জয়গাঁও স্থলবন্দর প্রকল্পে উচ্ছেদের মুখে ৮১ আদিবাসী পরিবার, মানবিক ব্যবস্থার রিপোর্ট  চাইল হাইকোর্ট
*কলকাতা*: আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়ন বনাম প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বসবাসকারী মানুষের জীবিকা—এই টানাপোড়েনে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত বলল, আইন দেখার পাশাপাশি মানবিক দায়বদ্ধতার কথাও ভাবতে হবে।

সোমবার আলিপুরদুয়ারের তোর্সা চা-বাগান মৌজায় প্রস্তাবিত জয়গাঁও স্থলবন্দর নির্মাণ সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্র ও রাজ্যকে নির্দেশ দেয়, উচ্ছেদের মুখে থাকা পরিবারগুলির জন্য মানবিক ভিত্তিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় তা জানিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে। মামলাকারীকেও বিস্তারিত হলফনামা দিতে বলা হয়েছে।

অভিযোগ, প্রকল্পের জন্য ৮১টি আদিবাসী পরিবারকে এলাকা ছাড়তে হবে। তাঁদের দাবি, ১৯৪০ সাল থেকে সেখানে বসবাস, ভোটার কার্ড-আধারেও সেই ঠিকানা রয়েছে। মামলাকারীর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, "উন্নয়ন হোক, কিন্তু মানুষের অস্তিত্ব মুছে দিয়ে নয়।"
রাজ্যের বক্তব্য, জমি সরকারি, বেআইনি দখল রয়েছে।

আদালত পুনর্বাসন বা বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়ে বিবেচনার কথা বলেছে। আগামী ১৩ আগস্ট পরবর্তী শুনানি।
ভাড়াটে উচ্ছেদে বয়স্ক নাগরিক আইন প্রয়োগ যাবে না, রায় কলকাতা হাইকোর্টের

*কলকাতা*: মালিক-ভাড়াটে বিবাদে ভাড়াটেকে উচ্ছেদ করতে 'মা-বাবা ও বয়স্ক নাগরিকদের ভরণপোষণ ও কল্যাণ আইন, ২০০৭' প্রয়োগ করা যাবে না। কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট করল, এই ধরনের বিরোধ সংশ্লিষ্ট ভাড়াটে আইন অনুযায়ী উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতেই নিষ্পত্তি করতে হবে।

বিচারপতি স্মিতা দাস দে শিলিগুড়ির সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের(এসডিএম)একটি নির্দেশ বাতিল করে দেন। ওই নির্দেশ এসডিএম বয়স্ক নাগরিক আইনের ২ ধারায় এক ভাড়াটেকে বাড়ি খালি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এসডিএম আইনের আওতার বাইরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বয়স্ক জমির মালিক মানসিক অশান্তির অভিযোগ তুলে ২০০৭ সালের আইনে উচ্ছেদ চেয়েছিলেন। ভাড়াটের অভিযোগ, তাঁকে নোটিস দেওয়া হয়নি এবং শুনানির সুযোগও দেওয়া হয়নি। হাইকোর্ট জানায়, উচ্ছেদের মামলা ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ প্রিমিসেস টেন্যান্সি আইন অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতেই করতে হবে।
খেলা জার্মানিতে আন্ডার-১৪ ডাবলস জিতলেন রাউন্ডগ্লাস টেনিস অ্যাকাডেমির পুনীত মনোহর
*স্পোর্টস ডেস্ক*: জার্মানির ডুরেনে অনুষ্ঠিত ৪৯তম ইন্টারন্যাশনাল ডয়েচে টেনিসমেইস্টারশাফটেন আন্ডার-১৪ প্রতিযোগিতার ডাবলস খেতাব জিতলেন রাউন্ডগ্লাস টেনিস অ্যাকাডেমির পুনীত মনোহর।

জিএসপিডিপি ট্যুরিং টিমের হয়ে খেলে দক্ষিণ কোরিয়ার মিংগিয়ন চোইয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে খেতাব জেতেন এই ভারতীয় তরুণ। টেনিস ইউরোপের সুপার ক্যাটেগরির পাঁচটি প্রতিযোগিতার অন্যতম এই টুর্নামেন্টে দু’জনে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান।

প্রি-কোয়ার্টারে থাইল্যান্ড-দক্ষিণ কোরিয়া জুটি, কোয়ার্টারে কলম্বিয়া-আর্জেন্টিনা জুটি এবং সেমিতে ইতালির জুটিকে হারানোর পর ফাইনালে মেক্সিকো-ব্রাজিল জুটি চোটের কারণে নাম তুলে নিলে ভারত-কোরিয়া জুটি খেতাব পায়।

পুনীতের এই সাফল্য ভারতীয় টেনিসে উদীয়মান প্রতিভা তৈরিতে রাউন্ডগ্লাস অ্যাকাডেমির ভূমিকাকে আরও শক্তিশালী করল।

ছবি:সংগৃহীত।
জমি-দুর্নীতিতে আগাম জামিন খারিজ, গ্রেফতারিতে বাধা নেই অভিষেকের আপ্তসহায়কের
*কলকাতা*: জমি-দুর্নীতি মামলায় আগাম রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ হয়ে গেল তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে শুনানি শেষে হাইকোর্ট তাঁর আগাম জামিনের আবেদন নাকচ করে দেয়। ফলে ওই মামলায় সুমিতের গ্রেফতারিতে আপাতত আর কোনও বাধা রইল না।

পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে সরকারি জমি ভুয়ো নথি তৈরি করে দখল ও বিক্রির অভিযোগ ওঠে সুমিতের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে সরকারি জমি বিক্রি হত এবং সবটাই হত অভিষেকের আপ্তসহায়কের সম্মতিতে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে সুমিতের খোঁজ পায়নি পুলিশ। পরে মেদিনীপুরের মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

পরোয়ানা জারির দিনই আইনজীবীর মাধ্যমে আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে যান সুমিত। জরুরি শুনানি ও বেঞ্চ বদলের আবেদন খারিজ হওয়ার পর নিয়মিত বেঞ্চে শুনানি হয়। শুনানিতে আদালত আগাম জামিন দিতে অস্বীকার করে।

জমি মামলায় নাম জড়ানোর পর থেকেই ‘গা ঢাকা’ দিয়েছেন সুমিত। তাঁর খোঁজে শালবনি থানার পুলিশ প্রথমে কালীঘাটে অভিষেকের বাড়ি এবং পরে হুগলির শ্রীরামপুরে শ্বশুরবাড়িতে অভিযান চালায়। দু’জায়গাতেই তাঁর হদিস মেলেনি।


তবে,ডেবরার একটি চাকরি-দুর্নীতি মামলায় সুমিতের নাম জড়ানোয় তিনিও আগাম জামিন চান। সেই আবেদন শর্তসাপেক্ষে মঞ্জুর করেছেন বিচারপতি ঘোষ। আদালতের নির্দেশ, ১০ দিনের মধ্যে তদন্তকারী আধিকারিকের কাছে হাজিরা দিতে হবে। পরে ডাকলে ফের হাজিরা দিতে হবে তাঁকে।
জেলে থাকা বিজেপি কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে আদালতে বীজপুরের বিধায়ক
নিজস্ব প্রতিনিধি: গত ১৮ মাস ধরে জেলবন্দী নৈহাটীর দুই বিজেপি কর্মী। তাদের মধ্যে একজন হলেন মুকেশ সাউ। অপরজন বিকাশ সিং ওরফে চিন্টু। সোমবার তাদের মামলার আইনি খোঁজ-খবর নিতে ব্যারাকপুর আদালতে হাজির হন বিধায়ক সুদীপ্ত দাস। সঙ্গে ওই দুই বিজেপি কর্মীর পরিবারের লোকজনও ছিল। তিনি আইনজীবীদের সাথে কথা বলেন। এরপর বিধায়ক সুদীপ্ত দাস  সংবাদ মাধ্যমের জানান," মিথ্যা খুনের মামলায় নৈহাটীর দুই বিজেপি কর্মীকে ফাসিয়ে জেলে ভরা হয়েছে। এরকম আরো কর্মী জেলে রয়েছেন। তাদের সমস্তরকম আইনি সাহায্যে দেওয়ার জন্য দল তাদের পাশে রয়েছে।" ছবি:প্রবীর রায়।
वोटर लिस्ट में नाम कटने से IIT कानपुर में पीएचडी में प्रवेश अटका, हाईकोर्ट ने एक हफ्ते में निपटारे का दिया निर्देश
*कोलकाता*: वोटर लिस्ट से नाम हटने के कारण IIT कानपुर में पीएचडी में प्रवेश अटका हुआ है। इस मामले में एक अभ्यर्थी की अपील पर कलकत्ता हाईकोर्ट ने स्पेशल इंटेंसिव रिवीजन (SIR) अपीलीय ट्रिब्यूनल को एक सप्ताह के भीतर निपटारा करने का निर्देश दिया है। न्यायमूर्ति कृष्णा राव ने ट्रिब्यूनल से मामले पर जल्द विचार करने का अनुरोध किया।

न्यायमूर्ति की टिप्पणी थी कि याचिकाकर्ता का पीएचडी प्रोग्राम में प्रवेश वोटर लिस्ट संबंधी विवाद के नतीजे पर ही निर्भर है। इसलिए इस मामले का निपटारा प्राथमिकता के आधार पर जरूरी है।

अदालत में मोहम्मद आयान नवाज द्वारा दायर रिट याचिका पर सुनवाई हुई। याचिका में उन्होंने SIR अपीलीय ट्रिब्यूनल से वोटर लिस्ट से नाम हटाए जाने के खिलाफ दायर अपनी अपील को शीघ्र निपटाने का निर्देश मांगा था।

याचिकाकर्ता के वकील के अनुसार, आयान नवाज को 2026-2027 शैक्षणिक सत्र में IIT कानपुर के भौतिकी विभाग में पीएचडी प्रोग्राम में प्रवेश का अवसर मिला है। लेकिन वोटर लिस्ट से नाम हटने और SIR अपीलीय ट्रिब्यूनल में अपील लंबित होने के कारण प्रवेश प्रक्रिया रुकी हुई है। उन्होंने अदालत से ट्रिब्यूनल को जल्द अपील निपटाने का निर्देश देने की गुहार लगाई ताकि प्रवेश की औपचारिकताएं पूरी की जा सकें।

दोनों पक्षों की दलीलें सुनने के बाद न्यायमूर्ति राव ने कहा कि SIR अपील लंबित होने की वजह से ही याचिकाकर्ता का प्रवेश अटका हुआ है। मामले की गंभीरता को देखते हुए अदालत ने कहा कि अपील का तत्काल निपटारा जरूरी है।

अंत में अदालत ने अपीलीय ट्रिब्यूनल से अनुरोध किया कि "इस आदेश की प्राप्ति की तारीख से संभव हो तो एक सप्ताह के भीतर" याचिकाकर्ता की अपील पर विचार कर उसे निपटाया जाए। इसी निर्देश के साथ रिट याचिका का निपटारा कर दिया गया।
কলকাতা হাইকোর্টে নিখোঁজ ১৯৯৫-এর হেফাজতি মৃত্যুর নথি, ক্ষতিপূরণ নিয়ে ধোঁয়াশা

*কলকাতা*: কলকাতা হাইকোর্টের রেকর্ড বিভাগে সাপের উপদ্রবের মধ্যেই নিখোঁজ হয়েছে ১৯৯৫ সালের একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথি। কলকাতার ভবানীপুর থানায় হেফাজতে থাকাকালীন এক যৌনকর্মীর দেহরক্ষী সুভাষ দাসের মৃত্যুর ঘটনা এবং আলিপুরের তৎকালীন জেলা বিচারকের বিচার বিভাগীয় তদন্তের যাবতীয় নথিপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।তদন্তে ওঠা নথিপত্র অনুযায়ী তৎকালীন জেলা বিচারক জানিয়েছিলেন, মৃত সুভাষ দাসের উপর গত ১০ থেকে ১২ বছর ধরে আর্থিকভাবে নির্ভরশীল ছিলেন যৌনকর্মী পুতুল দাস। সেই ভিত্তিতে পুতুল দাসকে ২০,০০০টাকা এবং পরিবারের সদস্যদের ৮০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিচারক নির্দেশে স্পষ্ট করেন, এই ক্ষতিপূরণ সরকারি কোষাগার থেকে নয়, দায়ী পুলিশকর্মীদের বেতন থেকেই দিতে হবে।

সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির উল্লেখ করেন আইনজীবী তাপস ভঞ্জ। বেঞ্চ জানায়, যৌনকর্মী চাইলে ক্ষতিপূরণের টাকার জন্য একটি আবেদন দাখিল করতে পারেন। তবে আদালতের নথিপত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আজ পর্যন্ত মোট কত টাকা বকেয়া রয়েছে, তা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

মামলাকারীর আইনজীবী তপস ভঞ্জ আদালতকে জানান, সুভাষ দাসের মৃত্যুর পরের দিনই তিনি বিষয়টি আদালতে তুলেছিলেন। তাঁর কথায়, হাইকোর্টের বিচারপতি সত্যব্রত সিনহার প্রথম নির্দেশেই তৎকালীন আলিপুর জেলা বিচারকের মাধ্যমে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ হয়। এদিনের শুনানিতে বেঞ্চ তাঁকে যৌনকর্মীর
ক্ষতিপূরণের টাকা ফেরতের জন্য আবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেয়।আইনজীবী ভঞ্জ বলেন, "নথি না থাকায় আজ পর্যন্ত মোট কত টাকা হয়েছে তা আমারও জানা নেই, যৌনকর্মীরও জানা নেই।"
सैरोगेसी में मेडिकल योग्यता जांचने का अधिकार मजिस्ट्रेट के पास नहीं: कलकत्ता हाईकोर्ट
*अलीपुर कोर्ट का खारिज आदेश रद्द, 7 दिन में नए सिरे से फैसला देने का निर्देश*

*कोलकाता*: सैरोगेसी के जरिए संतान पाने के इच्छुक दंपति की उम्र, शारीरिक स्थिति या चिकित्सकीय योग्यता की जांच करना मजिस्ट्रेट के अधिकार क्षेत्र में नहीं है — कलकत्ता हाईकोर्ट ने एक अहम टिप्पणी में यह साफ किया।

शुक्रवार को न्यायमूर्ति कौशिक चंद की बेंच ने अलीपुर कोर्ट के अतिरिक्त जिला न्यायाधीश के आवेदन खारिज करने के आदेश को रद्द कर दिया। साथ ही आवेदन पर कानून के अनुसार नए सिरे से विचार कर 7 दिन के भीतर फैसला देने का निर्देश दिया।

*मामले की पृष्ठभूमि* 
दक्षिण 24 परगना के एक दंपति ने सैरोगेसी के लिए जिला मेडिकल बोर्ड के सभी प्रमाणपत्रों के साथ अलीपुर कोर्ट में कानूनी अनुमति मांगी थी। लेकिन निचली अदालत ने तीन कारणों से आवेदन खारिज कर दिया: 
1. मेडिकल प्रमाणपत्र की अवधि समाप्त 
2. सैरोगेट मां की मानसिक स्वस्थता संबंधी दस्तावेज अधूरे 
3. आवेदक पिता की उम्र 55 से अधिक 

इसके बाद दंपति हाईकोर्ट पहुंचे।

*हाईकोर्ट की टिप्पणी* 
अदालत ने कहा कि सैरोगेसी कानून के अनुसार आवेदक की चिकित्सकीय योग्यता जांचने की पूरी जिम्मेदारी मेडिकल बोर्ड की है। इस मामले में मजिस्ट्रेट का अलग मूल्यांकन या राय थोपने का कोई अधिकार नहीं है।

मजिस्ट्रेट की भूमिका सिर्फ दो मामलों तक सीमित है: 
*1. पारदर्शिता और स्वैच्छिक सहमति*: सैरोगेट मां स्वेच्छा से सहमत है या नहीं, यह सुनिश्चित करना 
*2. कानूनी अभिभावकत्व*: बच्चे के जन्म के बाद अभिभावकत्व और जिम्मेदारी तय करना 

कोर्ट ने यह भी कहा कि सुनवाई में देरी के कारण प्रमाणपत्र की अवधि खत्म हो गई, इसलिए इसी आधार पर आवेदन खारिज करना "कानूनसम्मत नहीं" है।

वकीलों के अनुसार, इस फैसले से सैरोगेसी मामलों में न्यायिक दखल का रास्ता बंद हुआ और चिकित्सकीय निर्णय में मेडिकल बोर्ड का अधिकार फिर से स्थापित हुआ।
খেলা lকলকাতা ফুটবলে লিগ

*মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ২-০ গোলে হারাল সুরুচি সংঘকে*


*নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা*:  কলকাতা ফুটবল লিগে দুরন্ত ফর্ম অব্যাহত রাখল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। বৃহস্পতিবার মহামেডান স্পোর্টিং গ্রাউন্ডে সুরুচি সংঘকে ২-০ গোলে হারাল সাদা-কালো ব্রিগেড।

ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য ভাবে শেষ হয়। দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ব্যস্ত ছিল এবং প্রথম গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল। তবে বিরতির আগে কোনও দলই জালের দেখা পায়নি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় মহামেডান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের খরা কাটায় তারা। সুন্দরভাবে ভাসিয়ে দেওয়া বলে দুর্দান্ত হেডে জালে বল জড়ান রেমসাঙ্গা। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় মহামেডান।

গোলের পর আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায় মহামেডানের। কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এমডি ফারদিন আলি মোল্লা। নিখুঁত ফিনিশে তিনি দলের জয় নিশ্চিত করেন। শেষ বাঁশি পর্যন্ত আর গোল হয়নি। ফলাফল ২-০।

এই জয়ের ফলে চলতি মরশুমে কলকাতা ফুটবল লিগে ৪ ম্যাচে মহামেডানের এটি তৃতীয় জয়। ১টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। প্রতিযোগিতায় অপরাজিত থাকার রেকর্ডও ধরে রাখল দল। দলের ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাস এবং ধারাবাহিকতা এই ম্যাচেও স্পষ্ট।

এই ইতিবাচক ফলকে সঙ্গে নিয়ে পরের ম্যাচের দিকে নজর দেবে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। CFL-এ অপরাজিত যাত্রা চালিয়ে যাওয়াই এখন তাদের লক্ষ্য।
*ছবি:সঞ্জয় হাজরা।*
জনগণনা নিয়ে বারাসাত জেলাশাসক দপ্তরে সাংবাদিক সম্মেলনে জেলাশাসক

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে ১লা আগস্ট থেকে শুরু হবে জনগণনা। আর সেই জনগণনা প্রক্রিয়া কিভাবে সম্পূর্ণ হবে এই বিষয় নিয়ে আজ সাংবাদিক বৈঠক করেন জেলাশাসক শিল্পা গৌরিসারিয়া।তিনি বলেন,আধুনিক পদ্ধতিক ব্যবহার করে পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই জনগণনার কাজ করবে সরকারি কর্মীরা।পাশাপাশি, একাধিক নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে এবারের জনগণনায়। এদিন তিনি একাধিক সরকারি প্রকল্প বিষয়ক নিয়েআলোকপাত করেন।

*গুরুত্বপূর্ণ তারিখ*
জনগণনার কাজ দুটি পর্যায়ে হবে। 
1. *স্ব-গণনা পর্ব*: ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে ১৫ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত। এই সময়ে সাধারণ মানুষ এবং VIP-রা অনলাইনে নিজেরা তথ্য দিতে পারবেন। 
2. *হাউস লিস্টিং ও হাউজিং সেনসাস*: ১৬ আগস্ট ২০২৬ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। এই সময়ে মাঠ পর্যায়ে গণনাকারীরা বাড়ি বাড়ি যাবেন।

*প্রশাসনিক ও জনবল সংক্রান্ত তথ্য*
জেলায় মোট *৪৯টি চার্জ সেনসাস অফিস* গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২টি ব্লক, ২৫টি পৌরসভা, ১টি ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এবং ১টি নবদিগন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ অথরিটি রয়েছে।

কাজের জন্য মোট *১৮,৮০০ জন গণনাকারী* এবং *৩,২০০ জন সুপারভাইজার মোতায়েন করা হচ্ছে। এছাড়া ৩০০ জন ফিল্ড ট্রেনারও কাজ করবেন। এখনও পর্যন্ত জেলায় *১৭,০৭০টি Houselisting Block (HLB)* তৈরি করা হয়েছে।

*প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা*
চার্জ অফিসার ও ফিল্ড ট্রেনারদের প্রশিক্ষণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। গণনাকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ৫ আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে শেষ হবে। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার ৩৪১টি স্কুল ও কলেজে সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।

*জনগণের উদ্দেশ্যে বার্তা*
নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করে অফিসার বলেন, "সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে জনগণনাকে সফল করতে সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।"

যেকোনো জিজ্ঞাসার জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে: *9230188432*।

ছবি: অঙ্কিত মুখার্জি।