সিএবি ডিজিটাল এইচআর ম্যানেজমেন্ট অ্যাপের শুভসূচনা
*খেলা*


*স্পোর্টস ডেস্ক,কলকাতা:* ক্রিকেট প্রশাসনকে আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে শুক্রবার "গো গ্রিন" উদ্যোগের আওতায় নিজস্ব ডিজিটাল এইচআর ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ চালু করল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল ।

ইডেন গার্ডেন্সে সিএবির সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি এই অ্যাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিএবির সচিব দেবব্রত দাস ওরফে বাবলু কলয়, সহ-সভাপতি নীতিশ রঞ্জন দত্ত, প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ঝুলন গোস্বামী সহ বিভিন্ন কমিটির চেয়ারপার্সন ও সদস্যরা। সিএবির কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাসের নেতৃত্বে এই অ্যাপটি তৈরি হয়েছে।

"গেমের পিছনের দলকে ক্ষমতায়ন" করার ভাবনা নিয়েই এই অ্যাপ। এর ফলে কর্মীদের প্রোফাইল, বেতন, ছুটি, হাজিরা থেকে শুরু করে যাবতীয় অনুমোদনের কাজ এখন থেকে কাগজবিহীনভাবে হবে। ক্যাবের দাবি, এর ফলে প্রশাসনিক কাজে কাগজ ও প্রিন্টিং খরচ ৩০ শতাংশেরও বেশি কমবে।

সৌরভ গাঙ্গুলি বলেন, "যাঁরা স্থানীয় ম্যাচ থেকে আন্তর্জাতিক ম্যাচ সামলান, তাঁদের হাতে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম তুলে দেওয়াই লক্ষ্য। কাগজের ব্যবহার কমিয়ে আমরা পরিবেশের প্রতিও দায়বদ্ধতা দেখালাম।"

*ছবি: সৌজন্যে সিএবি* ।
অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে যশোর রোড অবরোধ-বিক্ষোভ

*নিজস্ব সংবাদদাতা,মধ্যমগ্রাম:* অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে বৃহস্পতিবার অবরোধ-বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর ২৪ পরগনার যশোর রোড।

মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় টাকা না পাওয়া মহিলারা প্রথমে সোদপুর রোড অবরোধ করেন। প্রায় ২০-২৫ মিনিট ধরে অবরোধের জেরে রাস্তায় দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। প্রভাব পড়ে জাতীয় সড়ক যশোর রোডেও। খবর পেয়ে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরোধ তোলা হয়।

এরপর বিক্ষোভকারীরা মধ্যমগ্রাম পুরসভার চারতলায় গিয়ে এগজিকিউটিভ অফিসারের ঘর ঘেরাও করে জবাব দাবি করেন। দফায় দফায় বিক্ষোভের জেরে পুরসভা চত্বরেও উত্তেজনা ছড়ায়। *ছবি:অঙ্কিত মুখার্জি।*
টুলু মণ্ডলের রক্ষাকবচ খারিজ, তদন্তে হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

*কলকাতা:* বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ পুলিশি তদন্তে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি। এদিনের শুনানিতে বিচারপতি বলেন, “টুলু মণ্ডল ইন্দ্রজিৎ। রামায়ণের মতো। মেঘের আড়াল থেকে সবকিছু নজরে রাখছেন।” টুলুর আইনজীবী দুষ্যন্ত দাভে যুক্তি দেন, বাড়িতে নগদ-সোনা রাখা অপরাধ নয়, আয়কর আইনে মামলা হতে পারে। বিচারপতি পাল্টা বলেন, “টাকার পরিমাণ কম নয়, বিপুল।” সংগঠিত অপরাধের ধারা নিয়ে আপত্তি থাকলে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়ার পরামর্শও দেন তিনি।

রাজ্যের তরফে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার গোপন রিপোর্ট পেশ করেন।

সম্প্রতি মহম্মদবাজারের ডেউচা গ্রামে টুলুর আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে নগদ ২৮.৫ কোটি টাকা ও ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার হয়। মিনার গ্রেফতার হলেও টুলু অধরা। তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। টুলুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও ইন্টারপোলের রেড কর্নার নোটিস জারি হয়েছে। সিউড়ি এসিজেএম কোর্ট শুক্রবারের মধ্যে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল।

আদালত স্পষ্ট জানায়, এই অপরাধের তদন্ত চালিয়ে যাওয়া উচিত। তদন্তে হস্তক্ষেপ করা হবে না। তবে  আদালত টুলুর এফ আই আর খারিজ সংক্রান্ত মামলার শুনানি করবে ২৭ আগষ্ট।
বারাসাত মেডিক্যাল কলেজের লেডিস হস্টেলে আগুন, শর্ট সার্কিটের জের, অল্পের জন্য রক্ষা আবাসিকদের*

*বারাসাত:* আগুন আতঙ্ক ছড়াল বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের লেডিস হস্টেলে। বৃহস্পতিবার সকালে হস্টেলের একটি ঘর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তৎপরতা শুরু হয়। দমকল ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপে বড়সড় বিপদ এড়ানো গেল।

সকাল ৮টা নাগাদ হাসপাতাল সংলগ্ন এনটিএস বিল্ডিংয়ের লেডিস হস্টেলের এক আবাসিকের ঘর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন অন্যান্যরা। খবর দেওয়া হয় দমকল ও ইলেকট্রিক বিভাগকে। খবর পেয়ে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের একটি ইঞ্জিন।

হাসপাতালের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট নিবেদিতা মিশ্র জানান, ‘সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার ও ইলেকট্রিক টিমকে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।’

দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, পোশাক ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গিয়েছে। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই। আবাসিক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের তৎপরতার কারণেই ক্ষয়ক্ষতি সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

প্রাথমিক ভাবে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগার অনুমান। ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে দমকল। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন দমকলকর্মীরা।

*এক নজরে*
- *কোথায়*: বারাসাত মেডিক্যাল কলেজের লেডিস হস্টেলের এনটিএস বিল্ডিং
- *কখন*: বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা নাগাদ
- *কারণ*: প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট
- *ক্ষয়ক্ষতি*: আসবাবপত্র, পোশাক ও নথিপত্র পুড়েছে
- *হতাহত*: কেউ আহত হননি *ছবি: অঙ্কিত মুখার্জি।*
ডুরান্ড কাপ: টাইব্রেকারে দিল্লিকে হারিয়ে ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল, সামনে মোহনবাগান-নর্থইস্টের জয়ী
*খেলা*


*কলকাতা:* টাইব্রেকারের রোমাঞ্চে এসসি দিল্লিকে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের লড়াই গোলশূন্য থাকার পর পেনাল্টি শুটআউটে ৫-৩ গোলে জয় পেল লাল-হলুদ। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ মোহনবাগান বনাম নর্থইস্ট ইউনাইটেড ম্যাচের বিজয়ী দল।

ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিয়ো লোপেজ় হাবাসের প্রথম মরসুমেই ট্রফি জয়ের হাতছানি। রশিদের শেষ শট জালে জড়াতেই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন তিনি।

ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণের ঝাঁঝ ছিল ইস্টবেঙ্গলের। এডমুন্ড, জেসিন, রশিদরা বারবার দিল্লির রক্ষণে চাপ তৈরি করেন। ১৬ মিনিটে রশিদের ফ্রি কিক বারে লেগে ফেরে। তিন মিনিট পর জেসিনের শটও একই ভাগ্য বরণ করে। মনে হচ্ছিল ভাগ্য নেই লাল-হলুদের সঙ্গে।

উল্টোদিকে ৩ মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগ পায় দিল্লি। সন্দীপ মান্ডির ফাউলে পেনাল্টি পায় তারা। কিন্তু রদ্রিগুইনহোর নেওয়া শট সহজেই আটকান গোলরক্ষক প্রভসুখন গিল।

দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের জন্য মরিয়া ছিল ইস্টবেঙ্গল। ৭৪ মিনিটে রশিদের শট ফের পোস্টে লাগে। গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

সেখানেই ভাগ্য ঘুরে যায়। দিল্লির প্রথম শট মিস করেন পেনা। রদ্রিগুইনহোর থেকেও খারাপ শট ছিল সেটি। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে আনোয়ার আলি, রোহিত দানু, লালচুংনুঙ্গা, ইকনমিডিস ও রশিদ — পাঁচজনই লক্ষ্যভেদ করেন। ম্যাচে দু'বার পোস্ট-বারে বাধা পাওয়া রশিদই শেষ শটে জাল কাঁপিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেন। *ছবি:সঞ্জয় হাজরা।*
আইএসএল-এ অনিশ্চিত অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার এফসি, ফেডারেশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা আজ
*খেলা*


*কলকাতা:* ডুরান্ড কাপ চলাকালীন ফের চর্চার কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাব ডায়মন্ড হারবার এফসি। আইএসএল খেলার জন্য নির্ধারিত টাকা জমা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন।

সূত্রের খবর, বুধবার দুপুর ২টোর মধ্যে দ্বিতীয় দফার ৫৫ লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার কথা ছিল ডায়মন্ড হারবারের। তবে ক্লাবের তরফে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। ফেডারেশন সেই আবেদন মানে কি না, সেদিকেই এখন নজর সবার।

গত মরশুমে আইএফএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রথমবার আইএসএল-এ সুযোগ পায় ডায়মন্ড হারবার এফসি। কিন্তু ক্লাবের আয় নিয়ে তদন্ত শুরু হওয়ায় প্রক্রিয়া আটকে যায়। এমনকি মেসির আগমনের দিন "ডায়মন্ড হারবার অল স্টার্স" দলকে মাঠে নামানো নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়।

আইএফএল চ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রাপ্য পুরস্কারের প্রথম কিস্তি ৫৫ লক্ষ টাকা আগেই দিয়েছে ক্লাব। বাকি টাকা আজকের মধ্যে জমা দেওয়ার কথা। এআইএফএফ আগেই জানিয়েছিল, ১৪ আগস্টের মধ্যে সব ক্লাবকে মোট ১.১ কোটি টাকা দিতে হবে। অধিকাংশ ক্লাব টাকা জমা দিলেও জামশেদপুর এফসি টাকা না দিয়ে ক্লাবই তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইতিমধ্যেই কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপে নেই ডায়মন্ড হারবার। গতবার ডুরান্ডে রানার্স হওয়া সত্ত্বেও এবার তাদের খেলতে দেওয়া হয়নি। এবার আইএসএল-এর টাকাও জমা না পড়লে ১৩ দল নিয়েই লিগ হবে বলে ফেডারেশন জানিয়েছে।

টাকা জমা না পড়লে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাবের আইএসএল ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠে যাবে।

ছবি :AI  নির্মিত।
সপ্তাহান্তে নয়, স্কুল চলাকালীনই জনগণনার কাজ - সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল রাজ্য

*কলকাতা:* সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের শনি ও রবিবার জনগণনার কাজে লাগানোর পুরনো সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হঠল রাজ্য সরকার। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্য জানিয়ে দিল, শিক্ষকদের ছুটির দিনে ডিউটি দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

মূলত পঠনপাঠন ব্যাহত না করতে সপ্তাহান্তে শিক্ষকদের দিয়ে সেন্সাস করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয় হাইকোর্টে। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর এজলাসে শুনানিতে রাজ্য ও কেন্দ্রের অবস্থানের মধ্যে চরম অমিল দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত।

কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট বলা হয়, সেন্সাসের কাজ স্কুল চলাকালীন স্বাভাবিক কর্মদিবসেই করাতে হবে। রাজ্য ও কেন্দ্রের দুই বিপরীত অবস্থানের জেরে জটিলতা তৈরি হয়। এরপরই আদালতের হস্তক্ষেপে আগের জারি করা নোটিস ফিরিয়ে নেওয়ার কথা জানায় রাজ্য প্রশাসন।

বিকাশ ভবন থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতেও বলা হয়েছে, ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ না করে শিক্ষকদের জনগণনার কাজে ব্যবহারের জন্য স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেই কারণেই গত ৩ আগস্টের নির্দেশিকা প্রত্যাহার করা হল।

তবে শিক্ষকরা পুরোপুরি রেহাই পাচ্ছেন না। কবে, কীভাবে জনগণনার দায়িত্ব দেওয়া হবে তা ঠিক করবে সেন্সাস বোর্ড। নতুন সময়সূচি ও গাইডলাইন আসার পর আদালত ফের মামলার শুনানি করবে। আপাতত মামলা মুলতুবি রাখা হয়েছে।
সুজিত বসুর জামিন মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ, মামলা গেল প্রধান বিচারপতির কাছে

*কলকাতা:* প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর জামিন মামলা থেকে অব্যাহতি নিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। বুধবার আদালতে তিনি জানান, এই মামলা থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন।

সুজিতের আইনজীবীদের একাংশের আচরণের কারণ দেখিয়েই এই সিদ্ধান্ত। বিচারপতি জানান, সোমবার মামলার শুনানি শেষ হওয়ার পর রায়দান স্থগিত ছিল। মঙ্গলবার সুজিতের এক আইনজীবী তাঁর চেম্বারে যান। তখন বিচারপতি চেম্বারে ছিলেন না। অভিযোগ, ওই আইনজীবী বিচারপতির ব্যক্তিগত সচিবকে চেম্বারে থাকা ফাইল দিতে বলেন।

বিচারপতি ঘোষ বলেন, "ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।" বিষয়টি তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীকে জানিয়েছেন। এরপরই মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন।

নিয়ম অনুযায়ী মামলাটি এখন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির এখতিয়ারে রয়েছে। তিনিই ঠিক করবেন কোন বেঞ্চে এর পরবর্তী শুনানি হবে।

উল্লেখ্য, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করে ইডি। অভিযোগ, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনিভাবে প্রায় ১৫০ জনকে চাকরির সুপারিশ করেছিলেন তিনি। দুর্নীতির টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে সন্দেহ করছে ইডি। তাই একাধিক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গ্রেফতারির আগে কয়েক দফায় সুজিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ভোটের প্রচারের কারণে হাজিরা পিছিয়ে ১ মে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন তিনি। সেদিন ছেড়ে দেওয়া হলেও ১১ মে ফের তলব করে প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
রক্তদান শিবির নিয়ে অনিয়ম: তদন্ত চালাতে পারবে স্বাস্থ্য দফতর, হস্তক্ষেপ নয় হাই কোর্টের

*কলকাতা:* রক্তদান শিবিরে অনিয়মের অভিযোগে ব্লাড ব্যাঙ্কগুলির বিরুদ্ধে চলা তদন্তে আপাতত হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাও জানান, স্বাস্থ্য দফতর তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। তবে তা এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে হবে।

সম্প্রতি রাজ্যের ১১টি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ককে পাড়ায় পাড়ায় রক্তদান শিবির করে রক্ত সংগ্রহ বন্ধের নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য দফতর। তদন্তের ভিত্তিতে একটি ব্যাঙ্কের লাইসেন্সও বাতিল হয়। পরে অবশ্য সব পদক্ষেপ প্রত্যাহার করা হয়। এই নির্দেশিকা চ্যালেঞ্জ করে একটি ব্লাড ব্যাঙ্ক আদালতের দ্বারস্থ হয়।

স্বাস্থ্য দফতরের অভিযোগ, লক্ষ্যমাত্রার বেশি রক্ত সংগ্রহ, নিয়ম না মানা এবং অনুমতি ছাড়া লোহিত রক্তকণিকা ও প্লাজ়মা ভিনরাজ্যে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। তালিকায় সোনারপুর, এন্টালি, যোধপুর পার্ক, আলিপুর, পদ্মপুকুর, বেলেঘাটা, হাওড়া, কৃষ্ণনগর, রায়গঞ্জ, পূর্ব বর্ধমান ও অন্ডালের ব্লাড ব্যাঙ্কগুলি রয়েছে।

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত রক্তদান শিবিরে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিল।
ড্র করে ১ পয়েন্ট পেল মহামেডান এসসি, পুলিশ এসির সঙ্গে ১-১*
*খেলা*

*কলকাতা ফুটবলে লিগ*


*নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা, ১৯ আগস্ট ২০২৬:* আজ মহামেডান স্পোর্টিং গ্রাউন্ডে পুলিশ এসির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।

খারাপ আবহাওয়ার কারণে আগে স্থগিত হয়ে যাওয়া এই ম্যাচটি আজ ক্লাব মাঠে পুনর্নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়।

মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন রেমসাঙ্গা। ম্যাচের বাকি সময়ে দুই দলই জয়ের গোলের চেষ্টা করলেও আর কোনও দলই জালের দেখা পায়নি।

নির্ধারিত সময়ের শেষে ফলাফল: মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ১-১ পুলিশ এসি। মহামেডান ক্লাবের হয়ে একমাত্র গোলদাতা রেমসাঙ্গা।

সিএফএল অভিযান চলাকালীন দলটি এখন পরবর্তী ম্যাচগুলোর দিকে তাকিয়ে রয়েছে। ছবি: সঞ্জয় হাজরা।