कंडीशनर में विस्फोट के कारण लगी हो सकती है, हालांकि आग लगने की सही वजह की अभी पुष्टि नहीं हुई है। यह घटना पश्चिम बंगाल में एक और होटल में आग लगने के ठीक दो दिन बाद हुई है। सोमवार को बीरभूम जिले के तारापीठ स्थित एक होटल में कथित तौर पर शॉर्ट सर्किट के कारण कम से कम 7 लोगों की मौत हो गई थी।