কলকাতা হাইকোর্টে নিখোঁজ ১৯৯৫-এর হেফাজতি মৃত্যুর নথি, ক্ষতিপূরণ নিয়ে ধোঁয়াশা
*কলকাতা*: কলকাতা হাইকোর্টের রেকর্ড বিভাগে সাপের উপদ্রবের মধ্যেই নিখোঁজ হয়েছে ১৯৯৫ সালের একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথি। কলকাতার ভবানীপুর থানায় হেফাজতে থাকাকালীন এক যৌনকর্মীর দেহরক্ষী সুভাষ দাসের মৃত্যুর ঘটনা এবং আলিপুরের তৎকালীন জেলা বিচারকের বিচার বিভাগীয় তদন্তের যাবতীয় নথিপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।তদন্তে ওঠা নথিপত্র অনুযায়ী তৎকালীন জেলা বিচারক জানিয়েছিলেন, মৃত সুভাষ দাসের উপর গত ১০ থেকে ১২ বছর ধরে আর্থিকভাবে নির্ভরশীল ছিলেন যৌনকর্মী পুতুল দাস। সেই ভিত্তিতে পুতুল দাসকে ২০,০০০টাকা এবং পরিবারের সদস্যদের ৮০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিচারক নির্দেশে স্পষ্ট করেন, এই ক্ষতিপূরণ সরকারি কোষাগার থেকে নয়, দায়ী পুলিশকর্মীদের বেতন থেকেই দিতে হবে।
সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির উল্লেখ করেন আইনজীবী তাপস ভঞ্জ। বেঞ্চ জানায়, যৌনকর্মী চাইলে ক্ষতিপূরণের টাকার জন্য একটি আবেদন দাখিল করতে পারেন। তবে আদালতের নথিপত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আজ পর্যন্ত মোট কত টাকা বকেয়া রয়েছে, তা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
মামলাকারীর আইনজীবী তপস ভঞ্জ আদালতকে জানান, সুভাষ দাসের মৃত্যুর পরের দিনই তিনি বিষয়টি আদালতে তুলেছিলেন। তাঁর কথায়, হাইকোর্টের বিচারপতি সত্যব্রত সিনহার প্রথম নির্দেশেই তৎকালীন আলিপুর জেলা বিচারকের মাধ্যমে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ হয়। এদিনের শুনানিতে বেঞ্চ তাঁকে যৌনকর্মীর
ক্ষতিপূরণের টাকা ফেরতের জন্য আবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেয়।আইনজীবী ভঞ্জ বলেন, "নথি না থাকায় আজ পর্যন্ত মোট কত টাকা হয়েছে তা আমারও জানা নেই, যৌনকর্মীরও জানা নেই।"
Aug 04 2026, 07:23
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
0.2k