আইএসএল-এ অনিশ্চিত অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার এফসি, ফেডারেশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা আজ
*খেলা*


*কলকাতা:* ডুরান্ড কাপ চলাকালীন ফের চর্চার কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাব ডায়মন্ড হারবার এফসি। আইএসএল খেলার জন্য নির্ধারিত টাকা জমা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন।

সূত্রের খবর, বুধবার দুপুর ২টোর মধ্যে দ্বিতীয় দফার ৫৫ লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার কথা ছিল ডায়মন্ড হারবারের। তবে ক্লাবের তরফে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। ফেডারেশন সেই আবেদন মানে কি না, সেদিকেই এখন নজর সবার।

গত মরশুমে আইএফএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রথমবার আইএসএল-এ সুযোগ পায় ডায়মন্ড হারবার এফসি। কিন্তু ক্লাবের আয় নিয়ে তদন্ত শুরু হওয়ায় প্রক্রিয়া আটকে যায়। এমনকি মেসির আগমনের দিন "ডায়মন্ড হারবার অল স্টার্স" দলকে মাঠে নামানো নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়।

আইএফএল চ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রাপ্য পুরস্কারের প্রথম কিস্তি ৫৫ লক্ষ টাকা আগেই দিয়েছে ক্লাব। বাকি টাকা আজকের মধ্যে জমা দেওয়ার কথা। এআইএফএফ আগেই জানিয়েছিল, ১৪ আগস্টের মধ্যে সব ক্লাবকে মোট ১.১ কোটি টাকা দিতে হবে। অধিকাংশ ক্লাব টাকা জমা দিলেও জামশেদপুর এফসি টাকা না দিয়ে ক্লাবই তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইতিমধ্যেই কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপে নেই ডায়মন্ড হারবার। গতবার ডুরান্ডে রানার্স হওয়া সত্ত্বেও এবার তাদের খেলতে দেওয়া হয়নি। এবার আইএসএল-এর টাকাও জমা না পড়লে ১৩ দল নিয়েই লিগ হবে বলে ফেডারেশন জানিয়েছে।

টাকা জমা না পড়লে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাবের আইএসএল ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠে যাবে।

ছবি :AI  নির্মিত।
সপ্তাহান্তে নয়, স্কুল চলাকালীনই জনগণনার কাজ - সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল রাজ্য

*কলকাতা:* সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের শনি ও রবিবার জনগণনার কাজে লাগানোর পুরনো সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হঠল রাজ্য সরকার। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্য জানিয়ে দিল, শিক্ষকদের ছুটির দিনে ডিউটি দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

মূলত পঠনপাঠন ব্যাহত না করতে সপ্তাহান্তে শিক্ষকদের দিয়ে সেন্সাস করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয় হাইকোর্টে। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর এজলাসে শুনানিতে রাজ্য ও কেন্দ্রের অবস্থানের মধ্যে চরম অমিল দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত।

কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট বলা হয়, সেন্সাসের কাজ স্কুল চলাকালীন স্বাভাবিক কর্মদিবসেই করাতে হবে। রাজ্য ও কেন্দ্রের দুই বিপরীত অবস্থানের জেরে জটিলতা তৈরি হয়। এরপরই আদালতের হস্তক্ষেপে আগের জারি করা নোটিস ফিরিয়ে নেওয়ার কথা জানায় রাজ্য প্রশাসন।

বিকাশ ভবন থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতেও বলা হয়েছে, ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ না করে শিক্ষকদের জনগণনার কাজে ব্যবহারের জন্য স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেই কারণেই গত ৩ আগস্টের নির্দেশিকা প্রত্যাহার করা হল।

তবে শিক্ষকরা পুরোপুরি রেহাই পাচ্ছেন না। কবে, কীভাবে জনগণনার দায়িত্ব দেওয়া হবে তা ঠিক করবে সেন্সাস বোর্ড। নতুন সময়সূচি ও গাইডলাইন আসার পর আদালত ফের মামলার শুনানি করবে। আপাতত মামলা মুলতুবি রাখা হয়েছে।
সুজিত বসুর জামিন মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ, মামলা গেল প্রধান বিচারপতির কাছে

*কলকাতা:* প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর জামিন মামলা থেকে অব্যাহতি নিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। বুধবার আদালতে তিনি জানান, এই মামলা থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন।

সুজিতের আইনজীবীদের একাংশের আচরণের কারণ দেখিয়েই এই সিদ্ধান্ত। বিচারপতি জানান, সোমবার মামলার শুনানি শেষ হওয়ার পর রায়দান স্থগিত ছিল। মঙ্গলবার সুজিতের এক আইনজীবী তাঁর চেম্বারে যান। তখন বিচারপতি চেম্বারে ছিলেন না। অভিযোগ, ওই আইনজীবী বিচারপতির ব্যক্তিগত সচিবকে চেম্বারে থাকা ফাইল দিতে বলেন।

বিচারপতি ঘোষ বলেন, "ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।" বিষয়টি তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীকে জানিয়েছেন। এরপরই মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন।

নিয়ম অনুযায়ী মামলাটি এখন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির এখতিয়ারে রয়েছে। তিনিই ঠিক করবেন কোন বেঞ্চে এর পরবর্তী শুনানি হবে।

উল্লেখ্য, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করে ইডি। অভিযোগ, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনিভাবে প্রায় ১৫০ জনকে চাকরির সুপারিশ করেছিলেন তিনি। দুর্নীতির টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে সন্দেহ করছে ইডি। তাই একাধিক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গ্রেফতারির আগে কয়েক দফায় সুজিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ভোটের প্রচারের কারণে হাজিরা পিছিয়ে ১ মে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন তিনি। সেদিন ছেড়ে দেওয়া হলেও ১১ মে ফের তলব করে প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
রক্তদান শিবির নিয়ে অনিয়ম: তদন্ত চালাতে পারবে স্বাস্থ্য দফতর, হস্তক্ষেপ নয় হাই কোর্টের

*কলকাতা:* রক্তদান শিবিরে অনিয়মের অভিযোগে ব্লাড ব্যাঙ্কগুলির বিরুদ্ধে চলা তদন্তে আপাতত হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাও জানান, স্বাস্থ্য দফতর তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। তবে তা এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে হবে।

সম্প্রতি রাজ্যের ১১টি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ককে পাড়ায় পাড়ায় রক্তদান শিবির করে রক্ত সংগ্রহ বন্ধের নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য দফতর। তদন্তের ভিত্তিতে একটি ব্যাঙ্কের লাইসেন্সও বাতিল হয়। পরে অবশ্য সব পদক্ষেপ প্রত্যাহার করা হয়। এই নির্দেশিকা চ্যালেঞ্জ করে একটি ব্লাড ব্যাঙ্ক আদালতের দ্বারস্থ হয়।

স্বাস্থ্য দফতরের অভিযোগ, লক্ষ্যমাত্রার বেশি রক্ত সংগ্রহ, নিয়ম না মানা এবং অনুমতি ছাড়া লোহিত রক্তকণিকা ও প্লাজ়মা ভিনরাজ্যে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। তালিকায় সোনারপুর, এন্টালি, যোধপুর পার্ক, আলিপুর, পদ্মপুকুর, বেলেঘাটা, হাওড়া, কৃষ্ণনগর, রায়গঞ্জ, পূর্ব বর্ধমান ও অন্ডালের ব্লাড ব্যাঙ্কগুলি রয়েছে।

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত রক্তদান শিবিরে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিল।
ড্র করে ১ পয়েন্ট পেল মহামেডান এসসি, পুলিশ এসির সঙ্গে ১-১*
*খেলা*

*কলকাতা ফুটবলে লিগ*


*নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা, ১৯ আগস্ট ২০২৬:* আজ মহামেডান স্পোর্টিং গ্রাউন্ডে পুলিশ এসির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।

খারাপ আবহাওয়ার কারণে আগে স্থগিত হয়ে যাওয়া এই ম্যাচটি আজ ক্লাব মাঠে পুনর্নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়।

মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন রেমসাঙ্গা। ম্যাচের বাকি সময়ে দুই দলই জয়ের গোলের চেষ্টা করলেও আর কোনও দলই জালের দেখা পায়নি।

নির্ধারিত সময়ের শেষে ফলাফল: মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ১-১ পুলিশ এসি। মহামেডান ক্লাবের হয়ে একমাত্র গোলদাতা রেমসাঙ্গা।

সিএফএল অভিযান চলাকালীন দলটি এখন পরবর্তী ম্যাচগুলোর দিকে তাকিয়ে রয়েছে। ছবি: সঞ্জয় হাজরা।
ইভিএম সঙ্কটে পুরভোটের প্রস্তুতি অনিশ্চিত, হাইকোর্টের দ্বারস্থ কমিশন*
*হাইকোর্ট*


*কলকাতা:* ইভিএমের অভাবে রাজ্যের পুরভোটের প্রস্তুতিতে বড় ধাক্কা। ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমে ভোটের পরিকল্পনা থাকলেও পর্যাপ্ত ইভিএম নেই কমিশনের হাতে। এই কারণে বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

জেলাশাসকদের কাছে গচ্ছিত অতিরিক্ত ইভিএমগুলি দ্রুত ফেরত পেতে মামলা দায়ের অনুমতি চাওয়া হয়। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ সেই অনুমতি দিয়েছে। আগামী সপ্তাহেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

কমিশন সূত্রে খবর, গত বিধানসভা ভোটের পর বিভিন্ন জেলায় প্রচুর ইভিএম জেলাশাসকদের কাছে পড়ে রয়েছে। মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে কিছু মেশিন আটকে আছে। যেগুলিতে বাধা নেই, সেগুলি দ্রুত ফেরত চেয়েছে কমিশন।

এদিকে বছরের শেষে কলকাতা ও হাওড়ায় ভোটের সম্ভাবনা। পরে অন্য পুরসভাতেও ভোট হবে। হাওড়া-বালি পুরসভায় প্রশাসনিক তৎপরতাও বেড়েছে। কলকাতায় মেয়র পদে রদবদল ও আসন পুনর্বিন্যাসের কাজও চলছে।

তবে ইভিএম না মিললে পুরো প্রক্রিয়াই বাধা পাবে। তাই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই আদালতের সাহায্য চাইল কমিশন। এখন নজর আগামী সপ্তাহের শুনানির দিকে।
এফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২: কঠিন গ্রুপে ইস্টবেঙ্গল, সঙ্গী বিশ্বকাপারদের ক্লাব
*খেলা*


*খেলা*

*কলকাতা:* এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-এর মূলপর্বের গ্রুপবিন্যাস প্রকাশিত হল। কঠিন গ্রুপে পড়েছে ইস্টবেঙ্গল। গ্রুপ ডি-তে লাল-হলুদের সঙ্গী হয়েছে জর্ডনের আল হুসেন, ইরাকের আল শোরতা এবং ওমানের আল সিব। তিন দলই নিজেদের দেশের তাবড় ক্লাব এবং বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলার রয়েছে তাদের দলে। ফলে ইস্টবেঙ্গলের সামনে চ্যালেঞ্জ বড়।

গত মরসুমে জর্ডন প্রিমিয়ার লিগ জিতেছে আল হুসেন। ইরাক স্টার্স লিগে রানার্স হয়েছিল আল শোরতা। আর আল সিব ওমানের লিগ চ্যাম্পিয়ন।

গ্রুপ ডি-তে ইস্টবেঙ্গলের সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ আল হুসেন। এ বারের বিশ্বকাপে জর্ডন জাতীয় দল গ্রুপ পর্বে লিয়োনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধেও খেলেছে এবং গোল করেছে। সেই জর্ডন দলে ছিলেন আল হুসেনের সাত ফুটবলার — ইয়াজ়িদ আবুলাইলা, এহসান হাদ্দাদ, সালিম ওবেদ, সাদ আল রোশন, রাজ়াই আয়েদ, মহমৌদ আল মারদি ও মহম্মদ আবু ঘৌস। এই তারকাদের বিরুদ্ধেই মাঠে নামতে হবে আনোয়ার আলি, রশিদদের।

আল শোরতাও সহজ প্রতিপক্ষ নয়। ইরাকের বিশ্বকাপ দলে থাকা চার ফুটবলার রয়েছেন এই ক্লাবে। তাঁরা হলেন আহমেদ বাসিল, মানাফ ইউনিস, আহমেদ ইয়াহিয়া ও মুস্তাফা সাদুন।

কয়েক দিন আগেই যুবভারতীতে কুয়েতের আল আরবিকে ৪-১ গোলে হারিয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-এর মূলপর্ব নিশ্চিত করেছে ইস্টবেঙ্গল। এবার গ্রুপের প্রতিটি দলের বিরুদ্ধে হোম ও অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে হবে তাদের।

১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে গ্রুপ পর্ব। ম্যাচের দিনগুলি হল ১৫-১৬ সেপ্টেম্বর, ১৩-১৪ অক্টোবর, ২৭-২৮ অক্টোবর, ৩-৪ নভেম্বর, ২৪-২৫ নভেম্বর এবং ৮-৯ ডিসেম্বর।

৮ টি গ্রুপ থেকে সেরা দু’টি করে মোট ১৬টি দল উঠবে শেষ ষোলোয়। সেই পর্ব হবে ৯ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি। কোয়ার্টার ফাইনাল ২ থেকে ১৮ মার্চ এবং সেমিফাইনাল ৬ থেকে ১৪ এপ্রিল। টুর্নামেন্টের ফাইনাল মাঠে গড়াবে ১৫ মে।

ছবি:সঞ্জয় হাজরা।
2011 से जारी सभी कास्ट सर्टिफिकेट के सत्यापन पर कलकत्ता हाईकोर्ट की रोक, राज्य सरकार की 14 मई की अधिसूचना पर अंतरिम स्टे

कोलकाता: जातीय प्रमाणपत्र या कास्ट सर्टिफिकेट के सत्यापन पर कलकत्ता हाईकोर्ट ने अंतरिम रोक लगा दी है। कार्यवाहक मुख्य न्यायाधीश तपोब्रत चक्रवर्ती की डिवीजन बेंच ने 14 मई को राज्य सरकार द्वारा जारी अधिसूचना पर रोक लगाई। तृणमूल सरकार के कार्यकाल में जारी सभी जातीय प्रमाणपत्रों की जांच की जाएगी, ऐसा राज्य ने कहा था। राज्य ने आशंका जताई थी कि "दुआरे सरकार" योजना के तहत बांटे गए प्रमाणपत्रों का एक बड़ा हिस्सा फर्जी है। 14 मई की अधिसूचना को चुनौती देते हुए हाईकोर्ट में याचिका दाखिल की गई थी, उसी पर यह आदेश दिया गया।

राज्य ने 2011 से जारी 1.69 करोड़ कास्ट सर्टिफिकेट की फिर से जांच के लिए 14 मई को अधिसूचना जारी की थी। कानून में प्रावधान है कि विशिष्ट शिकायत पर जांच हो सकती है, लेकिन एक तय समय से जारी सभी एससी, एसटी, ओबीसी प्रमाणपत्रों की री-वेरिफिकेशन के सरकारी आदेश को कलकत्ता हाईकोर्ट में चुनौती दी गई।

तृणमूल सरकार के समय अनुसूचित जाति, जनजाति और अन्य पिछड़ा वर्ग के लिए जारी जातीय प्रमाणपत्रों में बड़े पैमाने पर धांधली के आरोप लगे थे। पिछले कुछ सालों में फर्जी प्रमाणपत्रों के सहारे आरक्षण का लाभ लेकर नौकरी, शोध और विभिन्न शिक्षण संस्थानों में प्रवेश के आरोप भी सामने आए। प्रशासनिक सूत्रों के अनुसार इस दौरान पूरे राज्य में करीब 1 करोड़ 69 लाख एससी, एसटी, ओबीसी प्रमाणपत्र जारी किए गए। 2011 में तृणमूल सरकार बनने के बाद पिछले 15 सालों में जारी सभी जातीय प्रमाणपत्रों की जांच का फैसला भाजपा सरकार ने लिया।

इसी बीच 14 मई को राज्य के पिछड़ा वर्ग कल्याण विभाग के सचिव संजय बंसल ने सभी जिलाधिकारियों को पत्र लिखकर तुरंत इस सत्यापन प्रक्रिया को शुरू करने का निर्देश दिया था। उन्होंने साफ कहा था कि काम में लापरवाही होने पर संबंधित अधिकारी जिम्मेदार होंगे और कानूनी कार्रवाई की जाएगी। इतने प्रमाणपत्रों के पुनर्सत्यापन पर सवाल उठाते हुए अदालत में याचिका दायर हुई और उसी मामले में मंगलवार को 14 मई की अधिसूचना पर अंतरिम रोक लगा दी गई।
भारी बारिश के चलते भदोही में आज कक्षा 1 से 12 तक के स्कूल बंद*

रिपोर्टर -‌ नितेश श्रीवास्तव


भदोही। जिले में लगातार हो रही भारी बारिश और खराब मौसम को देखते हुए जिला प्राथमिक शिक्षा अधिकारी की ओर से 18 अगस्त 2026 को विद्यालयों में अवकाश घोषित किया गया है। जारी आदेश के अनुसार भदोही जिले में कक्षा 1 से 12 तक के सभी विद्यार्थियों के लिए आज स्कूल बंद रहेंगे।

यह आदेश जिले के सभी सरकारी एवं निजी विद्यालयों के साथ-साथ प्राथमिक शिक्षा परिषद, सीबीएसई, आईसीएसई और अन्य मान्यता प्राप्त विद्यालयों पर लागू होगा। खराब मौसम के कारण विद्यार्थियों की सुरक्षा को ध्यान में रखते हुए यह निर्णय लिया गया है।

हालांकि, अवकाश केवल विद्यार्थियों के लिए रहेगा। विद्यालयों में कार्यरत शिक्षक एवं अन्य कर्मचारियों को अपने-अपने विद्यालय में उपस्थित रहकर विभागीय एवं आवश्यक कार्यों का निर्वहन करना होगा।

अधिकारियों ने विद्यालय प्रबंधन को आदेश का पालन सुनिश्चित करने के निर्देश दिए हैं। लगातार बारिश के बीच स्कूल बंद होने से विद्यार्थियों और अभिभावकों को राहत मिली है।
এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: দুরন্ত শুরু ‘মশাল গার্লস’-এর, রাজশাহীকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল
খেলা
*স্পোর্টস ডেস্ক* : এশিয়ার মঞ্চে দাপটের সঙ্গে যাত্রা শুরু করল ইস্টবেঙ্গলের মহিলা ফুটবল দল। এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রাথমিক পর্বের গ্রুপস্তরের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের রাজশাহী স্টারস এফসি-কে ৪-০ গোলে হারিয়ে দিল ‘মশাল গার্লস’রা।সোমবারের এই দাপুটে জয়ে গ্রুপে শুরুতেই ৩ পয়েন্ট নিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিল লাল-হলুদ ব্রিগেড।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে রাজশাহীর রক্ষণে চাপ তৈরি করে ইস্টবেঙ্গল। তার ফলও মেলে দ্রুত। প্রথম ৪৫ মিনিটের মধ্যেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল।

ম্যাচের নায়িকা অলিভিয়া। জোড়া গোল করে দলের জয়ের ভিত গড়ে দেন তিনি। এছাড়াও গোলের তালিকায় নাম তোলেন অষ্টম ওঁরাও এবং সৌম্যা গুগুলথের।৪ গোলের ব্যবধানে জয়ের ফলে গোলপার্থক্যেও অনেকটা এগিয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল। যা গ্রুপের পরের ম্যাচগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

আক্রমণের ঝাঁঝ ধরে রেখেই রাজশাহীর ডিফেন্সকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে ইস্টবেঙ্গলের ফরোয়ার্ড লাইন। অলিভিয়ার জোড়া গোলের পাশাপাশি অষ্টম ওঁরাও-এর গতি এবং সৌম্যা গুগুলথের ফিনিশিং দলকে বড় জয় এনে দেয়।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও গোলের সুযোগ তৈরি করলেও ৪-০ স্কোরলাইনই বজায় থাকে। গোল না খেয়ে ম্যাচ শেষ করায় রক্ষণভাগও প্রশংসা কুড়িয়েছে।

এই জয়ের মাধ্যমে এএফসি মঞ্চে নিজেদের শক্তি জানান দিল ইস্টবেঙ্গল। গ্রুপের পরবর্তী ম্যাচগুলিতে এই ফর্ম ধরে রাখাই এখন ‘মশাল গার্লস’-দের প্রধান লক্ষ্য।দাপুটে শুরু করে এশিয়ার সেরা হওয়ার স্বপ্নে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ইস্টবেঙ্গলের মেয়েরা।

*ছবি:সংগৃহীত।*