/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে স্বরূপনগর বিডিও অফিসে বিক্ষোভ West Bengal Bangla
অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে স্বরূপনগর বিডিও অফিসে বিক্ষোভ
বসিরহাট : অন্নপূর্ণা যোজনার দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে না পৌঁছানোর অভিযোগে শুক্রবার সকাল থেকে বসিরহাটের স্বরূপনগর বিডিও দপ্তরে বিক্ষোভ দেখান একদল মহিলা উপভোক্তা। তাদের অভিযোগ, গত মাসে প্রথম কিস্তির টাকা পেলেও এ মাসে আবেদন করা সত্ত্বেও অনেকের অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ জমা পড়েনি।
রাজ্য সরকার বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত জুন মাস থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তাদের অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ শুরু করে। প্রথম কিস্তি প্রদানের পর অনলাইন ও অফলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার জন্য ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। গত ১ জুলাই দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া শুরু হলেও বহু উপভোক্তার অভিযোগ, তাদের অ্যাকাউন্টে এখনও সেই অর্থ পৌঁছায়নি। এদিন বিক্ষুব্ধ মহিলারা বিডিওর সঙ্গে দেখা করে সমস্যার কথা জানান। বিডিও তাদের অভিযোগ শোনেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন। তবে অভিযোগ, এরপরও ক্ষুব্ধ উপভোক্তাদের একাংশ দপ্তরে ঢুকে আধিকারিকদের বাইরে বের করে দিয়ে অফিসের দরজা বন্ধ করে বিক্ষোভে সামিল হন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু সময়ের জন্য বিডিও দপ্তরে উত্তেজনা তৈরি হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপভোক্তাদের অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
'খেলার মাঠ ফেরত চাই'- দখলের অভিযোগে বিক্ষোভে ফেটে পড়লো পড়ুয়ারা

বসিরহাট : খেলার মাঠ দখলের চেষ্টার অভিযোগে বিক্ষোভ, মাঠ বাঁচানোর দাবিতে পথে নামল পড়ুয়ারা। বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের সাণ্ডেলেরবিল গ্রাম পঞ্চায়েতের বাঁকড়া দক্ষিণ-পূর্ব বাঁকড়া স্কুলের খেলার মাঠ দখলের চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার উত্তেজনা ছড়ায়। মাঠ রক্ষার দাবিতে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবক ও গ্রামবাসীরা বিক্ষোভে সামিল হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলের সামনের সরকারি জমিটি দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ওই মাঠেই নিয়মিত খেলাধুলা করে ছাত্র-ছাত্রীরা এবং এলাকাবাসীর কাছেও এটি স্কুলের মাঠ হিসেবেই পরিচিত। অভিযোগ, শুক্রবার মাঠের সংলগ্ন জমির মালিকরা পিলার পুঁতে ওই মাঠের একটি অংশ দখলের চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক এবং গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রতিবাদ শুরু করেন। পরে মাঠ রক্ষার দাবিতে পড়ুয়ারা মিছিলও বের করে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দখলের কাজ বন্ধ করে দেয়। অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে উঠেছে, তাদের প্রয়োজনীয় জমির নথি নিয়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এদিকে ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যে মাঠে পড়ুয়ারা খেলাধুলা করছে, সেই মাঠের বর্তমান অবস্থাই বজায় রাখতে হবে। ভবিষ্যতেও যাতে ছাত্র-ছাত্রীরা নির্বিঘ্নে ওই মাঠ ব্যবহার করতে পারে, তার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শর্ত সাপেক্ষে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার।সল্টলেকে বাড়ি দখল মামলায় জামিন পেলেন জয়প্রকাশ।সম্প্রতি বিধাননগর থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।শর্ত অনুযায়ী আগামী, পুলিশ কে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং কলকাতার বাইরে যেতে পারবেন না জয়প্রকাশ। এদিন তার
জামিন মঞ্জুর করলেন বিচারপতি অজয় কুমার মুখোপাধ্যায়।

গত ৩ জুন জয়প্রকাশকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ১৪ বছর ধরে বেআইনি ভাবে একটি ফ্ল্যাট দখল করে রাখার অভিযোগ রয়েছে। জামিন চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন জয়প্রকাশ। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে ওই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত ২৯ জুন বিচারপতি ঘোষ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সেই মামলা থেকে সরে দাঁড়ান। এর পর বিচারপতি অজয়কুমার মুখোপাধ্যায়ের বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য যায়। বিচারপতি মুখোপাধ্যায়ই বুধবার জয়প্রকাশের আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
হাইকোর্টের নির্দেশে ইছামতির তীরে বুলডোজার, টাকির অবৈধ হোটেল ভাঙতে প্রশাসনের অভিযান

বসিরহাট :টাকির ইছামতির তীরে অবৈধ নির্মাণে বুলডোজার। বুধবার হাইকোর্টের নির্দেশে টাকির দুই হোটেল ভাঙার কাজ শুরু হল। বসিরহাটের টাকিতে ইছামতি নদীর তীরে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা টাকী সিটি গেস্ট হাউস  অবৈধ হোটেলের বিরুদ্ধে অবশেষে শুরু হল প্রশাসনিক অভিযান। বুধবার সকাল ১০টা থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর করতে টাকি পৌর এলাকার সেচ দপ্তরের জমিতে নির্মিত 'টাকি সিটি গেস্ট হাউস'  ভাঙার কাজ শুরু করে প্রশাসন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইছামতি নদীর তীরবর্তী সেচ দপ্তরের জমি দখল করে ওই দুটি হোটেল নির্মাণ করা হয়েছিল। বিষয়টি আদালতের নজরে আসার পর তদন্ত ও শুনানি শেষে হাইকোর্ট অবৈধ নির্মাণ অপসারণের নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশ অনুযায়ী বুধবার সকাল থেকেই বিশাল পুলিশ বাহিনী, প্রশাসনিক আধিকারিক, সেচ দপ্তরের প্রতিনিধি এবং টাকি পৌরসভার কর্মীদের উপস্থিতিতে বুলডোজার নামিয়ে ভাঙার কাজ শুরু হয়। অভিযানকে ঘিরে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথমে এলাকা ঘিরে ফেলা হয়, তারপর ধাপে ধাপে হোটেল দুটির বিভিন্ন অংশ ভাঙার কাজ শুরু হয়।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ইছামতি নদীর পাড়ে সরকারি জমি দখল করে এই নির্মাণ হয়েছিল। একাধিকবার অভিযোগ ওঠার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত আদালতের নির্দেশের পর প্রশাসন অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে বাধ্য হয়।
প্রশাসনের দাবি, সরকারি জমি দখল করে কোনও ধরনের স্থায়ী নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না। আদালতের নির্দেশ মেনেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও সরকারি জমি দখল বা নদী সংলগ্ন এলাকায় অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে একই ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। হাইকোর্টের নির্দেশে শুরু হওয়া এই উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে টাকি জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নদী সংলগ্ন এলাকায় বেআইনি নির্মাণ রুখতে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
নেফ্রো কেয়ার ইন্ডিয়া লিমিটেডের স্বাস্থ্য কার্ডের উদ্বোধন
নিজস্ব প্রতিনিধি: বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিন উপলক্ষ্যে জাতীয় চিকিৎসক দিবসে কলকাতার প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে নেফ্রো কেয়ার ইন্ডিয়া লিমিটেড। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কারিগরী দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন,নেফ্রো কেয়ারের কর্ণধার ডাক্তার প্রতীম সেনগুনগুপ্ত , ডাক্তার সুতপা সেন সহ একাধিক সম্মানীয় চিকিৎসকরা। মন্ত্রী তাঁর ভাষণে পূরাণের নারদের ভূমিকা সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে তুলে ধরেন। তিনি বলেন,সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য পরিবেশন করা উচিত।এ ছাড়া আধুনিক রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বায়োটেকনোলজির ভূমিকা , উন্নত পরিষেবা ও আধুনিক চিকিৎসার সুদূর প্রসারী ফলের কথা তুলে ধরেন। ডাক্তার সেনগুপ্ত তাঁর ভাষণে বলেন, "প্রত্যেক সাধারণ মানুষকে শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকতে গেলে তাদের প্রত্যেকের শুভ জন্মদিনে নিদেন পক্ষে কয়েকটি সাধারণ পরীক্ষা যেমন, সুগার, প্রেসার, লিপিড প্রোফাইল ইত্যাদি প্রতিবছর করিয়ে নেওয়া উচিত। তাতে নিজেদের সুস্থ জীবন এতবং জীবনে অনভিপ্রেত অসুখগুলি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকবে।"
এদিন এই সভাগৃহে মন্ত্রী সাংবাদিকদের জন্য একটি স্বাস্থ্য কার্ডেরও উদ্বোধন করেন। বি: সঞ্জয় হাজরা।
কলকাতা লিগে শুরুর আগে দলগুলির গ্রুপ বিন্যাস চূড়ান্ত,আজ থেকেই অনুশীলন শুরু করল মহামেডান
স্পোর্টস ডেস্ক: কলকাতা লিগের ঢাকে কাঠে পড়ে গেল। প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগ শুরুর আগে দলগুলির গ্রুপ বিন্যাস চূড়ান্ত হয়ে গেল।গত  বৃহস্পতিবার আই এস এ কার্যালয়ে প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাব প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে দুই গ্রুপ তৈরি করা হয়। গত মরশুমের চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল এবং রানার্স-আপ ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাবকে আলাদা দুই গ্রুপে রেখে বাকি দলগুলিকে ভাগ করা হয়েছে। ফলে নতুন মরশুম শুরুর আগেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ, ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান একই গ্রুপে জায়গা পেয়েছে।দুই গ্রুপে ভাগ করা হল ২৪টি দল।আই এস এ-এর নিয়ম অনুযায়ী, ২৪টি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, বিএসএস, ইউনাইটেড স্পোর্টস কলকাতা, মেসার্স, কালীঘাট এমএস, রেলওয়ে এফসি, ক্যালকাটা কাস্টমস, পাঠচক্র, জর্জ টেলিগ্রাফ, বিধাননগর এবং ভবানীপুর।
অন্যদিকে,আজ থেকেই মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের খেলোয়াড়রা তাদের অনুশীলন শুরু করে দিলেন তাদের নিজস্ব মাঠে।

ছবি: সঞ্জয় হাজরা।
বিশ্বকাপ ২০২৬ এবারের বিশ্বকাপে আন্ডারডগরাই কেন জিতছে, অঘটনের পিছনের কৌশলগত গল্প
স্পোর্টস ডেস্ক: এবারের বিশ্বকাপে জার্মানি জাতীয় ফুটবল দল এবং নেদারল্যান্ডস জাতীয় ফুটবল দলের বিদায় কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়। এই বিশ্বকাপে একটি ক্রমবর্ধমান প্রবণতা তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে,আন্ডারডগ দলগুলি আর শুধু রক্ষণ করে ভাগ্যের উপর ভরসা করছে না।তারা কৌশলগতভাবে বড় দলগুলিকে হারানোর জন্য তৈরি।

*প্যারাগুয়ে ১-১ জার্মানি (পেনাল্টিতে প্যারাগুয়ে ৪-৩ জয়ী)*

এদিনের খেলায় জার্মানি বল দখলে আধিপত্য বিস্তার করে এবং কয়েকশো বেশি পাস খেলে। তুলনা মূলক প্যারাগুয়ে কমপ্যাক্ট লো ব্লকে রক্ষণ করে, লাইনের মাঝে জায়গা বন্ধ করে দেয় এবং জার্মান আক্রমণভাগকে হতাশ করে। এছাড়াও বল নিয়ন্ত্রণে রাখা সত্ত্বেও জার্মানির সৃজনশীলতার অভাব ছিল এবং পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে লড়াই করতে হয়েছে।

অন্যদিকে,প্যারাগুয়ে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলিকে কাজে লাগায়, এরপর পেনাল্টি শ্যুটআউটে স্নায়ুর চাপ ধরে রাখে।

নকআউট ফুটবলে শুধু বল দখলে রাখলে হয় না, আক্রমণে ঢুকতে হবে। জার্মানির কাছে বল ছিল, প্যারাগুয়ের কাছে ছিল পরিকল্পনা। তাই তাদের জিত হল।


*মরক্কো ১-১ নেদারল্যান্ডস (পেনাল্টিতে মরক্কো ৩-২ জয়ী)*

মরক্কো শুরু থেকেই বিপজ্জনক দেখিয়েছে এবং ৭০% বল দখলে রেখে কিছু ভাল সুযোগ তৈরি করে। 
ডাচরা এগিয়ে গেলেও ম্যাচ শেষ করতে ব্যর্থ হয়।  মরক্কো দেরিতে গোল শোধ করে, সেমিফাইনালে ওঠা মানসিকতা দেখায়। অতিরিক্ত সময়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে মরক্কোকেই শক্তিশালী লাগে।এখন
মরক্কো আর নিজেদের আন্ডারডগ ভাবে না। তারা বিশ্ব মঞ্চে বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতা নিয়ে খেলে।

এক দিনের ব্যবধানে জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডস—দুটি দেশ যাদের মধ্যে মোট ৭ টি বিশ্বকাপ ফাইনাল এবং ৪ টি বিশ্বকাপ শিরোপা আছে—তারা প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর কাছে বিদায় নিল।

এটাই হতে পারে সেই মুহূর্ত যার জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপ মনে রাখা হবে সেটা হল,সংগঠিত, শক্তিশালী এবং নির্ভীক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ইউরোপের বড় দলগুলি লড়াই করছে।ফুটবলের অভিজাতদের সঙ্গে পিছনে ধাওয়া করা দলগুলির মধ্যে ফারাক এখন সবচেয়ে কম। 
আফ্রিকা, এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার দলগুলির খেলোয়াড়রা এখন ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব স্তরে খেলছে এবং আর হীনমন্যতায় ভোগে না।

ছবি সৌজন্যে: এপি।
।। ১৫ বছরের জলনিকাশি সমস্যার সমাধানের দাবিতে কৃষকদের রাস্তা অবরোধ ।।
বসিরহাট : দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে জলনিকাশি সমস্যার জেরে চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হলেন কৃষকরা। রবিবার বসিরহাটের মাটিয়া থানার হুলোর মোড় এলাকায় এই বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, খোলাপোতা পঞ্চায়েত, বসিরহাট পৌরসভার একাংশ, চাঁপাপুকুর ও রাজেন্দ্রপুর পঞ্চায়েত মিলিয়ে প্রায় ৪,২০০ একর কৃষিজমি দীর্ঘদিন ধরে জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। একসময় এই বিস্তীর্ণ এলাকার জলনিকাশির জন্য একটি বড় খাল ছিল। অভিযোগ, গত ১৫ বছরে খালের বিভিন্ন অংশ ভরাট ও দখল করে মাছের ভেড়ি-সহ অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে বর্ষার জল বেরোতে না পেরে বছরের প্রায় আট মাস কৃষিজমিতে জল জমে থাকে এবং চাষাবাদ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
কৃষকদের অভিযোগ, অতীতে গণস্বাক্ষর অভিযান চালিয়ে মহকুমা শাসক, মুখ্যমন্ত্রী, চাঁপাপুকুর ও রাজেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এবং বসিরহাট পৌরসভায় একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তাই ফের মুখ্যমন্ত্রী ও মহকুমা শাসকের কাছে আবেদন জানানোর পাশাপাশি রাস্তা অবরোধ করে দ্রুত খাল সংস্কার ও স্থায়ী জলনিকাশি ব্যবস্থার দাবি তোলেন তারা।
।। বসিরহাটে বিনামূল্যে চক্ষু ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরে উপকৃত বহু মানুষ, ছানি রোগীদের দেওয়া হল বিশেষ পরামর্শ ।।
বসিরহাট : বসিরহাটে বিনামূল্যে চক্ষু ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির, উপকৃত বহু মানুষ। সাধারণ মানুষের কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে এবং চক্ষু সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত শনাক্তকরণের লক্ষ্যে বসিরহাটে বিনামূল্যে চক্ষু ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করল একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। বসিরহাটের শ্রীরামকৃষ্ণ সত্যানন্দ আশ্রম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই শিবিরে এলাকার বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ও চক্ষু পরীক্ষার সুযোগ পান। শিবিরে উপস্থিত অভিজ্ঞ স্বাস্থ্যকর্মী ও ফিটনেস কোচদের সহযোগিতায় সাধারণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। পাশাপাশি চক্ষু বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা করা হয় এবং যাদের ছানি সহ বিভিন্ন চোখের সমস্যা ধরা পড়ে, তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রয়োজনে পরবর্তী চিকিৎসার জন্যও পরামর্শ প্রদান করা হয়।
আয়োজকদের দাবি, এই ধরনের উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে সহজলভ্য স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া এবং চোখের রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। অনেকেই আর্থিক বা অন্যান্য কারণে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারেন না। তাদের কথা মাথায় রেখেই এই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্য। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ সত্যানন্দ আশ্রমের জেনারেল সেক্রেটারি স্বামী সারদাত্মানন্দ মহারাজ। তারা এই ধরনের সামাজিক উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে ভবিষ্যতেও মানুষের কল্যাণে এ ধরনের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। শিবির সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চিকিৎসক, স্বেচ্ছাসেবক, আশ্রম কর্তৃপক্ষ এবং উপস্থিত সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ওই সংগঠনের সদস্যরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনেও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা ও বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা সংক্রান্ত আরও কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
জমি দখলের অভিযোগে বিতর্ক, পুলিশি হস্তক্ষেপে মালিকের হাতে ফিরল পাঁচ শতক জমি
বসিরহাট : জমি দখল করে নথিহীন মাদ্রাসা নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগে বিতর্ক, পুলিশি হস্তক্ষেপে জমি ফিরে পেলেন মালিক। বসিরহাট ১নং ব্লকের গোটরা গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষ্মণকাটি এলাকায় একটি ব্যবসায়িক জমি দখল করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মাদ্রাসা নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দীর্ঘদিন প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও সমাধান না মেলায় অবশেষে পুলিশের হস্তক্ষেপে নিজের জমি ফিরে পাওয়ার দাবি করেছেন জমির মালিক আব্দুল রউফ বৈদ্য।
অভিযোগ, ২০২৪ সালে বসিরহাটের লক্ষণকাটি এলাকায় আব্দুল রউফ বৈদ্যের মালিকানাধীন প্রায় পাঁচ শতক জমি জোরপূর্বক দখল করে নেওয়া হয়। অভিযোগের তির গোটরা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৎকালীন তৃণমূল উপপ্রধান আবু রায়হান বৈদ্যের বিরুদ্ধে। জমির মালিকের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ওই জমি দখলের পর সেখানে অনুমতি ছাড়াই একটি মাদ্রাসা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। আব্দুল রউফ বৈদ্যের অভিযোগ, জমি ফেরত পেতে তিনি সেই সময় স্থানীয় থানা সহ একাধিক প্রশাসনিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে নিজের বৈধ সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার আশা কার্যত ক্ষীণ হয়ে পড়েছিল।
পরবর্তীতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানান বলে দাবি করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে তার দাবি। রবিবার বসিরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জমিটি দখলমুক্ত করে প্রকৃত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দেয়। বহুদিনের আইনি ও প্রশাসনিক লড়াইয়ের পর নিজের জমি ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন আব্দুল রউফ বৈদ্য। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও কোনও ফল পাননি। অবশেষে পুলিশের উদ্যোগে জমি ফিরে পাওয়ায় তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তবে এই ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বা দলের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।