টিবি মুক্ত ভারত অভিযান

*নিজস্ব প্রতিনিধি:* কেন্দ্রীয় যুব  ও ক্রীড়া মন্ত্রকের উদ্যোগে এবং পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সহযোগিতায় পালিত হল টিবি মুক্ত ভারত অভিযান।

পাঁচ দিনব্যাপী একটি বিশেষ অভিজ্ঞতামূলক শিক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়। শিবিরে অংশগ্রহণকারীদের টিবির প্রাথমিক তথ্য, টিবি সংক্রান্ত ভুল ধারণা ভাঙার পাঠ এবং এর প্রতিরোধ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়। পাশাপাশি গ্রামীণ হাসপাতাল, আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির পরিদর্শন এবং টিবি থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীদের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যবস্থাও করা হয়।

পাঁচ দিনের এই কর্মসূচিতে সারা দেশে ৫০টি টিবি প্রবণ জেলাকে বেছে নেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা অন্যতম।

টিবির মতো ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়তে এবার যুব সমাজকে সামিল করা হচ্ছে। উত্তর ২৪ পরগনার জেলা যক্ষ্মা আধিকারিকের তত্ত্বাবধানে পাঁচ দিন ধরে একটি বিশেষ দলকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনার ৫টি টিবি প্রবণ গ্রামে 'টিবিকে জানুন' শীর্ষক সচেতনতা শিবির করা হয়, যেখানে টিবি সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা, প্রাথমিক তথ্য, সতর্কতা এবং চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষিত এই দলটিকে এবার মাঠে নামানো হবে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য।

*ছবি: তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ উত্তর ২৪ পরগনা।*
ডুরান্ড ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য সুখবর, স্পনসর হিসেবে থাকছে ইমামি
*খেলা*


*স্পোর্টস ডেস্ক, কলকাতা* : তিন বছর পর ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। আগামী রবিবার যুবভারতীতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানের বিরুদ্ধে নামছে রশিদ-বিষ্ণুরা। তার আগেই আর্থিক দুশ্চিন্তা কাটিয়ে স্বস্তি পেল লাল-হলুদ শিবির।

ক্লাব সূত্রের খবর, প্রধান ইনভেস্টর ইমামি এবার আর সরাসরি বিনিয়োগ না করলেও স্পনসর হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের পাশে থাকছে। কয়েকদিন আগেই শোনা গিয়েছিল ভারতীয় ফুটবলের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কারণে ফুটবলে বিনিয়োগ থেকে সরে আসতে চায় ইমামি। ক্লাব কর্তা দেবব্রত সরকার নতুন ইনভেস্টরের খোঁজও শুরু করেছিলেন। এমনকি আমূলের সঙ্গে কথাবার্তার কথাও শোনা গিয়েছিল।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইমামি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর বরফ গলে। স্থির হয়েছে, ইনভেস্টর হিসেবে নয়, স্পনসর হিসেবে থাকবে সংস্থা। সম্ভবত রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল থেকেই স্পনসর হিসেবে নতুন পথচলা শুরু। অর্থাৎ ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে থাকবে ইমামির নাম ও লোগো।

২০২২ সালে প্রথমবার ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করে ইমামি। গত মরশুমে ২৩ বছরের খরা কাটিয়ে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয় লাল-হলুদ। ইনভেস্টর অনিশ্চয়তার মধ্যেও ডুরান্ড ফাইনালের আগে স্পনসর হিসেবে ইমামির থাকার সিদ্ধান্তে স্বস্তিতে ক্লাব কর্তা ও সমর্থকরা।

*ছবি:সঞ্জয় হাজরা* ।
১৫০ পূর্তি উৎসবের খরচে দুর্নীতির অভিযোগ, বসিরহাট হাই স্কুলের গেটে পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য

*সৌমাভ মণ্ডল,বসিরহাট :* বসিরহাটের ঐতিহ্যবাহী বসিরহাট হাই স্কুলে দেড়শ বছর পূর্তি উদযাপনকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। স্কুলের মূল গেট ও দেওয়ালে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পোস্টার পড়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে পোস্টারগুলি দেখে হতবাক স্থানীয় বাসিন্দারাও। কয়েকদিন আগেই বসিরহাট হাই স্কুলে জাঁকজমকপূর্ণভাবে দেড়শ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠান হয়। সেই অনুষ্ঠানের আয়োজন ও খরচ নিয়ে এবার প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। স্কুলের মূল গেট ও দেওয়ালে লাগানো পোস্টারে দাবি করা হয়েছে, দেড়শ বছর পূর্তি উদযাপনের জন্য বিভিন্ন স্তরের মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে এবং তার হিসাব কোথায় তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
পোস্টারে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ মিস্ত্রির বিরুদ্ধে সরাসরি দুর্নীতির অভিযোগ তুলে জবাব চাওয়া হয়েছে। যদিও কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার জেরে স্কুল চত্বর ও আশপাশের এলাকায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের বক্তব্য, বসিরহাট হাই স্কুল দীর্ঘদিন ধরে এলাকার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। এমন একটি প্রতিষ্ঠানের দেড়শ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানকে ঘিরে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। অনুষ্ঠানের জন্য কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল, কত টাকা খরচ হয়েছে এবং বাকি টাকা কোথায় রয়েছে।তার স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশের দাবি উঠেছে।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বা স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে এ বিষয়ে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে পোস্টারে ওঠা অভিযোগকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। পুরো বিষয়টি নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে এবং অভিযোগের কোনও তদন্ত হয় কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে এলাকার মানুষ।
সিএবি ডিজিটাল এইচআর ম্যানেজমেন্ট অ্যাপের শুভসূচনা
*খেলা*


*স্পোর্টস ডেস্ক,কলকাতা:* ক্রিকেট প্রশাসনকে আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে শুক্রবার "গো গ্রিন" উদ্যোগের আওতায় নিজস্ব ডিজিটাল এইচআর ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ চালু করল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল ।

ইডেন গার্ডেন্সে সিএবির সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি এই অ্যাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিএবির সচিব দেবব্রত দাস ওরফে বাবলু কলয়, সহ-সভাপতি নীতিশ রঞ্জন দত্ত, প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ঝুলন গোস্বামী সহ বিভিন্ন কমিটির চেয়ারপার্সন ও সদস্যরা। সিএবির কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাসের নেতৃত্বে এই অ্যাপটি তৈরি হয়েছে।

"গেমের পিছনের দলকে ক্ষমতায়ন" করার ভাবনা নিয়েই এই অ্যাপ। এর ফলে কর্মীদের প্রোফাইল, বেতন, ছুটি, হাজিরা থেকে শুরু করে যাবতীয় অনুমোদনের কাজ এখন থেকে কাগজবিহীনভাবে হবে। ক্যাবের দাবি, এর ফলে প্রশাসনিক কাজে কাগজ ও প্রিন্টিং খরচ ৩০ শতাংশেরও বেশি কমবে।

সৌরভ গাঙ্গুলি বলেন, "যাঁরা স্থানীয় ম্যাচ থেকে আন্তর্জাতিক ম্যাচ সামলান, তাঁদের হাতে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম তুলে দেওয়াই লক্ষ্য। কাগজের ব্যবহার কমিয়ে আমরা পরিবেশের প্রতিও দায়বদ্ধতা দেখালাম।"

*ছবি: সৌজন্যে সিএবি* ।
অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে যশোর রোড অবরোধ-বিক্ষোভ

*নিজস্ব সংবাদদাতা,মধ্যমগ্রাম:* অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে বৃহস্পতিবার অবরোধ-বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর ২৪ পরগনার যশোর রোড।

মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় টাকা না পাওয়া মহিলারা প্রথমে সোদপুর রোড অবরোধ করেন। প্রায় ২০-২৫ মিনিট ধরে অবরোধের জেরে রাস্তায় দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। প্রভাব পড়ে জাতীয় সড়ক যশোর রোডেও। খবর পেয়ে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরোধ তোলা হয়।

এরপর বিক্ষোভকারীরা মধ্যমগ্রাম পুরসভার চারতলায় গিয়ে এগজিকিউটিভ অফিসারের ঘর ঘেরাও করে জবাব দাবি করেন। দফায় দফায় বিক্ষোভের জেরে পুরসভা চত্বরেও উত্তেজনা ছড়ায়। *ছবি:অঙ্কিত মুখার্জি।*
টুলু মণ্ডলের রক্ষাকবচ খারিজ, তদন্তে হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

*কলকাতা:* বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ পুলিশি তদন্তে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি। এদিনের শুনানিতে বিচারপতি বলেন, “টুলু মণ্ডল ইন্দ্রজিৎ। রামায়ণের মতো। মেঘের আড়াল থেকে সবকিছু নজরে রাখছেন।” টুলুর আইনজীবী দুষ্যন্ত দাভে যুক্তি দেন, বাড়িতে নগদ-সোনা রাখা অপরাধ নয়, আয়কর আইনে মামলা হতে পারে। বিচারপতি পাল্টা বলেন, “টাকার পরিমাণ কম নয়, বিপুল।” সংগঠিত অপরাধের ধারা নিয়ে আপত্তি থাকলে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়ার পরামর্শও দেন তিনি।

রাজ্যের তরফে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার গোপন রিপোর্ট পেশ করেন।

সম্প্রতি মহম্মদবাজারের ডেউচা গ্রামে টুলুর আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে নগদ ২৮.৫ কোটি টাকা ও ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার হয়। মিনার গ্রেফতার হলেও টুলু অধরা। তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। টুলুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও ইন্টারপোলের রেড কর্নার নোটিস জারি হয়েছে। সিউড়ি এসিজেএম কোর্ট শুক্রবারের মধ্যে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল।

আদালত স্পষ্ট জানায়, এই অপরাধের তদন্ত চালিয়ে যাওয়া উচিত। তদন্তে হস্তক্ষেপ করা হবে না। তবে  আদালত টুলুর এফ আই আর খারিজ সংক্রান্ত মামলার শুনানি করবে ২৭ আগষ্ট।
বারাসাত মেডিক্যাল কলেজের লেডিস হস্টেলে আগুন, শর্ট সার্কিটের জের, অল্পের জন্য রক্ষা আবাসিকদের*

*বারাসাত:* আগুন আতঙ্ক ছড়াল বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের লেডিস হস্টেলে। বৃহস্পতিবার সকালে হস্টেলের একটি ঘর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তৎপরতা শুরু হয়। দমকল ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপে বড়সড় বিপদ এড়ানো গেল।

সকাল ৮টা নাগাদ হাসপাতাল সংলগ্ন এনটিএস বিল্ডিংয়ের লেডিস হস্টেলের এক আবাসিকের ঘর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন অন্যান্যরা। খবর দেওয়া হয় দমকল ও ইলেকট্রিক বিভাগকে। খবর পেয়ে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের একটি ইঞ্জিন।

হাসপাতালের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট নিবেদিতা মিশ্র জানান, ‘সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার ও ইলেকট্রিক টিমকে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।’

দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, পোশাক ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গিয়েছে। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই। আবাসিক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের তৎপরতার কারণেই ক্ষয়ক্ষতি সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

প্রাথমিক ভাবে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগার অনুমান। ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে দমকল। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন দমকলকর্মীরা।

*এক নজরে*
- *কোথায়*: বারাসাত মেডিক্যাল কলেজের লেডিস হস্টেলের এনটিএস বিল্ডিং
- *কখন*: বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা নাগাদ
- *কারণ*: প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট
- *ক্ষয়ক্ষতি*: আসবাবপত্র, পোশাক ও নথিপত্র পুড়েছে
- *হতাহত*: কেউ আহত হননি *ছবি: অঙ্কিত মুখার্জি।*
ডুরান্ড কাপ: টাইব্রেকারে দিল্লিকে হারিয়ে ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল, সামনে মোহনবাগান-নর্থইস্টের জয়ী
*খেলা*


*কলকাতা:* টাইব্রেকারের রোমাঞ্চে এসসি দিল্লিকে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের লড়াই গোলশূন্য থাকার পর পেনাল্টি শুটআউটে ৫-৩ গোলে জয় পেল লাল-হলুদ। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ মোহনবাগান বনাম নর্থইস্ট ইউনাইটেড ম্যাচের বিজয়ী দল।

ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিয়ো লোপেজ় হাবাসের প্রথম মরসুমেই ট্রফি জয়ের হাতছানি। রশিদের শেষ শট জালে জড়াতেই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন তিনি।

ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণের ঝাঁঝ ছিল ইস্টবেঙ্গলের। এডমুন্ড, জেসিন, রশিদরা বারবার দিল্লির রক্ষণে চাপ তৈরি করেন। ১৬ মিনিটে রশিদের ফ্রি কিক বারে লেগে ফেরে। তিন মিনিট পর জেসিনের শটও একই ভাগ্য বরণ করে। মনে হচ্ছিল ভাগ্য নেই লাল-হলুদের সঙ্গে।

উল্টোদিকে ৩ মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগ পায় দিল্লি। সন্দীপ মান্ডির ফাউলে পেনাল্টি পায় তারা। কিন্তু রদ্রিগুইনহোর নেওয়া শট সহজেই আটকান গোলরক্ষক প্রভসুখন গিল।

দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের জন্য মরিয়া ছিল ইস্টবেঙ্গল। ৭৪ মিনিটে রশিদের শট ফের পোস্টে লাগে। গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

সেখানেই ভাগ্য ঘুরে যায়। দিল্লির প্রথম শট মিস করেন পেনা। রদ্রিগুইনহোর থেকেও খারাপ শট ছিল সেটি। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে আনোয়ার আলি, রোহিত দানু, লালচুংনুঙ্গা, ইকনমিডিস ও রশিদ — পাঁচজনই লক্ষ্যভেদ করেন। ম্যাচে দু'বার পোস্ট-বারে বাধা পাওয়া রশিদই শেষ শটে জাল কাঁপিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেন। *ছবি:সঞ্জয় হাজরা।*
আইএসএল-এ অনিশ্চিত অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার এফসি, ফেডারেশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা আজ
*খেলা*


*কলকাতা:* ডুরান্ড কাপ চলাকালীন ফের চর্চার কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাব ডায়মন্ড হারবার এফসি। আইএসএল খেলার জন্য নির্ধারিত টাকা জমা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন।

সূত্রের খবর, বুধবার দুপুর ২টোর মধ্যে দ্বিতীয় দফার ৫৫ লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার কথা ছিল ডায়মন্ড হারবারের। তবে ক্লাবের তরফে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। ফেডারেশন সেই আবেদন মানে কি না, সেদিকেই এখন নজর সবার।

গত মরশুমে আইএফএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রথমবার আইএসএল-এ সুযোগ পায় ডায়মন্ড হারবার এফসি। কিন্তু ক্লাবের আয় নিয়ে তদন্ত শুরু হওয়ায় প্রক্রিয়া আটকে যায়। এমনকি মেসির আগমনের দিন "ডায়মন্ড হারবার অল স্টার্স" দলকে মাঠে নামানো নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়।

আইএফএল চ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রাপ্য পুরস্কারের প্রথম কিস্তি ৫৫ লক্ষ টাকা আগেই দিয়েছে ক্লাব। বাকি টাকা আজকের মধ্যে জমা দেওয়ার কথা। এআইএফএফ আগেই জানিয়েছিল, ১৪ আগস্টের মধ্যে সব ক্লাবকে মোট ১.১ কোটি টাকা দিতে হবে। অধিকাংশ ক্লাব টাকা জমা দিলেও জামশেদপুর এফসি টাকা না দিয়ে ক্লাবই তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইতিমধ্যেই কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপে নেই ডায়মন্ড হারবার। গতবার ডুরান্ডে রানার্স হওয়া সত্ত্বেও এবার তাদের খেলতে দেওয়া হয়নি। এবার আইএসএল-এর টাকাও জমা না পড়লে ১৩ দল নিয়েই লিগ হবে বলে ফেডারেশন জানিয়েছে।

টাকা জমা না পড়লে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাবের আইএসএল ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠে যাবে।

ছবি :AI  নির্মিত।
সপ্তাহান্তে নয়, স্কুল চলাকালীনই জনগণনার কাজ - সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল রাজ্য

*কলকাতা:* সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের শনি ও রবিবার জনগণনার কাজে লাগানোর পুরনো সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হঠল রাজ্য সরকার। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্য জানিয়ে দিল, শিক্ষকদের ছুটির দিনে ডিউটি দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

মূলত পঠনপাঠন ব্যাহত না করতে সপ্তাহান্তে শিক্ষকদের দিয়ে সেন্সাস করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয় হাইকোর্টে। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর এজলাসে শুনানিতে রাজ্য ও কেন্দ্রের অবস্থানের মধ্যে চরম অমিল দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত।

কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট বলা হয়, সেন্সাসের কাজ স্কুল চলাকালীন স্বাভাবিক কর্মদিবসেই করাতে হবে। রাজ্য ও কেন্দ্রের দুই বিপরীত অবস্থানের জেরে জটিলতা তৈরি হয়। এরপরই আদালতের হস্তক্ষেপে আগের জারি করা নোটিস ফিরিয়ে নেওয়ার কথা জানায় রাজ্য প্রশাসন।

বিকাশ ভবন থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতেও বলা হয়েছে, ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ না করে শিক্ষকদের জনগণনার কাজে ব্যবহারের জন্য স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেই কারণেই গত ৩ আগস্টের নির্দেশিকা প্রত্যাহার করা হল।

তবে শিক্ষকরা পুরোপুরি রেহাই পাচ্ছেন না। কবে, কীভাবে জনগণনার দায়িত্ব দেওয়া হবে তা ঠিক করবে সেন্সাস বোর্ড। নতুন সময়সূচি ও গাইডলাইন আসার পর আদালত ফের মামলার শুনানি করবে। আপাতত মামলা মুলতুবি রাখা হয়েছে।