/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz কলকাতা লিগে ফের জয় মহামেডানের, কালীঘাটকে ২-১ গোলে হারাল সাদা-কালো ব্রিগেড West Bengal Bangla
কলকাতা লিগে ফের জয় মহামেডানের, কালীঘাটকে ২-১ গোলে হারাল সাদা-কালো ব্রিগেড
*খেলা*

*কলকাতা লিগ*
*নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা:* কলকাতা ফুটবল লিগে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। আজ মহামেডান মাঠে কালীঘাট এসএলএ-কে ২-১ গোলে হারাল তারা।

ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় মহামেডান। অধিনায়ক মহীতোষ ঠান্ডা মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।

প্রথমার্ধের বিরতির আগেই ব্যবধান বাড়ায় মহামেডান। লালথানকিমা গোল করে স্কোর ২-০ করেন।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে কালীঘাট এবং একটি গোল শোধও করে। তবে শেষ পর্যন্ত মহামেডানের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। ২-১ ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচ।

এই জয়ের ফলে ১০ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ছবি:সঞ্জয় হাজরা।
সমবায় ইস্যুতে মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর, মহিলা ক্ষমতায়নে জোর

*নিজস্ব সংবাদদাতা,মধ্যমগ্রাম, ৩১ আগস্ট:* উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে মহিলা কো-অপারেটিভ সোসাইটির ৩৫তম প্রতিষ্ঠা দিবসে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে আর্থিক সমৃদ্ধিতে সমবায়ের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, "মহিলাদের আর্থিক ক্ষমতায়নের মূলে সমবায়। আমরা চাই এই সমবায় ব্যাঙ্কের মর্যাদা পাক। কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্য সমবায়ে সেতুবন্ধনের কাজ করবে।"

এদিন সমবায় ইস্যুতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র নিশানা করেন তিনি। বলেন, "গত ১৫ বছরে সমবায় আন্দোলন অবহেলিত হয়েছে। রাজ্যে গত ১৫ বছর সমবায়ে কোনও নির্বাচন হয়নি। সমবায় হল বিকল্প অর্থনীতি, আগের সরকার বোঝার চেষ্টা করেনি। বোঝাতে গেলেই বলতেন, আমি সব জানি। প্রায় দু'হাজার সমবায় কাজ করছে না।"

অন্যদিকে, এদিন অনুষ্ঠানের বাইরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি মহিলা মোর্চা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পাওয়া এবং এসআইআর-এ নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ নিয়ে শতাধিক মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাতে জড়ো হন। তাঁদের অভিযোগ, পুরসভায় গেলে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।

তবে এরই মধ্যে স্বপ্না দাস নামে এক বৃদ্ধা বলেন,"বাবা, বাবা, দাঁড়াও" বলে ডাকতেই থমকে দাঁড়ান মুখ্যমন্ত্রী। স্বপ্নাদেবী তাঁকে আশীর্বাদ করে বলেন, "আমার অন্নপূর্ণা চাই না, বার্ধক্য ভাতাও চাই না, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পেরেছি এতেই আমি ধন্য।"

এদিনের অনুষ্ঠানে মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষও উপস্থিত ছিলেন। *ছবি:অঙ্কিত মুখার্জি।*
২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগে SSC-কে স্বস্তি, সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৭ সালের মে মাস করল সুপ্রিম কোর্ট*
*সুপ্রিম কোর্ট*


*নয়াদিল্লি:* রাজ্যের ২৬ হাজার শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী নিয়োগে বড় স্বস্তি পেল স্কুল সার্ভিস কমিশন। নির্ধারিত সময়ে নিয়োগ শেষ করা সম্ভব নয় জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল রাজ্য ও কমিশন। সোমবার বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ সেই আবেদন মঞ্জুর করে নিয়োগ শেষ করার সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৭ সালের ৩১ মে পর্যন্ত করে দিল।

সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশ ছিল চলতি বছরের ৩১ আগস্টের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। কিন্তু ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে প্যানেল ও তথ্য যাচাইয়ের কাজ মাঝপথে স্থগিত করতে বাধ্য হয় কমিশন। সেই কারণেই অতিরিক্ত সময় চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য।

শুনানিতে কমিশনের আইনজীবীরা জানান, সংরক্ষণ সংক্রান্ত জটের কারণে সময়মতো নিয়োগ শেষ করা যায়নি। সব দিক খতিয়ে দেখে আদালত ৯ মাস সময় বাড়িয়ে দেয়। তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এটাই শেষ সুযোগ। এর পর আর কোনও বাড়তি সময় দেওয়া হবে না।

এই সিদ্ধান্তে সাময়িক আইনি জট কাটলেও চাকরিপ্রার্থীদের অপেক্ষা আরও বাড়ল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কমিশনের দাবি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ৩৩টি বিষয়ের মধ্যে ২১টির কাউন্সেলিং শেষ হয়েছে এবং ৩৫৮৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। নবম-দশমের ইন্টারভিউ তালিকাও প্রস্তুত।
नाबालिग बेटी से दुष्कर्म: पिता की उम्रकैद की सजा बरकरार, कलकत्ता हाईकोर्ट का कड़ा रुख

*कोलकाता, 31 अगस्त:* नाबालिग बेटी के साथ बार-बार दुष्कर्म करने के दोषी पिता की उम्रकैद की सजा को कलकत्ता हाईकोर्ट ने बरकरार रखा है।

न्यायमूर्ति शम्पा सरकार और न्यायमूर्ति प्रसेनजीत बिस्वास की खंडपीठ ने सुनवाई के दौरान अहम टिप्पणी की। पीठ ने कहा कि जिस व्यक्ति से बच्चे को "देखभाल, स्नेह और सुरक्षा" मिलने की उम्मीद होती है, वही जब उस रिश्ते का दुरुपयोग डर और नियंत्रण के लिए करता है, तो अपराध की गंभीरता और भी बढ़ जाती है।

अदालत ने कहा कि पिता को रक्षक माना जाता है। जब वही रक्षक भक्षक बन जाए, तो इस अपराध को हल्के में लेने की कोई गुंजाइश नहीं है। मामले में यह भी उल्लेख है कि पीड़िता गर्भवती भी हो गई थी।

इन्हीं कारणों से हाईकोर्ट ने निचली अदालत द्वारा दी गई उम्रकैद की सजा को बरकरार रखा।
নৈহাটিতে টোটো নিয়ন্ত্রণে কড়া পদক্ষেপ, আরবিসি রোডে নিষেধাজ্ঞা

*নিজস্ব সংবাদদাতা,নৈহাটি, ৩১ আগস্ট:* আগামীকাল থেকে নৈহাটি শহরে টোটো চলাচলে নিয়ন্ত্রণ শুরু হচ্ছে। আজ নৈহাটির ব্যস্ততম রামকৃষ্ণ মোড়ে নতুন ট্রাফিক বুথের উদ্বোধন করে একথা জানালেন ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি ট্রাফিক রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, আরবিসি রোডে টোটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ নিয়ে ধারাবাহিক প্রচারও চালানো হয়েছে। টোটোর জন্য শহরের ভিতরের রাস্তায় নির্দিষ্ট রুট করে দেওয়া হয়েছে।

এদিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীজপুরের এসিপি সৌম্যেন্দু সরকার, নৈহাটির এসিপি দেবাশিস দাস এবং কাঁপা ট্রাফিক গার্ডের আধিকারিক কুতুবউদ্দিন মোল্লা। ছবি:প্রবীর রায়।
কাস্টমসকে হারিয়ে সুপার সিক্সে ইস্টবেঙ্গল
*খেলা*

*কলকাতা ফুটবল লিগ*



*নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা* : কাস্টমসকে ২-০ গোলে হারিয়ে কলকাতা লিগের সুপার সিক্সে জায়গা করে নিল ইস্টবেঙ্গল। রবিবার দুপুরে ইস্টবেঙ্গল মাঠে ৯ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল লাল-হলুদ ব্রিগেড।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ইস্টবেঙ্গল। মাত্র ৪ মিনিটে প্রথম গোল আসে। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে বক্সে ঢোকেন অধিনায়ক তন্ময় দাস, তাঁর পাস থেকে গোল করেন মনোতোষ মাজি। ৩৬ মিনিটে দ্বিতীয় গোল। কাস্টমস ডিফেন্ডার মনোরঞ্জন সিংয়ের ভুলে বল পেয়ে ব্যবধান বাড়ান আকাশ হেমব্রম।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে কাস্টমস, কিন্তু ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল শোধ হয়নি। ৭২ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন মনোরঞ্জন, ১০ জনে হয়ে পড়ে কাস্টমস। শেষ দিকে সুযোগ নষ্ট করেন মহম্মদ বিলালরা, ফলে ২-০ ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচ।

ছবি: সৌজন্যে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব।
সবুজ-মেরুনে স্কটিশ ঝড়: কলকাতায় লি এরউইন
*খেলা*


*সোমবার রাতেই শহরে পৌঁছচ্ছেন ৬ ফুট ২ ইঞ্চির স্ট্রাইকার, মঙ্গলবার থেকে অনুশীলনে*

*নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা:* অপেক্ষার অবসান। মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের আক্রমণভাগে নতুন অস্ত্র স্কটিশ স্ট্রাইকার লি হ্যারি এরউইন। সোমবার রাতেই কলকাতায় পা রাখছেন ৩২ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। মঙ্গলবার থেকেই কোচ পানাগিয়োটিস দিমপেরিসের তত্ত্বাবধানে দলের অনুশীলনে যোগ দেবেন তিনি।

ছয় ফুট দুই ইঞ্চি উচ্চতার এরউইন মূলত বক্স স্ট্রাইকার। শরীরের জোরে রক্ষণ ভেঙে জায়গা তৈরি করা, বল হোল্ড করা এবং সুযোগ পেলেই গোলে শট নেওয়াই তাঁর প্রধান বৈশিষ্ট্য। উচ্চতার জন্য সেট-পিসেও বিপক্ষের কাছে বাড়তি আতঙ্ক হয়ে উঠতে পারেন তিনি।

ক্লাব সূত্রে খবর, এরউইনকে বেছে নেওয়ার অন্যতম কারণ তাঁর বিশাল অভিজ্ঞতা। স্কটল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১৮ এবং অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলে খেলেছেন তিনি। ক্লাব কেরিয়ারে মাদারওয়েল, কিলমারনক, রস কাউন্টি, সেন্ট মিরেনের মতো স্কটিশ ক্লাব ছাড়াও ইংল্যান্ডের লিডস ইউনাইটেড, বুরি এবং ওল্ডহ্যাম অ্যাথলেটিকের জার্সি গায়ে চাপিয়েছেন। খেলেছেন ইরানের ট্র্যাক্টর, ফিনল্যান্ডের হাকা, লেবাননের আহেদ এবং জর্ডনের আল ফয়সলির হয়েও।

গত মরশুমে আল ফয়সলির হয়ে ৫টি গোল করেছেন এরউইন। সেখানে তাঁর সতীর্থ ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলার হিজাজি মাহের। ফলে কলকাতার ফুটবল সম্পর্কে আগাম ধারণা নিয়েই শহরে আসছেন এই স্কটিশ তারকা।

ছবি:সৌজন্যে এক্স।
আইএসএল শুরুর আগেই দলবদলে বাজিমাত লাল-হলুদের*
*খেলা*

*ইস্টবেঙ্গলে রেনিয়ার ফার্নান্দেজ*


*নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা* : আইএসএল শুরু হতে এখনও দেরি। তার আগেই দলবদলের বাজারে ফের বাজিমাত করল ইস্টবেঙ্গল। প্রাক্তন মুম্বই সিটি এফসি এবং জাতীয় দলের মিডফিল্ডার রেনিয়ার ফার্নান্দেজকে এক বছরের চুক্তিতে সই করাল লাল-হলুদ শিবির।

ভারতীয় ফুটবলে অত্যন্ত পরিচিত নাম রেনিয়ার। আইএসএলে খেলার বিস্তর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। মুম্বই সিটি এফসি, এফসি গোয়া, জামশেদপুর এফসি-সহ একাধিক ক্লাবের জার্সিতে খেলেছেন এই সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দুই মরশুম মোহনবাগানের হয়েও খেলেছেন রেনিয়ার। সবুজ-মেরুন জার্সিতে ১৯টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। এরপর পাঁচ বছর মুম্বই সিটিতে কাটান। ২০২২ এবং ২০২৫ সালে লোনে ওড়িশা এফসির হয়েও খেলেছেন। গত মরশুমে জামশেদপুর এফসিতে ছিলেন তিনি।

জাতীয় দলের হয়েও ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ৫টি ম্যাচ খেলেছেন রেনিয়ার। কেরিয়ারে মোট ৭টি গোল করেছেন, যার মধ্যে ৪টিই এসেছে গত মরশুমে।

ক্লাব সূত্রে খবর, এবার ট্রফি ধরে রাখাই লক্ষ্য। গত মরশুমে ২৩ বছর পর আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ডুরান্ড কাপ ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান সুপারজায়ান্টকে ৪-১ গোলে হারিয়ে ২২ বছর পর ১৭তম ডুরান্ড খেতাব ঘরে তুলেছে লাল-হলুদ। সামনে আইএসএল, সুপার কাপ এবং আইএফএ শিল্ড। তাই মাঝমাঠে গভীরতা বাড়াতেই রেনিয়ারকে দলে নেওয়া। ইতিমধ্যেই ৬ জন বিদেশি ফুটবলারকে চূড়ান্ত করেছে ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট। রেনিয়ারের অন্তর্ভুক্তিতে আরও শক্তিশালী হল কোচ হাবাসের দল।

ছবি: AI নির্মিত
कोलकाता हाईकोर्ट की अहम टिप्पणी: दांपत्य कलह में पूरे परिवार पर केस हो तो अदालत करे कड़ी निगरानी

*कोलकाता:* वैवाहिक रिश्तों में खटास कई बार एक बारीक लकीर पार कर दीवानी विवाद से 'परेशान करने वाले' फौजदारी केस में बदल जाती है। जब एक पक्ष के दीवानी उपाय अपनाने के बाद दूसरे पक्ष के पूरे परिवार पर गंभीर सजा वाली धाराओं में आपराधिक मामला दर्ज किया जाता है, तो अदालत को सख्त न्यायिक निगरानी रखना बेहद जरूरी है। कलकत्ता हाईकोर्ट ने यह अहम टिप्पणी की है।

हाल ही में जस्टिस उदय कुमार की बेंच में एक मामले की सुनवाई के दौरान यह टिप्पणी की गई।

अदालत ने कहा कि जब पति-पत्नी के निजी विवाद को लेकर पति के पूरे परिवार पर दुष्कर्म, दहेज उत्पीड़न, मारपीट, धोखाधड़ी, धमकी और दहेज विरोधी कानून के तहत केस दर्ज होता है, तो निचली अदालत को ज्यादा सतर्क रहना होगा। दीवानी विवाद से फौजदारी मामले तक पहुंचने की इस नाजुक सीमा रेखा को अदालत को बेहद सावधानी से देखना होगा।

हालांकि अदालत ने यह भी साफ किया कि इस सतर्कता के नाम पर हाईकोर्ट शुरुआती स्तर पर ही निचली अदालत की तरह सबूतों की गहराई में जाकर 'मिनी ट्रायल' नहीं कर सकता। एक बार पुलिस जांच पूरी कर चार्जशीट पेश कर दे, जिसमें धारा 164 के तहत शिकायतकर्ता का बयान, धारा 161 के तहत गवाहों के बयान और मेडिकल रिपोर्ट हो, तो उसकी अहमियत तय करना पूरे ट्रायल का विषय है।

बता दें कि 2022 में शादी करने वाले एक दंपति के मामले में ही हाईकोर्ट ने यह टिप्पणी की है। हालांकि आरोपियों की चार्जशीट रद्द करने की अर्जी कोर्ट ने खारिज कर दी है, लेकिन ट्रायल के दौरान उन्हें अपना पक्ष रखने का पूरा मौका मिलेगा।
।। সন্দেশখালিতে এনএসজির মক ড্রিল, হোটেলে পণবন্দি পর্যটক উদ্ধারে মহড়া ।‌।
বসিরহাট : সন্দেশখালির ধামাখালিতে হঠাৎ এনএসজি কমান্ডোদের তৎপরতা। একটি হোটেলে জঙ্গিরা পর্যটকদের অপহরণ করে পণবন্দি করেছে এমন কাল্পনিক খবরের ভিত্তিতে শনিবার ধামাখালির একটি গেস্ট হাউসে বিশেষ মক ড্রিল চালালো ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড বা এনএসজি। বসিরহাটের সন্দেশখালি থানার কাছে খবর আসে, ধামাখালির একটি হোটেলে বেশ কয়েকজন পর্যটককে অপহরণ করে আটকে রেখেছে জঙ্গিরা। খবর পাওয়ার পর পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে এনএসজিকে জানানো হয়। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন এনএসজির বিশেষ প্রশিক্ষিত কমান্ডোরা। গেস্ট হাউসটি ঘিরে ফেলে শুরু হয় অপারেশন।
মহড়ায় দেখানো হয়, কীভাবে জঙ্গিদের হাতে পণবন্দি থাকা পর্যটকদের নিরাপদে উদ্ধার করা যায় এবং একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদীদের মোকাবিলা করা সম্ভব। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করে এনএসজি কমান্ডোদের একটি দল গেস্ট হাউসের ভিতরে প্রবেশ করে। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে গিয়ে তারা প্রথমে পণবন্দি পর্যটকদের উদ্ধার করেন এবং পরে জঙ্গিদের পরাস্ত করে আটক করেন। পুরো ঘটনাটিই ছিল পূর্বপরিকল্পিত মক ড্রিল। ভরদুপুরে ধামাখালির একটি হোটেল ঘিরে এনএসজির কমান্ডোদের এমন তৎপরতা দেখে স্থানীয়দের মধ্যে প্রথমে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই বুঝতে পারেননি, আদতে সেখানে কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছে কি না। পরে জানা যায়, এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রস্তুতি যাচাই এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয় পরীক্ষা করার জন্য আয়োজন করা মহড়া।
বিশেষ করে পর্যটনকেন্দ্রিক এলাকা হিসেবে ধামাখালির মতো জায়গায় কোনও জঙ্গি হামলা বা পণবন্দি পরিস্থিতি তৈরি হলে কীভাবে দ্রুত মোকাবিলা করা হবে, সেই প্রস্তুতিই এই মহড়ার অন্যতম উদ্দেশ্য। স্থানীয় পুলিশের পাশাপাশি দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সন্ত্রাসদমন বাহিনী এনএসজির অংশগ্রহণে এই মহড়া হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রস্তুতির বিষয়টিও সামনে এসেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেই কলকাতার কালীঘাট মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও পর্যালোচনা করেছিল এনএসজি ও কলকাতা পুলিশের বিশেষ দল। কালীঘাটে কয়েকদিন ধরে নিরাপত্তা পর্যালোচনা ও রেইকি চালানোর পর এবার সন্দেশখালির ধামাখালিতে পণবন্দি পরিস্থিতি তৈরি হলে কীভাবে দ্রুত অভিযান চালানো হবে, তারই বাস্তবসম্মত মহড়া হল। ফলে ধামাখালিতে শনিবারের এই মক ড্রিল শুধু একটি মহড়া নয়, জরুরি পরিস্থিতিতে স্থানীয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বিশেষ বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদে উদ্ধারের প্রস্তুতিও যাচাই করে নিল।