/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz *"গদ্দার" আখ্যা দিয়ে নৈহাটি-ভাটপাড়ায় পার্থ ভৌমিকের বিরুদ্ধে পোস্টারে ছয়লাপ* West Bengal Bangla
*"গদ্দার" আখ্যা দিয়ে নৈহাটি-ভাটপাড়ায় পার্থ ভৌমিকের বিরুদ্ধে পোস্টারে ছয়লাপ*

সংবাদদাতা, ব্যারাকপুর: তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিককে "গদ্দার" আখ্যা দিয়ে শুক্রবার নৈহাটি জুড়ে ছয়লাপ হল পোস্টারে।ভাটপাড়ার একাংশেও একই ধরনের পোস্টার পড়েছে। পার্থ ভৌমিকের ছবি দিয়ে পোস্টারে বড় করে লেখা "এই গদ্দার থেকে সাবধান"। পোস্টারের নিচে উল্লেখ রয়েছে, "সৌজন্যে: ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের নাগরিকবৃন্দ"।কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। যদিও ঘটনার দায় কেউ স্বীকার করেনি।

পোস্টার ইস্যুতে শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন বীজপুরের বিজেপির বিধায়ক সুদীপ্ত দাস।সুদীপ্ত দাস বলেন, "২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি দলের শোচনীয় পরাজয় হয়। চারিদিকে কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন, মার খেয়েছেন। তবুও অর্জুন সিং এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাননি। উল্টে তাঁর বাড়িতে কর্মীদের আশ্রয় দিয়েছেন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও ফের দলের পরাজয় ঘটে। তথাপি এলাকায় থেকে দলীয় নেতা অর্জুন সিং আক্রান্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এটাই দলের প্রতি ভালোবাসা।"

পোস্টার প্রসঙ্গে তাঁর সাফ জবাব, "অন্য দলের নেতারা কেমন, সেটা আমার জানা নেই। তবে কে বেইমান, কেন বেইমান, যারা পোস্টার মেরেছেন তারাই ভালো বলতে পারবেন।"

পোস্টারকে ঘিরে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

ছবি ও লেখা: প্রবীর রায়।

ডার্বির হতাশা ভুলে টানা দ্বিতীয় জয় ইস্টবেঙ্গলের, সাউথ ইউনাইটেডকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিল লাল-হলুদ
খেলা
*কলকাতা:* কলকাতা ডার্বির হতাশা কাটিয়ে টানা দ্বিতীয় জয়ের স্বাদ পেল ইস্টবেঙ্গল।সিআইএসএফ প্রোটেক্টরসকে হারানোর পর শুক্রবার সাউথ ইউনাইটেড এফসিকেও ৫-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিল আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল। তবে এত বড় জয়ের পরও ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয় লাল-হলুদের।

ডার্বিতে হারের পর টানা দুই ম্যাচ জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ভালো জায়গায় রয়েছে ইস্টবেঙ্গল। সাউথ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে গোল করেন দানি রামিরেজ়, মহম্মদ রশিদ, হার্দিক ভাট, বিপিন সিং এবং বদলি হিসেবে নামা ডেভিড।

এই জয়ের ফলে গোল পার্থক্য বেড়ে হয়েছে +১২। দ্বিতীয় সেরা দল হিসেবে শেষ আটে ওঠার দৌড়ে এই বিশাল গোল পার্থক্য ইস্টবেঙ্গলকে অনেকটাই এগিয়ে রাখল।

তবে,জামশেদপুর এফসি, সাম্বলেশ্বরী, ল্যাংসিং এবং নেভি এখনও কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে রয়েছে। ফলে অন্য গ্রুপের ফলাফলের উপরেও নজর রাখতে হবে লাল-হলুদ শিবিরকে।

এদিন ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত বাঁকানো শটে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার দানি রামিরেজ়। মহম্মদ রশিদের পাস থেকে বল পেয়ে নিখুঁত নিয়ন্ত্রণে গোলমুখে পাঠান তিনি।

গত আইএসএল-এ মিগুয়েলের বিদায়ের পর দানি-কে ঘিরে প্রশ্ন ছিল। ডুরান্ডে ক্রমশ নিজের সেরাটা তুলে ধরে এখন তিনিই দলের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠছেন।
ছবি: সঞ্জয় হাজরা।
মামুদপুরের কৃষক বাজারে প্রাণ ফেরালেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, বেসরকারি দুগ্ধ বিপনন কেন্দ্রের উদ্বোধন

*নিজস্ব প্রতিনিধি:* দীর্ঘদিন ধরে ফাঁকা পড়ে থাকা উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল বিধানসভার মামুদপুর কৃষক বাজারে অবশেষে প্রাণ ফিরল। সরকার বদলের পর এই প্রথম পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ শুক্রবার মামুদপুর কৃষক বাজারে এসে একাধিক বিপনন কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন।

তৃণমূল সরকারের আমলে ঘটা করে এই কৃষক বাজারের উদ্বোধন হলেও বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। পরিকাঠামো তৈরি হলেও ক্রেতা-বিক্রেতার অভাবে এতোদিন তা কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়েছিল।

এদিন মন্ত্রী প্রথমে বেসরকারি সংস্থা আমূলের দুগ্ধজাত সামগ্রীর একটি বিপনন স্টোরের ফিতে কাটেন। এরপর তিনি কৃষক বাজারের ভিতরে গড়ে ওঠা বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর স্টল ঘুরে দেখেন এবং মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, "এই কৃষক বাজারের মূল উদ্দেশ্য হল স্থানীয় চাষীদের সাহায্য করা। আশেপাশের এলাকার কৃষকরা এখানে তাঁদের উৎপাদিত শাকসবজি, ফল এবং অন্যান্য কৃষিজাত পণ্য ন্যায্য মূল্যে সরাসরি বিক্রি করতে পারবেন। তাঁদের আর দূরে হাট-বাজারে ছুটতে হবে না।"

তিনি আরও বলেন, "পাশাপাশি গ্রামের মহিলারা তাঁদের হাতের তৈরি বিভিন্ন জিনিস, কুটির শিল্পের সামগ্রী এখানে এনে বিক্রি করতে পারবেন। এর ফলে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা আরও বেশি স্বনির্ভর হয়ে উঠবেন এবং সংসারে আর্থিক সচ্ছলতা আসবে।"

রাজ্যের কৃষক বাজারগুলির বেহাল দশার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, "রাজ্যে মোট ১৮৬টি কৃষক মান্ডি রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১০০টিই সম্পূর্ণ অচল অবস্থায় পড়ে আছে। আমরা চাই এই সমস্ত কৃষক বাজারগুলিকে ফের চালু করে চাষীদের কাজে লাগানো।"

তিনি আশ্বাস দেন, "আগামী দিনে মামুদপুরের মতো রাজ্যের অন্যান্য কৃষক বাজারগুলিতেও এই ধরনের বেসরকারি বিপনন কেন্দ্র এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর স্টল খোলা হবে। যাতে কৃষক এবং গ্রামীণ মহিলারা সরাসরি উপকৃত হন।"

স্থানীয় চাষী ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা দীর্ঘদিন পর কৃষক বাজারে এই উদ্যোগ দেখে খুশি। তাঁদের আশা, এই বিপন কেন্দ্র চালু হলে তাঁদের আয় বাড়বে এবং এলাকার অর্থনীতিও চাঙ্গা হবে। ছবি:প্রবীর রায়।
খেলা* *পুরুষ জুনিয়র এশিয়া কাপ ২০২৬-এর জন্য ভারতীয় দলে সুযোগ পেলেন পঞ্জাবের গুরসেবক সিং*
*স্পোর্টস ডেস্ক :* রাউন্ডগ্লাস হকি অ্যাকাডেমির ফরোয়ার্ড গুরসেবক সিং এশিয়ান হকি ফেডারেশনের জুনিয়র এশিয়া কাপ ২০২৬-এর জন্য ভারতীয় জুনিয়র পুরুষ হকি দলে সুযোগ পেয়েছেন। আগামী ৩০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চিনের মোকিতে এই প্রতিযোগিতা হবে।

হকি ইন্ডিয়া মহাদেশীয় প্রতিযোগিতার জন্য যে ১৮ জনের দল ঘোষণা করেছে, গুরসেবক তাঁদের মধ্যে রয়েছেন। দলের অধিনায়ক করা হয়েছে ডিফেন্ডার অনমোল এক্কাকে। এটি ভারতীয় জুনিয়র জাতীয় দলের সঙ্গে গুরসেবকের ক্রমবর্ধমান অগ্রগতির আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

২০২৪ সালেই প্রথমবার জাতীয় জুনিয়র দলের নজরে আসেন গুরসেবক। ২০২৪ সালের মে মাসে ভারতীয় জুনিয়র পুরুষ দলের ইউরোপ সফরের পর, জুনে অনুষ্ঠিত জুনিয়র পুরুষ জাতীয় কোচিং ক্যাম্পের জন্য হকি ইন্ডিয়ার ৪০ জনের কোর সম্ভাবনাময় তালিকায় তাঁর নাম ছিল। ওই ইউরোপ সফরে ভারতীয় দল বেলজিয়াম, জার্মানি এবং ডাচ ক্লাব ব্রেডাসে হকি ভেরেনিগিং পুশের বিরুদ্ধে পাঁচটি ম্যাচ খেলে।

ঘরোয়া স্তরেও গুরসেবকের পারফরম্যান্স ধারাবাহিকভাবে নজর কেড়েছে। রাউন্ডগ্লাস হকি অ্যাকাডেমির অন্যতম প্রধান খেলোয়াড় হিসেবে তিনি জাতীয় অ্যাকাডেমি প্রতিযোগিতায় সফল দলের নেতৃত্বও দিয়েছেন। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম হকি ইন্ডিয়া জুনিয়র ও সাব-জুনিয়র পুরুষ অ্যাকাডেমি চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে তিনি একাই ৪ টি গোল করেন।

চলতি বছরের জুলাইয়েও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা হয়েছে গুরসেবকের। ৫ থেকে ১৮ জুলাই বেলজিয়াম সফরে ভারতীয় জুনিয়র দল অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে খেলে।

গুরসেবকের এই নির্বাচন রাউন্ডগ্লাস হকি অ্যাকাডেমির উন্নয়ন ব্যবস্থা এবং ভারতীয় জুনিয়র দলে তাঁর ধারাবাহিক অগ্রগতিরই ফল। জুনিয়র এশিয়া কাপে এশিয়ার শীর্ষ জুনিয়র দলগুলি অংশ নেবে। মোকিতে ভারতের লক্ষ্য থাকবে শক্তিশালী পারফরম্যান্স। গুরসেবকের কাছে এটি মহাদেশীয় স্তরে অভিজ্ঞতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে আরও প্রতিষ্ঠিত করার বড় সুযোগ।

ছবি:সংগৃহীত।
খেলা পুরুষ জুনিয়র এশিয়া কাপ ২০২৬-এর জন্য ভারতীয় দলে সুযোগ পেলেন পঞ্জাবের গুরসেবক সিং


*স্পোর্টস ডেস্ক :* রাউন্ডগ্লাস হকি অ্যাকাডেমির ফরোয়ার্ড গুরসেবক সিং এশিয়ান হকি ফেডারেশনের জুনিয়র এশিয়া কাপ ২০২৬-এর জন্য ভারতীয় জুনিয়র পুরুষ হকি দলে সুযোগ পেয়েছেন। আগামী ৩০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চিনের মোকিতে এই প্রতিযোগিতা হবে।

হকি ইন্ডিয়া মহাদেশীয় প্রতিযোগিতার জন্য যে ১৮ জনের দল ঘোষণা করেছে, গুরসেবক তাঁদের মধ্যে রয়েছেন। দলের অধিনায়ক করা হয়েছে ডিফেন্ডার অনমোল এক্কাকে। এটি ভারতীয় জুনিয়র জাতীয় দলের সঙ্গে গুরসেবকের ক্রমবর্ধমান অগ্রগতির আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

২০২৪ সালেই প্রথমবার জাতীয় জুনিয়র দলের নজরে আসেন গুরসেবক। ২০২৪ সালের মে মাসে ভারতীয় জুনিয়র পুরুষ দলের ইউরোপ সফরের পর, জুনে অনুষ্ঠিত জুনিয়র পুরুষ জাতীয় কোচিং ক্যাম্পের জন্য হকি ইন্ডিয়ার ৪০ জনের কোর সম্ভাবনাময় তালিকায় তাঁর নাম ছিল। ওই ইউরোপ সফরে ভারতীয় দল বেলজিয়াম, জার্মানি এবং ডাচ ক্লাব ব্রেডাসে হকি ভেরেনিগিং পুশের বিরুদ্ধে পাঁচটি ম্যাচ খেলে।

ঘরোয়া স্তরেও গুরসেবকের পারফরম্যান্স ধারাবাহিকভাবে নজর কেড়েছে। রাউন্ডগ্লাস হকি অ্যাকাডেমির অন্যতম প্রধান খেলোয়াড় হিসেবে তিনি জাতীয় অ্যাকাডেমি প্রতিযোগিতায় সফল দলের নেতৃত্বও দিয়েছেন। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম হকি ইন্ডিয়া জুনিয়র ও সাব-জুনিয়র পুরুষ অ্যাকাডেমি চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে তিনি একাই ৪ টি গোল করেন।

চলতি বছরের জুলাইয়েও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা হয়েছে গুরসেবকের। ৫ থেকে ১৮ জুলাই বেলজিয়াম সফরে ভারতীয় জুনিয়র দল অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে খেলে।

গুরসেবকের এই নির্বাচন রাউন্ডগ্লাস হকি অ্যাকাডেমির উন্নয়ন ব্যবস্থা এবং ভারতীয় জুনিয়র দলে তাঁর ধারাবাহিক অগ্রগতিরই ফল। জুনিয়র এশিয়া কাপে এশিয়ার শীর্ষ জুনিয়র দলগুলি অংশ নেবে। মোকিতে ভারতের লক্ষ্য থাকবে শক্তিশালী পারফরম্যান্স। গুরসেবকের কাছে এটি মহাদেশীয় স্তরে অভিজ্ঞতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে আরও প্রতিষ্ঠিত করার বড় সুযোগ।

ছবি:সংগৃহীত।
নতুন নিয়ম মেনেই এসএসি নিয়োগ, 'দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স' জানাল রাজ্য, ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ
*কলকাতা:* ২০২৫ সালে তৈরি হওয়া নতুন নিয়ম মেনেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে কলকাতা হাইকোর্টে জানাল রাজ্য সরকার। পাশাপাশি নিয়োগে 'দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স' নীতি বজায় রাখার কথাও স্পষ্ট করা হয়েছে।

শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে এসএলএসটি নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই কমিশনের তরফে অবস্থান জানানো হয়। রাজ্যের সিনিয়র স্ট্যান্ডিং কাউন্সেল নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, "সরকারের একটাই অবস্থান, দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স। ২০২৫ সালের নিয়ম অনুযায়ীই দ্বিতীয় এসএলএসটি নিয়োগ হবে।"

তৃণমূল সরকারের আমলে এসএসসি নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। দুর্নীতির জেরে সুপ্রিম কোর্ট ২০১৬ সালের সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল করে দেয়। নতুন করে নিয়োগের নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। সেই মতো ২০২৫ সালে নতুন নিয়ম তৈরি করে কমিশন এবং নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু অনেক চাকরিপ্রার্থী নতুন নিয়মকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যান। তাঁদের বক্তব্য, ২০১৬ সালের নিয়োগ ২০১৬ সালের নিয়মেই করতে হবে।

বিচারপতি সিনহা বলেন, নতুন নিয়োগবিধিতে বয়সে ছাড়, শূন্যপদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও নম্বর সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে আপত্তি রয়েছে। কমিশনকে সেই সব বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে ওবিসি সংরক্ষণ। আগে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ১৭ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল। হাইকোর্ট ২০১০-এর পর দেওয়া প্রায় ৫ লক্ষ ওবিসি শংসাপত্র বাতিল করায় জটিলতা তৈরি হয়। নতুন নিয়মে ওবিসি সংরক্ষণ কমিয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, ওবিসি সংক্রান্ত নীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্য এবং এসএসসিকে একসঙ্গে বসে সমন্বয়ের ভিত্তিতে বিষয়টি চূড়ান্ত করতে হবে। তা না হলে অহেতুক জটিলতা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আদালত।মামলার পরবর্তী শুনানি ২১ আগস্ট।
*খেলা* পঞ্চম জ্যাভেলিন ডে প্রতিযোগিতা ২০২৬-এ সেরা পারফর্মার হিসেবে উঠে এল নদীয়া ডি.এস.এ.;

বিভিন্ন বিভাগে মোহনবাগান এ.সি. ও ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবের সাফল্য

*স্পোর্টস ডেস্ক:* কলকাতার সাই  স্পোর্টস কমপ্লেক্সে পশ্চিমবঙ্গ অ্যাথলেটিকস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত পঞ্চম জ্যাভেলিন ডে প্রতিযোগিতা ২০২৬-এ পুরুষ ও মহিলাদের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক বিভাগে প্রতিভার এক দুর্দান্ত প্রদর্শনী দেখা গেল। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ও ক্লাবের তরুণ অ্যাথলেটরা অত্যন্ত উদ্দীপনার সাথে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন, যা রাজ্যে জ্যাভেলিন থ্রো-এর ক্রমবর্ধমান মানকে তুলে ধরে।

নদীয়া ডি.এস.এ.এই প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে সফল জেলা হিসেবে উঠে এসেছে; তারা বিভিন্ন বয়সভিত্তিক বিভাগে তিনটি সোনা, দুটি রুপো এবং দুটি ব্রোঞ্জ পদক জয় করেছে। অনূর্ধ্ব-২০ বালক বিভাগে নারুগোপাল বিশ্বাস (৫৪.৭৪ মিটার) ও তন্ময় বৈদ্য (৫০.৫০ মিটার) যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে জেলার আধিপত্য বজায় রাখে, এবং অনূর্ধ্ব-১৬ বালক বিভাগে শিরোপা জেতেন অনির্বাণ দাস (৪৮.৩৬ মিটার)। এছাড়া, অনূর্ধ্ব-১৬ বালিকা বিভাগে বিউটি ঘোষ (২৯.১১ মিটার) আরও একটি সোনা জয় করে নদীয়ার সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক যোগ করেন।

ক্লাবগুলোর মধ্যে মোহনবাগান এ.সি. অসাধারণ পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে; শুভেন্দু মণ্ডল সিনিয়র পুরুষ বিভাগে সোনা জিতেছেন এবং ৬৪.৯১ মিটারের থ্রো-এর মাধ্যমে প্রতিযোগিতার সেরা থ্রো-টি রেকর্ড করেছেন। পুরো প্রতিযোগিতায় সব বিভাগের মধ্যে তাঁর এই থ্রো-ই ছিল সর্বোচ্চ। জুনিয়র বিভাগেও মোহনবাগান উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে, যা বাংলার অ্যাথলেটিকস জগতে ক্লাবটির শক্তিশালী অবস্থানকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পারফরম্যান্সও ছিল নজরকাড়া। দেবাশিস অধিকারী সিনিয়র পুরুষ বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন এবং সোনালী দাস অনূর্ধ্ব-২০ মহিলা বিভাগে রুপো জয় করেছেন। পাশাপাশি, ক্লাবের আরও কয়েকজন অ্যাথলেট তাঁদের নিজ নিজ ইভেন্টে শীর্ষ প্রতিযোগীদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন। মহিলাদের বিভাগে পাইওনিয়ার এস.এ.-র কোয়েল ঘোষ ২৮.৭৬ মিটার দূরত্বে জ্যাভেলিন ছুঁড়ে সিনিয়র মহিলা বিভাগে স্বর্ণপদক জয় করে এক স্মরণীয় সাফল্য অর্জন করেন। দিনের অন্যতম হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে তিনি শিলিগুড়ি এম.কে.পি.-র পারমিতা লোধকে সামান্য ব্যবধানে পরাজিত করেন; পারমিতা ২৮.৭৩ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে রৌপ্যপদক জিতে নেন।

অন্যান্য উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্সের মধ্যে ছিল হুগলি ডি.এস.এ.-র অপূর্ব পালের সাফল্য, যিনি ৫২.৬৪ মিটার দূরত্বে জ্যাভেলিন ছুঁড়ে অনূর্ধ্ব-১৮ বালক বিভাগে শিরোপা জয় করেন। এছাড়া হুগলি ডি.এস.এ.-র রিনি পাখিরা অনূর্ধ্ব-১৮ বালিকা বিভাগে এবং বালি প্রতিভা ক্লাবের তৃপ্তি টুডু অনূর্ধ্ব-২০ মহিলা বিভাগে স্বর্ণপদক জয় করেন।

এই প্রতিযোগিতাটি আবারও প্রমাণ করল যে, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ও ক্লাব থেকে জ্যাভেলিন খেলায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসছে। প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও খেলোয়াড়রা দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন; এই চ্যাম্পিয়নশিপ ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের জ্যাভেলিন থ্রোয়ার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাজ্যের অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করল। ছবি:সঞ্জয় হাজরা।
বসিরহাটে পথ নিরাপত্তা সপ্তাহের সূচনা, সচেতনতার বার্তা পুলিশের
বসিরহাট : পথ দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনতা বাড়াতে বসিরহাট পুলিশ জেলার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার আয়োজিত হলো পথ নিরাপত্তা সপ্তাহের কর্মসূচি। অনুষ্ঠান উপলক্ষে বসিরহাট টাউন হলে স্বাস্থ্য ও চক্ষু পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি নিরাপদ সড়ক ব্যবহারের বার্তা পৌঁছে দিতে পুলিশ কর্মীদের নিয়ে একটি সচেতনতামূলক বাইক র‍্যালির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ‍্য পুলিশের এডিজি-আইজিপি দক্ষিণবঙ্গ ডঃ রাজেশ কুমার সিংহ, বারাসত রেঞ্জের ডিআইজি দীনেশ কুমার, বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার অলকনন্দা ভাওয়াল, বসিরহাটের মহকুমা শাসক জসলীন কৌর ও বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক রবিউল ইসলাম গায়েন সহ পুলিশ ও প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা।
অনুষ্ঠানের সূচনায় পথ নিরাপত্তা সপ্তাহের তাৎপর্য তুলে ধরে উপস্থিত আধিকারিকরা বলেন, "সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।" ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা বজায় রাখা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি না চালানো এবং গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট ব্যবহারের ওপর। পরে বসিরহাট টাউন হল প্রাঙ্গণ থেকে উপস্থিত অতিথিরা পতাকা নেড়ে পুলিশের বাইক র‍্যালির সূচনা করেন। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে র‍্যালিটি পথচারী ও যানবাহন চালকদের উদ্দেশে নিরাপদ সড়ক ব্যবহারের বার্তা পৌঁছে দেয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ উপলক্ষে আগামী কয়েক দিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচার, ট্রাফিক বিধি সম্পর্কে প্রচারাভিযান এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হবে। প্রশাসনের আশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে পথ নিরাপত্তা সম্পর্কে মানুষের মধ্যে আরও বেশি সচেতনতা তৈরি হবে এবং সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা কমাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ছবি: সৌমাভ মণ্ডল।
৭৮ বছর পরও পাকা রাস্তার অপেক্ষায় বাদুড়িয়ার মেদিয়া, দুর্ভোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষ
*সৌমাভ মণ্ডল,বসিরহাট* : স্বাধীনতার আটাত্তর বছর পরেও উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছায়নি বসিরহাটের বাদুড়িয়া ব্লকের মেদিয়া গ্রামে। পাকা রাস্তার অভাবে প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন গ্রামবাসীরা। গ্রীষ্মে ধুলোয় ঢেকে যায় রাস্তা, আর বর্ষা এলেই কাদায় ভরা খানা-খন্দে পরিণত হয় চলাচলের একমাত্র ভরসা। ফলে নিত্যদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ, স্কুল পড়ুয়া, সাইকেল ও মোটরসাইকেল আরোহীদের। স্থানীয়দের অভিযোগ, বহু বছর ধরে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে রাস্তা নির্মাণের দাবি জানানো হলেও বাস্তবে কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি। গ্রামবাসীদের দাবি, উন্নয়নের নানা প্রকল্পের কথা শোনা গেলেও মেদিয়া গ্রাম এখনও মৌলিক পরিকাঠামো থেকে বঞ্চিত।
মেদিয়া হাই স্কুলের শিক্ষক দীপক হালদার জানান, তিনি গত কুড়ি বছর ধরে ওই স্কুলে শিক্ষকতা করছেন। এই দীর্ঘ সময়েও গ্রামের রাস্তার কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা কাদায় ভরে যায়। সেই কারণে বহু পড়ুয়া নিয়মিত স্কুলে আসতে পারে না। অসমান ও ভাঙাচোরা রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই পড়ে গিয়ে চোট পাচ্ছে ছাত্রছাত্রীরা। তিনি আরও জানান, শহর থেকে আসা একাধিক শিক্ষক শুধুমাত্র যাতায়াতের দুর্ভোগের কারণে এই স্কুল ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। গ্রামের বাসিন্দা অজিত কুমার বৈদ্য বলেন, "অতীতে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং তৎকালীন বিধায়ক কাজী আব্দুল রহিমের কাছেও একাধিকবার রাস্তা নির্মাণের আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবি বাস্তবায়িত হয়নি।" স্থানীয় যুবক সুরজ গাইনের অভিযোগ, শুধু মেদিয়া গ্রামের রাস্তা নয়, ২০০২ সালে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার আওতায় রামচন্দ্রপুর থেকে নয়াবস্তিয়া পর্যন্ত যে রাস্তা নির্মিত হয়েছিল, সেটিও দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে। তার দাবি, প্রায় ২৪ বছর ধরে ওই রাস্তার কোনও বড় ধরনের সংস্কার হয়নি। ফলে রামচন্দ্রপুর, কুলিয়া, কাকড়াসূতি এবং মেদিয়া এই চারটি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ প্রতিদিন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। ভাঙাচোরা রাস্তায় নিয়মিত যাতায়াত করতে গিয়ে মোটরসাইকেলের টায়ার ও শকারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। গ্রামবাসীদের দাবি, ২০০০ সালের ভয়াবহ বন্যায় এই এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বর্তমান রাজ্য সরকারের কাছে দ্রুত রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা। তাদের বিশ্বাস, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলেই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং প্রকৃত অর্থেই এই অঞ্চলের উন্নয়নের পথ সুগম হবে। বিষয়টি নিয়ে রামচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শফিকুল মন্ডল বলেন, "আমরা ইতিমধ্যে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি এবং রাস্তাটির টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। ২লক্ষ ৭১ হাজার টাকার টেন্ডার হয়েছে ৬ কিলোমিটার রাস্তার জন্য। তবে কিছু প্রশাসনিক জটিলতার জন্য রাস্তার কাজ আপাতত থমকে রয়েছে। আমরা চাইবো যাতে দ্রুত এই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হোক।"
'টাকার পাহাড়' কাণ্ডে চর্চিত টুলু মণ্ডল এবার হাইকোর্টে, নিরাপত্তা চেয়ে মামলা

*কলকাতা:* সম্প্রতি 'টাকার পাহাড়' কাণ্ডে নাম জড়িয়ে রাজ্য রাজনীতি ও সংবাদ শিরোনামে থাকা টুলু মণ্ডল এবার আইনি সুরক্ষা চেয়ে দ্বারস্থ হলেন কলকাতা হাইকোর্টের।

বুধবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চে নিরাপত্তা বা 'রক্ষাকবচ' চেয়ে মামলা দায়ের করেন তিনি। মামলায় টুলু মণ্ডলের দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। সেই আশঙ্কা থেকেই আদালতের কাছে পুলিশি নিরাপত্তা চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় বীরভূমের টুলু মণ্ডলের নাম সামনে আসার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজ্যজুড়ে চর্চা শুরু হয়। সেই ঘটনার জেরেই এখন তিনি আদালতের শরণাপন্ন হলেন।

বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলাটি দায়ের হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করবে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।আপাতত আদালত কী নির্দেশ দেয় সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।