কাউন্সেলিং শুরু হওয়ার পর আর ইডব্লিউএস ক্যাটাগরি দাবি করা যাবে না, রায় কলকাতা হাইকোর্টের*

*কলকাতা:* নিট-ইউজি ২০২৬-এর ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, যেসব পরীক্ষার্থী সাধারণ আনরিজার্ভড বা ওবিসি-এনসিএল ক্যাটাগরিতে আবেদন করেছিলেন, তাঁরা ফলপ্রকাশ ও কাউন্সেলিং শুরু হওয়ার পরে আর অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণি অর্থাৎ ইডব্লিউএস ক্যাটাগরির সংরক্ষণ দাবি করতে পারবেন না।

বিচারপতি অমৃতা সিনহার সিঙ্গল বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, কাউন্সেলিংয়ের মাঝপথে এসে কোনও প্রার্থীকে ক্যাটাগরি বদলের সুযোগ দিলে তা ভর্তি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিয়ম-শৃঙ্খলাকে ব্যাহত করবে। আদালতের মতে, আবেদনের সময়েই প্রার্থীদের ক্যাটাগরি নির্ধারণ করে দিতে হয়। ফল বেরোনোর পর বা কাউন্সেলিং শুরু হওয়ার পর সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা যায় না।

এই রায়ের ফলে নিট-ইউজি ২০২৬-এর কাউন্সেলিংয়ে অংশ নেওয়া হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর ক্ষেত্রে নিয়ম আরও কঠোর হল। আদালত জানিয়েছে, সংরক্ষণের সুবিধা নিতে হলে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময়েই যথাযথ নথি সহ ইডব্লিউএস ক্যাটাগরি উল্লেখ করতে হবে। পরবর্তীতে কোনও দাবি গ্রাহ্য হবে না।

শিক্ষা মহলের মতে, এই নির্দেশ ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিভ্রান্তি কমাবে এবং মেধা তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
ওয়াভরে শুরু হল হকি বিশ্বকাপ, উদ্বোধন বেলফিয়াস হকি এরিনাতে
*খেলা*


*স্পোর্টস ডেস্ক :* শনিবার থেকে শুরু হল ছেলেদের হকি বিশ্বকাপের মেগা টুর্নামেন্ট। এবারের ফাইনাল বসছে বেলজিয়ামের একেবারে নতুন স্টেডিয়াম বেলফিয়াস হকি এরিনাতে।

একটা সময় ছিল যখন বেলজিয়ামের নিজস্ব কোনও জাতীয় হকি স্টেডিয়ামই ছিল না। অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ৫ বছর এবং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার ৮ বছর পর অবশেষে পরিকাঠামোগত স্বীকৃতি পেল দেশটি। সদ্য এপ্রিল মাসে উদ্বোধন হয়েছে ওয়াভরের এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের। এর আগে নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপ বা অলিম্পিক দেখা বেলজিয়ামের খেলোয়াড়দের কাছে ছিল কল্পনার অতীত।

এবার সেই স্বপ্নই বাস্তব। নিজেদের দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ আয়োজন করছে বেলজিয়াম। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ফাইনাল হবে এই নতুন বেলফিয়াস হকি এরিনাতেই।

হকিপ্রেমীদের কাছে দিনটি ঐতিহাসিক। কারণ যে দেশ একসময় বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের কথা ভাবতেই পারত না, সেই দেশই এখন বিশ্ব হকির সবচেয়ে বড় মঞ্চের আয়োজক।
 
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে শুধু খেলা নয়, বেলজিয়ামের হকির উত্থানের গল্পও সামনে আসছে। নতুন স্টেডিয়াম, ঘরের মাঠের সমর্থন এবং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন তকমা নিয়ে নামছে স্বাগতিকরা।

*ছবি: সংগৃহীত।*
ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে স্বাধীনতা দিবসে সৌহার্দ্যের ছবি, মিষ্টি বিনিময় বিএসএফ-বিজিবির

*সংবাদদাতা,বসিরহাট:* ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে
বসিরহাটের ভারত-বাংলাদেশের ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে ধরা পড়ল সৌহার্দ্যের অনন্য ছবি। শনিবার জিরো পয়েন্টে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও আধিকারিকরা একে অপরের হাতে মিষ্টি তুলে দেন।

সকালে বিএসএফের ১০২ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের জওয়ানরা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর বিএসএফ, ইমিগ্রেশন, শুল্ক দপ্তর ও ঘোজাডাঙ্গা কার্গো অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ পুলিশ, স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন দপ্তরের আধিকারিকদের হাতে মিষ্টি তুলে দেন। পাল্টা বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও মিষ্টি দেওয়া হয় ভারতীয় প্রতিনিধিদের।

কাঁটাতার ও কড়া নিরাপত্তার মাঝেও এদিন স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের উষ্ণতা ফুটে ওঠে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঘোজাডাঙ্গা সি অ্যান্ড এফ-এর সভাপতি জয়দেব সরকার, সম্পাদক মিহির ঘোষ, সহ-সভাপতি বাপি বিশ্বাস সহ অন্যান্যরা। বসিরহাট দক্ষিণের ২০২৬ সালের বিজেপি প্রার্থী ডাঃ শৌর্য্য ব্যানার্জিও কর্মীদের সঙ্গে সীমান্তে গিয়ে বিজিবি আধিকারিকদের হাতে মিষ্টি তুলে দেন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ভারত-বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর ঘোজাডাঙ্গায় প্রতিদিন পণ্য পরিবহণ ও প্রশাসনিক কাজ চলে। স্বাধীনতা দিবসে সেই পারস্পরিক সম্পর্কেরই সৌহার্দ্যপূর্ণ রূপ দেখা গেল।

ছবি ও লেখা: সৌমাভ মণ্ডল।
স্বাধীনতা দিবসে ব্যারাকপুরে তিরঙ্গা যাত্রা, নেতৃত্বে বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য

*নিজস্ব সংবাদদাতা,ব্যারাকপুর:* ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে বর্ণাঢ্য তিরঙ্গা যাত্রার আয়োজন করল বিজেপি। ওয়ারলেস মোড় থেকে ১৫ নম্বর রেলগেট পর্যন্ত দীর্ঘ শোভাযাত্রা হয়।

এদিনের যাত্রায় নেতৃত্ব দেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং, বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী, রাজেশ কুমার ও সুমিত্রা চট্টোপাধ্যায়। শতাধিক কর্মী-সমর্থক হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "ভারতবর্ষের বিভিন্ন জেলায় মাওবাদ উন্নয়নকে ব্যাহত করেছিল। এখন ভারতবর্ষ মাওবাদী মুক্ত।"

তিনি আরও বলেন, "এখানে অনেকেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ভারতীয় মৌলবাদকে মদত দিচ্ছে। তাদের চিহ্নিত করতে হবে।"

দেশভক্তিমূলক স্লোগান ও জাতীয় পতাকায় রঙিন হয়ে ওঠে ব্যারাকপুরের রাস্তা। নিরাপত্তার জন্য গোটা এলাকায় পুলিশ মোতায়েন ছিল। ছবি: প্রবীর রায়।
ইডেনে সিএবি-র স্বাধীনতা দিবস উদযাপন, পতাকা উত্তোলন সৌরভের

*নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা*: ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস আজ ঐতিহ্যবাহী ইডেন গার্ডেন্সের ক্লাব হাউস প্রাঙ্গণে উদযাপন করল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল।

সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের যুবকল্যাণ ও ক্রীড়া দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ, শ্রম ও পরিবহণ দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী অর্জুন সিং, কৃষি বিপণন এবং এমএসএমই ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী অশোক দিন্দা।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিএবি সহ-সভাপতি নীতীশ রঞ্জন দত্ত, সচিব বাবলু কোলে, কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস প্রমুখ। বি: সৌজন্যে সিএবি।
রেড রোডে ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ,নতুন সরকারের প্রথম অনুষ্ঠান*

*কলকাতা, ১৫ আগস্ট*: দেশের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল কলকাতার রেড রোডে। এবছর পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর এটাই ছিল প্রথম স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠান।সকাল ৯ টা ৩৪ মিনিটে রেড রোডে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর জাতীয় সঙ্গীত, কুচকাওয়াজ, ট্যাবলো প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।এবার মোট ১১টি ট্যাবলো রেড রোডে প্রদর্শিত হয়। থিম ছিল কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কল্যাণ প্রকল্প।
ট্যাবলোতে তুলে ধরা হয়,অন্নপূর্ণা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, বিজেপি সরকারের চালু করা বিভিন্ন নতুন প্রকল্প,জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জীবন ও অবদান,কলকাতা পুরসভার পরিষেবা ও সড়ক সুরক্ষা। এদিন মোট ১০টি দপ্তর , জনস্বাস্থ্য, পরিবহন, বিদ্যুৎ, পঞ্চায়েত সহ - তাদের প্রকল্প নিয়ে ট্যাবলো সাজায়। আগের বছরগুলোতে ৩-৪টি ট্যাবলো হত, এবার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।এছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে কুচকাওয়াজ, স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল। নিরাপত্তার জন্য গোটা রেড রোডে কড়া ব্যবস্থা ছিল।প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, "এটি নতুন সরকারের প্রথম স্বাধীনতা দিবস। তাই অনেক চমক ছিল"। ছবি:সংগৃহীত।
১৩৫তম ডুরান্ড কাপ: কোয়ার্টারে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান, কলকাতায়ই খেলা
*খেলা*
*কলকাতা*: ১৩৫তম ডুরান্ড কাপের গ্রুপপর্ব শেষে কোয়ার্টার ফাইনালের সূচি ঘোষণা করল কমিটি। প্রত্যাশামতো নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে কলকাতার দুই প্রধান মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ও ইস্টবেঙ্গল। দুই দলই খেলবে যুবভারতীতে।

*এক নজরে কোয়ার্টার ফাইনাল*
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ৬টি দল এবং বেস্ট রানার্স আপ হিসেবে ইস্টবেঙ্গল ও জামশেদপুর এফসি মিলিয়ে মোট ৮টি দল শেষ আটে উঠেছে। ম্যাচ হবে ১৬ ও ১৭ অগস্ট।

*কোয়ার্টার ফাইনালের সূচি*

1. *প্রথম কোয়ার্টার* 
   *স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি বনাম ফুটবল ক্লাব রায়েনঙ্গদাই* 
   ১৬ অগস্ট, রবিবার, বিকেল ৪টে | বীরসা মুন্ডা স্টেডিয়াম, রাঁচি
2. *দ্বিতীয় কোয়ার্টার* 
   *ইন্ডিয়ান আর্মি বনাম ইস্টবেঙ্গল* 
   ১৬ অগস্ট, রবিবার, সন্ধ্যা ৭টা | যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন, কলকাতা
3. *তৃতীয় কোয়ার্টার* 
   *মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট বনাম জামশেদপুর এফসি* 
   ১৭ অগস্ট, সোমবার, বিকেল ৪টে | যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন, কলকাতা
4. *চতুর্থ কোয়ার্টার* 
   *শিলং লাজং এফসি বনাম নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এফসি* 
   ১৭ অগস্ট, সোমবার, সন্ধ্যা ৭টা | জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম, শিলং

*কোথায় দেখবেন* 
সব ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার হবে সোনি স্পোর্টস টু চ্যানেলে। অনলাইনে দেখা যাবে সোনি লিভ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে।
ব্যারাকপুর গান্ধীঘাটে জাঁকজমকের সঙ্গে পালিত হল ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস


*নিজস্ব প্রতিনিধি,ব্যারাকপুর, ১৫ আগস্ট*: দেশজুড়ে উৎসবের আবহ। আজ ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস ব্যারাকপুরের ঐতিহাসিক গান্ধীঘাটে যথাযথ মর্যাদা ও উদ্দীপনার সঙ্গে পালিত হল।সকাল থেকেই গান্ধীঘাট চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দা, স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। জাতীয় পতাকা হাতে দেশাত্মবোধক স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।

বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল আর এন রবি, মন্ত্রী অর্জুন সিং, মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, জেলা শাসক শিল্পা গৌরীসারিয়া সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং বিশিষ্ট নাগরিকেরা। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা দেশাত্মবোধক গান, নাচ ও আবৃত্তি পরিবেশন করে।পাশাপাশি গান্ধীঘাটের তীরে তেরঙ্গা বেলুন ও ফুল দিয়ে সাজানো হয় পুরো প্রাঙ্গণ। ছবি :সৌজন্যে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ উত্তর ২৪ পরগনা ।
১৪ আগস্ট নিউ টাউনে 'বিভাজন বিভীষিকা স্মরণ দিবস' পালন


*নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা*: আজ নিউ টাউন কনভেনশন সেন্টারে দেশ "বিভাজন বিভীষিকা স্মরণ দিবস" উপলক্ষ্যে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করছিল রাজ্য সরকার। আয়োজক পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের  রাজ্যপাল  আর. এন. রবি, রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত,তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী প্রমুখ। ছবি: সৌজন্যে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ উত্তর ২৪ পরগনা।
রাজ্যে চালু হল 'বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও', ২০ লক্ষ ছাত্রী পাবেন আর্থিক সাহায্য

*অমিত দাস*
----------------------
রাজ্যে পালাবদলের পর কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্প চালুর পথে হাঁটল নতুন সরকার। শুক্রবার ১৪ অগস্ট 'কন্যারত্ন দিবস' অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যে 'বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও' প্রকল্প চালুর ঘোষণা করলেন।

ধনধান্য অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "নারী শিক্ষার প্রসার, নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী সুরক্ষায় আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের প্রথম বাজেটে কর্মসংস্থানে মহিলাদের অগ্রাধিকার, মহিলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি এবং উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আর্থিক সুরক্ষার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।"

তিনি জানান, ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই প্রকল্প চালু করলেও পশ্চিমবঙ্গ এতদিন যুক্ত হয়নি। "আজ থেকে আমরা আমাদের কন্যাদের এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করলাম। আমাদের ছাত্রীরা দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের জাগরণে মা মাতঙ্গিনীর ভূমিকা নিক"।

*প্রকল্পের মূল ঘোষণা:*
1. *আর্থিক সাহায্য*: 'কন্যারত্ন' প্রকল্পে এ বছর ২০ লক্ষ ১৩ হাজার ছাত্রী উপকৃত হবেন। এর মধ্যে ১০ লক্ষ ১৩ হাজার ছাত্রীর অ্যাকাউন্টে শুক্রবারই টাকা ট্রান্সফার হবে।
2. *উচ্চশিক্ষা সহায়তা*: উচ্চশিক্ষা মাঝপথে বন্ধ রোধে ছাত্রীদের এককালীন ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে।
3. *স্কলারশিপ*: ৬০% এর বেশি নম্বর পাওয়া ছাত্রীদের 'বিবেকানন্দ স্কলারশিপ' দেওয়া হবে। আগের সরকারের এই প্রকল্প বহাল থাকছে।
4. *বিশেষ তহবিল*: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে উচ্চশিক্ষার জন্য ১০ কোটি টাকার আলাদা তহবিল গঠন।

অনুষ্ঠানে কলকাতা, হাওড়া ও দুই ২৪ পরগনার প্রায় ১৬০০ স্কুল-কলেজের ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

ছবি: সংগৃহীত।