অবশেষে স্থায়ী প্রধান বিচারপতি পাচ্ছে কলকাতা হাই কোর্ট, একসঙ্গে দেশের ৮ হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ

#CalcuttaHighCourt

নয়াদিল্লি / কলকাতা: দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। অবশেষে স্থায়ী প্রধান বিচারপতি পেতে চলেছে কলকাতা হাই কোর্ট। কলকাতার নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিঠালরাও ঘুগে।

বর্তমানে বম্বে হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। শনিবার কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকের তরফে ৮টি হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে গত ৯ ও ৩১ আগস্ট এই নামগুলি সুপারিশ করেছিল। রাষ্ট্রপতি সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে এই নিয়োগে সম্মতি দিয়েছেন বলে এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।

দীর্ঘদিন ধরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির হাতে চলছিল কলকাতা হাই কোর্ট। স্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগে বিচার ব্যবস্থায় গতি আসবে বলে মনে করছে আইনজীবী মহল।

১৯৯০ সালে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। শুরুতে শ্রমিক ইউনিয়নের হয়ে প্রায় দু'হাজার মামলায় সওয়াল করেছেন। পরে বহু শিল্প সংস্থা ও বহুজাতিক সংস্থার হয়েও মামলা লড়েছেন। দীর্ঘ ১৩ বছর বিচারপতি পদে থাকার পর এবার কলকাতা হাই কোর্টের শীর্ষ পদে আসছেন তিনি।

আর কোন কোন হাই কোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি?

- পাটনা: বিচারপতি ভি কামেশ্বর রাও (দিল্লি হাই কোর্ট)

- রাজস্থান: বিচারপতি সঞ্জয়কুমার আগরওয়াল (ছত্তিসগড় হাই কোর্ট)

- বম্বে: বিচারপতি মহেশচন্দ্র ত্রিপাঠী (এলাহাবাদ হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি)

- পাঞ্জাব ও হরিয়ানা: বিচারপতি অশ্বিনীকুমার মিশ্র

- ছত্তিসগড়: বিচারপতি কৃষ্ণরাম মহাপাত্র (ওড়িশা হাই কোর্ট)

- মধ্যপ্রদেশ: বিচারপতি অল্পেশ যশবন্ত কোগজে (গুজরাট হাই কোর্ট)

- জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ: বিচারপতি পুষ্পেন্দ্র সিং ভাটি (রাজস্থান হাই কোর্ট)

কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারির পরই এই নিয়োগ কার্যকর হবে।

অবশেষে জট কাটল, ঘোষণা হল আইএসএলের সূচি! ১০ অক্টোবর থেকে মাঠে নামছে ১৩ দল*

#ISL

কলকাতা: দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ। রবিবার সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হল আইএসএল ২০২৬-২৭ মরসুমের নির্ঘণ্ট। আগামী ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হবে দেশের প্রথম ডিভিশন লিগ, চলবে ২০২৭ সালের মে পর্যন্ত।

গত মরসুমে এফএসডিএল সরে যাওয়ায় কার্যত কোনও রকমে টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছিল এআইএফএফ। এবার ছবিটা বদলাচ্ছে। এই প্রথম ফেডারেশন এবং ক্লাবগুলির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হতে চলেছে আইএসএল। ফেডারেশনের দাবি, এই যৌথ মডেল ভারতীয় ফুটবলের সামগ্রিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা নেবে। তাদের মূল লক্ষ্য দেশীয় ফুটবলারদের তুলে আনা।

এবারও হোম-অ্যাওয়ে ভিত্তিতে দুই লেগের লিগ হবে। গ্রুপ পর্ব শেষে শীর্ষে থাকা দল পাবে লিগ শিল্ড। আর প্রথম ছয় দল নকআউটে লড়বে ট্রফির জন্য। সব মিলিয়ে এবার খেলা হবে ১৬৩টি ম্যাচ।

প্রাথমিকভাবে ১৪টি দলের খেলার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে ছিটকে গিয়েছে ডায়মন্ড হারবার এফসি। নির্ধারিত অর্থ জমা দিতে না পারায় তাদের এবারের আইএসএলে খেলা হচ্ছে না। ফলে এবার লড়বে ১৩টি দল - মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট, ইস্টবেঙ্গল এফসি, চেন্নাইয়িন এফসি, বেঙ্গালুরু এফসি, মুম্বই সিটি এফসি, নর্থইস্ট ইউনাইটেড, ইন্টার কাশি, কেরালা ব্লাস্টার্স, ওড়িশা এফসি, স্পোর্টিং দিল্লি, এফসি গোয়া, পাঞ্জাব এফসি এবং চার্চিল ব্রাদার্স।

তবে চার্চিল ব্রাদার্সের অংশগ্রহণ নিয়েও এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে কয়েকদিনের মধ্যেই। অন্যদিকে, ডায়মন্ড হারবারকে লিগ টেবিলে ১৪ নম্বরে রেখে আগামী মরসুমে আইএফ এল লিগে রেলিগেটেড হয়ে খেলবে বলে ফেডারেশন সূত্রে খবর।

ছবি: AI দ্বারা নির্মিত ।

যাদের জন্য সব উজাড় করে দিলেন, তারাই করল ঘরছাড়া ,আনন্দ ভবন বৃদ্ধাশ্রমে চোখের জলে ভাসল বেদনার কাহিনী*
#Sultanpur #AnandBhavan #OldAgeHome #LegalAid #MuktaTyagi


*ডেস্ক:* যাদের জন্য মা-বাবা গোটা জীবন উৎসর্গ করলেন, বার্ধক্যে তারাই ফিরিয়ে দিল অবহেলা। এমনই হৃদয়বিদারক ছবি ধরা পড়ল শনিবার আমহাটের আনন্দ ভবন বৃদ্ধাশ্রমে। জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব মুক্তা ত্যাগী বৃদ্ধাশ্রম পরিদর্শনে গেলে ১১৯ জন আবাসিকের মুখে শোনা যায় আপনজনের দেওয়া আঘাতের কাহিনী।

এদিন প্যারা লিগ্যাল ভলান্টিয়ার সর্বেশ কুমার সিংকে সঙ্গে নিয়ে বৃদ্ধাশ্রমে থাকা ১১৯ জন বৃদ্ধ-বৃদ্ধার সঙ্গে দেখা করেন সচিব মুক্তা ত্যাগী। তাঁদের পাশে বসে খাওয়া-দাওয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্য এবং আইনি সমস্যা নিয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।

কথা বলতে গিয়ে অনেক বৃদ্ধার চোখেই জল চলে আসে। তাঁরা জানান, ছেলেরা জমি-সম্পত্তি নিজেদের নামে লিখিয়ে নিয়ে তাঁদের ওপর অত্যাচার করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। আপনজনের কাছ থেকে এই আঘাত পেয়ে আনন্দ ভবন বৃদ্ধাশ্রমকেই এখন নিজেদের পরিবার এবং শেষ আশ্রয় করে নিয়েছেন তাঁরা।

জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব মুক্তা ত্যাগী বলেন, "বয়স্করা আমাদের সমাজের অমূল্য সম্পদ। তাঁদের প্রতি কোনও রকম অবহেলা, অত্যাচার বা অন্যায় মেনে নেওয়া হবে না। যদি কোনও বৃদ্ধ সম্পত্তি, ভরণপোষণ বা অন্য কোনও আইনি সমস্যার সম্মুখীন হন, তাহলে জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ তাঁকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দেবে।"

প্যারা লিগ্যাল ভলান্টিয়ার সর্বেশ কুমার সিং বলেন, "যে বাবা-মা সন্তানের সুখের জন্য সারাজীবন লড়াই করলেন, বার্ধক্যে তাঁদেরই বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক। বয়স্কদের তাঁদের অধিকার সম্পর্কে জানানো এবং প্রয়োজনে আইনি সহায়তা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।"

পরিদর্শনকালে খাওয়া-দাওয়া, স্বাস্থ্য, থাকার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে বৃদ্ধাশ্রমের ম্যানেজার শ্রবণ কুমার শর্মার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন সচিব।

এই পরিদর্শন শুধু সরকারি আনুষ্ঠানিকতা ছিল না, বরং সেই সব বয়স্ক মানুষের যন্ত্রণা বোঝার চেষ্টা ছিল, যাঁদের আপনজন ছেড়ে গেলেও আইন ও সমাজ এখনও তাঁদের হাত ধরতে প্রস্তুত।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে ভারদ্বাজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশুদের মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান*
#Janmashtami #BharadwajFoundation #CulturalProgram #Lambhua #Prayagraj

*ডেস্ক:* জন্মাষ্টমীর পবিত্র উৎসব উপলক্ষ্যে ভারদ্বাজ ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে শিশুদের নিয়ে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিশুরা সঙ্গীত ও নৃত্যের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা তুলে ধরে তাদের প্রতিভার ঝলক দেখায়।

এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রয়াগরাজের বরিষ্ঠ আইনজীবী  শ্যামধর শুক্লা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভারদ্বাজ ফাউন্ডেশনের জাতীয় সভাপতি পুনীত দ্বিবেদী।

শিশুদের অসাধারণ পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের মন জয় করে নেয়। শিশুদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভাকে মঞ্চ প্রদান করা এবং ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি তাদের আগ্রহ ও সংস্কার গড়ে তোলাই ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।
মধ্যমগ্রামের পর বারাসাত, একাধিক রেস্তোরাঁয় হানা ফুড সেফটি দফতরের, বাতিল লাইসেন্স*

নিজস্ব সংবাদদাতা,বারাসাত: উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের পর এবার বারাসাত। খাদ্যে ভেজাল রুখতে জেলাজুড়ে কড়া অভিযানে নামল ফুড সেফটি দফতর। শনিবার বারাসাতের চাঁপাডালি মোড় সংলগ্ন একাধিক রেস্তোরাঁয় হানা দেন দফতরের আধিকারিকরা।

সূত্রের খবর, এদিন দুপুর থেকেই শুরু হয় অভিযান। একের পর এক রেস্তোরাঁয় ঢুকে খাবারের গুণগত মান, খাদ্যসামগ্রী সংরক্ষণের পদ্ধতি, রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা এবং FSSAI-এর নিয়মাবলি খতিয়ে দেখা হয়।

অভিযান চলাকালীন একাধিক জায়গায় গুরুতর অনিয়ম নজরে আসে আধিকারিকদের। অভিযোগ, বহু রেস্তোরাঁতেই মানা হচ্ছিল না খাদ্য সুরক্ষা বিধি। রান্নাঘর অপরিচ্ছন্ন, খাবার সংরক্ষণে গাফিলতি এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ সামগ্রী মজুতের অভিযোগও ওঠে।

এছাড়াও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর নমুনা সংগ্রহ করা হয় পরীক্ষার জন্য। রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের ট্রেড লাইসেন্স, ফুড সেফটি লাইসেন্স-সহ প্রয়োজনীয় নথিও খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা।

নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে একাধিক রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফুড সেফটি লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলেও দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটিকে সতর্ক করে জরিমানাও করা হয়।

ফুড সেফটি দফতরের এক আধিকারিক জানান, "জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না। জেলাজুড়ে এই অভিযান লাগাতার চলবে।"

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই মধ্যমগ্রামে একই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছিল।

ছবি: অঙ্কিত মুখার্জি।

নিউ ব্যারাকপুরে বড়সড় মাদক পাচারচক্রের পর্দাফাঁস, ৫৫ কেজি গাঁজা-সহ গ্রেফতার ২*

নিজস্ব সংবাদদাতা,নিউ ব্যারাকপুর: ফের বড়সড় সাফল্য উত্তর ২৪ পরগনার নিউ ব্যারাকপুর থানার পুলিশের। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫৫ কেজি গাঁজা-সহ দুই যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে সোদপুর-মধ্যমগ্রাম রোডের মায়া ব্রিক ফিল্ডের কাছে অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি চারচাকা গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ গাঁজা। ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয় নিরুপম রায় ওরফে নয়ন ও সুপ্রিয় হালদার নামে দুই যুবককে। ধৃতরা দুজনেই নিউ ব্যারাকপুর থানা এলাকার বাসিন্দা।

ধৃতদের বিরুদ্ধে NDPS আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ মাদক কোথা থেকে আনা হচ্ছিল এবং কোথায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই মাদক-সহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। তারই অংশ হিসেবে এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে।

ছবি:উৎপল দাস।

কলকাতার আকাশে ৩ হাজার ড্রোনে ফুটে উঠবে দুর্গা, পুজোয় গ্লোবাল কানেক্টের পরিকল্পনা রাজ্যের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : মহালয়া থেকে অষ্টমী, কলকাতার আকাশে হতে চলেছে অভূতপূর্ব ড্রোন শো। ৩ হাজার ড্রোনের আলোয় ফুটে উঠবে দেবী দুর্গার অবয়ব। এমনই মেগা পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার।

নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী ৭ সেপ্টেম্বর দুর্গাপুজো নিয়ে মেগা বৈঠক রয়েছে। তার আগেই পুজোর ব্লু-প্রিন্ট চূড়ান্ত করা হয়েছে। পর্যটন দফতরের এই কর্মসূচির নাম - 'বিশ্বজুড়ে বাঙালির আবেগ, দুর্গাপুজো গ্লোবাল কানেক্ট ২০২৬'।

কি থাকছে পরিকল্পনায়?

১. ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন থেকে শুরু হবে মূল উৎসব। ইডেন গার্ডেন্সে হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

২. থাকবে মহিষাসুরমর্দিনী, বাংলার লোক ও শাস্ত্রীয় সংস্কৃতির পরিবেশনা।

৩. সন্ধ্যায় প্রথম সারির শিল্পীদের নিয়ে মেগা কনসার্ট।

৪. ঢাক বাজিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ার পরিকল্পনা।

৫. মূল আকর্ষণ - ৩ হাজার ড্রোন দিয়ে লাইট শো। এর জন্য তৈরি হবে স্টোরিবোর্ড, থ্রি-ডি অ্যানিমেশন ও আবহসঙ্গীত।

ইউনেস্কোর হেরিটেজ স্বীকৃতিকে কাজে লাগিয়ে বাংলাকে বিশ্বের সাংস্কৃতিক পর্যটন মানচিত্রে তুলে ধরাই লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা নিয়োগের জন্য আরএফপি প্রকাশ করেছে সরকার।

ছবি:সঞ্জয় হাজরা।

স্বরূপনগরে ইছামতীর উপর ফের ভেঙে ভেসে গেল বাঁশের সেতু, বিপাকে দুই পাড়ের কয়েক লক্ষ মানুষ

বসিরহাট : বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের ইছামতী নদীর উপর ফের ভেঙে জলে ভেসে গেল বাঁশের সেতু। জল ও কচুরিপানার চাপে নতুন করে তৈরি করা সেতুটি ভেঙে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন টিপি ও কাটাবাগান এলাকার কয়েক লক্ষ মানুষ। দুই এলাকার সংযোগকারী এই বাঁশের সেতুটির উপর দিয়ে প্রতিদিন ছাত্রছাত্রী, অসুস্থ রোগী, কৃষক ও অফিস যাত্রী সহ সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৮ আগস্ট ইছামতী নদীর উপর থাকা সেতুটি ভেঙে জলে ভেসে গিয়েছিল। এরপর ফের বাঁশ দিয়ে নতুন করে সেতুটি তৈরি করা হয়। কিন্তু নতুন সেতু তৈরির প্রায় দশ দিনের মধ্যেই ফের বিপত্তি। নদীর জল ও কচুরিপানার প্রবল চাপে বাঁশের সেতুটি ভেঙে নদীর জলে ভেসে চলে যায়।

সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন দুই পাড়ের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, এই সেতুর পরিবর্তে দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী কংক্রিটের সেতু তৈরির দাবি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত সেই দাবি পূরণ হয়নি। ফলে যাতায়াতের জন্য বাঁশের সেতুর উপরই নির্ভর করতে হয় এলাকার মানুষকে। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় বিকল্প পথে প্রায় ২০ কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে হবে বলে দাবি স্থানীয়দের। বিশেষ করে পড়ুয়া, অসুস্থ রোগী ও কৃষকদের সমস্যাই সবচেয়ে বেশি। জরুরি প্রয়োজনে এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে দ্রুত যাতায়াত করাও কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কংক্রিটের সেতুর প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে এখনও কোনও স্থায়ী সমাধান হয়নি। এই বিষয়ে স্বরূপনগরের চার বারের তৃণমূল বিধায়িকা বিণা মণ্ডল বলেন, “প্রস্তাব দেওয়া আছে। দেখা যাক কী হয়।” তবে কবে স্থায়ী সেতু তৈরি হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই।

জগদ্দলে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে,ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা

জগদ্দল, ব্যারাকপুর: উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল বিধানসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের মাদরাল অভিনন্দন পল্লীতে শুক্রবার গভীর রাতে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ব্যাপক তাণ্ডবের অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম ঘনিষ্ঠ অয়ন ব্যানার্জি তার দলবল নিয়ে এই হামলা চালায়।চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, যে পরিবারের বাড়িতে এই তাণ্ডব চালানো হয়েছে, সেই পরিবারটিও তৃণমূলের সঙ্গেই যুক্ত বলে দাবি।

পরিবারের সদস্য জিতেন দাসকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। কোনওক্রমে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেও তাঁর পায়ে গুরুতর চোট লাগে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এই ঘটনার পর থেকে শুধু আক্রান্ত পরিবারই নয়, গোটা এলাকার সাধারণ বাসিন্দারাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়েছে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ব্যারাকপুরে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ বিধায়ক কৌস্তভ বাগচীর, প্রশাসনকে ভেঙে ফেলার নির্দেশ

ব্যারাকপুর: ব্যারাকপুর পৌরসভার ১৮ নম্বর এবং ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে গজিয়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণ সরেজমিনে ঘুরে দেখলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী।

স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ, ব্যারাকপুরে অবৈধ নির্মাণ, তোলাবাজি এবং জমি মাফিয়া কার্যকলাপের সঙ্গে একটাই নাম বারবার উঠে আসে - নওশাদ। তিনি ব্যারাকপুর পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর। কিছুদিন আগেই পুলিশের জালে ধরা পড়েন তিনি, বর্তমানে জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

এদিন এলাকা পরিদর্শনের পর বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখেন এবং অবিলম্বে ওই সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার জন্য প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দেন।

বিধায়কের এই তৎপরতায় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে এলাকাবাসী।