/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz খেলা কলকাতা ফুটবল লিগ: মহামেডান স্পোর্টিংয়ের সঙ্গে ১-১ ড্র ওয়ারির West Bengal Bangla
খেলা কলকাতা ফুটবল লিগ: মহামেডান স্পোর্টিংয়ের সঙ্গে ১-১ ড্র ওয়ারির

*নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা:* ২০২৬ এর কলকাতা ফুটবল লিগের  তৃতীয় ম্যাচে ওয়ারি অ্যাথলেটিক ক্লাবের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। বৃহস্পতিবার মহামেডান স্পোর্টিং গ্রাউন্ডে ম্যাচটি হয়।

প্রথমার্ধে গোলশূন্য ছিল খেলা। উভয় দলই সুযোগ তৈরি করলেও গোলের মুখ খুলতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এগিয়ে যায় মহামেডান। পেনাল্টি থেকে নিখুঁত শটে গোল করেন ইসরাফিল দেওয়ান।

তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই গোল শোধ করে ওয়ারি। ফলে ম্যাচ ১-১ গোলে শেষ হয়।

এই ড্রয়ের ফলে ৩ ম্যাচে মহামেডানের পয়েন্ট হল ৭। প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে অপরাজিত অভিযান শুরু করেছিল তারা। এবার কলকাতা ফুটবল লিগের পরের চ্যালেঞ্জের দিকে নজর সাদা-কালো শিবিরের। ছবি:সঞ্জয় হাজরা।
এখনই কলকাতা হাইকোর্ট থেকে স্বস্তি পেলেন না অভিষেক
নিজস্ব প্রতিনিধি: এখনই কলকাতা হাইকোর্ট থেকে স্বস্তি পেলেন না তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের নানান থানায় তাঁর বিরূদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি থেকে রক্ষা কবচ চেয়ে আবেদন করেছিলেন তিনি। কিন্তু বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এখনই ওই আবেদনে সাড়া দিলেন না। আগামী বৃহস্পতিবার মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। তবে তাঁর নির্দেশ ততদিনে এই মামলাগুলির ক্ষেত্রে রাজ্য কোন সিদ্ধান্ত নিলে আগাম আদালতকে জানিয়ে নিতে হবে। আবেদন শুনে বিচারপতি জানতে চান, অভিষেককে তো আদালত রক্ষাকবচ তো দিয়েছে। তবে আবার কিসের এবার এই আবেদন, সেই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।অভিষেকের আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, রক্ষা কবচ আছে একটি মামলার ক্ষেত্রে। ডিজে মন্তব্যের জেরে মামলায় রক্ষাকবচ রয়েছে তার। তিনি এবার সার্বিক রক্ষা কবচ চাইছেন। শুভেন্দু অধিকারীর যখন বিরোধী দলনেতা ছিলেন তখন তিনি কীভাবে এই ব্ল্যাঙ্কেট প্রোটেকশন পেয়েছেন এদিন সেই প্রশ্ন তোলেন সিব্বাল। বিচারপতি বলেন, এক একটা অভিযোগ এক এক রকম সিদ্ধান্ত হয়। সব ক্ষেত্রে একই ভাবে রক্ষাকবচ কীভাবে দেওয়া যায়। এতে তদন্তে ক্ষতি হতে পারে। শিলিগুড়ির অভিযোগ আলাদা, ভবানীপুরের অভিযোগ ভিন্ন।তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর সব মামলার ক্ষেত্রে ব্ল্যাঙ্কেট প্রোডাকশন ছিল না। কিছু মামলায় এককভাবে অন্তর্বর্তী রক্ষা কবচ অথবা আগাম জামিন পেয়েছিলেন। রাজ্যের আইনজীবী এস ভি রাজু জানিয়ে দেন, এর সওয়াল করতে সময় লাগবে। এরপরই বিচারপতি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন আগামী ৩০ জুলাই।
*এশিয়ান ক্যারাটে ফেডারেশনের "কাতা ও কুমি"তে জাজ পরীক্ষায় ঐতিহাসিক সাফল্য খড়দহের শিহান অনিল কুমার রামের*

স্পোর্টস ডেস্ক : এশিয়ান ক্যারাটে ফেডারেশনের "কাতা ও কুমিতে জাজ" পরীক্ষায় একসঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করলেন পশ্চিমবঙ্গের খড়দহের শিহান অনিল কুমার রাম।

৬ থেকে ১২ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় এশিয়া থেকে প্রায় ১০০ জন অংশ নেন। ভারত থেকে ছিলেন মাত্র ১০ জন। প্রথমবারের প্রচেষ্টাতেই দুটি বিভাগেই পাস করে নজির গড়েছেন খড়দহের এই ক্যারাটে প্রশিক্ষক।

উচ্চমানের এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি শুধু নিজের প্রযুক্তিগত দক্ষতাই প্রমাণ করেননি, এশিয়ার সিনিয়র কর্তাদের কাছ থেকে বিচার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণও লাভ করেছেন।

এই সাফল্যের কৃতিত্ব গুরুজন, পরিবার ও ছাত্রছাত্রীদের দিয়েছেন শিহান অনিল। তিনি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ক্যারাটে ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশনের সভাপতি হানশি ভারত শর্মা, আর সি-এর চেয়ারম্যান হানশি প্রেমজিৎ সেন, কেএএইচপি-এর চেয়ারম্যান হানশি জনক রাজ জামওয়াল এবং জেনারেল সেক্রেটারি সেনসেই দামন জামওয়ালকে।

তিনি বলেন, "এটি আমার যাত্রার শেষ নয়, বরং নতুন সূচনা। ভবিষ্যতে আরও কঠোর পরিশ্রম করে ভারতীয় এবং পশ্চিমবঙ্গের কারাতে উন্নয়নে অবদান রাখব।"

অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা, ভারতীয় মহিলা দালাল সহ গ্রেফতার বাংলাদেশী মহিলা
বসিরহাট : বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে দালাল সহ গ্রেফতার মহিলা। বসিরহাটের স্বরূপনগর থানার হাকিমপুর সীমান্তে অবৈধভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পার হওয়ার সময় এক বাংলাদেশি মহিলা ও তার ভারতীয় সহযোগীকে আটক করে ১৪৩ ব্যাটালিয়নের বিএসএফ জওয়ানরা। পরে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের স্বরূপনগর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত বাংলাদেশি মহিলার নাম শারমিন আক্তার সুমি। তার বাড়ি বাংলাদেশের যশোহর জেলায়। অভিযোগ, হাবড়া এলাকার বাসিন্দা রহিমা বিবির সহায়তায় মোটা টাকার বিনিময়ে তিনি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। সেই সময় সীমান্তে তাদের আটক করে বিএসএফ। পরে স্বরূপনগর থানার পুলিশ দু'জনকেই গ্রেফতার করে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বসিরহাট আদালতে পাঠায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
একুশে জুলাইকে ঘিরে বিজেপি-কংগ্রেস সংঘর্ষ, আহত দু'পক্ষের ৫
বসিরহাট : বসিরহাটের হাড়োয়া থানার মাঝেরআইট এলাকায় ২১শে জুলাইকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে হাড়োয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার জেরে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২১ জুলাই উপলক্ষে জাতীয় কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের একটি দল হাড়োয়া থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সেই সময় মাঝেরআইট এলাকায় বিজেপি ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই বচসা থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের দাবি, কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা যাওয়ার সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল ভাষায় স্লোগান দেন এবং বিজেপির দলীয় ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেন। এর প্রতিবাদ করতেই তাদের উপর হামলা চালানো হয়। ঘটনায় বিজেপির একাধিক কর্মী আহত হন বলে অভিযোগ।
অন্যদিকে, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। কংগ্রেস নেতাদের দাবি, তাদের শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীরাই প্রথমে উস্কানি দেন এবং পথ আটকানোর চেষ্টা করেন। এরপর বিজেপির তরফ থেকেই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ কংগ্রেসের।
জাতীয় কংগ্রেস যুবর রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শাহিদ মোল্লা  বলেন, "আমরা গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে কলকাতায় যাচ্ছিলাম। কোনো রকম উস্কানি না দিয়েই বিজেপি কর্মীরা আমাদের পথ আটকায় এবং অকারণে হামলা চালায়। আমাদের কর্মীরাও আহত হয়েছেন। যারা দোষী, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ যেন নিরপেক্ষভাবে ব্যবস্থা নেয়।" সংঘর্ষে আহতদের হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। ঘটনার খবর পেয়ে হাড়োয়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
খেলা আরএফডিএল জাপান সফর শেষ করল পঞ্জাব এফসি, টুর্নামেন্টে অপরাজিত থাকল 'দ্য শের্স'
*স্পোর্টস ডেস্ক:* রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন ডেভেলপমেন্ট লিগের আরএফডিএল জাপান ট্যুর ২০২৬ সফলভাবে শেষ করল রাউন্ডগ্লাস পঞ্জাব এফসি। সোমবার নোগিহামা পার্কে ট্যুরের শেষ ম্যাচে সাডেন ডেথে এফসি বালেইন শিমোনোসেকির কাছে ৫-৬ গোলে হারলেও নির্ধারিত সময়ে ১-১ ড্র রেখে অপরাজিত অবস্থায় সফর শেষ করল ভারতীয় দল।

ট্যুরের শুরুটা দুরন্ত করেছিল 'দ্য শের্স'। প্রথমে আভিস্পা ফুকুওকা ইউ-১৮ কে ৫-০ গোলে এবং পরে গিরাভানজ কিটাকিউশুকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ ম্যাচে অপরাজিত সফরের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল তারা। যদিও টাইব্রেকারে ভাগ্য সঙ্গ দেয়নি।

সোমবারের ম্যাচের প্রথমার্ধে মধ্যমাঠে আধিপত্য বিস্তার করে পঞ্জাব। ৩৮ মিনিটে দলের হয়ে গোল করেন সিঙ্গামায়ুম শামি। বিশাল যাদবের নিখুঁত পাস থেকে গোলটি করেন তিনি। এই ট্যুরে এটি তাঁর চতুর্থ গোল।

দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক সুযোগ নষ্ট করে পঞ্জাব। নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত ২ মিনিটে জাপানি দলের কোয়ামা গোল করে সমতা ফেরান। ফলে ১-১ গোলে শেষ হয় ম্যাচ।

এরপর পেনাল্টি শুটআউটে ৬-৫ ব্যবধানে জয় পায় স্বাগতিক এফসি বালেইন শিমোনোসেকি।

তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্র নিয়ে জাপান সফর শেষ করল পঞ্জাব এফসি। নির্ধারিত সময়ে কোনও ম্যাচে না হারায় আত্মবিশ্বাস নিয়েই দেশে ফিরছে 'দ্য শের্স'।

ছবি: সংগৃহীত।
পুজোর থিমে ফুটে উঠবে শীষ মহল! খুঁটি পুজো থেকেই নজর কাড়তে চলেছে বসিরহাটের প্রগতি সংঘ
বসিরহাট : দূর থেকে দেখলে মনে হবে, যেন বসিরহাটেই গড়ে উঠেছে এক টুকরো ‘শীষ মহল’। আয়না ও দর্পণের কারুকার্যের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠবে দেবী দুর্গার অপূর্ব দর্শন। বসিরহাট পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ডের আস্তানা রোড সংলগ্ন প্রগতি সংঘের এবারের দুর্গাপুজোর থিমের নাম ‘রূপদর্পণ’। থিমের অভিনবত্বে ইতিমধ্যেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে শহর জুড়ে।
গত কয়েক বছরে দুর্গাপুজোয় থিমের ছোঁয়া শহর ছাড়িয়ে গ্রামাঞ্চলেও পৌঁছে গিয়েছে। কলকাতার পার্শ্ববর্তী বসিরহাটের বহু পুজো এখন আয়োজন, শিল্পভাবনা ও দর্শক আকর্ষণের নিরিখে মহানগরীর বড় বড় পুজোকেও টেক্কা দিচ্ছে। সেই তালিকায় বরাবরের মতোই নিজের জায়গা ধরে রেখেছে বসিরহাটের প্রগতি সংঘের পুজো। এবছরও তার ব্যতিক্রম নয়।
পুজো কমিটির সম্পাদক প্রিয়ঙ্কর মিত্রের দাবি, প্রগতি সংঘের প্রায় ৭০ ফুট উঁচু মণ্ডপে ফুটিয়ে তোলা হবে ‘শীষ মহল’-এর আদলে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্যপট। অসংখ্য আয়নার প্রতিফলনে দেবী দুর্গার রূপ দর্শনার্থীদের সামনে ধরা দেবে এক অনন্য অনুভূতিতে। শুধু মণ্ডপ নয়, প্রতিমাতেও থাকছে নতুনত্বের ছোঁয়া, যা দর্শকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করবে বলেই মনে করছেন উদ্যোক্তারা। মণ্ডপ চত্বরকে ঘিরে তৈরি করা হবে আলোর ঝলমলে আবহ। খুঁটি পূজার সময় থেকেই সেই প্রস্তুতির ইঙ্গিত মিলেছে। খুঁটি পূজার সেই আনন্দে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সন্দেশখালির বিধায়ক সনৎ সর্দার ও বিশিষ্ট সমাজসেবী তাপস ঘোষ সহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের বক্তব্য, এই পুজো শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, শিল্প ও সংস্কৃতিরও এক গুরুত্বপূর্ণ মেলবন্ধন।
প্রতিবছরই দুর্গাপুজোর সময় বসিরহাট শহর ও আশপাশের এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষের ভিড় নামে আস্তানা রোডের এই পুজো মণ্ডপে। গোটা বছর ধরে যে উৎসবের অপেক্ষায় থাকেন বাঙালি, সেই দুর্গোৎসবকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে এবার রূপদর্পণের মাধ্যমে চমক দিতে চলেছে প্রগতি সংঘ।
সব মিলিয়ে, আয়নার প্রতিফলনে দেবী দর্শনের অনন্য অভিজ্ঞতা, বিশাল মণ্ডপ, আলোর নান্দনিক সাজ এবং শিল্পসম্মত উপস্থাপনায় এবারের দুর্গাপুজোয় বসিরহাটের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠতে চলেছে আস্তানা রোড প্রগতি সংঘের ‘রূপদর্পণ’। দর্শনার্থীদের জন্য এখন শুধু অপেক্ষা মহালয়ার পর সেই স্বপ্নের শীষ মহলকে চোখের সামনে দেখার।
শিডিউল রেট থেকে ডিএলপি—একাধিক দাবিতে সরব পিডব্লিউডি ঠিকাদার সংগঠন
কলকাতা: শিডিউল রেট বাজারমূল্যের সঙ্গে সমানুপাতিক হারে বৃদ্ধি, দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা দ্রুত মেটানো, ডিফেক্ট লাইবিলিটি পিরিয়ড (ডিএলপি) কমানো এবং রয়্যালটি সংক্রান্ত একাধিক সমস্যার সমাধানের দাবিতে অষ্টম বার্ষিক সাধারণ সভায় সরব হলেন গ্রেটার কলকাতা পিডব্লিউডি কন্ট্রাক্টর্স’ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সংগঠক ও সদস্যরা। সম্প্রতি কলকাতার ভারত সভা হলে আয়োজিত এই সভায় বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা, পেশার বর্তমান পরিস্থিতি এবং ঠিকাদারদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় সভায়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে রাজা মুখার্জি বলেন, “দীর্ঘ দুই দশকের পথচলায় আমাদের সংগঠন আজ কলকাতার পিডব্লিউডি ঠিকাদার সমাজের কাছে আস্থা, ঐক্য ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই অর্জন কোনও একক ব্যক্তির নয়, এটি সকল সদস্যের নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও পারস্পরিক সহযোগিতার ফল।”
এসআইআর ইস্যুতে সিপিআই(এম)-ডিওয়াইএফআইয়ের কর্মসূচি, আইনি লড়াইয়ের ডাক শামীম আহমেদের
বসিরহাট : হিঙ্গলগঞ্জ ও বসিরহাটে সিপিআই(এম)-ডিওয়াইএফআইয়ের সভায় এসআইআর নিয়ে সরব আইনজীবী শামীম আহমেদ। হিঙ্গলগঞ্জ ও বসিরহাটে শনিবার পৃথক দুটি কর্মসূচিতে এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী শামীম আহমেদ। তার অভিযোগ, আইন বহির্ভূতভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চালিয়ে বহু বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যার অধিকাংশই গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষ। সিপিআই(এম) হিঙ্গলগঞ্জ দক্ষিণ এরিয়া কমিটির উদ্যোগে যোগেশগঞ্জ কমিউনিটি হলে ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারী এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া ব্যক্তিদের নিয়ে একটি আইনি সহায়তা শিবিরের আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্টি নেতা তপন মণ্ডল। উপস্থিত ছিলেন এরিয়া কমিটির সম্পাদক রবি বিশ্বাসও। সেখানে শামীম আহমেদ বলেন, যাদের নাম বাদ পড়েছে তাদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। ভারতের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে অধিকার দিয়েছে এবং সেই অধিকার ফিরে পেতে আদালতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি গণআন্দোলনও চালিয়ে যেতে হবে।
অন্যদিকে, ডিওয়াইএফআই বসিরহাট দক্ষিণ লোকাল কমিটির উদ্যোগে শাঁকচূড়া বাজার এলাকায় একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রেশমা বিবি। উপস্থিত ছিলেন সিপিআই(এম) নেতা সায়নদীপ মিত্র, রাজু আহমেদ, কিঙ্করকান্তি রায়, ডিওয়াইএফআইয়ের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি দেবজ্যোতি চক্রবর্তী, সম্পাদক সপ্তর্ষি দেব, অরিত্র বিশ্বাস ও সুমিত ঘোষ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সেখানেও শামীম আহমেদ ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারী ও নাম বাদ পড়া ভোটারদের আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। শাঁকচূড়ার সভায় ডিওয়াইএফআই নেতৃত্ব এসআইআর ইস্যুর পাশাপাশি হকার উচ্ছেদ, স্মার্ট মিটার, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে হয়রানি, রান্নার গ্যাস, পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি, সাম্প্রদায়িক রাজনীতি, বারুইপুরের এনকাউন্টার এবং গণপিটুনির ঘটনাকে কেন্দ্র করেও কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়। নেতৃবৃন্দের দাবি, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার আন্দোলন আরও জোরদার করতে বুথভিত্তিক যুব সংগঠনকে শক্তিশালী করা হবে এবং সেই লড়াই আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে।
বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ বিশ্বকাপ তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ,আজ ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে মহারণ
স্পোর্টস ডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালের আগে শেষ লড়াই। ট্রফি না থাকলেও সম্মানের লড়াইটা কোনও অংশে কম নয়। শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বিশ্ব ফুটবলের দুই শক্তি ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ড। 

ভারতীয় জাতীয় দলের সিনিয়র গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধুর চোখে এই ম্যাচের সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট হতে পারেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন।

গুরপ্রীত বলেন, "যদি হ্যারি কেন শুর একাদশে থাকেন, তিনি নিঃসন্দেহে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় হুমকি। তাঁর সবচেয়ে বড় গুণ হল মাঝমাঠে নেমে এসে খেলা তৈরি করা। তিনি শুধু গোলই করেন না, সতীর্থদের জন্য জায়গা তৈরি করে দেন।" 

সেমিফাইনালেও ইংল্যান্ড এই কৌশলেই প্রতিপক্ষকে সমস্যায় ফেলেছিল বলে মনে করেন তিনি। তার মতে,"ফ্রান্সের সেন্টার-ব্যাকদের এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে—তারা কেনকে অনুসরণ করবে, নাকি নিজেদের ডিফেন্সিভ শেপ ধরে রাখবে। এই ভারসাম্যটা ঠিক রাখতে না পারলেই সমস্যা। এটাই ম্যাচের সবচেয়ে বড় কৌশলগত লড়াই হতে চলেছে।"

সেমিফাইনালে হারের পর দুই দলের কোচের সামনেই বড় চ্যালেঞ্জ—দলের মনোবল ধরে রাখা। গুরপ্রীতের মতে, "ফাইনালে উঠতে না পারার পর অনুপ্রেরণা ধরে রাখা স্বাভাবিকভাবেই কঠিন। কিন্তু বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে দেশের জার্সি গায়ে নামাটাই সবচেয়ে বড় প্রেরণা।"  তিনি আভাস দেন, একাদশে কিছু বদল আসতে পারে। তবে কিলিয়ান এমবাপের মতো তারকাকে তিনি বেঞ্চে দেখছেন না। "গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এমবাপে এখনও রয়েছেন। ওর মতো খেলোয়াড় সবসময় মাঠে থাকতে চায়। ব্যক্তিগত মাইলস্টোনও দল নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।"

ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের সমস্যা দু’রকম।  সেটা হল,"ফ্রান্সের গোল খাওয়া শুধু ব্যক্তিগত ভুল ছিল না। দ্বিতীয় গোলের সময় দুই ডিফেন্ডার একই খেলোয়াড়ের দিকে ছুটে গিয়েছিল, আর মাঝমাঠ থেকে আসা রানারদের কেউ মার্ক করেনি। এটা ট্যাকটিক্যাল ভুল।অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের সমস্যা ছিল মানসিকতা। "এগিয়ে যাওয়ার পর তারা খুব বেশি রক্ষণাত্মক হয়ে পড়েছিল। অভিজাত দলের বিরুদ্ধে অনেকক্ষণ ধরে ডিপ ডিফেন্স করলে ক্লান্তি আসবেই, আর তখনই ভুল হয়।"

তৃতীয় স্থানের ম্যাচ হার-জিতের বাইরেও দুই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গুরপ্রীত মনে করেন, ফলাফল যাই হোক, ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ড এখনও বিশ্বের সেরা দলগুলোর মধ্যে থাকবে। তবে,"দুই দলই অভিজ্ঞ এবং তরুণ ফুটবলারের দারুণ মিশ্রণ তৈরি করেছে। বড় টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায়ে নিয়মিত পৌঁছানো কাকতালীয় নয়। এই বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা ওদের আরও শক্তিশালী করবে। আমি অবাক হব না যদি আগামী দিনে এই দুই দেশ আবার বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়।"

শনিবারের লড়াই তাই শুধু ব্রোঞ্জের জন্য নয়। এটা আত্মসম্মান, কৌশল এবং ভবিষ্যতের প্রস্তুতির লড়াই।


ছবি:সংগৃহীত।