/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz কম ফ্যাটের দই মানে ভেজাল নয়,২৬ বছর পর বেকসুর খালাস মিষ্টি ব্যবসায়ীকে* West Bengal Bangla
কম ফ্যাটের দই মানে ভেজাল নয়,২৬ বছর পর বেকসুর খালাস মিষ্টি ব্যবসায়ীকে*

অমিত দাস, কলকাতা: ২৬ বছর পর স্বস্তি পেলেন মিষ্টি ব্যবসায়ী ভগীরথ ঘোষ। নিম্ন আদালত তাঁকে ভেজাল খাবারের জন্যে দোষী সাব্যস্ত করলেও কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিল, কম ফ্যাটের দই মানেই সেটি ভেজাল নয়। তাই ওই দই ব্যবসায়ীর সাজা খারিজ করলেন বিচারপতি চৈতালি চ্যাটার্জী দাস। আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাত্র কম ফ্যাট আছে বলে দইকে ভেজাল বলা যায় না। এই কারণে মিষ্টি ব্যবসায়ী ভগীরথ ঘোষের ৬ মাসের জেল ও জরিমানার সাজা বাতিল করেছেন বিচারপতি।

মামলাটি চলছিল ২৬ বছর ধরে। ১৯৯৭ সালের ১৬ই মে, কৃষ্ণনগরের সাব-ডিভিশনাল ফুড ইন্সপেক্টর দেবাশিস রায় পরিদর্শনে যান ভগীরথ ঘোষের মিষ্টির দোকানে। দোকানে মাটির হাঁড়িতে ৮ কেজি দই রাখা ছিল। সেখান থেকে ৬০০ গ্রাম দই ১৫ টাকায় কিনে নমুনা সংগ্রহ করেন।

তার একটি অংশ নদিয়ার পাবলিক অ্যানালিস্টকে পাঠানো হয়। রিপোর্টে বলা হয় লো ফ্যাট কনটেন্ট-এর জন্য ভেজাল। এর ভিত্তিতে ১৯৯৭ সালে মামলা হয়।

২০০০ সালে কৃষ্ণনগরের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভগীরথ ঘোষকে ৬ মাসের জেল ও ১০০০ টাকা জরিমানা করেন। এরপর ভগীরথ ঘোষের আপিল মামলায় ২০০৪ সালে সেশন কোর্ট ওই সাজা বহাল রাখে।

তারপর ভগীরথ ২০০৪ সালে কলকাতা হাইকোর্টে রিভিশন মামলা দায়ের করেন। ২০১৯ সালে ওই মামলার শুনানিতে কেউ হাজির না থাকায় মামলা খারিজ হয়ে যায়। ২০২৫ সালে আবার শুনানির জন্যে গ্রহণ করা হয়।

আদালতে অভিযুক্তের আইনজীবীর যুক্তি ছিল যে, নমুনা সংগ্রহের সময় কোনো স্বাধীন সাক্ষী নেওয়া হয়নি। ৮ কেজির মধ্যে কোন হাঁড়ি থেকে নমুনা নেওয়া হলো, তা স্পষ্ট নয়। আর তাছাড়া কম ফ্যাট মানেই ক্ষতিকারক বা খাওয়ার অযোগ্য নয়, ফ্যাট কম বেশি দুধের ওপর নির্ভর করে।

বিচারপতি চৈতালী চ্যাটার্জী (দাস) বলেন, শুধুমাত্র পাবলিক অ্যানালিস্টের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সাজা দেওয়া হয়েছে এখানে।রিপোর্টে কোথাও লেখা নেই যে কম ফ্যাটের কারণে দইটি মানুষের খাওয়ার অযোগ্য, স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক বা নোংরা, পচা। আরও বলা হয়, আইন অনুযায়ী, ভেজাল প্রমাণ করতে হলে দেখাতে হবে যে নিম্নমানের জিনিস মেশানোর ফলে খাবারটি ক্ষতিকারক হয়েছে। তাই আদালত আবেদন মঞ্জুর করে নিম্ন আদালতের সাজা বাতিল করে দিয়েছে। আবেদনকারীকে জামিনের বন্ড থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

সম্পত্তি বিবাদে বচসার অভিযোগ বিধায়িকা রেখা পাত্রের বিরুদ্ধে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও

বসিরহাট : সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে বচসায় জড়ানোর অভিযোগ উঠলো হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি বিধায়িকা রেখা পাত্রের বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যদিও ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘটনাটি বসিরহাটের সন্দেশখালি থানার বউ ঠাকুরানী এলাকার। এই এলাকাতেই রেখা পাত্রের বাপের বাড়ি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাপের বাড়ির সম্পত্তি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বেশ কয়েক বছর ধরেই বিবাদ চলে আসছে। সেই সম্পত্তি নিয়ে ২০২৫ সালে রেখা পাত্র ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আত্মীয় সঞ্জিত নস্করের বিরোধ তৈরি হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, সঞ্জিত নস্কর ওই জমি জোর করে দখলের চেষ্টা করেছিলেন। বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত। বসিরহাট আদালতের নির্দেশে ওই জমি নিয়ে স্থগিতাদেশ জারি হয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত সঞ্জিত নস্কর ওই জমিতে যেতে এবং চাষাবাদ করতে পারবেন বলে দাবি করা হয়েছে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী সঞ্জিত নস্কর জমিতে চাষ করতে গেলে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছান রেখা পাত্র। তাকে জমি থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। এরপরই সঞ্জিত নস্কর ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রেখা পাত্রের বচসা শুরু হয়। ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে কয়েকজনের মধ্যে উত্তেজনা ও ধস্তাধস্তির দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। সেখানে রেখা পাত্রকেও বচসায় জড়িয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ভিডিওটি কখন এবং ঠিক কী পরিস্থিতিতে তোলা হয়েছে, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।

বৃক্ষরোপণে জোর রাজ্যের, ৪০ লক্ষ গাছ লাগাবে পঞ্চায়েত দপ্তর: মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ*

#DilipGhosh

উৎপল দাস, ব্যারাকপুর: পরিবেশ বাঁচাতে রাজ্যজুড়ে বিশাল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিল রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তর। রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশনের এক অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

মন্ত্রী জানান, রাজ্যের ৪০ হাজার গ্রামে প্রতিটি গ্রামে ১০০টি করে গাছ লাগানো হবে। অর্থাৎ মোট ৪০ লক্ষ গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি শিক্ষা ও গ্রন্থাগার দপ্তরের সহযোগিতায় ৪৩৪টি কেন্দ্রে আরও ৪৩ হাজার ৪০০টি গাছ লাগানো হবে।

তিনি বলেন, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, ছাত্রাবাস, আশ্রম সহ যেখানেই ফাঁকা জায়গা রয়েছে, সেখানেই গাছ লাগানো হবে। রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশনের মতো প্রতিষ্ঠানের ফাঁকা জায়গাতেও গাছ লাগানো হবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানই তার রক্ষণাবেক্ষণ করবে।

জঙ্গলমহলের বন ধ্বংস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো জেলায় জঙ্গল কেটে সাফ করে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বন দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বন দপ্তর জায়গা এবং চারা দেবে, পঞ্চায়েত দপ্তর গাছ লাগানোর দায়িত্ব নেবে।

পরিবেশ দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দূষণের কারণে ওজন স্তর ফুটো হয়ে যাচ্ছে। হিমালয়ের শত শত বছরের পুরনো বরফ গলে যাচ্ছে, যার ফলে ভয়াবহ বন্যা ও ধসে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। প্রকৃতিকে শান্ত রাখতে গেলে প্রকৃতির উপর অত্যাচার নয়, সেবা করতে হবে এবং গাছ লাগাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে যুগ যুগ ধরে বট, অশ্বত্থ, বকুলের মতো গাছকে পুজো করা হয়। পাঁচ ধরনের গাছ লাগিয়ে পঞ্চবটী তৈরির প্রাচীন রীতি রয়েছে। নিজের বাড়ির সামনে বা ছাদে অন্তত একটি-দুটি গাছ লাগিয়ে এলাকাকে দূষণমুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

ছবি উৎপল দাস

মোহনবাগানকে আটকে দিল ইস্টবেঙ্গল,ডুরান্ডের বদলা নেওয়া হল না, ডার্বি ড্র ১-১*

খেলা 

 কলকাতা ফুটবল লিগ 

#KolkataDerby

নিজস্ব সংবাদদাতা, বারাসাত: তারকাখচিত দল নামিয়েও কাজ হল না। কলকাতা লিগের ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের কাছে আটকে গেল মোহনবাগান। সোমবার বারাসাত স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষ হল ১-১ গোলে।

প্রথমার্ধে মনবীর সিংয়ের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি মহম্মদ বিলালের গোলে সমতা ফেরায় ইস্টবেঙ্গল। শেষ দিকে সুযোগ পেয়েও জয় হাতছাড়া করে লাল-হলুদ ব্রিগেড।

সুপার সিক্সে প্রভাব নেই, তবুও প্রেস্টিজ ফাইট

গ্রুপ পর্বের পয়েন্ট সুপার সিক্সে যোগ হবে না, তাই এই ম্যাচ ছিল নিয়মরক্ষার। তবু ডুরান্ড কাপ ফাইনালে হারের বদলা নেওয়ার ম্যাচ হিসেবে দেখছিলেন সমর্থকরা। বিজয় মুর্মু, চাকু মান্ডি, জয় বাজদের লড়াইয়ে সেই বদলা অধরাই রইল সবুজ-মেরুনের।

এই ড্রয়ের ফলে ইস্টবেঙ্গল ১১ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই শেষ করল।মোহনবাগানের ১১ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট।

প্রথম একাদশে চমক

ইস্টবেঙ্গল পুরো জুনিয়র দল নামালেও, মোহনবাগান নামিয়েছিল ফার্স্ট টিমের ফুটবলারদের। মেহতাব সিং, রাহুল ভেকে, শুভাশিস বসু, আপুইয়া, সাহাল সামাদ, মনবীর সিংয়ের মতো তারকারা ছিলেন প্রথম একাদশে।

বৃষ্টিভেজা মাঠে শুরু থেকেই বলের দখল বেশি ছিল মোহনবাগানের। কিন্তু জমাট রক্ষণে আটকে দেয় ইস্টবেঙ্গল। ৮ মিনিটে বিজয়ের ফ্রিকিক অল্পের জন্য বাইরে যায়।

ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট

৩৮ মিনিটে ভুল থেকেই গোল খায় ইস্টবেঙ্গল। দূর থেকে ভেসে আসা বল অঙ্কন ভট্টাচার্য আটকাতে ব্যর্থ হন, গোলকিপার গৌরব এগিয়ে এলেও মনবীর ঠান্ডা মাথায় অঙ্কনের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়ান (১-০)।

দ্বিতীয়ার্ধে খোলস ছেড়ে বেরোয় ইস্টবেঙ্গল এবং বিলালের গোলে ম্যাচে ফেরে।

 ছবি:সঞ্জয় হাজরা।

বসিরহাটে ৪১তম জাতীয় চক্ষুদান পক্ষ, ৪০ চক্ষুদাতার পরিবারকে সংবর্ধনা

বসিরহাট : বসিরহাটে পালিত হল ৪১তম জাতীয় চক্ষুদান পক্ষ। বসিরহাট টাউন হাই স্কুলের আলোকতীর্থ অডিটোরিয়ামে পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনুমোদিত বসিরহাটের একটি চক্ষুদান কেন্দ্রের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বসিরহাটের বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় ৪০ জন চক্ষুদানকারীর পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা জানানো হয়। তাদের হাতে স্মারক ও শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। মৃত্যুর পর চক্ষুদানের মাধ্যমে অন্যের জীবনে আলো ফিরিয়ে দেওয়ার এই মহৎ উদ্যোগকে সম্মান জানাতেই এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন টাকি রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠের মহারাজ স্বামী পরিশুদ্ধানন্দজী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা চক্ষুদানের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন। তাদের বক্তব্যে উঠে আসে, একজন মানুষের মৃত্যুর পর তার চোখ অন্য একজন দৃষ্টিহীন মানুষের জীবনে নতুন করে আলো ফিরিয়ে দিতে পারে। তাই সমাজে চক্ষুদান নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং মানুষের মধ্যে এই মহৎ উদ্যোগের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। চক্ষুদাতাদের পরিবারের সদস্যদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও চক্ষুদান সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার বার্তা দেওয়া হয় অনুষ্ঠানে। সংগঠনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও চক্ষুদান নিয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।

উত্তর ২৪ পরগনায় খাদ্যে ভেজাল রুখতে জোরদার অভিযান, আতঙ্কে অসাধু ব্যবসায়ীরা*

#North24Parganas

বসিরহাট ও খড়দহ: সাধারণ মানুষের পাতে বিষ রুখতে কড়া পদক্ষেপ প্রশাসনের। উত্তর ২৪ পরগনার দুই প্রান্তে একযোগে চলল খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযান।

বাদুড়িয়ার দুই বাজারে হানা BDO-র

বসিরহাটের বাদুড়িয়া পৌর এলাকার বাজার এবং বাদুড়িয়া ব্লকের বাগজোলা বাজারে অভিযান চালালেন BDO শর্মিষ্ঠা কর্মকার। সঙ্গে ছিলেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিক ও বাদুড়িয়া থানার পুলিশ।

অভিযোগ ছিল, মিষ্টি ও খাবারে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল রং মেশানো হচ্ছে এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি হচ্ছে। দোকানে দোকানে গিয়ে রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা, তৈরির পদ্ধতি, ব্যবহৃত উপকরণ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। মুদিখানা দোকানগুলিতেও প্যাকেটের মেয়াদ ও গুণমান পরীক্ষা করা হয়।

প্রশাসন জানিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই যৌথ অভিযানে ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আগামী দিনেও এই অভিযান চলবে।

খড়দহে ডাস্টবিনে গেল অসুরক্ষিত খাবার

অন্যদিকে, ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া ক্রেতা সুরক্ষা সপ্তাহের শেষ দিনেও তৎপর খাদ্য দপ্তর। খড়দহ স্টেশন রোডের একটি হোটেলে হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর, পৌরসভা ও পুলিশের যৌথ দল।

সেখানে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়ে। আধিকারিকরা হোটেল মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং সমস্ত অনিয়মযুক্ত ও অসুরক্ষিত খাবার ডাস্টবিনে ফেলে নষ্ট করে দেন। এই ঘটনায় স্টেশন রোড এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা। যদিও এ বিষয়ে আধিকারিকরা মুখ খোলেননি।

ছবি:সৌমাভ মণ্ডল ও উৎপল দাস।

ঘোলা থানার ব্যবস্থাপনায় ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সাইবার প্রতারণার সচেতন শিবির নাটাগড়ে*

উৎপল দাস,উত্তর ২৪ পরগনা : বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে অনেক নতুন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। একদিকে বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে যেমন সুবিধা পেয়েছে অন্যদিকে বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে চলছে নানা ধরনের প্রতারণা। ডিজিটাল প্রতারণা থেকে মানুষকে বাঁচাতে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে একাধিক পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়েছে। রাজ্যের সমস্ত থানায় খোলা হয়েছে সাইবার প্রতারণার জন্য আলাদা বিভাগ। পাশাপাশি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের সাইবার প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার ঘোলা থানার সাইবার বিভাগের আধিকারিকেরা অঞ্চলের প্রত্যেকটি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। ঘোলা থানার পক্ষ থেকে এদিন নাটাগড় স্বামী বিবেকানন্দ সেবা সমিতি বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের ফাইবার ক্রাইম বিষয়ক সচেতনতার শিবির সংগঠিত হল। ঘোলা থানার পুলিশের পক্ষ থেকে সাইবার ক্রাইম থেকে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায় তার প্রশিক্ষণ দেওয়া হল ছাত্র-ছাত্রীদের।

ঘোলা থানা আয়োজিত সাইবার প্রশিক্ষণ শিবির প্রসঙ্গে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায় বলেন, "ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সাইবার প্রতারণা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ শিবির অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যেভাবে সাইবার প্রতারণার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ সেখান থেকেই ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতন করার বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে তারই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে ঘোলা থানা ও স্কুলের পক্ষ থেকে।

প্রবল বর্ষণে জলমগ্ন গ্রাম ও বেহাল রাস্তা পরিদর্শনে হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মাতিন

বসিরহাট : বসিরহাটের হাড়োয়া বিধানসভার গোপালপুর ২ পঞ্চায়েতের অমতা-খাটরা এলাকায় প্রবল বর্ষণে জলমগ্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়। টানা বৃষ্টির জেরে এলাকার একাধিক রাস্তা ও নিচু অংশে জল জমে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। জলমগ্ন এলাকার পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে এলাকায় পৌঁছান হাড়োয়ার বিধায়ক মুফতি আব্দুল মাতিন। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শোনেন এবং জল নিকাশী ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজ নেন। বর্ষার সময় সুন্দরবনের অমতা খাটরা এলাকায় জল জমার সমস্যা নতুন নয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। প্রবল বৃষ্টির পর জল দ্রুত নেমে না যাওয়ায় দৈনন্দিন যাতায়াত থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজে সমস্যার মুখে পড়তে হয় বাসিন্দাদের। কোথাও রাস্তার উপর জল জমে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, আবার কোথাও বাড়ির আশপাশেও জল ঢুকে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দ্রুত সমস্যার সমাধানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দেন বিধায়ক।

এর পাশাপাশি হাড়োয়া বিধানসভার শেষ প্রান্তের গ্রাম মাছমারায় দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকা রাস্তার পরিস্থিতিও সরেজমিনে পরিদর্শন করেন বিধায়ক আব্দুল মাতিন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার সংস্কার না হওয়ায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। বর্ষাকালে সেই দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। রাস্তার বিভিন্ন অংশে খানাখন্দ তৈরি হওয়া এবং বৃষ্টির জল জমে যাওয়ার কারণে পথ চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে।

বিশেষ করে গ্রামের সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, প্রবীণ ব্যক্তি এবং অসুস্থ রোগীদের নিয়ে যাতায়াতের সময় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় বলে স্থানীয়দের দাবি। জরুরি প্রয়োজনে গাড়ি নিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও রাস্তার বেহাল দশা বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়ে এলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। এদিন বিধায়ক মুফতি আব্দুল মাতিন এলাকায় গিয়ে রাস্তার বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা শোনার পাশাপাশি রাস্তার সংস্কার ও জলমগ্ন পরিস্থিতির মোকাবিলায় কীভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা নিয়েও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।

হাড়োয়া বিধানসভার একেবারে শেষ প্রান্তের গ্রাম হওয়ায় মাছমারার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের বক্তব্য, একটি ভালো রাস্তা শুধু যাতায়াতের সুবিধাই বাড়াবে না, গ্রামের সঙ্গে মূল এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাও আরও সহজ করবে। একইভাবে বর্ষার সময় জলমগ্ন এলাকাগুলিতে দ্রুত জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা গেলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।

ছবি: সৌমাভ মণ্ডল।

বালিতে বাজিমাত! ITF M15 সিঙ্গলস চ্যাম্পিয়ন করণ সিং
*খেলা*
#KaranSingh #ITF #Tennis #Bali #M15Bali #IndianTennis #RGTA #ATP #SportsNews

*চণ্ডীগড়, ৭ সেপ্টেম্বর:* ফের দেশের মুখ উজ্জ্বল করলেন ভারতের উদীয়মান টেনিস তারকা করণ সিং। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত ITF মেনস ওয়ার্ল্ড টেনিস ট্যুর M15-এ পুরুষ সিঙ্গলসের খেতাব জিতলেন রাউন্ডগ্লাস টেনিস অ্যাকাডেমির (RGTA) এই খেলোয়াড়।

এটি করণের কেরিয়ারের চতুর্থ খেতাব এবং ২০২৬ মরসুমের তৃতীয় খেতাব, যার মধ্যে সিঙ্গলসে এটি তাঁর দ্বিতীয় খেতাব জয়।

হার্ড কোর্টের হাড্ডাহাড্ডি ফাইনালে চতুর্থ বাছাই ভারতীয় তারকা (ATP 604) হারালেন নিউজিল্যান্ডের পঞ্চম বাছাই আইজ্যাক বেকক্রফটকে। ফলাফল - ৭-৫, ৭-৬(৩)।

*একটি সেটও না হেরে চ্যাম্পিয়ন*
গোটা টুর্নামেন্টে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন করণ। একটিও সেট না হেরে খেতাব জিতেছেন তিনি।

- *প্রথম রাউন্ড:* ইন্দোনেশিয়ার কোয়ালিফায়ার গুনাওয়ান ত্রিসমুওয়ান্তারাকে ৬-৩, ৭-৫ এ হারান।
- *দ্বিতীয় রাউন্ড:* স্থানীয় ওয়াইল্ডকার্ড রাফালেন্তিনো আলি দা কোস্তাকে ৬-৩, ৬-২ এ উড়িয়ে দেন।
- *কোয়ার্টার ফাইনাল:* আরেক ইন্দোনেশিয়ান ওয়াইল্ডকার্ড নাথান অ্যান্থনি বার্কিকে ৬-১, ৬-৪ এ হারান।
- *সেমি ফাইনাল:* জাপানের সপ্তম বাছাই রিয়োতারো তাগুচিকে ৬-৩, ৬-৩ এ হারিয়ে ফাইনালে ওঠেন।

কয়েক সপ্তাহ আগেই কাজাখস্তানে ITF M15 আস্তানায় ডাবলস খেতাব জিতেছিলেন করণ। রাশিয়ার মার্টিন বোরিসিউকের সঙ্গে জুটি বেঁধে টপ সিড জুটিকে হারিয়ে ফাইনালে কাজাখ জুটি দানিয়াল রাখমাতুল্লায়েভ ও দামির ঝালগাসবেকে ৬-৩, ৬-২ এ হারিয়েছিলেন। এবার বালিতে সিঙ্গলস জিতে ২০২৬-কে আরও স্মরণীয় করে তুললেন।

ছবি:সৌজন্যে অ্যাকাডেমি।
গ্রেফতারি পরোয়ানা খারিজ, বড় স্বস্তিতে মহুয়া মৈত্র!
#MahuaMoitra #CalcuttaHighCourt #MPMLACourt #Krishnanagar #TMC #BreakingNews #BengalPolitics .

*কলকাতা:* কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে বড় স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। খারিজ হয়ে গেল তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা।

সোমবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি আর্য্যক দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, কৃষ্ণনগর আদালতের সমস্ত নির্দেশ বাতিল করা হল। মামলাটি আর কৃষ্ণনগরে চলবে না, স্থানান্তরিত করা হল বিধাননগরের এমপি-এমএলএ বিশেষ আদালতে।

*কি ছিল অভিযোগ?*

ভারতীয় সেনাবাহিনী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য এবং মহিলাদের তুলসীমালা, বোরখা ও হিজাব পরা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কৃষ্ণনগরের এক বাসিন্দা BNSS ও BNS-এর একাধিক ধারায় মামলা করেন।

অভিযোগ ছিল, তিনি নারীর শালীনতা ক্ষুণ্ণ করেছেন, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছেন ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্বে উস্কানি দিয়েছেন।

সমনের পরেও হাজিরা না দেওয়ায় কৃষ্ণনগর আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যান মহুয়া।

আইনজীবীর যুক্তি ছিল, বর্তমান সাংসদ হওয়ায় তাঁর মামলার এক্তিয়ার এমপি-এমএলএ কোর্টের। সেই যুক্তি মেনেই রায় দিল হাইকোর্ট।আপাতত স্বস্তিতে মহুয়া শিবির।