কলকাতা হাইকোর্টে নিখোঁজ ১৯৯৫-এর হেফাজতি মৃত্যুর নথি, ক্ষতিপূরণ নিয়ে ধোঁয়াশা

*কলকাতা*: কলকাতা হাইকোর্টের রেকর্ড বিভাগে সাপের উপদ্রবের মধ্যেই নিখোঁজ হয়েছে ১৯৯৫ সালের একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথি। কলকাতার ভবানীপুর থানায় হেফাজতে থাকাকালীন এক যৌনকর্মীর দেহরক্ষী সুভাষ দাসের মৃত্যুর ঘটনা এবং আলিপুরের তৎকালীন জেলা বিচারকের বিচার বিভাগীয় তদন্তের যাবতীয় নথিপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।তদন্তে ওঠা নথিপত্র অনুযায়ী তৎকালীন জেলা বিচারক জানিয়েছিলেন, মৃত সুভাষ দাসের উপর গত ১০ থেকে ১২ বছর ধরে আর্থিকভাবে নির্ভরশীল ছিলেন যৌনকর্মী পুতুল দাস। সেই ভিত্তিতে পুতুল দাসকে ২০,০০০টাকা এবং পরিবারের সদস্যদের ৮০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিচারক নির্দেশে স্পষ্ট করেন, এই ক্ষতিপূরণ সরকারি কোষাগার থেকে নয়, দায়ী পুলিশকর্মীদের বেতন থেকেই দিতে হবে।

সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির উল্লেখ করেন আইনজীবী তাপস ভঞ্জ। বেঞ্চ জানায়, যৌনকর্মী চাইলে ক্ষতিপূরণের টাকার জন্য একটি আবেদন দাখিল করতে পারেন। তবে আদালতের নথিপত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আজ পর্যন্ত মোট কত টাকা বকেয়া রয়েছে, তা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

মামলাকারীর আইনজীবী তপস ভঞ্জ আদালতকে জানান, সুভাষ দাসের মৃত্যুর পরের দিনই তিনি বিষয়টি আদালতে তুলেছিলেন। তাঁর কথায়, হাইকোর্টের বিচারপতি সত্যব্রত সিনহার প্রথম নির্দেশেই তৎকালীন আলিপুর জেলা বিচারকের মাধ্যমে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ হয়। এদিনের শুনানিতে বেঞ্চ তাঁকে যৌনকর্মীর
ক্ষতিপূরণের টাকা ফেরতের জন্য আবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেয়।আইনজীবী ভঞ্জ বলেন, "নথি না থাকায় আজ পর্যন্ত মোট কত টাকা হয়েছে তা আমারও জানা নেই, যৌনকর্মীরও জানা নেই।"
सैरोगेसी में मेडिकल योग्यता जांचने का अधिकार मजिस्ट्रेट के पास नहीं: कलकत्ता हाईकोर्ट
*अलीपुर कोर्ट का खारिज आदेश रद्द, 7 दिन में नए सिरे से फैसला देने का निर्देश*

*कोलकाता*: सैरोगेसी के जरिए संतान पाने के इच्छुक दंपति की उम्र, शारीरिक स्थिति या चिकित्सकीय योग्यता की जांच करना मजिस्ट्रेट के अधिकार क्षेत्र में नहीं है — कलकत्ता हाईकोर्ट ने एक अहम टिप्पणी में यह साफ किया।

शुक्रवार को न्यायमूर्ति कौशिक चंद की बेंच ने अलीपुर कोर्ट के अतिरिक्त जिला न्यायाधीश के आवेदन खारिज करने के आदेश को रद्द कर दिया। साथ ही आवेदन पर कानून के अनुसार नए सिरे से विचार कर 7 दिन के भीतर फैसला देने का निर्देश दिया।

*मामले की पृष्ठभूमि* 
दक्षिण 24 परगना के एक दंपति ने सैरोगेसी के लिए जिला मेडिकल बोर्ड के सभी प्रमाणपत्रों के साथ अलीपुर कोर्ट में कानूनी अनुमति मांगी थी। लेकिन निचली अदालत ने तीन कारणों से आवेदन खारिज कर दिया: 
1. मेडिकल प्रमाणपत्र की अवधि समाप्त 
2. सैरोगेट मां की मानसिक स्वस्थता संबंधी दस्तावेज अधूरे 
3. आवेदक पिता की उम्र 55 से अधिक 

इसके बाद दंपति हाईकोर्ट पहुंचे।

*हाईकोर्ट की टिप्पणी* 
अदालत ने कहा कि सैरोगेसी कानून के अनुसार आवेदक की चिकित्सकीय योग्यता जांचने की पूरी जिम्मेदारी मेडिकल बोर्ड की है। इस मामले में मजिस्ट्रेट का अलग मूल्यांकन या राय थोपने का कोई अधिकार नहीं है।

मजिस्ट्रेट की भूमिका सिर्फ दो मामलों तक सीमित है: 
*1. पारदर्शिता और स्वैच्छिक सहमति*: सैरोगेट मां स्वेच्छा से सहमत है या नहीं, यह सुनिश्चित करना 
*2. कानूनी अभिभावकत्व*: बच्चे के जन्म के बाद अभिभावकत्व और जिम्मेदारी तय करना 

कोर्ट ने यह भी कहा कि सुनवाई में देरी के कारण प्रमाणपत्र की अवधि खत्म हो गई, इसलिए इसी आधार पर आवेदन खारिज करना "कानूनसम्मत नहीं" है।

वकीलों के अनुसार, इस फैसले से सैरोगेसी मामलों में न्यायिक दखल का रास्ता बंद हुआ और चिकित्सकीय निर्णय में मेडिकल बोर्ड का अधिकार फिर से स्थापित हुआ।
খেলা lকলকাতা ফুটবলে লিগ

*মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ২-০ গোলে হারাল সুরুচি সংঘকে*


*নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা*:  কলকাতা ফুটবল লিগে দুরন্ত ফর্ম অব্যাহত রাখল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। বৃহস্পতিবার মহামেডান স্পোর্টিং গ্রাউন্ডে সুরুচি সংঘকে ২-০ গোলে হারাল সাদা-কালো ব্রিগেড।

ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য ভাবে শেষ হয়। দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ব্যস্ত ছিল এবং প্রথম গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল। তবে বিরতির আগে কোনও দলই জালের দেখা পায়নি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় মহামেডান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের খরা কাটায় তারা। সুন্দরভাবে ভাসিয়ে দেওয়া বলে দুর্দান্ত হেডে জালে বল জড়ান রেমসাঙ্গা। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় মহামেডান।

গোলের পর আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায় মহামেডানের। কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এমডি ফারদিন আলি মোল্লা। নিখুঁত ফিনিশে তিনি দলের জয় নিশ্চিত করেন। শেষ বাঁশি পর্যন্ত আর গোল হয়নি। ফলাফল ২-০।

এই জয়ের ফলে চলতি মরশুমে কলকাতা ফুটবল লিগে ৪ ম্যাচে মহামেডানের এটি তৃতীয় জয়। ১টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। প্রতিযোগিতায় অপরাজিত থাকার রেকর্ডও ধরে রাখল দল। দলের ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাস এবং ধারাবাহিকতা এই ম্যাচেও স্পষ্ট।

এই ইতিবাচক ফলকে সঙ্গে নিয়ে পরের ম্যাচের দিকে নজর দেবে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। CFL-এ অপরাজিত যাত্রা চালিয়ে যাওয়াই এখন তাদের লক্ষ্য।
*ছবি:সঞ্জয় হাজরা।*
জনগণনা নিয়ে বারাসাত জেলাশাসক দপ্তরে সাংবাদিক সম্মেলনে জেলাশাসক

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে ১লা আগস্ট থেকে শুরু হবে জনগণনা। আর সেই জনগণনা প্রক্রিয়া কিভাবে সম্পূর্ণ হবে এই বিষয় নিয়ে আজ সাংবাদিক বৈঠক করেন জেলাশাসক শিল্পা গৌরিসারিয়া।তিনি বলেন,আধুনিক পদ্ধতিক ব্যবহার করে পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই জনগণনার কাজ করবে সরকারি কর্মীরা।পাশাপাশি, একাধিক নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে এবারের জনগণনায়। এদিন তিনি একাধিক সরকারি প্রকল্প বিষয়ক নিয়েআলোকপাত করেন।

*গুরুত্বপূর্ণ তারিখ*
জনগণনার কাজ দুটি পর্যায়ে হবে। 
1. *স্ব-গণনা পর্ব*: ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে ১৫ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত। এই সময়ে সাধারণ মানুষ এবং VIP-রা অনলাইনে নিজেরা তথ্য দিতে পারবেন। 
2. *হাউস লিস্টিং ও হাউজিং সেনসাস*: ১৬ আগস্ট ২০২৬ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। এই সময়ে মাঠ পর্যায়ে গণনাকারীরা বাড়ি বাড়ি যাবেন।

*প্রশাসনিক ও জনবল সংক্রান্ত তথ্য*
জেলায় মোট *৪৯টি চার্জ সেনসাস অফিস* গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২টি ব্লক, ২৫টি পৌরসভা, ১টি ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এবং ১টি নবদিগন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ অথরিটি রয়েছে।

কাজের জন্য মোট *১৮,৮০০ জন গণনাকারী* এবং *৩,২০০ জন সুপারভাইজার মোতায়েন করা হচ্ছে। এছাড়া ৩০০ জন ফিল্ড ট্রেনারও কাজ করবেন। এখনও পর্যন্ত জেলায় *১৭,০৭০টি Houselisting Block (HLB)* তৈরি করা হয়েছে।

*প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা*
চার্জ অফিসার ও ফিল্ড ট্রেনারদের প্রশিক্ষণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। গণনাকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ৫ আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে শেষ হবে। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার ৩৪১টি স্কুল ও কলেজে সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।

*জনগণের উদ্দেশ্যে বার্তা*
নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করে অফিসার বলেন, "সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে জনগণনাকে সফল করতে সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।"

যেকোনো জিজ্ঞাসার জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে: *9230188432*।

ছবি: অঙ্কিত মুখার্জি।
খেলা কলকাতায় আসছে ব্রাজিল! ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভিনি-নেইমারদের বিরুদ্ধে ভারত

*নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা*:ফুটবল উৎসবের অপেক্ষা কলকাতায়। সব ঠিক থাকলে আগামী ৩ অক্টোবর কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচ খেলতে আসছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ভিনিসিয়াস জুনিয়র, কাসেমিরো, রাফিনিয়াদের মতো বিশ্ব তারকাদের সল্টলেকে দেখার স্বপ্ন দেখছেন বাংলার ফুটবলপ্রেমীরা।

ব্রাজিলের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম GE Globo-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ মরশুমের সূচি চূড়ান্ত করার আগে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোতে ৩ টি প্রীতি ম্যাচ খেলবে সেলেকাওরা।

সূচি অনুযায়ী, ২৫ সেপ্টেম্বর টাউনসভিল এবং ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলার পর ৩ অক্টোবর কলকাতায় ভারতের মুখোমুখি হতে পারে ব্রাজিল।

এটিই হবে ভারতের মাটিতে ভারতের বিরুদ্ধে ব্রাজিলের সিনিয়র দলের প্রথম ম্যাচ। ফলে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে এটি একটি মাইলস্টোন ম্যাচ হতে চলেছে।

ম্যাচের সম্ভাব্য ভেন্যু কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। খবর ছড়াতেই শহরে শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা। ১৯৭৭ সালে পেলের কলকাতা সফরের প্রায় ৫০ বছর পর ফের ব্রাজিলকে ঘিরে বড় ম্যাচের সম্ভাবনায় উচ্ছ্বসিত সমর্থকরা।

আপাতত সব কিছুই আলোচনার স্তরে রয়েছে। AIFF ও রাজ্য সরকারের চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেলেই সরকারিভাবে ঘোষণা হবে বলে সূত্রের খবর।

*এক নজরে ম্যাচের সূচি*
- *তারিখ*: ৩ অক্টোবর, ২০২৬
- *ভেন্যু*: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন, সল্ট লেক, কলকাতা
- *ম্যাচ*: ভারত বনাম ব্রাজিল, আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ
- *ব্রাজিলের আগের দুই ম্যাচ*: ২৫ সেপ্টেম্বর - টাউনসভিল, ২৯ সেপ্টেম্বর - ব্রিসবেন, প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া।

ছবি: সংগৃহীত।
ব্যারাকপুরের পুলিশ অ্যাকাডেমিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে স্বামী বিবেকানন্দ রাজ‍্য পুলিশ অ‍্যাকাডেমিতে আসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ‘গার্ড অফ অনার’ নিয়ে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজও সারলেন। বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে পুলিশের ভূমিকায় খুশি মুখ‍্যমন্ত্রী বলেন, ‘নানা প্রতিবন্ধকতার মধ‍্যে আপনাদের কাজ করতে হচ্ছে জানি। দুর্নীতি দমন থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সবেতেই আপনারা যোগ‍্যতার পরিচয় দিয়েছেন। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা ও আর্থিক ঋণ আছে, তবু দেশের সেরা পুলিশবাহিনী গড়ে উঠুক এই রাজ‍্যে, এটা মুখ‍্যমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রত‍্যাশা। আপনারা পারবেন, সেই বিশ্বাস আমার আছে।’ ছবি: প্রবীর রায়।
নীলগঞ্জে বাজেয়াপ্ত বাজিতে আগুন, বিস্ফোরণে চাঞ্চল্য
নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগনা:উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ বাজি ও বারুদ রাখা গোডাউনে আগুন লেগে একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল উত্তর ২৪ পরগনার নীলগঞ্জের নারায়ণপুর এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই নীলগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বাজি ও বারুদ উদ্ধার করে। অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া ওই বাজি নিয়ম মেনে নিষ্ক্রিয় না করে একটি গোডাউনে মজুত করে রাখা হয়েছিল। এমনকি গোডাউনের বাইরে একটি ড্রামে বারুদও রাখা ছিল।

মঙ্গলবার সকালে আচমকা ওই গোডাউনে আগুন লাগে। এরপর একের পর এক বাজি ফাটতে থাকে। বিকট শব্দ ও কালো ধোঁয়ায় এলাকা কেঁপে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের দু’টি ইঞ্জিন। প্রায় ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

জানা গিয়েছে, যে গোডাউনে বাজি রাখা ছিল তার দোতলায় একটি পরিবার বসবাস করতেন। বিস্ফোরণের শব্দে তাঁরা দ্রুত বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান। ঘটনার পর আতঙ্কে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।

এই ঘটনার পর উদ্ধার হওয়া বাজি মজুতের ক্ষেত্রে পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।
বসিরহাটে মানবসেবায় এগিয়ে এলো মেডিক্যাল ও সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভদের সংগঠন
বসিরহাট : সামাজিক দায়বদ্ধতার অঙ্গ হিসেবে স্বেচ্ছায় রক্তদানের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এবং প্রয়োজনে রক্তের অভাবে যাতে কোনও রোগীকে সমস্যায় পড়তে না হয়, সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে এক স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলো বসিরহাটের মেডিক‍্যাল ও সেলস্ রিপ্রেজেন্টেটিভরা। অল ওয়েস্ট বেঙ্গল সেলস্ রিপ্রেজেন্টেটিভস ইউনিয়নের বসিরহাট আঞ্চলিক শাখার উদ্যোগে মঙ্গলবার এই রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয় বসিরহাট জেলা হাসপাতালে। ব্যানার, পোস্টার এবং সদস্যদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে রক্তদানের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। কর্মসূচিতে ইউনিয়নের সদস্যদের পাশাপাশি এলাকার সাধারণ মানুষকেও স্বেচ্ছায় রক্তদানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
বর্তমান সময়ে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু, প্রসূতি, দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগী, অস্ত্রোপচার-সহ বিভিন্ন জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিয়মিত রক্তের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বহু সময়ই রক্তের সংকট দেখা দেয়। সেই পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এক ইউনিট রক্ত একাধিক রোগীর জীবন বাঁচাতে সাহায্য করতে পারে। এই কারণেই বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং শ্রমিক সংগঠন নিয়মিত রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে থাকে।
আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রক্তদান একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও মানবিক উদ্যোগ। সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ নিয়ম মেনে রক্তদান করলে তার শরীরে কোনও ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না। বরং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সামাজিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ তৈরি হয়। রক্তদানকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিই এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
বসিরহাট জুড়ে বিভিন্ন সময়ে রক্তের চাহিদা মেটাতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই শিবিরে বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের আশাবাদী আয়োজকরা। তাদের মতে, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনও রোগীর চিকিৎসা যাতে ব্যাহত না হয়, সেই লক্ষ্য অনেকটাই সফল হবে। মানবিক এই উদ্যোগের মাধ্যমে রক্তদানের গুরুত্ব আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি সমাজে স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি আগ্রহও বাড়বে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।
অভিযোগের পরও গ্রেপ্তার নয় তৃণমূল কাউন্সিলর! হাসনাবাদ থানায় বিক্ষোভে বিজেপি

বসিরহাট : তৃণমূল নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে হাসনাবাদ থানায় বিজেপির বিক্ষোভ, জমা পড়ল ডেপুটেশন। বসিরহাটের হাসনাবাদ থানার সামনে তৃণমূলের একাধিক কাউন্সিলর ও নেতার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তারির দাবিতে বিক্ষোভে সামিল হলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। বিক্ষোভের পাশাপাশি থানায় একটি ডেপুটেশনও জমা দেওয়া হয়। অভিযোগ, একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। বিজেপির অভিযোগ, টাকি টাউন তৃণমূল সভাপতি তথা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চিন্ময় মণ্ডল, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রদ্যুৎ দাস এবং টাকির তৎকালীন তৃণমূল নেত্রী তথা বর্তমান বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা ব্যানার্জি সহ আরও কয়েকজন তৃণমূল নেতা-নেত্রীর বিরুদ্ধে হাসনাবাদ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ জমা পড়ার পরও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেনি বলে দাবি বিজেপির। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা থানার সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। তাদের দাবি, আইনের চোখে সকলেই সমান। তাই অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সাধারণ মানুষের আইন-ব্যবস্থার উপর আস্থা নষ্ট হবে। অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে বলেও দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভ শেষে একটি প্রতিনিধি দল হাসনাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের কাছে স্মারকলিপি তুলে দেয়। সেখানে দ্রুত তদন্ত সম্পূর্ণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
বিজেপি নেতৃত্ব হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর গণআন্দোলনের পথে হাঁটবে তারা। অন্যদিকে, এই অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র-যুবদের উপর পুলিশি লাঠিচার্জের ঘটনায়  কলকাতা হাইকোর্টে ধিক্কার মিছিল আইনজীবীদের

নিজস্ব প্রতিনিধি:দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র-যুবদের উপর পুলিশি লাঠিচার্জের ঘটনায় শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে ধিক্কার মিছিল বের করলেন আইনজীবীরা । আর সেই মিছিল থেকেই এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে দেশের প্রধান বিচারপতির মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য ৷

এদিন তিনি বলেন, "সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট মানুষের শেষ ভরসার জায়গা । সেই ভরসার জায়গাটা ওরা নষ্ট করছে । এখন প্রধান বিচারপতি বলছেন, সময় নষ্ট করবেন না । কতটা নির্মম হলে...। আপনাদের মনে থাকতে পারে, কোভিডের সময় বিরক্তি প্রকাশ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, বলেছিল মাথা ব্যাথা । পরে অবশ্য ভুল সংশোধন করে এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করেছিল । আমি জানি, মাঝরাতে কোর্ট বসানো যায় পুঁজিপতিদের স্বার্থে, ক্ষমতাবানদের স্বার্থে ৷ আর ছাত্র-যুবদের উপর আক্রমণ হলে বিবেচনার জায়গা নেই । এই ভাবেই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে । এর বিরুদ্ধেই আমাদের প্রতিবাদ ৷"

উল্লেখ্য, দিন দুয়েক আগে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবীরা যন্তর মন্তরে ছাত্র-যুবদের উপর পুলিশি লাঠিচার্জের ভিডিয়ো দেখাতে চাইলে প্রধান বিচারপতি বলেন, "আমরা এই ভিডিয়ো দেখতে আগ্রহী নই ৷ আমাদের কাছে সময় নেই ৷ আমরা ভিডিয়ো দেখতে চাই না ৷"

প্রসঙ্গত, দিল্লিতে ছাত্র ও যুবদের উপর 'পুলিশি আক্রমণের' বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে এদিন যোগ দেন বাম, তৃণমূল ও কংগ্রেসপন্থী আইনজীবীরা । আন্দোলনের কর্মসূচি হিসেবে, আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনা পাঠ করা হয় কলকাতা হাইকোর্টের বি গেটের সামনে । সেখান থেকেই ধিক্কার মিছিলে অংশ নেন আইনজীবীরা ।