ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে তৃণমূলকে স্বস্তি দিল না হাই কোর্ট, খারিজ অন্তর্বর্তী নির্দেশের আর্জি*
![]()
*শিরোনাম:* ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড বিতর্ক: হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল, মিলল না অন্তর্বর্তী স্বস্তি, গ্রেফতার ১৩
*কলকাতা, ২৮ আগস্ট:* কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। কলকাতা পুরসভার উচ্ছেদ অভিযানকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল না আদালত।
শুক্রবার সকালে বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর এজলাসে মামলাটির উল্লেখ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। আদালত মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে এবং আজই নম্বর নিয়ে আসলে শুনানির আশ্বাস দিয়েছে।
আইনজীবী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪:৪৫ নাগাদ কলকাতা পুরসভার কর্মীরা তৃণমূল ভবনে ঢুকে বিলবোর্ড ভাঙচুর করেন।
এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি বসুচৌধুরী বলেন, "মামলার নম্বর না পড়লে শুনানি সম্ভব নয়। নম্বর নিয়ে আসুন, আজকেই শুনব।" তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, "ইতিমধ্যেই হোর্ডিং খুলে দেওয়া হয়েছে, ফলে এখনই আদালতের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।" তৃণমূলের হোর্ডিং পুনরায় লাগানোর আর্জিও খারিজ করে আদালত জানায়, মামলাটি এখনও অপরিণত পর্যায়ে রয়েছে। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে, তারপরই পরবর্তী শুনানি।
জানা গেছে, ক্যামাক স্ট্রিটে প্রায় ৩০০০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' লেখা সাইনবোর্ড খুলে দেয় পুরসভা।
তৃণমূলের অভিযোগ, তালা ভেঙে ছাদে উঠে সাইনবোর্ড উপড়ে ফেলা হয়। বাধা দিতে গিয়ে সিঁড়িতে শুয়ে পড়েন সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন সহ নেতা-কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়।
এই ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় ৩টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এফ আই আর-এ নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও'ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও হুমায়ুন কবীরের।
পুরসভা বোর্ড খুলে দিলেও, বৃহস্পতিবার রাতেই ওই স্থানে ফের তৃণমূলের ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিষেকের দাবি, এটি বিজেপির প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির ফল এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে বেআইনি হস্তক্ষেপ।
*#Tags:* #CamacStreet #TMC #AbhishekBanerjee #KolkataHighCourt #KMC


*ছবি: প্রবীর রায়।*
বসিরহাট : চাকরি দেওয়ার নাম করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগে বাদুড়িয়ায় গ্রেফতার হলেন এক তৃণমূল নেতা। ধৃতের নাম আশিক বিল্লাহ্। তিনি বাদুড়িয়া তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে বসিরহাটের বাদুড়িয়া থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পুলিশ ও অভিযোগকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই ব্যক্তির কাছ থেকে আশিক বিল্লাহ্ নগদ আড়াই লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ, নিজের পাশাপাশি স্ত্রীর রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে এলাকার মানুষকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিতেন তিনি। আশিক বিল্লাহর স্ত্রী মমতাজ বিবি উত্তর ২৪ পরগণা জেলা পরিষদের সদস্য। অভিযোগ, টাকা নেওয়ার পর দীর্ঘদিন কেটে গেলেও ওই ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়া সম্ভব হয়নি। এমনকি টাকা ফেরত চাইলেও তা ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে কয়েকদিন আগে বাদুড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিত ব্যক্তি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের পর আশিক বিল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাকে বসিরহাট আদালতে পেশ করা হবে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
Aug 28 2026, 17:49
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
3.5k