রাজ্যের SIR এর লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে, সুপ্রিম কোর্ট
ডেস্ক: SIR নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে, সোমবার নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ।এই তালিকায় থাকা ১ কোটি ৩৬ লক্ষের নামের তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।৩ দিনের প্রকাশ করতে হবে এই তালিকা।ব্লক, পঞ্চায়েত, জেলা সদর, পুরসভা এলাকায় ওয়ার্ড ভিত্তিক ওয়ার্ড অফিসে সর্বত্র এই নামের তালিকা রাখতে হবে। তালিকা প্রকাশের ১০ দিনের মধ্যে শুনানিরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ দিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল, SIR-এর নথি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড। অন্যদিকে একজন জনপ্রতিনিধিকেও (তিনি BLA-এও হতে পারেন) রাখা যেতে পারে হিয়ারিংয়ে।গত কয়েক দিনে SIR হিয়ারিং পর্ব শুরু হতেই যে বিষয়গুলি নিয়ে সবথেকে বেশি আলোচনা হয়েছে, তার মধ্যে উপরিউক্ত তিনটি বিষয়ই রয়েছে। *এক* , লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি। যার নাম করে লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে হিয়ারিং নোটিস যাচ্ছে। একবার নয়, কেউ কেউ তিন বার করেও ডাক পাচ্ছেন। *দুই* , BLA বা BLA-2দের হিয়ারিংয়ে উপস্থিতি। *তিন* , মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই প্রশ্ন উঠছিল। মামলাতেও এ নিয়ে বলা হয়েছিল। এ দিন অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসেবে গ্রহণ করার কথা বলেছে সুপ্রিম কোর্ট।
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, রাজ্যের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত দফতর, ব্লক অফিস এবং ওয়ার্ড অফিসে তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা টাঙাতে হবে কমিশনকে। প্রতিটি ব্লক অফিসে আলাদা কাউন্টার খুলতে হবে। সেখানেই সাধারণ মানুষ নথি জমা দিতে এবং তালিকা সংক্রান্ত আপত্তি জানাতে পারবেন। এই সমস্ত দফতরের শুনানিতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নথি জমা নিলে তার জন্য আলাদা রসিদ দিতে হবে ভোটারকে। নথির প্রাপ্তিস্বীকার করতে হবে লিখিত ভাবে। এ ছাড়া, পুরো প্রক্রিয়ায় রাজ্যকে যথাযথ পুলিশ মোতায়েন করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ, এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে পর্যাপ্ত কর্মী দিতে হবে। তাঁরা পঞ্চায়েত ভবন এবং ব্লক অফিসে বসে ভোটারদের কথা শুনবেন। প্রত্যেক জেলার জেলাশাসককে এই নির্দেশ কঠোর ভাবে মানতে হবে। কোনও ভোটার চাইলে প্রতিনিধির মাধ্যমে নথি জমা দিতে পারবেন। সেই প্রতিনিধি হতে পারেন যে কোনও দলের বিএলএ, পরিবারের সদস্য অথবা অন্য কেউ, যাঁকে ভোটার অনুমতি দিয়েছেন। তবে তাঁর কাছে একটি অনুমতিপত্র থাকতে হবে এবং তাতে সংশ্লিষ্ট ভোটারের স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ থাকতে হবে
এদিনের শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে আইনজীবী ছিলেন রাকেশ দ্বিবেদী। তাঁর বক্তব্য, যেখানে বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের বয়সের ফারাক ১৫ বছর, সেই সমস্ত কেসেই শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে।
তখন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত প্রশ্ন করেন, “যে দেশে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা যায়নি, সেই দেশে কি এই ফারাক খুব অসঙ্গত?” রাজ্যের আইনজীবী বলেন, “বাবা মায়ের সঙ্গে সন্তানের বয়সের ফারাক, দাদু ঠাকুমার সঙ্গে বয়সের ফারাক থেকে ভোটার তালিকার নাম বাদ দেওয়ার প্রাসঙ্গিক মাপকাঠি হতে পারে না।” তখন কমিশনের আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী জানান, ৭ জন এমন ব্যক্তি পাওয়া গিয়েছে, যাঁরা দাবি করছেন, তাঁদের ১০০ জন সন্তান। প্রধান বিচারপতি তখন বলেন, ” হতেই পারে এটা টাইপের ভুল।”
এরপরই রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল বিএলএ-দের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ” বিএলএ-রা কেন শুনানিতে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না?”
প্রধান বিচারপতি তখন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, তাঁরা যখন বলছেন যে একটু স্বচ্ছ, পক্ষপাতহীন প্রক্রিয়ায় সমস্ত রাজনৈতিক দলকে শামিল করে SIR সম্পন্ন করতে চান, তখন BLA এর কেন নেওয়া হচ্ছে না?
কমিশনের তরফে আইনজীবী ছিলেন রাকেশ দ্বিবেদী জানান, আলাদা আলাদা রাজনৈতিক দলের সদস্যরা বিএলএ হিসাবে গোটা প্রক্রিয়ার মাঝে থেকে ঝগড়া করছেন। এভাবে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে না। তাতে শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে।
তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, “যাঁরা শুনানির জন্য ডাক পাচ্ছেন, তাঁরা সওয়াল করার জন্য তাঁদের প্রতিনিধি নিযুক্ত করতে পারেন। তাঁরা বিএলও হতে পারেন। আপনারা এটা বিচার মনে করছেন না?” কারা ম্যাপ এবং কারা আনম্যাপড তাদের তালিকাও প্রকাশের কথা বলা হয়।এই কথা প্রসঙ্গেই উঠে আসে হোয়াট্যাসঅ্যাপে বিএলও-দের নির্দেশ প্রসঙ্গ। যে প্রসঙ্গ খোদ সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে উত্থাপিত করেছিলেন।
এদিন সওয়াল জবাবের সময়ে রাজ্যের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান বলেন, “CEO নিজে DEO দের হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ দিচ্ছেন। কোনও পরিস্থিতিতে বিএলও-দের যেন শুনানিতে হাজির হতে দেওয়া না হয়। হোয়াটসঅ্যাপে কীভাবে সরকারি নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে?”
তখন রাজ্যের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দোপাধ্যায় টেনে আনেন বাঁকুড়ার তালডাংরার প্রসঙ্গ।আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, “কোন একজন ব্যক্তি, যিনি রাজনৈতিক দলের সদস্য, তাঁর কাছে প্রচুর পরিমাণ ফর্ম পাওয়া যাচ্ছে।”
প্রধান বিচারপতি তখন স্পষ্ট করে দেন, “সরকারি নির্দেশ যতই হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া হোক, যতক্ষণ না সার্কুলারের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে, তা সরকারি নির্দেশ হিসেবে গণ্য হতে পারে না।”
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারাসাতের সভাস্থল থেকে বলেন, ‘‘বিজেপির এসআইআর গেম ওভার। তৃণমূলের দাবি মেনে নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। এজেন্টদেরও শুনানি কেন্দ্রে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ১ কোটি নামকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। সেটা বেঁচে গেল। এই জয় বাংলার, মানুষের জয়।বিজেপিকে আজ কোর্টে হারালাম। এপ্রিলে ভোটে হারাবো।"

ডেস্ক: SIR নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে, সোমবার নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ।এই তালিকায় থাকা ১ কোটি ৩৬ লক্ষের নামের তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।৩ দিনের প্রকাশ করতে হবে এই তালিকা।ব্লক, পঞ্চায়েত, জেলা সদর, পুরসভা এলাকায় ওয়ার্ড ভিত্তিক ওয়ার্ড অফিসে সর্বত্র এই নামের তালিকা রাখতে হবে। তালিকা প্রকাশের ১০ দিনের মধ্যে শুনানিরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ দিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল, SIR-এর নথি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড। অন্যদিকে একজন জনপ্রতিনিধিকেও (তিনি BLA-এও হতে পারেন) রাখা যেতে পারে হিয়ারিংয়ে।গত কয়েক দিনে SIR হিয়ারিং পর্ব শুরু হতেই যে বিষয়গুলি নিয়ে সবথেকে বেশি আলোচনা হয়েছে, তার মধ্যে উপরিউক্ত তিনটি বিষয়ই রয়েছে। *এক* , লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি। যার নাম করে লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে হিয়ারিং নোটিস যাচ্ছে। একবার নয়, কেউ কেউ তিন বার করেও ডাক পাচ্ছেন। *দুই* , BLA বা BLA-2দের হিয়ারিংয়ে উপস্থিতি। *তিন* , মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই প্রশ্ন উঠছিল। মামলাতেও এ নিয়ে বলা হয়েছিল। এ দিন অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসেবে গ্রহণ করার কথা বলেছে সুপ্রিম কোর্ট।




मुंबई। महानगर की सुप्रसिद्ध और चर्चित सामाजिक, साहित्यिक, सांस्कृतिक संस्था भारतीय सदविचार मंच द्वारा दहिसर (पूर्व ) मुंबई -68 में स्थित संस्था सभागार में संस्था संस्थापक , प्रमुख मार्गदर्शक डॉ राधेश्याम तिवारी की अध्यक्षता और कार्यक्रम के प्रमुख अतिथि बोरीवली के लोकप्रिय विधायक संजय उपाध्याय, उत्तर भारतीय संघ के अध्यक्ष संतोष आर एन सिंह और शिक्षाविद् डॉ हृदय नारायण मिश्रा के सानिध्य में संपन्न इस भव्य पुरस्कार समारोह में पूर्व विधायक, शिक्षाविद् रमेश सिंह ठाकुर को उनकी अनुपस्थिति में 25 वां डॉ राममनोहर त्रिपाठी पुरस्कार-2025, वरिष्ठ पत्रकार, दैनिक भास्कर के स्थानीय संपादक विजय सिंह कौशिक को 8 वां ठाकुर हरदत्त सिंह आदर्श पत्रकारिता पुरस्कार -2025 और वरिष्ठ समाजसेवी डॉ.पारसनाथ तिवारी को बाबू आर.एन.सिंह आदर्श समाजसेवी पुरस्कार -2025 द्वारा सम्मानित किया गया।
सुल्तानपुर में 10 जनवरी को सुसाइड नोट रखकर लापता हुई युवती अस्मिता को पुलिस ने आठवें दिन नागपुर से सकुशल बरामद कर लिया है। पुलिस ने उसके प्रेमी विवेक कुमार को भी हिरासत में लिया है। जांच में सामने आया कि युवती ने प्रेम प्रसंग के चलते घर से भागने के लिए लापता होने का नाटक रचा था।
धनपतगंज थाना क्षेत्र के नौगवां तीर गांव निवासी छोटेलाल की बेटी अस्मिता 10 जनवरी की सुबह डेरी पर दूध देने निकली थी, लेकिन वापस नहीं लौटी। गोमती नदी पुल के पास उसकी साइकिल, दूध का डिब्बा और जैकेट मिला था। इसके साथ ही एक सुसाइड नोट भी बरामद हुआ था, जिसमें लिखा था, "हमने दुनिया छोड़ दी आप सबकी खुशी के लिए।" सुसाइड नोट मिलने के बाद परिजनों में कोहराम मच गया। पुलिस ने गोमती नदी में गोताखोरों की मदद से तलाश शुरू की। इस मामले ने राजनीतिक रंग भी ले लिया था, जहां परिजनों ने डीएम और एसपी को ज्ञापन सौंपकर राज्यसभा सांसद संजय सिंह से भी न्याय की गुहार लगाई थी।
प्रभारी निरीक्षक धर्मेंद्र कुमार मिश्रा के नेतृत्व में पुलिस टीम ने कुछ संदिग्ध मोबाइल नंबरों को ट्रेस करना शुरू किया। जांच के दौरान पता चला कि एक युवक लगातार अपनी लोकेशन बदल रहा था। मोबाइल लोकेशन नागपुर पहुंचने पर पुलिस टीम सक्रिय हो गई। उपनिरीक्षक राजेंद्र प्रसाद के नेतृत्व में पुलिस टीम नागपुर पहुंची और जवाहर कॉलेज के पास से किशोरी अस्मिता को सकुशल बरामद कर लिया। मौके से युवक विवेक कुमार, निवासी ग्राम पंचायत कलखुरा, थाना गोसाईगंज, सुलतानपुर को भी हिरासत में लिया गया। पूछताछ में अस्मिता ने स्वीकार किया कि उसका विवेक कुमार से प्रेम प्रसंग था।
गया। गया जिले के गया–फतेहपुर रोड स्थित बीएसएफ कैंप के समीप हनुमान नगर में संचालित वृद्धाश्रम सहारा में रविवार को सेवा, सम्मान और सामाजिक सौहार्द का भावपूर्ण दृश्य देखने को मिला। महिला सामाजिक संस्था वूमेन विंग्स फाउंडेशन की ओर से वृद्धजनों के सम्मान में दही-चूड़ा का आयोजन किया गया। इस अवसर पर वृद्धाश्रम में रह रहे बुजुर्गों के बीच बिस्कुट का वितरण किया गया तथा उन्हें आर्थिक सहयोग भी प्रदान किया गया।
35 min ago
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
2- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
0.3k