/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz সিএফএল সুপার সিক্সে জয় দিয়ে শুরু মহামেডানের, ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ ড্র West Bengal Bangla
সিএফএল সুপার সিক্সে জয় দিয়ে শুরু মহামেডানের, ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ ড্র

খেলা

কলকাতা ফুটবল লিগ

#MohammedanSC

স্পোর্টস ডেস্ক: সিএফএল ২০২৬ সুপার সিক্স অভিযান জয় দিয়ে শুরু করল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ ড্র করল।আজ নৈহাটি স্টেডিয়ামে ভবানীপুর এফসি-কে ২-০ গোলে পরাজিত করল মহামেডান। অন্যদিকে, কলকাতায় ইস্টবেঙ্গল মাঠে ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাবের সঙ্গে ড্র করল ইস্টবেঙ্গল। এটা ছিল সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচ।

সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচেই দাপুটে পারফরম্যান্স মেলে ধরল মহামেডান ফুটবলাররা। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে তারা। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গলের সংগ্রহে এক পয়েন্ট।

মহামেডান স্পোর্টিং নৈহাটিতে প্রথমার্ধেই দলের হয়ে গোলের খাতা খোলেন ফারদিন। তাঁর গোলেই এগিয়ে যায় মহামেডান। প্রথমার্ধ জুড়ে রক্ষণ ও আক্রমণে সংগঠিত ফুটবল খেলে আধিপত্য বজায় রাখে সাদা-কালো শিবির।

দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ান ইসরাফিল। তাঁর গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মহামেডান এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।

শেষ বাঁশি পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রেখে ২-০ গোলের জয় তুলে নেয় মহামেডান স্পোর্টিং এবং সুপার সিক্সে প্রথম তিন পয়েন্ট ঘরে তোলে।

এই জয়ের ফলে সুপার সিক্সে দারুণ শুরু পেল মহামেডান। আগামী ম্যাচগুলিতেও এই ছন্দ ধরে রাখাই লক্ষ্য দলের।

ছবি: সঞ্জয় হাজরা ও মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।

বিজেপি নেতা গ্রেফতার কাণ্ডে চাঞ্চল্য খড়দহে

#Khardah

মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সহ-সভাপতি রমজান আলী

উৎপল দাস,খড়দহ: এক মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে বিজেপির এক রাজ্য নেতাকে গ্রেফতার করল উত্তর ২৪ পরগনার রহড়া থানার পুলিশ। ধৃত নেতার নাম রমজান আলী। তিনি বিজেপি মাইনরিটি মোর্চার রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি পদে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, খড়দহের বন্দিপুর বলাগড় এলাকায় এক মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে রমজান আলীর বিরুদ্ধে। ওই মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতেই রহড়া থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

আজ ধৃতকে ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের সামনে রমজান আলী দাবি করেন, "আমাকে তৃণমূলের লোকজন ফাঁসিয়ে দিয়েছে। খড়দার এমএলএ অফিসে বসে আমাকে খুনের হুমকি দিচ্ছে। আমি প্রতিবাদ করায় আমাকেই ফাঁসানো হয়েছে। এই ঘটনায় আমার কোনও অপরাধ ছিল না।"

ঘটনাকে কেন্দ্র করে খড়দহ এলাকায় রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপির তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

লেখা ও ছবি: উৎপল দাস।

ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কার্যালয়ে উচ্ছেদে হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ*

কলকাতা: ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ের ৬ ও ৭ তলা খালি করার দমকলের নোটিশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এই নির্দেশ দেন। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৬ সেপ্টেম্বর।অগ্নি নিরাপত্তা পরীক্ষার পর ওই দুই তলাকে অনিরাপদ ঘোষণা করে খালি করার নির্দেশ দেয় দমকল দফতর। তৃণমূলের অভিযোগ, তাদের লিজ ২৫ আগস্ট বাতিল করা হয়েছে, দেওয়ানি আদালতে স্থিতাবস্থা রয়েছে।

তৃণমূলের পক্ষের আইনজীবী কিশোর দত্ত বলেন, তারা ৬ ও ৭ তলার লিজগ্রহীতা, নির্দেশ মানতে প্রস্তুত, তবে চুক্তি অনুযায়ী অগ্নি নিরাপত্তার দায়িত্ব মালিকের। ছাদে বেআইনি নির্মাণ ও গ্যাস সিলিন্ডার রাখার অভিযোগ উঠলেও সিলিন্ডার সরানো হয়েছে।

রাজ্যের পক্ষে অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) সুরজিৎ নাথ মিত্র জানান, শংসাপত্রের মেয়াদ শেষ এবং এটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত।

আদালত প্রশ্ন তোলে, হাজির হওয়ার পরও কেন সময় দেওয়া হল না। মালিকপক্ষের আইনজীবী সৌম্য মজুমদার লিজ বাতিলের কথা বললে আদালত বলে, লিজ বাতিল হলে দখলদার কীভাবে ত্রুটি সারাবে? এই পরস্পরবিরোধী অবস্থানেই আপাতত উচ্ছেদে স্থগিতাদেশ।

ससुराल के खिलाफ अस्पष्ट आरोप पर 498A का केस नहीं चलेगा - हाईकोर्ट का बड़ा फैसला*

#CalcuttaHighCourt

रिपोर्ट: स्वरूप रॉय

कोलकाता, 11 सितंबर:

पति-पत्नी के झगड़े में पूरे ससुराल को फंसा देने के चलन पर कलकत्ता हाईकोर्ट ने ब्रेक लगा दिया है। कोर्ट ने साफ कह दिया है कि सिर्फ घिसे-पिटे और अस्पष्ट आरोपों के आधार पर ससुराल वालों के खिलाफ 498A का केस नहीं टिकेगा।

जस्टिस शम्पा दत्त (पॉल) की बेंच ने डॉ. शैबल अधिकारी और अन्य की याचिका पर सुनवाई करते हुए ससुराल पक्ष के खिलाफ चल रही पूरी कार्यवाही को रद्द कर दिया।

क्या था पूरा मामला?

एक महिला ने अपने पति और ससुराल के लोगों पर दहेज के लिए मानसिक और शारीरिक प्रताड़ना का आरोप लगाकर 498A / 406 / 323 / 506 / 34 के तहत FIR दर्ज कराई थी।

ससुराल पक्ष ने हाईकोर्ट में कहा कि वे अलग रहते हैं। उनका इस झगड़े से कोई लेना-देना नहीं है, सिर्फ पति के रिश्तेदार होने के कारण उन्हें फंसाया गया है।

वहीं पत्नी पक्ष का आरोप था कि ससुराल वालों ने सब कुछ जानते हुए भी बेटे को रोका नहीं, बल्कि उसे उकसाया।

हाईकोर्ट की 5 बड़ी टिप्पणियां:

1. शिकायत में कोई तारीख, समय या घटना का जिक्र नहीं है। आरोप बेहद सामान्य हैं।

2. सिर्फ यह जानकर चुप रहना कि बेटा बहू को प्रताड़ित कर रहा है, 498A के तहत क्रूरता नहीं है।

3. केस डायरी में ससुराल वालों के खिलाफ कोई मेडिकल रिपोर्ट, बरामदगी या स्वतंत्र गवाह नहीं है।

4. सुप्रीम कोर्ट के भजनलाल, प्रीति गुप्ता और गीता मेहरोत्रा फैसलों का हवाला, जहां पूरे परिवार को घसीटने से मना किया गया है।

5. ऐसे केस को चलने देना कानून की प्रक्रिया का दुरुपयोग होगा।

कोर्ट का अंतिम आदेश: ससुराल वालों के खिलाफ केस खारिज। पति के खिलाफ केस चलता रहेगा।

শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অস্পষ্ট অভিযোগে ৪৯৮এ মামলা টিকবে না, বড় রায় হাইকোর্টের*

#CalcuttaHighCourt (Paul)

কলকাতা, ১১ সেপ্টেম্বর: বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া হলেই শ্বশুরবাড়ির সবাইকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার দিন শেষ। এমনই কড়া বার্তা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়ে দিল, শুধুমাত্র সাধারণ ও অস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ৪৯৮এ ধারায় শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা চলতে পারে না।বিচারপতি শম্পা দত্ত (পাল)-এর একক বেঞ্চ ডাঃ শৈবাল অধিকারী ও অন্যদের করা একটি মামলা খারিজ করতে গিয়ে এই পর্যবেক্ষণ দেন।

কী হয়েছিল?

এক মহিলা তাঁর স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে পণের জন্য অত্যাচারের অভিযোগে থানায় এফআইআর করেছিলেন। অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাসহ একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়।

শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দাবি ছিল, তাঁরা আলাদা থাকেন। স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ঝগড়ার সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। শুধু স্বামীর আত্মীয় হওয়ার কারণে তাঁদের জড়ানো হয়েছে। তাই তাঁরা হাইকোর্টে মামলা খারিজের আবেদন করেন।

স্ত্রীর পক্ষ কী বলেছিল?

স্ত্রীর পক্ষ থেকে বলা হয়, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা সব জানতেন। ছেলে বউয়ের উপর অত্যাচার করছে জেনেও তাঁরা কোনও ব্যবস্থা নেননি। তাঁরা স্বামীকে প্ররোচনা দিয়েছেন।

হাইকোর্ট কী বলল? এই রায় কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কেস ডায়েরি ও চার্জশিট খতিয়ে দেখে বিচারপতি পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন:

১. অভিযোগে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই: অভিযোগপত্রে কোথাও বলা নেই কবে, কোথায়, কীভাবে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা অত্যাচার করেছেন। পুরো অভিযোগটাই খুব সাধারণ ভাবে লেখা।

২. চুপ থাকা মানেই অপরাধ নয়: আদালতের সবচেয়ে বড় পর্যবেক্ষণ, শুধু ছেলে বউকে অত্যাচার করছে জেনে চুপ থাকা বা বাধা না দেওয়াটা ৪৯৮এ ধারায় ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসাবে ধরা হবে না।

৩. কোনও প্রমাণ নেই: পুলিশের কেস ডায়েরিতে এই সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনও মেডিকেল রিপোর্ট, কোনও উদ্ধার হওয়া জিনিস বা কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষীর বয়ান নেই।

৪. সুপ্রিম কোর্টের রায়: সুপ্রিম কোর্ট আগেও বহুবার বলেছে, বৈবাহিক বিরোধে পুরো পরিবারকে টেনে আনা যাবে না। হাইকোর্ট সেই ভজনলাল, প্রীতি গুপ্তা ও গীতা মেহরোত্রা মামলার রায়গুলির কথা উল্লেখ করে।

৫. আইনের অপব্যবহার: এই ধরনের অস্পষ্ট মামলা চলতে দেওয়া মানে আদালতের সময় নষ্ট এবং আইনের অপব্যবহার।

আদালতের নির্দেশ

আদালত শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে চলা মামলা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছে। তবে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা আগের মতোই চলবে।

এই রায়ের ফলে রাজ্যে ৪৯৮এ ধারার অপব্যবহার রুখতে একটি বড় নজির তৈরি হল বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।

বেআইনি বহুতল নির্মাণে দুর্নীতি, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের*

#CalcuttaHighCourt

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: শহরে বেআইনি বহুতল নির্মাণে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। প্রয়োজনে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করতে পারবে সিবিআই। আগামী ১৪ অক্টোবর প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করতে হবে।

মামলাটি বেলেঘাটা, মানিকতলা, রাজাবাজার এবং ক্যানাল ইস্ট রোড এলাকার ৫০টির বেশি বেআইনি বহুতল নির্মাণ সংক্রান্ত। অভিযোগ, এর আগে আদালত নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দিলেও তা কার্যকর হয়নি।

আবেদনকারী পক্ষের দাবি, এই নির্মাণ ব্যবসায় কয়েক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। কালো টাকা সাদা করা এবং বেআইনি ভাবে বিদেশি মুদ্রা বিনিয়োগের অভিযোগও রয়েছে। বহু ক্ষেত্রে ন্যূনতম অনুমতি ছাড়াই বহুতল গড়ে উঠেছে। এর জেরে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, “কেন এতোদিন স্বতঃপ্রণোদিত অনুসন্ধান করা হয়নি? এটা পুরসভা বা রাজ্যের করার কথা। বেআইনি নির্মাণ হয়েই চলেছে। কলকাতায় যেমন, মুম্বইতেও তেমন। পুরসভার স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করা জরুরি। কেন বেআইনি হলে পুরসভা নিজে তা ভাঙবে না?”

এ সময় পুরসভার আইনজীবী সময় চেয়ে বলেন, তাঁরা বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে চান। তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করে বেঞ্চ বলে, “এটা সময় নষ্ট করার একটা পদ্ধতি। প্রয়োজনে আমরা কমিশনারকে ডেকে পাঠাচ্ছি। তাঁরা বেতন পাচ্ছেন কাজ করার জন্য, কাজ না করার জন্য নয়।”

আদালত জানায়, পুরসভার নিজের রিপোর্ট অনুযায়ীও নির্মাণগুলি বেআইনি। মামলাকারী পক্ষ জানায়, বহু নির্মাণের প্রকৃত মালিক কে, তার হদিস নেই। বিশাল অঙ্কের কালো টাকা লগ্নি হয়েছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে উদ্বেগজনক। ইতিমধ্যেই ৪২টি বেআইনি বাড়ি চিহ্নিত করা হয়েছে।

এর পরই বেঞ্চ সিবিআইকে প্রাথমিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয়। পুরসভা ও পুলিশের থেকে নথি নিয়ে তদন্ত এগোবে সংস্থা।

একতরফা বিচ্ছেদের পরেও প্রাক্তন স্ত্রীকে খোরপোশ দিতে হবে, জানাল হাইকোর্ট*

#CalcuttaHighCourt

কলকাতা: স্বামী একতরফা আদালত থেকে বিচ্ছেদের(ডিভোর্স )কাগজ নিয়ে এলেই খোরপোশের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। যদি প্রাক্তন স্ত্রী দ্বিতীয় বিয়ে না করেন এবং নিজে রোজগার করে চলতে না পারেন, তাহলে স্বামীকেই তাঁকে খোরপোশ দিতে হবে। এমনই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে আদালত আরও জানিয়েছে, যে অবিবাহিত মেয়ে মামলা করার আগেই ১৮ বছর পেরিয়ে গেছে এবং সে শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে অসুস্থ নয়, সে বাবার কাছে খোরপোশ চাইতে পারবে না।

কী হয়েছিল ঘটনাটা?

হাওড়ার উলুবেড়িয়া আদালতে এক মহিলা তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে খোরপোশের মামলা করেছিলেন। সেটা ২০১৯ সালের মামলা। পরে সেই খোরপোশের টাকা না দেওয়ায় টাকা আদায়ের জন্য আরেকটি মামলা হয় ২০২১ সালে।

এর মাঝে স্বামী একতরফা ভাবে বিচ্ছেদের(ডিভোর্স )ডিক্রি পেয়ে যান। তখন তিনি আদালতে গিয়ে বলেন, বিচ্ছেদ হয়ে গেছে তাই খোরপোশের মামলা আর চলতে পারে না। উলুবেড়িয়া আদালত তাঁর কথা মানেনি। তাঁকে খোরপোশ দিতে বলা হয় এবং টাকা না দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়।

সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে স্বামী সমর পাল কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন,তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না পালের বিরুদ্ধে এই মামলা।

হাইকোর্ট কী বলল?

বিচারপতি উদয় কুমার সমর পালের আবেদনটি আংশিক মঞ্জুর করেন। তিনি বলেন,

১. আইনে পরিষ্কার বলা আছে, ডিভোর্সী স্ত্রীও স্ত্রী হিসেবেই গণ্য হবেন, যদি তিনি দ্বিতীয় বিয়ে না করেন। তাই একতরফা বিচ্ছেদ (ডিভোর্স)হয়ে গেলেও খোরপোশের দায় শেষ হয় না।

২. এই খোরপোশের আইনের উদ্দেশ্য হলো, কোনো অসহায় মহিলা যাতে ভবঘুরে হয়ে না যান, সেটা দেখা। এটা সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য করা হয়েছে।

৩. তাই স্ত্রীর খোরপোশ বহাল থাকবে। স্বামীকে তা দিতেই হবে।

৪. কিন্তু মেয়ের ক্ষেত্রে আদালত বলে, মেয়ে মামলা করার আগেই প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গেছে। সে সুস্থ। তাই আইন অনুযায়ী সে আর বাবার কাছে খোরপোশ পাবে না।

এই রায়ে আদালত স্ত্রীর খোরপোশ বহাল রাখলেও, প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের খোরপোশের দাবি খারিজ করে দিয়েছে।

কলকাতা লিগে গোলের বন্যা, কোল ইন্ডিয়াকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিল মোহনবাগান*
*খেলা*

*কলকাতা লিগ*


*নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা:* কলকাতা ফুটবল লিগে বড় জয় পেল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। আজ, বৃহস্পতিবার নিজেদের মাঠে তারা ৫-১ গোলে হারাল কোল ইন্ডিয়া স্পোর্টস প্রমোশন বোর্ডকে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য ছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের। যদিও প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিল কোল ইন্ডিয়াই। পেনাল্টি থেকে গোল করে চমকে দেয় তারা। তবে সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি তারা।

এর পরেই ঘুরে দাঁড়ায় মোহনবাগান। দলের হয়ে নায়ক হয়ে ওঠেন মানবীর সিং। একাই দুটি গোল করেন তিনি। মাঝমাঠ থেকে দলকে টানেন সাহাল আব্দুল সামাদ, একটি গোল করে ব্যবধান বাড়ান তিনিও। তরুণ প্রতিভা কিয়ান নাসিরি এবং সন্দীপ মালিক একটি করে গোল করে জয় নিশ্চিত করেন।

প্রথমার্ধেই ৩-১ লিড নিয়ে নেয় বাগান। দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুটি গোল যোগ হয়।

এই জয়ের ফলে কলকাতা লিগের পয়েন্ট টেবিলে ভালো জায়গায় উঠে এল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। দলের আক্রমণভাগের ছন্দ নিঃসন্দেহে স্বস্তি দেবে কোচকে। *ছবি:সঞ্জয় হাজরা।*
কাশী নরেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হল হরিয়ালি রং উৎসব-২০২৬, ছাত্রছাত্রীদের চমকপ্রদ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা*
*দেশ*

#KashiNareshUniversity #HariyaliRangotsav2026 #BhadohiNews #CulturalFest #FashionShow #MehndiCompetition

*ভদোহি:* কাশী নরেশ বিশ্ববিদ্যালয়, ভদোহিতে রং তরঙ্গ সাংস্কৃতিক ক্লাবের উদ্যোগে অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে পালিত হল হরিয়ালি রং উৎসব-২০২৬। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপিকা উমা শ্রীবাস্তব। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত মহিলা স্টাফের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ছাত্রছাত্রীরা তাদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে ভারতীয় লোক সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ঝলক তুলে ধরে। এর মধ্যে ছিল রাধা-কৃষ্ণের ভক্তিমূলক নৃত্য, পাহাড়ি নৃত্য এবং 'সৈয়াঁ মিলে লড়কাইয়া'র মতো মনমুগ্ধকর পরিবেশনা। পরিবেশনাগুলি দর্শকদের মন জয় করে নেয়। এই উপলক্ষে একটি মেহেন্দি প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়, যেখানে ছাত্রীরা তাদের শিল্পকলার পরিচয় দেয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল ফ্যাশন শো। সেখানে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্কৃতির পোশাক এবং ওড়না পরার ঐতিহ্যবাহী শৈলী প্রদর্শন করে। এই পোশাক এবং ওড়না পরার ধরন ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও ঐক্যকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে।

উপাচার্য অধ্যাপিকা উমা শ্রীবাস্তব শিক্ষার্থীদের প্রতিভার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, "এই ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের তাদের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করে। পাশাপাশি, এটি তাদের সৃজনশীলতা এবং আত্মবিশ্বাসও বাড়ায়। এই অনুষ্ঠান "সবুজের ছায়ায় সংস্কৃতির নতুন পরিচয়" - এই ভাবনাকে সার্থক করে তুলেছে। মঞ্চ সঞ্চালনা করেন ডক্টর ঋচা এবং ডক্টর রজনীশ দ্বিবেদী।
ঈশানের নেতৃত্বে বহু বছর পর দলীপ ট্রফি জয় পূর্বাঞ্চলের, অভিনন্দন জানালেন সৌরভ
*খেলা*

*স্পোর্টস ডেস্ক, কলকাতা:* বহু বছর পর দলীপ ট্রফি জিতল পূর্বাঞ্চল। অধিনায়ক ঈশান কিষানের নেতৃত্বে পুরো টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্ট জোন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ইস্ট জোনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা সিএবির সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। নিজের X হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, "Congratulations to east zone under the leadership of Ishan Kishan to win the Duleep trophy after so many years.. they went unbeaten in the competition.. well done to the Bengal boys for their exemplary performance..."

উল্লেখ্য, চেন্নাইয়ের চিদম্বরম স্টেডিয়ামে ফাইনালে সাউথ জোনের বিরুদ্ধে ইস্ট জোন ৭০৮ রানের পাহাড় গড়ে। অধিনায়ক ঈশান কিষান একাই করেন ২৭০ রান, যা দলীপ ট্রফির ফাইনালে ইস্ট জোনের হয়ে প্রথম দ্বিশতরান। ১৪ বছর পর ফাইনালে উঠে চ্যাম্পিয়ন হল পূর্বাঞ্চল। ছবি:সৌজন্যে সিএবি।