ইনজুরি টাইমে হেমব্রমের গোলে হার বাঁচাল ইস্টবেঙ্গল, মহামেডানের সঙ্গে ১-১ ড্র লাল-হলুদের
*খেলা*

*কলকাতা ফুটবল লিগ*


*নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা:* নাটকীয় ম্যাচে হার বাঁচাল ইস্টবেঙ্গল। সোমবার কলকাতা ফুটবল লিগে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও ১-১ গোলে ড্র করল লাল-হলুদ ব্রিগেড।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি হলেও গোলের মুখ খুলতে পারেনি কোনও দলই। গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় প্রথমার্ধ।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি বাড়ায় মহামেডান। ৬৯ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন মহামেডানের লালথাংকিমা। তাঁর গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সাদা-কালো শিবির। গোল খাওয়ার পর সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে তারা, কিন্তু মহামেডানের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিল না।

মনে হচ্ছিল, জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে মহামেডান। কিন্তু নাটক তখনও বাকি। খেলা শেষের ঠিক আগে ইনজুরি টাইমে ত্রাতা হয়ে উঠলেন আকাশ হেমব্রম। তাঁর গোলে সমতায় ফেরে ইস্টবেঙ্গল।

শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলেই শেষ হয় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। নির্ধারিত সময়ে জয় হাতছাড়া হলেও শেষ মুহূর্তে মূল্যবান এক পয়েন্ট ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল।

ছবি: সংগৃহীত।
ঘরের মাঠে জয় হাতছাড়া মোহনবাগানের, ১০ জনে লড়ে ইউনাইটেডের কাছে আটকাল সবুজ-মেরুন
*খেলা*

*কলকাতা ফুটবলে লিগ*
*নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা:* কলকাতা ফুটবল লিগে ফের পয়েন্ট নষ্ট করল মোহনবাগান। সোমবার ঘরের মাঠে ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাবের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র করল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে মোহনবাগান। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের মুখ খুলছিল না। অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধে দলের হয়ে কাঙ্ক্ষিত গোলটি করেন সন্দীপ। তাঁর গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান।

গোল খাওয়ার পর ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় ইউনাইটেড স্পোর্টস। পাল্টা আক্রমণে চাপ বাড়াতে থাকে তারা। এর মধ্যেই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় মোহনবাগানের এক ফুটবলারকে। ১০ জনে হয়ে যায় বাগান।

সংখ্যায় কম হওয়ার সুযোগ কাজে লাগায় ইউনাইটেড। খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই সমতা ফেরায় তারা। ১০ জনের মোহনবাগানকে রুখে দিয়ে মূল্যবান এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাব।

এই ড্রয়ের ফলে লিগ টেবিলে ফের ধাক্কা খেল মোহনবাগান। ঘরের মাঠে পূর্ণ ৩ পয়েন্টের লক্ষ্য নিয়ে নামলেও শেষ পর্যন্ত ১ পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো তাদের। ছবি: সঞ্জয় হাজরা।
গোপুরমে গজানন! ছবিতে গণেশের জন্ম থেকে মহাভারত রচনার ইতিবৃত্ত বসিরহাট গণপতি উৎসবে
বসিরহাট : গোপুরমে গজানন থিমকে সামনে রেখে সিদ্ধিদাতা গণেশের জন্ম থেকে মহাভারত রচনার কাহিনি ছবির মাধ্যমে তুলে ধরে গণেশ উৎসবে মাতলো বসিরহাট গণপতি উৎসব কমিটি। শহর বসিরহাটের প্রাণকেন্দ্র টাউন হল মাঠে দশম বর্ষে এই পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। গোপুরমের আদলে তৈরি মণ্ডপে গণেশের জন্মকাহিনি, তাঁর জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং মহাভারত রচনার সঙ্গে যুক্ত পৌরাণিক কাহিনি ধারাবাহিকভাবে চিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ফলে পুজো দেখতে এসে দর্শনার্থীদের কাছে মণ্ডপটি বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
পুজো উপলক্ষে মণ্ডপসজ্জার পাশাপাশি উৎসবের দিনগুলিতে আগত দর্শনার্থীদের জন্য ভোগের ব্যবস্থাও করা হয়েছে উদ্যোক্তাদের তরফে। এছাড়াও পুজোকে কেন্দ্র করে একাধিক বিচিত্রানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নানা কর্মসূচির মাধ্যমে উৎসবের পরিবেশ আরও জমজমাট হয়ে উঠেছে।
উদ্যোক্তা দীপজ্যোতি ধর জানান, এ বছর তাদের পুজো দশম বর্ষে পদার্পণ করেছে। প্রতিবছরই নতুন ভাবনা ও আয়োজনের মাধ্যমে গণেশ উৎসবকে মানুষের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করা হয়। এই পুজোকে ঘিরে শহর বসিরহাটের মানুষের আবেগ ও উৎসাহও চোখে পড়ার মতো। এবারও বিপুল সংখ্যক মানুষ মণ্ডপে এসে গণেশ দর্শনের পাশাপাশি পৌরাণিক কাহিনি-নির্ভর মণ্ডপসজ্জা উপভোগ করছেন।
ধর্মের গণ্ডি পেরিয়ে কাঁথায় ফুটে উঠলেন দুর্গা-গণেশ, কলকাতায় প্রদর্শনী

*কলকাতা:* সাধারণ কাপড়ের ওপর রঙিন সুতোর ফোঁড়ে ফুটে উঠেছে দেব-দেবীর মুখ, রামায়ণের গল্প, গ্রাম বাংলার ছবি। পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের ‘নকশি কাঁথার মাঠ’ যেন বাস্তবে ধরা দিয়েছে কলকাতায়।

ললিত কলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে নকশি কাঁথার প্রদর্শনী ‘কাঁথা কথন’। প্রদর্শনীতে রয়েছে বীরভূম, বর্ধমান সহ বিভিন্ন জেলার গ্রামীণ মহিলা শিল্পীদের হাতে তৈরি কাঁথা।

এই প্রদর্শনীর বিশেষ দিক হলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ছবি। বীরভূমের নানুরের বাসিন্দা তাজক্ষীরা বেগমের কাঁথায় ফুটে উঠেছেন মা দুর্গা। সুলতানা বিবির কাজে রয়েছে রামায়ণের বিভিন্ন চরিত্র। আউস গ্রামের তাহমিনা বেগম তৈরি করেছেন গণেশ মূর্তির কাঁথা। এছাড়াও নাজমা সুলতানা, কুলসুমা বিবি, লাভলী বিবি সহ বহু শিল্পীর কাজ রয়েছে সেখানে।

শিল্পীদের অনেকেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বেশি দূর এগোতে পারেননি, কিন্তু তাঁদের হাতের কাজ পৌঁছে গেছে দেশ-বিদেশের প্রদর্শনীতে। প্রদর্শনীতে তাঁরা নিজেদের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন।

প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৬ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ললিত কলা একাডেমি রিজিওনাল সেন্টারের তৃতীয় তলে এই প্রদর্শনী দেখা যাবে। ছবি: সঞ্জয় হাজরা।

#NakshiKantha #KanthaKathanExhibition #LalitKalaAcademy #Kolkata #BengalCulture #Handicraft #FolkArt #CommunalHarmony #Birbhum #Bardhaman
জলাভূমি পেরিয়ে মিড-ডে মিল খেতে যেতে হয় পড়ুয়াদের, উদ্বেগ প্রকাশ হাইকোর্টের

*কলকাতা:* দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুটি স্কুলে যাতায়াতের জন্য কোনও পাকা রাস্তা নেই। জলাভূমি পেরিয়ে নবনির্মিত স্কুল ভবনে মিড-ডে মিল খেতে যেতে বাধ্য হচ্ছে খুদে পড়ুয়ারা। এমন চিত্র সামনে আসতেই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট।

রবীন্দ্রনাথ সাহা নামে এক ব্যক্তির দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে এই পর্যবেক্ষণ করেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি. ঘুগে এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ। আবেদনকারীর দাবি ছিল, বানেশ্বরপুর আর ডি বি পি এম (RDBPM) স্কুলকে নিকটবর্তী প্রধান রাস্তার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

আদালত লক্ষ্য করে, বর্তমানে স্কুলটি জলাভূমি দিয়ে ঘেরা এবং সেখানে পৌঁছাতে হলে জলা জমির মধ্যে দিয়েই যেতে হয়।

শুনানিতে বেঞ্চ মন্তব্য করে, "আমরা উদ্বিগ্ন যে স্কুলটি যেন একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিচালিত হয় এবং ওই দুটি স্কুলে যে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশোনা করছে তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকে।"

আদালত বিশেষভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে বানেশ্বরপুর RDBPM স্কুল এবং ROSA ডোগাছা এফপি স্কুলের পড়ুয়াদের সমস্যা নিয়ে। আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে, "স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা বানেশ্বরপুর RDBPM স্কুলের নতুন ভবনে মিড-ডে মিল খেতে যায় এবং রাস্তা না থাকায় তাদের চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।"

এই প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারের পক্ষের আইনজীবী জানান, আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দিয়ে পরিস্থিতির স্পষ্ট চিত্র আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে। তিনি আরও জানান, এই জনস্বার্থ মামলাটি কোনও বিরোধমূলক মামলা নয়।

এরপরই আদালত নির্দেশ দেয়, আগামী ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এর মধ্যে রাজ্যকে হলফনামা জমা দিতে হবে এবং আগামী ২৮শে সেপ্টেম্বর জরুরী ভিত্তিতে মামলাটি ফের শুনানির জন্য রাখা হয়েছে।

একইসঙ্গে আদালত আবেদনকারীর আইনজীবীকে নির্দেশ দিয়েছে একটি স্কেচ ম্যাপ তৈরি করতে, যেখানে রাস্তার কতটা অংশ ইতিমধ্যে কংক্রিট করা হয়েছে, দুটি স্কুলের অবস্থান এবং কংক্রিটের রাস্তা থেকে প্রতিটি স্কুলের দূরত্ব স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।

এছাড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিককে এই মামলায় যুক্ত করার অনুমতিও দিয়েছে আদালত এবং অবিলম্বে তা যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে।

#CalcuttaHighCourt #HighCourtNews #South24Parganas #Baneswarpur #RDBPMSchool #ROSADogachhaSchool #MidDayMeal #SchoolRoadProblem #PIL #EducationNews #WestBengalNews #BanglaKhabar
সুখচরে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন, হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে খুনের অভিযোগ, আত্মসমর্পণ অভিযুক্তের


*উৎপল দাস,খড়দহ:* উত্তর ২৪ পরগনার সুখচরের ডাঃ গোপাল চ্যাটার্জি রোডে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বন্ধুর হাতেই খুন হল বন্ধু। মৃতের নাম বাবু ঘোষ। অভিযুক্ত আশীষ ব্যানার্জি ওরফে বাপি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই বাড়িতে দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর ধরে একই ঘরে একসঙ্গে বসবাস করতেন দুই বন্ধু বাবু ঘোষ ও আশীষ ব্যানার্জি। তাদের সঙ্গে থাকত একটি পোষ্য সারমেয়। অভিযোগ, প্রতিদিনই মদ্যপান করতেন দুজন, তারপর সাময়িক বচসায় জড়িয়ে পড়তেন। গতকাল রাতেও একই ঘরে ছিলেন দুই বন্ধু। আর সকাল হতেই নাটকীয় মোড়। আশীষ ব্যানার্জি ওরফে বাপি সরাসরি খড়দহ থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং পুলিশের কাছে গোটা ঘটনা খুলে বলেন। তার বয়ান শুনে খড়দহ থানার পুলিশ তাকে সঙ্গে নিয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে গিয়ে পুলিশ দেখে, রক্তাক্ত ও নগ্ন অবস্থায় ঘরের মেঝেতে পড়ে রয়েছে বাবু ঘোষের দেহ। হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে দেওয়া হয়েছে তার মাথা। খবর ছড়াতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওই ঘরে দুই বন্ধু থাকতেন। মাঝেমধ্যেই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বচসা হতো। তবে গতকাল রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত আশীষ ব্যানার্জিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। খুনের পিছনে মদ্যপ অবস্থায় বচসা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। #Khardah #Sukhchar #Murder #FriendMurder #KhardahPolice #Barrackpore #North24Parganas #CrimeNews #WestBengalNews
ভোট-হিংসার ৫ বছর পর কবর খুঁড়ে বিজেপি কর্মীর দেহাবশেষ উদ্ধার*

*বসিরহাট:* ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার পাঁচ বছর পর সন্দেশখালিতে কবর খুঁড়ে বিজেপি কর্মীর দেহাবশেষ উদ্ধার করল প্রশাসন। আদালতের নির্দেশে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এই কাজ হয়।

ঘটনাটি ন্যাজাট থানার ঝনঝনিয়া গ্রামের। মৃতের নাম আস্তিকচন্দ্র দাস। পরিবারের অভিযোগ, ২০২১ সালের ২রা মে ফল প্রকাশের দিন বাজারে গিয়েছিলেন তিনি। নিরঞ্জনের মোড়ে তৃণমূলের বিজয় মিছিলের সময় তাঁর উপর বেল্ট, রড ও লাঠি দিয়ে হামলা হয়। পুকুরে পড়ে গেলেও তাঁকে তুলে ফের মারধর করা হয়।

ছেলে সুব্রত দাসের দাবি, গুরুতর আহত বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাধা দেওয়া হয়। গ্রামের চিকিৎসকের ওষুধে কাজ হয়নি। ১০ মে বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয়। ভয় দেখিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দেহ কবর দিতে বাধ্য করা হয়। তখন পুলিশ অভিযোগ নেয়নি বলেও দাবি।

পরে পরিবার আদালতে যায়। আদালতের নির্দেশে শনিবার কবর খুঁড়ে কঙ্কালসার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। উপস্থিত ছিলেন ছেলে প্রণব দাস ও পুত্রবধূ ছন্দা দাস। দেহাবশেষ ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

পরিবারের দাবি, প্রকৃত সত্য সামনে আসুক এবং দোষীদের শাস্তি হোক। তারা সিবিআই তদন্তও চাইছেন।
বিদ্যাধরী নদী থেকে বালি পাচারের অভিযোগ, মিনাখাঁয় গ্রেফতার ৬
বসিরহাট : বিদ্যাধরী নদী থেকে বালি পাচারের অভিযোগ, মিনাখাঁয় পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৬। বিদ্যাধরী নদী থেকে রাতের অন্ধকারে বেআইনিভাবে বালি কেটে পাচারের অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেফতার করল মিনাখাঁ থানার পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই বালি পাচারচক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই গোপন সূত্রে মিনাখাঁ থানার পুলিশের কাছে খবর আসছিল, রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে বিদ্যাধরী নদী থেকে বালি কেটে নৌকায় করে পাচার করা হচ্ছে। সেই খবরের ভিত্তিতে নজরদারি বাড়ানো হয়। এরপর শনিবার রাতে নির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে নদী সংলগ্ন এলাকায় হানা দেয় মিনাখাঁ থানার পুলিশ। পুলিশের অভিযানের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে থাকা বালি পাচারকারীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। পুলিশের হাতে ধরা পড়ে ছয়জন। তবে অভিযানের সময় পাচারকারীদের ব্যবহৃত নৌকাটি আটক করতে পারেনি পুলিশ। অভিযোগ, ওই নৌকায় চড়ে দ্রুতগতিতে আরও কয়েকজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পুলিশের হাতে ধৃত ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বালি পাচারের সঙ্গে যুক্ত অন্যদের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে নদী থেকে বেআইনিভাবে বালি তোলা এবং তা পাচারের ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ধৃত ছয়জনকে রবিবার বসিরহাট আদালতে পেশ করা হয়। নদী থেকে বেআইনিভাবে বালি উত্তোলন বন্ধ করতে আগামী দিনেও পুলিশের অভিযান চলবে বলে জানা গিয়েছে।
সভাপতি বদলেই বড় ভাঙন বসিরহাটে, কংগ্রেসে যোগ ৫০০ কর্মীর*
*বসিরহাট:* দায়িত্ব নিয়েই বড় চমক দিলেন বসিরহাট জেলা কংগ্রেসের নবনির্বাচিত সভাপতি আবু ইসহাক গাজী ওরফে বাবু গাজী। শনিবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনায় বসিরহাটকে পৃথক সাংগঠনিক জেলা ঘোষণা করে তাঁকে সভাপতি করা হয়।

দীর্ঘ ৩৫ বছরের কংগ্রেস নেতা বাবু গাজী দায়িত্ব নিয়েই সংগঠন গোছানোর কাজ শুরু করেন। বসিরহাট চৌমাথার একটি কমিউনিটি হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাম, তৃণমূল ও আইএসএফ ছেড়ে প্রায় ৫০০ নেতা-কর্মী কংগ্রেসে যোগ দেন বলে দলীয় দাবি।

নতুন সভাপতির হাত থেকেই তাঁরা দলীয় পতাকা তুলে নেন। যোগদানকারীদের দাবি, বিজেপিকে রুখতে কংগ্রেসই ভরসা।

বাবু গাজী জানান, বসিরহাটে সংগঠন দুর্বল। পুরনো কর্মীদের সক্রিয় করা এবং বুথ স্তর পর্যন্ত সংগঠন মজবুত করাই তাঁর প্রথম লক্ষ্য। একদিনে এত যোগদানে জেলার রাজনীতিতে নতুন চর্চা শুরু হয়েছে।

ছবি:সৌজন্যে সৌমাভ মণ্ডল।
গণেশ পুজোর জেরে ভেন্যু বদল, ইস্টবেঙ্গল-মহামেডান মহারণ এবার কল্যাণীতে
*খেলা*


*কলকাতা:* কলকাতা ফুটবল লিগের সুপার সিক্সের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচ ইস্টবেঙ্গল বনাম মহামেডান স্পোর্টিংয়ের ভেন্যুতে বড়সড় বদল আনল আইএফএ।

পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার দুপুর ৩টে থেকে বারাসাত স্টেডিয়ামে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সেই মতোই প্রস্তুতি নিচ্ছিল দুই দল।

কিন্তু শেষ মুহূর্তে গণেশ পুজোকে কেন্দ্র করে বারাসাতে ম্যাচ আয়োজনে আপত্তি জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। উৎসবের ভিড় ও আইনশৃঙ্খলা জনিত কারণে বারাসাতে ওই দিন ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব নয় বলে জানানো হয়।

এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তন করতে হল ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে (IFA)। রবিবার এক সরকারি বিবৃতিতে IFA-র তরফে জানানো হয়েছে, বারাসতের পরিবর্তে ম্যাচটি এবার অনুষ্ঠিত হবে কল্যাণী স্টেডিয়ামে।

তবে ভেন্যু বদলালেও ম্যাচের দিনক্ষণ ও সময়ে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। নির্ধারিত দিন অর্থাৎ সোমবার দুপুর ৩টেতেই কল্যাণীতে মুখোমুখি হবে দুই প্রধান।

ছবি: AI দ্বারা নির্মিত।