/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz s:OathCeremony
কলকাতা হাইকোর্টের ৪৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে*

#CalcuttaHighCourt

কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাজ্যপাল আর. এন. রবি তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জুন তিনি বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জুন মাসে তিনি বোম্বে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজনেরা:

এদিনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের আইনমন্ত্রী বিরাজ বিশ্বাস, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র সহ হাইকোর্টের একাধিক বিচারপতি ও আইনজীবীরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ধীরাজ ত্রিবেদী, বার লাইব্রেরি ক্লাবের সভাপতি সুদীপ্ত সরকার, বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অশোক কুমার ধান্দানিয়া এবং ইনকর্পোরেটেড ল সোসাইটির সম্পাদক পরিতোষ সিংহ।

আইনজীবীদের বার্তা দিলেন প্রধান বিচারপতি:

আইনজীবীদের পক্ষ থেকে স্বাগত ভাষণের উত্তরে প্রধান বিচারপতি ঘুগে কলকাতা বার পরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁকে গ্রহণ করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আমি সব সময় বারের জন্য উন্মুক্ত। বারের যে কোনও সমস্যা নিয়ে আপনারা আমার কাছে আসতে পারেন। অন্যান্য বিচারপতিদের সহযোগিতায় আমি সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।"

জুনিয়র আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "পেশার প্রথম দিকে আমি সাইকেলে চড়ে বাড়ি থেকে আদালতে যাতায়াত করতাম। সততা এবং পেশার প্রতি ভালোবাসা থাকলে সাফল্য আসবেই।"

আবেগঘন প্রধান বিচারপতি:

নিজের বক্তব্যে আবেগঘন হয়ে পড়েন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, "আমার শৈশবের কথা খুব মনে পড়ে। আমার কর্মজীবনে সাড়ে সাত বছর মোটরসাইকেলই ছিল আমার সঙ্গী। আমি কখনও হেলমেট পরতে ভুলিনি। আমার জীবন সংগ্রামে আমার স্ত্রী সব সময় আমার সঙ্গী। এই যাত্রা একা সম্ভব হতো না। আমার পরিবারের সমর্থন এবং আমার প্রয়াত মায়ের নীরব আত্মত্যাগের কথা মনে পড়ছে। এই মুহূর্তে আমার প্রয়াত মাকে খুব মনে পড়ছে। তিনি যেখানেই থাকুন, আমাকে আশীর্বাদ করছেন। আমি নিজেকে সব সময় একজন আইনজীবী বলেই মনে করি। আমার দরজা সবার জন্য খোলা।"

তিনি আরও বলেন, "আমার স্ত্রীর সমর্থনের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমার দুই মেয়ে সহ আমার পরিবারের কাছে তিনি ঢালের মতো।" শেষে পশ্চিমবঙ্গের বিচার বিভাগের সকল সদস্যের মঙ্গল কামনা করেন প্রধান বিচারপতি।

ছবি:সৌজন্যে লাইভ ল।

কলকাতা হাইকোর্টের ৪৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে*

#CalcuttaHighCourt

কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাজ্যপাল আর. এন. রবি তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জুন তিনি বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জুন মাসে তিনি বোম্বে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজনেরা:

এদিনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের আইনমন্ত্রী বিরাজ বিশ্বাস, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র সহ হাইকোর্টের একাধিক বিচারপতি ও আইনজীবীরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ধীরাজ ত্রিবেদী, বার লাইব্রেরি ক্লাবের সভাপতি সুদীপ্ত সরকার, বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অশোক কুমার ধান্দানিয়া এবং ইনকর্পোরেটেড ল সোসাইটির সম্পাদক পরিতোষ সিংহ।

আইনজীবীদের বার্তা দিলেন প্রধান বিচারপতি:

আইনজীবীদের পক্ষ থেকে স্বাগত ভাষণের উত্তরে প্রধান বিচারপতি ঘুগে কলকাতা বার পরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁকে গ্রহণ করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আমি সব সময় বারের জন্য উন্মুক্ত। বারের যে কোনও সমস্যা নিয়ে আপনারা আমার কাছে আসতে পারেন। অন্যান্য বিচারপতিদের সহযোগিতায় আমি সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।"

জুনিয়র আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "পেশার প্রথম দিকে আমি সাইকেলে চড়ে বাড়ি থেকে আদালতে যাতায়াত করতাম। সততা এবং পেশার প্রতি ভালোবাসা থাকলে সাফল্য আসবেই।"

আবেগঘন প্রধান বিচারপতি:

নিজের বক্তব্যে আবেগঘন হয়ে পড়েন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, "আমার শৈশবের কথা খুব মনে পড়ে। আমার কর্মজীবনে সাড়ে সাত বছর মোটরসাইকেলই ছিল আমার সঙ্গী। আমি কখনও হেলমেট পরতে ভুলিনি। আমার জীবন সংগ্রামে আমার স্ত্রী সব সময় আমার সঙ্গী। এই যাত্রা একা সম্ভব হতো না। আমার পরিবারের সমর্থন এবং আমার প্রয়াত মায়ের নীরব আত্মত্যাগের কথা মনে পড়ছে। এই মুহূর্তে আমার প্রয়াত মাকে খুব মনে পড়ছে। তিনি যেখানেই থাকুন, আমাকে আশীর্বাদ করছেন। আমি নিজেকে সব সময় একজন আইনজীবী বলেই মনে করি। আমার দরজা সবার জন্য খোলা।"

তিনি আরও বলেন, "আমার স্ত্রীর সমর্থনের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমার দুই মেয়ে সহ আমার পরিবারের কাছে তিনি ঢালের মতো।" শেষে পশ্চিমবঙ্গের বিচার বিভাগের সকল সদস্যের মঙ্গল কামনা করেন প্রধান বিচারপতি।

ছবি:সৌজন্যে লাইভ ল।