/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz s:HighCourtJudgement
একতরফা বিচ্ছেদের পরেও প্রাক্তন স্ত্রীকে খোরপোশ দিতে হবে, জানাল হাইকোর্ট*

#CalcuttaHighCourt

কলকাতা: স্বামী একতরফা আদালত থেকে বিচ্ছেদের(ডিভোর্স )কাগজ নিয়ে এলেই খোরপোশের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। যদি প্রাক্তন স্ত্রী দ্বিতীয় বিয়ে না করেন এবং নিজে রোজগার করে চলতে না পারেন, তাহলে স্বামীকেই তাঁকে খোরপোশ দিতে হবে। এমনই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে আদালত আরও জানিয়েছে, যে অবিবাহিত মেয়ে মামলা করার আগেই ১৮ বছর পেরিয়ে গেছে এবং সে শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে অসুস্থ নয়, সে বাবার কাছে খোরপোশ চাইতে পারবে না।

কী হয়েছিল ঘটনাটা?

হাওড়ার উলুবেড়িয়া আদালতে এক মহিলা তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে খোরপোশের মামলা করেছিলেন। সেটা ২০১৯ সালের মামলা। পরে সেই খোরপোশের টাকা না দেওয়ায় টাকা আদায়ের জন্য আরেকটি মামলা হয় ২০২১ সালে।

এর মাঝে স্বামী একতরফা ভাবে বিচ্ছেদের(ডিভোর্স )ডিক্রি পেয়ে যান। তখন তিনি আদালতে গিয়ে বলেন, বিচ্ছেদ হয়ে গেছে তাই খোরপোশের মামলা আর চলতে পারে না। উলুবেড়িয়া আদালত তাঁর কথা মানেনি। তাঁকে খোরপোশ দিতে বলা হয় এবং টাকা না দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়।

সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে স্বামী সমর পাল কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন,তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না পালের বিরুদ্ধে এই মামলা।

হাইকোর্ট কী বলল?

বিচারপতি উদয় কুমার সমর পালের আবেদনটি আংশিক মঞ্জুর করেন। তিনি বলেন,

১. আইনে পরিষ্কার বলা আছে, ডিভোর্সী স্ত্রীও স্ত্রী হিসেবেই গণ্য হবেন, যদি তিনি দ্বিতীয় বিয়ে না করেন। তাই একতরফা বিচ্ছেদ (ডিভোর্স)হয়ে গেলেও খোরপোশের দায় শেষ হয় না।

২. এই খোরপোশের আইনের উদ্দেশ্য হলো, কোনো অসহায় মহিলা যাতে ভবঘুরে হয়ে না যান, সেটা দেখা। এটা সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য করা হয়েছে।

৩. তাই স্ত্রীর খোরপোশ বহাল থাকবে। স্বামীকে তা দিতেই হবে।

৪. কিন্তু মেয়ের ক্ষেত্রে আদালত বলে, মেয়ে মামলা করার আগেই প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গেছে। সে সুস্থ। তাই আইন অনুযায়ী সে আর বাবার কাছে খোরপোশ পাবে না।

এই রায়ে আদালত স্ত্রীর খোরপোশ বহাল রাখলেও, প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের খোরপোশের দাবি খারিজ করে দিয়েছে।

একতরফা বিচ্ছেদের পরেও প্রাক্তন স্ত্রীকে খোরপোশ দিতে হবে, জানাল হাইকোর্ট*

#CalcuttaHighCourt

কলকাতা: স্বামী একতরফা আদালত থেকে বিচ্ছেদের(ডিভোর্স )কাগজ নিয়ে এলেই খোরপোশের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। যদি প্রাক্তন স্ত্রী দ্বিতীয় বিয়ে না করেন এবং নিজে রোজগার করে চলতে না পারেন, তাহলে স্বামীকেই তাঁকে খোরপোশ দিতে হবে। এমনই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে আদালত আরও জানিয়েছে, যে অবিবাহিত মেয়ে মামলা করার আগেই ১৮ বছর পেরিয়ে গেছে এবং সে শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে অসুস্থ নয়, সে বাবার কাছে খোরপোশ চাইতে পারবে না।

কী হয়েছিল ঘটনাটা?

হাওড়ার উলুবেড়িয়া আদালতে এক মহিলা তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে খোরপোশের মামলা করেছিলেন। সেটা ২০১৯ সালের মামলা। পরে সেই খোরপোশের টাকা না দেওয়ায় টাকা আদায়ের জন্য আরেকটি মামলা হয় ২০২১ সালে।

এর মাঝে স্বামী একতরফা ভাবে বিচ্ছেদের(ডিভোর্স )ডিক্রি পেয়ে যান। তখন তিনি আদালতে গিয়ে বলেন, বিচ্ছেদ হয়ে গেছে তাই খোরপোশের মামলা আর চলতে পারে না। উলুবেড়িয়া আদালত তাঁর কথা মানেনি। তাঁকে খোরপোশ দিতে বলা হয় এবং টাকা না দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়।

সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে স্বামী সমর পাল কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন,তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না পালের বিরুদ্ধে এই মামলা।

হাইকোর্ট কী বলল?

বিচারপতি উদয় কুমার সমর পালের আবেদনটি আংশিক মঞ্জুর করেন। তিনি বলেন,

১. আইনে পরিষ্কার বলা আছে, ডিভোর্সী স্ত্রীও স্ত্রী হিসেবেই গণ্য হবেন, যদি তিনি দ্বিতীয় বিয়ে না করেন। তাই একতরফা বিচ্ছেদ (ডিভোর্স)হয়ে গেলেও খোরপোশের দায় শেষ হয় না।

২. এই খোরপোশের আইনের উদ্দেশ্য হলো, কোনো অসহায় মহিলা যাতে ভবঘুরে হয়ে না যান, সেটা দেখা। এটা সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য করা হয়েছে।

৩. তাই স্ত্রীর খোরপোশ বহাল থাকবে। স্বামীকে তা দিতেই হবে।

৪. কিন্তু মেয়ের ক্ষেত্রে আদালত বলে, মেয়ে মামলা করার আগেই প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গেছে। সে সুস্থ। তাই আইন অনুযায়ী সে আর বাবার কাছে খোরপোশ পাবে না।

এই রায়ে আদালত স্ত্রীর খোরপোশ বহাল রাখলেও, প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের খোরপোশের দাবি খারিজ করে দিয়েছে।