/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz s:westbengal
বৃক্ষরোপণে জোর রাজ্যের, ৪০ লক্ষ গাছ লাগাবে পঞ্চায়েত দপ্তর: মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ*

#DilipGhosh

উৎপল দাস, ব্যারাকপুর: পরিবেশ বাঁচাতে রাজ্যজুড়ে বিশাল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিল রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তর। রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশনের এক অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

মন্ত্রী জানান, রাজ্যের ৪০ হাজার গ্রামে প্রতিটি গ্রামে ১০০টি করে গাছ লাগানো হবে। অর্থাৎ মোট ৪০ লক্ষ গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি শিক্ষা ও গ্রন্থাগার দপ্তরের সহযোগিতায় ৪৩৪টি কেন্দ্রে আরও ৪৩ হাজার ৪০০টি গাছ লাগানো হবে।

তিনি বলেন, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, ছাত্রাবাস, আশ্রম সহ যেখানেই ফাঁকা জায়গা রয়েছে, সেখানেই গাছ লাগানো হবে। রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশনের মতো প্রতিষ্ঠানের ফাঁকা জায়গাতেও গাছ লাগানো হবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানই তার রক্ষণাবেক্ষণ করবে।

জঙ্গলমহলের বন ধ্বংস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো জেলায় জঙ্গল কেটে সাফ করে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বন দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বন দপ্তর জায়গা এবং চারা দেবে, পঞ্চায়েত দপ্তর গাছ লাগানোর দায়িত্ব নেবে।

পরিবেশ দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দূষণের কারণে ওজন স্তর ফুটো হয়ে যাচ্ছে। হিমালয়ের শত শত বছরের পুরনো বরফ গলে যাচ্ছে, যার ফলে ভয়াবহ বন্যা ও ধসে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। প্রকৃতিকে শান্ত রাখতে গেলে প্রকৃতির উপর অত্যাচার নয়, সেবা করতে হবে এবং গাছ লাগাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে যুগ যুগ ধরে বট, অশ্বত্থ, বকুলের মতো গাছকে পুজো করা হয়। পাঁচ ধরনের গাছ লাগিয়ে পঞ্চবটী তৈরির প্রাচীন রীতি রয়েছে। নিজের বাড়ির সামনে বা ছাদে অন্তত একটি-দুটি গাছ লাগিয়ে এলাকাকে দূষণমুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

ছবি উৎপল দাস

উত্তর ২৪ পরগনায় খাদ্যে ভেজাল রুখতে জোরদার অভিযান, আতঙ্কে অসাধু ব্যবসায়ীরা*

#North24Parganas

বসিরহাট ও খড়দহ: সাধারণ মানুষের পাতে বিষ রুখতে কড়া পদক্ষেপ প্রশাসনের। উত্তর ২৪ পরগনার দুই প্রান্তে একযোগে চলল খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযান।

বাদুড়িয়ার দুই বাজারে হানা BDO-র

বসিরহাটের বাদুড়িয়া পৌর এলাকার বাজার এবং বাদুড়িয়া ব্লকের বাগজোলা বাজারে অভিযান চালালেন BDO শর্মিষ্ঠা কর্মকার। সঙ্গে ছিলেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিক ও বাদুড়িয়া থানার পুলিশ।

অভিযোগ ছিল, মিষ্টি ও খাবারে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল রং মেশানো হচ্ছে এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি হচ্ছে। দোকানে দোকানে গিয়ে রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা, তৈরির পদ্ধতি, ব্যবহৃত উপকরণ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। মুদিখানা দোকানগুলিতেও প্যাকেটের মেয়াদ ও গুণমান পরীক্ষা করা হয়।

প্রশাসন জানিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই যৌথ অভিযানে ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আগামী দিনেও এই অভিযান চলবে।

খড়দহে ডাস্টবিনে গেল অসুরক্ষিত খাবার

অন্যদিকে, ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া ক্রেতা সুরক্ষা সপ্তাহের শেষ দিনেও তৎপর খাদ্য দপ্তর। খড়দহ স্টেশন রোডের একটি হোটেলে হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর, পৌরসভা ও পুলিশের যৌথ দল।

সেখানে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়ে। আধিকারিকরা হোটেল মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং সমস্ত অনিয়মযুক্ত ও অসুরক্ষিত খাবার ডাস্টবিনে ফেলে নষ্ট করে দেন। এই ঘটনায় স্টেশন রোড এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা। যদিও এ বিষয়ে আধিকারিকরা মুখ খোলেননি।

ছবি:সৌমাভ মণ্ডল ও উৎপল দাস।

প্রবীণদের জন্য ৫০% বাস ভাড়ায় ছাড় ও ব্যারাকপুর থেকে দূরপাল্লার বাসের দাবি, পরিবহণ মন্ত্রীর কাছে দরবার বিশিষ্টজনদের

#Barrackpore

প্রবীর রায়,ব্যারাকপুর: প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সরকারি বাসে ৫০ শতাংশ ছাড় এবং ব্যারাকপুর থেকে সরাসরি তীর্থস্থান ও উত্তরবঙ্গ পর্যন্ত বাস চালুর দাবিতে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রীর কাছে দরবার করলেন ব্যারাকপুরের বিশিষ্টজনেরা।

রবিবার ব্যারাকপুরের প্রবীণ নাগরিকদের প্রতিনিধি হিসেবে মন্ত্রীর কাছে এই আবেদন জানানো হয়। ব্যক্তিগত কোনও স্বার্থে নয়, সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা ভেবেই এই উদ্যোগ বলে জানানো হয়েছে।

তাদের মূল দুটি দাবি ছিল -

১. প্রবীণদের জন্য ভাড়ায় ছাড়: সিনিয়র সিটিজেন ও সুপার সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য পুরী, দিঘার মতো বিভিন্ন তীর্থস্থানে যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি বাসে ৫০ শতাংশ কনসেশন চালুর আবেদন। পুজোর আগেই এই সুবিধা চালুর দাবি জানানো হয়েছে।

২. ব্যারাকপুর থেকে দূরপাল্লার বাস: ব্যারাকপুর থেকে সরাসরি পুরী, মথুরা, বৃন্দাবন পর্যন্ত বাস, উত্তরবঙ্গে বাস পরিষেবা এবং বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বাস পরিষেবা চালুর দাবি।

প্রতিনিধি দলের তরফে জানানো হয়েছে, মন্ত্রী জানিয়েছেন এটি খুবই ন্যায্য দাবি এবং তিনি বিষয়টি ক্যাবিনেটে রাখবেন। তবে প্রতিশ্রুতি পালন হলেই প্রকৃত খুশি হবেন ব্যারাকপুরবাসী।

 ছবি ও লেখা: প্রবীর রায়

বৃক্ষরোপণে জোর রাজ্যের, ৪০ লক্ষ গাছ লাগাবে পঞ্চায়েত দপ্তর: মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ*

#DilipGhosh

উৎপল দাস, ব্যারাকপুর: পরিবেশ বাঁচাতে রাজ্যজুড়ে বিশাল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিল রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তর। রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশনের এক অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

মন্ত্রী জানান, রাজ্যের ৪০ হাজার গ্রামে প্রতিটি গ্রামে ১০০টি করে গাছ লাগানো হবে। অর্থাৎ মোট ৪০ লক্ষ গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি শিক্ষা ও গ্রন্থাগার দপ্তরের সহযোগিতায় ৪৩৪টি কেন্দ্রে আরও ৪৩ হাজার ৪০০টি গাছ লাগানো হবে।

তিনি বলেন, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, ছাত্রাবাস, আশ্রম সহ যেখানেই ফাঁকা জায়গা রয়েছে, সেখানেই গাছ লাগানো হবে। রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশনের মতো প্রতিষ্ঠানের ফাঁকা জায়গাতেও গাছ লাগানো হবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানই তার রক্ষণাবেক্ষণ করবে।

জঙ্গলমহলের বন ধ্বংস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো জেলায় জঙ্গল কেটে সাফ করে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বন দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বন দপ্তর জায়গা এবং চারা দেবে, পঞ্চায়েত দপ্তর গাছ লাগানোর দায়িত্ব নেবে।

পরিবেশ দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দূষণের কারণে ওজন স্তর ফুটো হয়ে যাচ্ছে। হিমালয়ের শত শত বছরের পুরনো বরফ গলে যাচ্ছে, যার ফলে ভয়াবহ বন্যা ও ধসে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। প্রকৃতিকে শান্ত রাখতে গেলে প্রকৃতির উপর অত্যাচার নয়, সেবা করতে হবে এবং গাছ লাগাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে যুগ যুগ ধরে বট, অশ্বত্থ, বকুলের মতো গাছকে পুজো করা হয়। পাঁচ ধরনের গাছ লাগিয়ে পঞ্চবটী তৈরির প্রাচীন রীতি রয়েছে। নিজের বাড়ির সামনে বা ছাদে অন্তত একটি-দুটি গাছ লাগিয়ে এলাকাকে দূষণমুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

ছবি উৎপল দাস

উত্তর ২৪ পরগনায় খাদ্যে ভেজাল রুখতে জোরদার অভিযান, আতঙ্কে অসাধু ব্যবসায়ীরা*

#North24Parganas

বসিরহাট ও খড়দহ: সাধারণ মানুষের পাতে বিষ রুখতে কড়া পদক্ষেপ প্রশাসনের। উত্তর ২৪ পরগনার দুই প্রান্তে একযোগে চলল খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযান।

বাদুড়িয়ার দুই বাজারে হানা BDO-র

বসিরহাটের বাদুড়িয়া পৌর এলাকার বাজার এবং বাদুড়িয়া ব্লকের বাগজোলা বাজারে অভিযান চালালেন BDO শর্মিষ্ঠা কর্মকার। সঙ্গে ছিলেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিক ও বাদুড়িয়া থানার পুলিশ।

অভিযোগ ছিল, মিষ্টি ও খাবারে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল রং মেশানো হচ্ছে এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি হচ্ছে। দোকানে দোকানে গিয়ে রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা, তৈরির পদ্ধতি, ব্যবহৃত উপকরণ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। মুদিখানা দোকানগুলিতেও প্যাকেটের মেয়াদ ও গুণমান পরীক্ষা করা হয়।

প্রশাসন জানিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই যৌথ অভিযানে ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আগামী দিনেও এই অভিযান চলবে।

খড়দহে ডাস্টবিনে গেল অসুরক্ষিত খাবার

অন্যদিকে, ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া ক্রেতা সুরক্ষা সপ্তাহের শেষ দিনেও তৎপর খাদ্য দপ্তর। খড়দহ স্টেশন রোডের একটি হোটেলে হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর, পৌরসভা ও পুলিশের যৌথ দল।

সেখানে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়ে। আধিকারিকরা হোটেল মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং সমস্ত অনিয়মযুক্ত ও অসুরক্ষিত খাবার ডাস্টবিনে ফেলে নষ্ট করে দেন। এই ঘটনায় স্টেশন রোড এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা। যদিও এ বিষয়ে আধিকারিকরা মুখ খোলেননি।

ছবি:সৌমাভ মণ্ডল ও উৎপল দাস।

প্রবীণদের জন্য ৫০% বাস ভাড়ায় ছাড় ও ব্যারাকপুর থেকে দূরপাল্লার বাসের দাবি, পরিবহণ মন্ত্রীর কাছে দরবার বিশিষ্টজনদের

#Barrackpore

প্রবীর রায়,ব্যারাকপুর: প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সরকারি বাসে ৫০ শতাংশ ছাড় এবং ব্যারাকপুর থেকে সরাসরি তীর্থস্থান ও উত্তরবঙ্গ পর্যন্ত বাস চালুর দাবিতে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রীর কাছে দরবার করলেন ব্যারাকপুরের বিশিষ্টজনেরা।

রবিবার ব্যারাকপুরের প্রবীণ নাগরিকদের প্রতিনিধি হিসেবে মন্ত্রীর কাছে এই আবেদন জানানো হয়। ব্যক্তিগত কোনও স্বার্থে নয়, সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা ভেবেই এই উদ্যোগ বলে জানানো হয়েছে।

তাদের মূল দুটি দাবি ছিল -

১. প্রবীণদের জন্য ভাড়ায় ছাড়: সিনিয়র সিটিজেন ও সুপার সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য পুরী, দিঘার মতো বিভিন্ন তীর্থস্থানে যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি বাসে ৫০ শতাংশ কনসেশন চালুর আবেদন। পুজোর আগেই এই সুবিধা চালুর দাবি জানানো হয়েছে।

২. ব্যারাকপুর থেকে দূরপাল্লার বাস: ব্যারাকপুর থেকে সরাসরি পুরী, মথুরা, বৃন্দাবন পর্যন্ত বাস, উত্তরবঙ্গে বাস পরিষেবা এবং বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বাস পরিষেবা চালুর দাবি।

প্রতিনিধি দলের তরফে জানানো হয়েছে, মন্ত্রী জানিয়েছেন এটি খুবই ন্যায্য দাবি এবং তিনি বিষয়টি ক্যাবিনেটে রাখবেন। তবে প্রতিশ্রুতি পালন হলেই প্রকৃত খুশি হবেন ব্যারাকপুরবাসী।

 ছবি ও লেখা: প্রবীর রায়