/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz কলকাতা লিগে শুরুর আগে দলগুলির গ্রুপ বিন্যাস চূড়ান্ত,আজ থেকেই অনুশীলন শুরু করল মহামেডান West Bengal Bangla
কলকাতা লিগে শুরুর আগে দলগুলির গ্রুপ বিন্যাস চূড়ান্ত,আজ থেকেই অনুশীলন শুরু করল মহামেডান
স্পোর্টস ডেস্ক: কলকাতা লিগের ঢাকে কাঠে পড়ে গেল। প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগ শুরুর আগে দলগুলির গ্রুপ বিন্যাস চূড়ান্ত হয়ে গেল।গত  বৃহস্পতিবার আই এস এ কার্যালয়ে প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাব প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে দুই গ্রুপ তৈরি করা হয়। গত মরশুমের চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল এবং রানার্স-আপ ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাবকে আলাদা দুই গ্রুপে রেখে বাকি দলগুলিকে ভাগ করা হয়েছে। ফলে নতুন মরশুম শুরুর আগেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ, ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান একই গ্রুপে জায়গা পেয়েছে।দুই গ্রুপে ভাগ করা হল ২৪টি দল।আই এস এ-এর নিয়ম অনুযায়ী, ২৪টি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, বিএসএস, ইউনাইটেড স্পোর্টস কলকাতা, মেসার্স, কালীঘাট এমএস, রেলওয়ে এফসি, ক্যালকাটা কাস্টমস, পাঠচক্র, জর্জ টেলিগ্রাফ, বিধাননগর এবং ভবানীপুর।
অন্যদিকে,আজ থেকেই মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের খেলোয়াড়রা তাদের অনুশীলন শুরু করে দিলেন তাদের নিজস্ব মাঠে।

ছবি: সঞ্জয় হাজরা।
বিশ্বকাপ ২০২৬ এবারের বিশ্বকাপে আন্ডারডগরাই কেন জিতছে, অঘটনের পিছনের কৌশলগত গল্প
স্পোর্টস ডেস্ক: এবারের বিশ্বকাপে জার্মানি জাতীয় ফুটবল দল এবং নেদারল্যান্ডস জাতীয় ফুটবল দলের বিদায় কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়। এই বিশ্বকাপে একটি ক্রমবর্ধমান প্রবণতা তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে,আন্ডারডগ দলগুলি আর শুধু রক্ষণ করে ভাগ্যের উপর ভরসা করছে না।তারা কৌশলগতভাবে বড় দলগুলিকে হারানোর জন্য তৈরি।

*প্যারাগুয়ে ১-১ জার্মানি (পেনাল্টিতে প্যারাগুয়ে ৪-৩ জয়ী)*

এদিনের খেলায় জার্মানি বল দখলে আধিপত্য বিস্তার করে এবং কয়েকশো বেশি পাস খেলে। তুলনা মূলক প্যারাগুয়ে কমপ্যাক্ট লো ব্লকে রক্ষণ করে, লাইনের মাঝে জায়গা বন্ধ করে দেয় এবং জার্মান আক্রমণভাগকে হতাশ করে। এছাড়াও বল নিয়ন্ত্রণে রাখা সত্ত্বেও জার্মানির সৃজনশীলতার অভাব ছিল এবং পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে লড়াই করতে হয়েছে।

অন্যদিকে,প্যারাগুয়ে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলিকে কাজে লাগায়, এরপর পেনাল্টি শ্যুটআউটে স্নায়ুর চাপ ধরে রাখে।

নকআউট ফুটবলে শুধু বল দখলে রাখলে হয় না, আক্রমণে ঢুকতে হবে। জার্মানির কাছে বল ছিল, প্যারাগুয়ের কাছে ছিল পরিকল্পনা। তাই তাদের জিত হল।


*মরক্কো ১-১ নেদারল্যান্ডস (পেনাল্টিতে মরক্কো ৩-২ জয়ী)*

মরক্কো শুরু থেকেই বিপজ্জনক দেখিয়েছে এবং ৭০% বল দখলে রেখে কিছু ভাল সুযোগ তৈরি করে। 
ডাচরা এগিয়ে গেলেও ম্যাচ শেষ করতে ব্যর্থ হয়।  মরক্কো দেরিতে গোল শোধ করে, সেমিফাইনালে ওঠা মানসিকতা দেখায়। অতিরিক্ত সময়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে মরক্কোকেই শক্তিশালী লাগে।এখন
মরক্কো আর নিজেদের আন্ডারডগ ভাবে না। তারা বিশ্ব মঞ্চে বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতা নিয়ে খেলে।

এক দিনের ব্যবধানে জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডস—দুটি দেশ যাদের মধ্যে মোট ৭ টি বিশ্বকাপ ফাইনাল এবং ৪ টি বিশ্বকাপ শিরোপা আছে—তারা প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর কাছে বিদায় নিল।

এটাই হতে পারে সেই মুহূর্ত যার জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপ মনে রাখা হবে সেটা হল,সংগঠিত, শক্তিশালী এবং নির্ভীক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ইউরোপের বড় দলগুলি লড়াই করছে।ফুটবলের অভিজাতদের সঙ্গে পিছনে ধাওয়া করা দলগুলির মধ্যে ফারাক এখন সবচেয়ে কম। 
আফ্রিকা, এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার দলগুলির খেলোয়াড়রা এখন ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব স্তরে খেলছে এবং আর হীনমন্যতায় ভোগে না।

ছবি সৌজন্যে: এপি।
।। ১৫ বছরের জলনিকাশি সমস্যার সমাধানের দাবিতে কৃষকদের রাস্তা অবরোধ ।।
বসিরহাট : দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে জলনিকাশি সমস্যার জেরে চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হলেন কৃষকরা। রবিবার বসিরহাটের মাটিয়া থানার হুলোর মোড় এলাকায় এই বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, খোলাপোতা পঞ্চায়েত, বসিরহাট পৌরসভার একাংশ, চাঁপাপুকুর ও রাজেন্দ্রপুর পঞ্চায়েত মিলিয়ে প্রায় ৪,২০০ একর কৃষিজমি দীর্ঘদিন ধরে জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। একসময় এই বিস্তীর্ণ এলাকার জলনিকাশির জন্য একটি বড় খাল ছিল। অভিযোগ, গত ১৫ বছরে খালের বিভিন্ন অংশ ভরাট ও দখল করে মাছের ভেড়ি-সহ অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে বর্ষার জল বেরোতে না পেরে বছরের প্রায় আট মাস কৃষিজমিতে জল জমে থাকে এবং চাষাবাদ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
কৃষকদের অভিযোগ, অতীতে গণস্বাক্ষর অভিযান চালিয়ে মহকুমা শাসক, মুখ্যমন্ত্রী, চাঁপাপুকুর ও রাজেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এবং বসিরহাট পৌরসভায় একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তাই ফের মুখ্যমন্ত্রী ও মহকুমা শাসকের কাছে আবেদন জানানোর পাশাপাশি রাস্তা অবরোধ করে দ্রুত খাল সংস্কার ও স্থায়ী জলনিকাশি ব্যবস্থার দাবি তোলেন তারা।
।। বসিরহাটে বিনামূল্যে চক্ষু ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরে উপকৃত বহু মানুষ, ছানি রোগীদের দেওয়া হল বিশেষ পরামর্শ ।।
বসিরহাট : বসিরহাটে বিনামূল্যে চক্ষু ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির, উপকৃত বহু মানুষ। সাধারণ মানুষের কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে এবং চক্ষু সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত শনাক্তকরণের লক্ষ্যে বসিরহাটে বিনামূল্যে চক্ষু ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করল একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। বসিরহাটের শ্রীরামকৃষ্ণ সত্যানন্দ আশ্রম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই শিবিরে এলাকার বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ও চক্ষু পরীক্ষার সুযোগ পান। শিবিরে উপস্থিত অভিজ্ঞ স্বাস্থ্যকর্মী ও ফিটনেস কোচদের সহযোগিতায় সাধারণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। পাশাপাশি চক্ষু বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা করা হয় এবং যাদের ছানি সহ বিভিন্ন চোখের সমস্যা ধরা পড়ে, তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রয়োজনে পরবর্তী চিকিৎসার জন্যও পরামর্শ প্রদান করা হয়।
আয়োজকদের দাবি, এই ধরনের উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে সহজলভ্য স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া এবং চোখের রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। অনেকেই আর্থিক বা অন্যান্য কারণে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারেন না। তাদের কথা মাথায় রেখেই এই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্য। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ সত্যানন্দ আশ্রমের জেনারেল সেক্রেটারি স্বামী সারদাত্মানন্দ মহারাজ। তারা এই ধরনের সামাজিক উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে ভবিষ্যতেও মানুষের কল্যাণে এ ধরনের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। শিবির সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চিকিৎসক, স্বেচ্ছাসেবক, আশ্রম কর্তৃপক্ষ এবং উপস্থিত সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ওই সংগঠনের সদস্যরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনেও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা ও বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা সংক্রান্ত আরও কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
জমি দখলের অভিযোগে বিতর্ক, পুলিশি হস্তক্ষেপে মালিকের হাতে ফিরল পাঁচ শতক জমি
বসিরহাট : জমি দখল করে নথিহীন মাদ্রাসা নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগে বিতর্ক, পুলিশি হস্তক্ষেপে জমি ফিরে পেলেন মালিক। বসিরহাট ১নং ব্লকের গোটরা গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষ্মণকাটি এলাকায় একটি ব্যবসায়িক জমি দখল করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মাদ্রাসা নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দীর্ঘদিন প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও সমাধান না মেলায় অবশেষে পুলিশের হস্তক্ষেপে নিজের জমি ফিরে পাওয়ার দাবি করেছেন জমির মালিক আব্দুল রউফ বৈদ্য।
অভিযোগ, ২০২৪ সালে বসিরহাটের লক্ষণকাটি এলাকায় আব্দুল রউফ বৈদ্যের মালিকানাধীন প্রায় পাঁচ শতক জমি জোরপূর্বক দখল করে নেওয়া হয়। অভিযোগের তির গোটরা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৎকালীন তৃণমূল উপপ্রধান আবু রায়হান বৈদ্যের বিরুদ্ধে। জমির মালিকের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ওই জমি দখলের পর সেখানে অনুমতি ছাড়াই একটি মাদ্রাসা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। আব্দুল রউফ বৈদ্যের অভিযোগ, জমি ফেরত পেতে তিনি সেই সময় স্থানীয় থানা সহ একাধিক প্রশাসনিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে নিজের বৈধ সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার আশা কার্যত ক্ষীণ হয়ে পড়েছিল।
পরবর্তীতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানান বলে দাবি করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে তার দাবি। রবিবার বসিরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জমিটি দখলমুক্ত করে প্রকৃত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দেয়। বহুদিনের আইনি ও প্রশাসনিক লড়াইয়ের পর নিজের জমি ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন আব্দুল রউফ বৈদ্য। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও কোনও ফল পাননি। অবশেষে পুলিশের উদ্যোগে জমি ফিরে পাওয়ায় তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তবে এই ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বা দলের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সাহিত্য সম্রাটের জন্মজয়ন্তী উদযাপন
নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ সারা রাজ্য জুড়ে পালিত হচ্ছে সাহিত্য সম্রাটের জন্মজয়ন্তী। এদিন উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটির বঙ্কিম ভবনে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হল সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী, , উত্তর ২৪ পরগণার জেলাশাসক,বিধায়ক সন্দেশখালি, মহকুমা শাসক ব্যারাকপুর, সচিব, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রমুখ। বি সৌজন্যে : তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ উত্তর ২৪ পরগনা।
বিজেপির জেলা কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ, সহ-সভাপতি রাজেন্দ্র সাহার বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগে সরব দলেরই কর্মীরা
বসিরহাট : বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগে সরব দলেরই একাংশ, জেলা কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভে উত্তাল বসিরহাট
বসিরহাটে বিজেপির অন্দরেই প্রকাশ্যে দেখা দিল তীব্র অসন্তোষ। দলের সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি রাজেন্দ্র সাহা ওরফে সৌম্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, তোলাবাজি এবং বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ তুলে জেলা কার্যালয়ের সামনেই বিক্ষোভে সামিল হলেন বিজেপির একাংশের কর্মী-সমর্থকরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর রাজেন্দ্র সাহা এলাকায় নিজের প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অসাধু কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের দাবি, এলাকার মেছোভেড়ির মালিক, ব্যবসায়ী এমনকি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদেরও বিভিন্নভাবে ভয় দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের কাছে বিজেপির ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দলের কর্মীদেরও অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী কর্মীদের দাবি, সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে রাজেন্দ্র সাহার এক আত্মীয়কে বিপুল পরিমাণ টাকা গুনতে দেখা যাচ্ছে। সেই ভিডিওকে কেন্দ্র করেও এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, ফিশারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকেও মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করা হয়েছে বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি নিয়ে বহুবার বিজেপির জেলা সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্যের কাছে লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো হলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই তারা জেলা কার্যালয়ের সামনে আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন। তাদের দাবি, রাজেন্দ্র সাহার বিরুদ্ধে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করতে হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এদিন বিক্ষোভ চলাকালীন কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন এবং দলের নেতৃত্বের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানান। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা বলে রাজনীতি করা কোনও দলের নেতার বিরুদ্ধে যদি এ ধরনের অভিযোগ ওঠে, তাহলে তা দলের আদর্শ ও জনসমর্থনের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। তবে অভিযোগের বিষয়ে রাজেন্দ্র সাহা বা বিজেপি জেলা নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবুও দলেরই একাংশের এই প্রকাশ্য বিক্ষোভ বসিরহাটের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সরকারি প্রকল্পে কোনো ব্যক্তিকে উচ্ছেদের আগে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য সরকার, হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারের যে কোনো প্রকল্পের জমি দখল করে বসে থাকা যে কোনো ব্যক্তিকে উচ্ছেদের আগে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য সরকার, রায় কলকাতা হাইকোর্টের।
ডানকুনি থেকে লুধিয়ানা ১৮৫৬ কিলোমিটার ফ্রেট করিডরের জন্য সিঙ্গুরে কয়েক বছর আগে জন্য অধিগ্রহণ করে রেল। সেই সময় জমির মালিকদের জমির দাম ও অন্যান্য আর্থিক প্রাপ্য সহ রেলের শর্ত অনুযায়ী আরও পাঁচ লক্ষ টাকা করে দেয়। কিন্তু তারপরেও সেই জমি হস্তগত করতে না পেরে সম্প্রতি ফের উচ্ছেদের নোটিস দেয়।
সেই নোটিস চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেন অধিগৃহীত জমির বাড়িতে থাকা ৮ ভাড়াটিয়া পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, রেল জমির মালিককে টাকা দিলেও তারা কোনো ক্ষতিপূরণ পাননি। যদিও আইনে সেটা বাধ্যতামূলক। বুধবার বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের আদালতে ওই মামলাকারীদের আইনজীবী অরিন্দম দাস রেলের জমি অধিগ্রহণ আইনের নথি দেখিয়ে দাবি করেন, জমির মালিক ক্ষতিপূরণ পেলেও সেখানে বসে থাকা ভাড়াটিয়ারাও তার অধিকারী। এই ব্যাপারে ২০২২ সালে হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশ পরের বছর কার্যকরের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে টাকা মেটানো হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করে প্রামাণ্য নথি দেখান।
রেলের আইনজীবীও মেনে নেন, প্রকল্পের জমিতে থাকা যে কোনো ব্যক্তি ওই এককালীন ক্ষতিপূরণের টাকা পাওয়ার অধিকারী। তারপরেই বিচারপতি রেলের দেওয়া উচ্ছেদ নোটিস আগামী ১৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ওই সময়ের মধ্যে রেলকে জানাতে হবে কেনো ২০২৩ সালে ওই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি,রেলকে মামলাকারী ভাড়াটিয়াদের টাকা মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। রেলের আইনজীবীর বক্তব্য, রেল জমি নেওয়ার জন্য ২০১৩ সালের নতুন আইন মেনে টাকা মেটাতে অঙ্গীকার করলেও কত টাকা দিতে হবে সেটা ঠিক করে দেওয়ার কথা রাজ্যের। কিন্তু তখন রাজ্য নতুন আইনে সেই ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করে দেয়নি। ফলে রেল সেই টাকা দিতে পারেনি।
এদিনের মামলার ফলে আইনজীবীদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৩ সালে দেশে নতুন জমি অধিগ্রহণ আইনের আনলেও এই রাজ্যের তৃণমূল সরকার সেই আইন এখানে এতদিন কার্যকর করেনি। তবে বর্তমান বিজেপি সরকার এবার কেন্দ্রের সেই নতুন আইন কার্যকর করবে বলে এই মামলার পর আশা আইনজীবীদের।
মিনাখাঁ থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে অপমানের শিকার গৃহবধূ! পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র ছুড়ে মারার অভিযোগে চাঞ্চল্য

সৌমাভ মণ্ডল,বসিরহাট : থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গিয়ে এক গৃহবধূ অপমান ও দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারিণীর দাবি, এলাকার দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানাতে থানায় গেলে এক পুলিশকর্মী তার অভিযোগপত্র গ্রহণ না করে উল্টে সেটি তার দিকেই ছুড়ে মারেন এবং ভয় দেখিয়ে থানার বাইরে বের করে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মিনাখাঁ থানার কুমারজোল গ্রাম পঞ্চায়েতের কাদিহাটি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই মদ্যপ দুষ্কৃতীদের উপদ্রব বাড়ছে। অভিযোগ, এলাকায় প্রকাশ্যে মদ্যপান, অশান্তি সৃষ্টি এবং অসামাজিক কার্যকলাপের ঘটনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মদের নেশা মেটাতে অনেকেই চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে এলাকার বাসিন্দা প্রীতি মণ্ডল নামক এক গৃহবধূ মিনাখাঁ থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে চান। অভিযোগ, থানায় উপস্থিত এক পুলিশকর্মী তার অভিযোগপত্র গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। শুধু তাই নয়, অভিযোগপত্রটি তার দিকে ছুড়ে মারেন বলেও দাবি করেছেন তিনি। প্রীতি মণ্ডলের আরও অভিযোগ, তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে থানার বাইরে বের করে দেওয়া হয়। ঘটনার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই গৃহবধূ। তিনি বলেন, "এলাকার মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু থানায় গিয়ে এমন ব্যবহার পাবেন, তা কল্পনাও করেননি।" একজন মহিলা হিসেবে এই ঘটনায় তিনি অপমানিত ও আতঙ্কিত বোধ করছেন বলে জানান।
প্রীতি মণ্ডলের দাবি, প্রশাসনের কাছে সাধারণ মানুষ শেষ ভরসা নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে যদি অভিযোগ শোনার পরিবর্তে অভিযোগকারীকে অপমানিত করা হয়, তাহলে মানুষের আস্থা কোথায় থাকবে? তিনি অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি কাদিহাটি এলাকায় মদ্যপ দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপও দাবি করেছেন। অন্যদিকে, এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের বক্তব্য, এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বহুবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এবার অভিযোগ জানাতে গিয়ে এক মহিলার সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ সামনে আসায় সাধারণ মানুষের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়নি, আবার সরাসরি স্বীকারও করা হয়নি। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের চেষ্টা চলছে। তদন্তের পরই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি সামনে আসার পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, সাধারণ মানুষ যদি নিজেদের সমস্যা ও নিরাপত্তাহীনতার কথা প্রশাসনের কাছে জানাতেই না পারেন, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার প্রতি মানুষের আস্থা কীভাবে বজায় থাকবে?
রাজ্য বাজেট তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য চালু করা হল ‘উদ্যম ক্রেডিট কার্ড’ প্রকল্প ঘোষণা

ডেস্ক: বাংলার বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের নতুন দিশা দেখাতে বড় ঘোষণা করল রাজ্যের বিজেপি সরকার। সোমবার বিধানসভায় পেশ হওয়া বাজেটে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য চালু করা হল ‘উদ্যম ক্রেডিট কার্ড’ প্রকল্প। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কর্মসংস্থানমুখী ভাবনার প্রতিফলন দেখা গেল এই প্রকল্পে, যার লক্ষ্য রাজ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ ঘটিয়ে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।

সরকারের মতে, শুধুমাত্র সরকারি চাকরির উপর নির্ভর করে বেকারত্ব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। তাই স্বনির্ভর উদ্যোগ এবং নতুন ব্যবসা গড়ে তোলার উপর জোর দেওয়া হয়েছে এবারের বাজেটে। সেই লক্ষ্যেই প্রায় ২ লক্ষ যুবক-যুবতীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে ‘উদ্যম ক্রেডিট কার্ড’-এর মাধ্যমে।

বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক যোগ্য আবেদনকারীকে ব্যবসা শুরু বা সম্প্রসারণের জন্য ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এই অর্থকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লক্ষ টাকা সরাসরি সরকারি অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে, যা উপভোক্তাকে ফেরত দিতে হবে না। বাকি ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে সুদহীন ঋণ হিসেবে, যাতে নতুন উদ্যোক্তারা আর্থিক চাপ ছাড়াই নিজেদের ব্যবসা গড়ে তুলতে পারেন। প্রকল্পটির প্রাথমিক বাস্তবায়নের জন্য এবারের বাজেটে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। অর্থ দফতরের মতে, আগামী দিনে এই প্রকল্পের পরিধি আরও বাড়ানো হতে পারে।