ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে তৃণমূলকে স্বস্তি দিল না হাই কোর্ট, খারিজ অন্তর্বর্তী নির্দেশের আর্জি*

*শিরোনাম:* ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড বিতর্ক: হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল, মিলল না অন্তর্বর্তী স্বস্তি, গ্রেফতার ১৩

*কলকাতা, ২৮ আগস্ট:* কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। কলকাতা পুরসভার উচ্ছেদ অভিযানকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল না আদালত।

শুক্রবার সকালে বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর এজলাসে মামলাটির উল্লেখ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। আদালত মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে এবং আজই নম্বর নিয়ে আসলে শুনানির আশ্বাস দিয়েছে।

আইনজীবী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪:৪৫ নাগাদ কলকাতা পুরসভার কর্মীরা তৃণমূল ভবনে ঢুকে বিলবোর্ড ভাঙচুর করেন।

এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি বসুচৌধুরী বলেন, "মামলার নম্বর না পড়লে শুনানি সম্ভব নয়। নম্বর নিয়ে আসুন, আজকেই শুনব।" তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, "ইতিমধ্যেই হোর্ডিং খুলে দেওয়া হয়েছে, ফলে এখনই আদালতের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।" তৃণমূলের হোর্ডিং পুনরায় লাগানোর আর্জিও খারিজ করে আদালত জানায়, মামলাটি এখনও অপরিণত পর্যায়ে রয়েছে। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে, তারপরই পরবর্তী শুনানি।

জানা গেছে, ক্যামাক স্ট্রিটে প্রায় ৩০০০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' লেখা সাইনবোর্ড খুলে দেয় পুরসভা।

তৃণমূলের অভিযোগ, তালা ভেঙে ছাদে উঠে সাইনবোর্ড উপড়ে ফেলা হয়। বাধা দিতে গিয়ে সিঁড়িতে শুয়ে পড়েন সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন সহ নেতা-কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়।

এই ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় ৩টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এফ আই আর-এ নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও'ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও হুমায়ুন কবীরের।

পুরসভা বোর্ড খুলে দিলেও, বৃহস্পতিবার রাতেই ওই স্থানে ফের তৃণমূলের ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিষেকের দাবি, এটি বিজেপির প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির ফল এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে বেআইনি হস্তক্ষেপ।

*#Tags:* #CamacStreet #TMC #AbhishekBanerjee #KolkataHighCourt #KMC
উত্তর ২৪ পরগণায় প্রশাসনের উদ্যোগে রাখীবন্ধন উৎসব উদযাপন, সম্প্রীতির বার্তা

*নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগণা:* সৌভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির উৎসব রাখীবন্ধন উপলক্ষ্যে উত্তর ২৪ পরগণা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

আজ জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে রাখীবন্ধন উৎসব উদযাপিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক, শিল্পা গৌরীসারিয়া,অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) সহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিক ও কর্মীবৃন্দ।

এদিন একে অপরের হাতে রাখি পরিয়ে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার অঙ্গীকার করেন উপস্থিত সকলে। জেলাশাসক তাঁর বক্তব্যে রাখীবন্ধনের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, এই উৎসব শুধু ভাই-বোনের বন্ধন নয়, এটি সমাজের সকল স্তরের মানুষের মধ্যে ঐক্য ও নিরাপত্তার প্রতীক।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এই অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

অন্যদিকে,রাখি বন্ধন উৎসব এ মাতলেন জগদ্দল বিধায়ক ডক্টর রাজেশ কুমার। আজকের এই দিনে নারী সুরক্ষা থেকে শুরু সাধারণ মানুষের সুরক্ষার বিষয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেন বলে জানালেন জগদ্দল বিধায়ক। এদিন শ্যামনগর ঝাউতলা তার বিধায়ক সেবা কেন্দ্রের সামনে রাখি উৎসবে সকলকে রাখি পরান জগদ্দল বিধায়ক।এছাড়াও তাকেও সকল মা-বোনেরা রাখি পরান।
শ্যামনগরে রাখী পূর্ণিমায় সম্প্রীতির বন্ধন বিজেপির, নেপালের ঘটনায় নীরবতা পালন

*নিজস্ব সংবাদদাতা, শ্যামনগর:* আজ শুভ রাখী পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে উত্তর ২৪ পরগনার শ্যামনগরে এক মানবিক ও সম্প্রীতির উদ্যোগ নিল ভারতীয় জনতা পার্টি।

এদিন বিজেপির পক্ষ থেকে শ্যামনগরের বিভিন্ন এলাকায় পথচলতি মানুষ, স্থানীয় বাসিন্দা, দোকানদার ও পথযাত্রীদের হাতে রাখি বেঁধে মিষ্টিমুখ করানো হয়। রাখি বন্ধনের মাধ্যমে ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্যের বার্তা তুলে ধরেন দলীয় কর্মী ও নেতৃত্বরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব ওকর্মী-সমর্থকরা। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক উৎসবের রূপ নেয়।

অন্যদিকে, এই আনন্দঘন মুহূর্তের মাঝেও পার্শ্ববর্তী দেশ নেপালের বর্তমান বিধ্বংসী ও মর্মান্তিক পরিস্থিতির কথা স্মরণ করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। নেপালের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানানো হয়। *ছবি: প্রবীর রায়।*
ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড বিতর্ক: হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল, আজই শুনানির সম্ভাবনা

*কলকাতা:* কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের বিলবোর্ড ও সাইনবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস।শুক্রবার সকালে বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর এজলাসে বিষয়টির উল্লেখ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। আদালত মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে।

তৃণমূলের তরফে দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়। আইনজীবী আদালতে জানান, "বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে ৪৫ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের অফিসে গিয়ে কলকাতা পুরসভার কর্মীরা বিলবোর্ড ভেঙে দেওয়ার কাজ করেন। বৃহস্পতিবারই হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে জানানো হয়েছিল।"

শুনানিতে বিচারপতি বসুচৌধুরী বলেন, "মামলার নম্বর না পড়লে আমি শুনতে পারব না। মামলার নম্বর আসার পরেই শুনানি হবে। আপনি নম্বর নিয়ে আসুন, আজকেই শুনানি হবে।"।পাশাপাশি মামলার অন্য পক্ষকে বিষয়টি জানানোরও নির্দেশ দেন তিনি।

উল্লেখ্য, ক্যামাক স্ট্রিটে তিন হাজার বর্গফুটের বেশি জায়গা জুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয় রয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই কার্যালয়ের মাথায় থাকা 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' লেখা সাইনবোর্ড খুলে দেয় কলকাতা পুরসভা।

তৃণমূলের অভিযোগ, প্রথমে বাধা দেওয়া হলেও পরে পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা তালা ভেঙে ছাদে উঠে সাইনবোর্ড উপড়ে ফেলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়। সিঁড়িতে শুয়ে পড়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন সহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা। পুলিশকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

এই ঘটনায় পুলিশ-পুরসভার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং শেক্সপিয়র সরণি থানায় তিনটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। এফআইআরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও'ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, হুমায়ুন কবীরদের নাম রয়েছে।

এদিকে, পুরসভা বিলবোর্ড খুলে দেওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতেই সেখানে ফের তৃণমূলের নামাঙ্কিত একটি ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, বিজেপির প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাবের কারণে ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে অবৈধ হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।
খিদিরপুরকে হারিয়ে লিগ খেতাবের দৌড়ে ইস্টবেঙ্গল*
*খেলা*

*কলকাতা ফুটবল লিগ*
*নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা:* কোচ হিসেবে ঘরের মাঠে ফেরা মেহতাব হোসেনের খিদিরপুরকে ২-০ গোলে হারিয়ে কলকাতা লিগের খেতাবি লড়াই জমিয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল।বৃহস্পতিবার ইস্টবেঙ্গল মাঠে ২৭ মিনিটে বিজয় মুর্মু-উত্তম হাঁসদার যৌথ প্রয়াসে গোল করেন আকাশ হেমব্রম। ৬৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান মহম্মদ বিলাল। শেষ মুহূর্তে রবি দাসের পেনাল্টি বাঁচান খিদিরপুর গোলকিপার অর্নেন্দু।

এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা খেলেছে ইস্টবেঙ্গল। গোলের আগেই তিনবার বল ফেরে পোস্ট ও বারে লেগে। অবশেষে ২৭ মিনিটে অচলাবস্থা ভাঙেন আকাশ। চাকু মান্ডির পাস থেকে ডান প্রান্ত ধরে বিজয় মুর্মুর দৌড়, উত্তম হাঁসদার ছোট্ট টোকা এবং বক্সের বাইরে থেকে আকাশের ডান পায়ের দুরন্ত সোয়ার্ভিং শট — গোল (১-০)।

অবনমন বাঁচিয়ে আই লিগের কথা মাথায় রেখে প্রথম একাদশের ছ'জনকে ছেড়ে দেওয়া খিদিরপুর এদিন ছন্দে ছিল না। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে পয়েন্ট কাড়া মেহতাবের দল লাল-হলুদ আগ্রাসনের সামনে কার্যত নিষ্প্রভ দেখাল।

দ্বিতীয়ার্ধেও সুযোগ নষ্টের রোগ অব্যাহত। গ্যালারিতে এক সমর্থক অসুস্থও হয়ে পড়েন। অবশেষে ৬৮ মিনিটে স্বস্তি। বিজয়ের বাড়ানো বলে গোলরক্ষককে কাটিয়ে ঠান্ডা মাথায় জালে বল জড়ান বিলাল (২-০)। ইনজুরি টাইমে রবি দাসের পেনাল্টি দুরন্ত দক্ষতায় বাঁচান খিদিরপুর গোলকিপার অর্নেন্দু।এই জয়ে ৮ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট ইস্টবেঙ্গলের। শীর্ষে ভবানীপুর ১০ ম্যাচে ২৪।

*ছবি: সৌজন্যে আই এফ এ।*
।। চাকরি দেওয়ার নামে আড়াই লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ, বাদুড়িয়ায় গ্রেফতার তৃণমূল নেতা ।।
বসিরহাট : চাকরি দেওয়ার নাম করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগে বাদুড়িয়ায় গ্রেফতার হলেন এক তৃণমূল নেতা। ধৃতের নাম আশিক বিল্লাহ্। তিনি বাদুড়িয়া তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে বসিরহাটের বাদুড়িয়া থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পুলিশ ও অভিযোগকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই ব্যক্তির কাছ থেকে আশিক বিল্লাহ্ নগদ আড়াই লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ, নিজের পাশাপাশি স্ত্রীর রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে এলাকার মানুষকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিতেন তিনি। আশিক বিল্লাহর স্ত্রী মমতাজ বিবি উত্তর ২৪ পরগণা জেলা পরিষদের সদস্য। অভিযোগ, টাকা নেওয়ার পর দীর্ঘদিন কেটে গেলেও ওই ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়া সম্ভব হয়নি। এমনকি টাকা ফেরত চাইলেও তা ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে কয়েকদিন আগে বাদুড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিত ব্যক্তি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের পর আশিক বিল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাকে বসিরহাট আদালতে পেশ করা হবে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
ডার্বির ক্ষতে প্রলেপ, জর্জকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে সুপার সিক্সের দৌড়ে মোহনবাগান*
*খেলা*

*কলকাতা লিগ*


*নিজস্ব প্রতিবেদক,কলকাতা:* ডুরান্ড কাপ ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের কাছে ১-৪ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার ক্ষত এখনও টাটকা। তবে মঙ্গলবার কলকাতা লিগের ম্যাচে জর্জ টেলিগ্রাফকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এই জয়ের সুবাদে সুপার সিক্সের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে গেল মোহনবাগান। ম্যাচে হ্যাটট্রিক করলেন সুহেল ভাট।

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে মোহনবাগান। ১৩ মিনিটে কিয়ান নাসিরির নিখুঁত সেন্টার থেকে গোলের খাতা খোলেন সুহেল ভাট। ২০ মিনিটে একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হলেও, ২৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান অ্যালেক্স সাজি। বাঁ দিক থেকে আসা পাসে ডান পায়ের আউটস্টেপে গোল করেন তিনি।

২৭ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় জর্জ। বিভান জ্যোতি লস্করকে বাজে ট্যাকল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন জর্জ অধিনায়ক রণজয় সামন্ত। ১০ জনে হয়ে যাওয়ার পর থেকেই ম্যাচ থেকে হারিয়ে যেতে থাকে জর্জ। গোলকিপার বিশ্বনাথ ওঁরাও একাধিক দুর্দান্ত সেভ না করলে স্কোরলাইন আরও বড় হতে পারত।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও বিধ্বংসী মেজাজে ধরা দেয় মোহনবাগান। ৪৭ মিনিটে তৃতীয় গোলটি করেন সন্দীপ মালিক। ৫০ মিনিটে মাঠে নেমেই অভিষেক সূর্যবংশী স্কোর ৪-০ করেন। এরপর শুরু হয় সুহেল ভাট শো। ৬১ মিনিটে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের পঞ্চম গোল করেন সুহেল। ৭৩ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তিনি।

এই জয়ের ফলে ৮ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের তিন নম্বরে উঠে এল মোহনবাগান। ৯ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ভবানীপুর এবং ৭ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ইস্টবেঙ্গল।

ডুরান্ডে ডার্বি হারের ক্ষত জর্জকে হারিয়ে হয়তো মিটবে না, তবে এই বড় জয় মোহনবাগানের ট্রফির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল।

*ছবি: সৌজন্যে আইএফএ।*
तृणमूल के डेढ़ दशक के शासन में स्कूल शिक्षा की बदहाल तस्वीर, केंद्र की रिपोर्ट में खुलासा

*न्यूज़ डेस्क :* तृणमूल के डेढ़ दशक के शासन में राज्य की स्कूली शिक्षा का बुनियादी ढांचा कितना कमजोर और असमान हो गया है, इसकी झलक केंद्रीय संस्था ‘यूनिफाइड डिस्ट्रिक्ट इन्फॉर्मेशन सिस्टम फॉर एजुकेशन प्लस’ (UDISE+) की हालिया रिपोर्ट में सामने आई है।

*छात्र-विहीन स्कूलों में हजारों शिक्षक तैनात*

रिपोर्ट में आए आंकड़े चौंकाने वाले हैं। आंकड़ों के अनुसार, राज्य के 4,133 स्कूलों में इस समय एक भी छात्र नहीं पढ़ता। हैरानी की बात यह है कि इन्हीं शून्य-छात्र वाले स्कूलों में 19,502 शिक्षक कार्यरत के रूप में दर्ज हैं! सरकारी और निजी दोनों तरह के स्कूलों को मिलाकर सामने आया यह विरोधाभास बड़ा सवाल खड़ा करता है- जहां छात्र ही नहीं हैं, वहां ये हजारों शिक्षक क्या काम कर रहे हैं?

हालांकि इस गड़बड़ी का ठीकरा राज्य के शिक्षा मंत्री दीपक बर्मन ने तकनीकी खामी पर फोड़ा है। उनका कहना है, “कई निजी स्कूलों ने पोर्टल पर सही तरीके से जानकारी अपलोड नहीं की है। उन्होंने शिक्षकों के नाम की सूची तो दी, लेकिन छात्रों का हिसाब नहीं दिया। इसलिए पोर्टल पर उन स्कूलों में छात्रों की संख्या शून्य दिख रही है। हम इस समस्या को दूर करने की कोशिश कर रहे हैं।”

*एक शिक्षक के भरोसे दो लाख से ज्यादा छात्र*

जहां एक तरफ छात्र-विहीन स्कूलों में शिक्षकों की भरमार है, वहीं राज्य के 6,769 स्कूलों में शिक्षकों का भारी टोटा है। इन स्कूलों में से हर एक में मात्र एक ही शिक्षक है! जबकि इन एकल-शिक्षक वाले स्कूलों में 2 लाख 29 हजार से ज्यादा छात्र पढ़ रहे हैं। जाहिर है, एक शिक्षक के लिए इतनी बड़ी संख्या में छात्रों को पढ़ाना और प्रशासनिक जिम्मेदारी संभालना असंभव है।

पिछली सरकारों के भ्रष्टाचार को जिम्मेदार ठहराते हुए शिक्षा मंत्री दीपक बर्मन ने कहा, “15 साल तक भ्रष्टाचार के कारण लगभग कोई शिक्षक भर्ती ही नहीं हुई। हम अब पूरी व्यवस्था को ठीक कर रहे हैं। उम्मीद है इस साल के अंत तक इस समस्या का समाधान हो जाएगा।”

*स्कूलों में भारी असमानता*

राज्य के कुल 93,147 स्कूलों की संरचना देखने पर बुनियादी ढांचे की भारी असमानता स्पष्ट होती है। रिपोर्ट के मुताबिक, कुल स्कूलों में से 8 प्रतिशत स्कूलों में छात्रों की संख्या 10 से भी कम है। वहीं, 8.5 प्रतिशत स्कूलों में छात्रों की संख्या 500 से अधिक है। इस असमानता को दूर करने के लिए कदम उठाने का आश्वासन मंत्री ने दिया है। दीपक बर्मन ने बताया कि जिन स्कूलों में जरूरत से ज्यादा शिक्षक हैं, वहां से शिक्षकों को उन स्कूलों में ट्रांसफर करने की प्रक्रिया सरकार ने शुरू कर दी है जहां शिक्षकों की कमी है।


_Picture created by AI_
।। হাসনাবাদে অবৈধ মূল্যবৃদ্ধি রুখতে প্রশাসনের বাজার অভিযান ।।

বসিরহাট : সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার হাসনাবাদে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর অবৈধ মূল্যবৃদ্ধি রুখতে বুধবার বিকালে বাজারে প্রশাসনিক অভিযান চালানো হলো। হাসনাবাদ বনবিবি সেতু সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ড বাজারে একাধিক মুদি, মাংস ও সব্জি সহ বিভিন্ন দোকানে যৌথভাবে তল্লাশি চালিয়ে বাজারদর খতিয়ে দেখেন প্রশাসনের আধিকারিকরা।
হাসনাবাদ বাসস্ট্যান্ড বাজারটি বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেনাকাটার কেন্দ্র। বরুণহাট, বিশপুর, পাটলিখানপুর, হিঙ্গলগঞ্জ ও সন্দেশখালি সহ বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা প্রতিদিন এই বাজার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনেন। পাশাপাশি টাকি ও হাসনাবাদ শহরের বাসিন্দাদেরও একটি বড় অংশ এই বাজারের উপর নির্ভরশীল।
নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ও সব্জির দামে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, বেশি দামে বিক্রি বা ক্রেতাদের সঙ্গে কোনওরকম প্রতারণা হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতেই এই অভিযান বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন দোকানে পণ্যের দাম, মজুত এবং বিক্রির বিষয়গুলি খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। ক্রেতারা যাতে নির্ধারিত ও যুক্তিসঙ্গত দামে সামগ্রী কিনতে পারেন, সেদিকেও নজর দেওয়া হয়। এদিনের অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বসিরহাটের মহকুমা শাসক জসলিন কৌর, হাসনাবাদের এসডিপিও ওমর আলী মোল্লা, হাসনাবাদ ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সমীর মণ্ডল সহ কৃষি এবং খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের আধিকারিকরা। প্রশাসনের এই ধরনের নজরদারি আগামী দিনেও চলবে বলে জানা গিয়েছে।
যোগী সরকারের বড় উপহার: ৫০ হাজার ছাত্রীকে স্কুটি, ৬০ ঊর্ধ্ব মহিলাদের আজীবন বিনামূল্যে বাস যাত্রা

*নিজস্ব প্রতিবেদক,লখনউ:* রক্ষাবন্ধনের আগে মহিলাদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। স্নাতক স্তরের ৫০ হাজার ছাত্রীকে অক্টোবর-নভেম্বরের মধ্যে স্কুটি দেওয়া হবে। পাশাপাশি চালু হল ‘লোকমাতা অহল্যাবাঈ মাতৃশক্তি যাত্রা’। এই প্রকল্পে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী মহিলারা উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সড়ক পরিবহণ নিগমের বাসে আজীবন বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন।

বুধবার ইন্দিরা গান্ধী প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগী বলেন, মহিলাদের ভূমিকা এখন আর চার দেওয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মহিলারা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছেন অর্থনীতি থেকে প্রযুক্তি, ব্যবসা থেকে নেতৃত্বে। এটাই "উনুন থেকে চেক, চেক থেকে ব্যবসা, ব্যবসা থেকে প্রযুক্তি" পর্যন্ত নারী ক্ষমতায়নের যাত্রা।

*রক্ষাবন্ধনে ৩ দিন বিনামূল্যে যাত্রা, তৈরি হচ্ছে ৫০০ আসনের হোস্টেল*

মুখ্যমন্ত্রী জানান, রক্ষাবন্ধন উপলক্ষ্যে ২৭ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত মহিলা ও তাঁদের এক সহযোগী বিনামূল্যে বাস যাত্রার সুবিধা পাবেন। লোকমাতা অহল্যাবাঈ হোলকরের সুশাসনের আদর্শে একাধিক জেলায় কর্মজীবী মহিলাদের জন্য ৫০০ আসন বিশিষ্ট হোস্টেল তৈরি হচ্ছে।

*কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের অংশগ্রহণ ১২% থেকে বেড়ে ৩৬%*

যোগীর দাবি, ২০১৭-র আগে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের অংশগ্রহণ ছিল ১২%, এখন তা ৩৬%। লক্ষ্য ৫০%। নারী সুরক্ষায় মিশন শক্তি, এআই ভিত্তিক সেফ সিটি, ১০৯০, ১১২, মহিলা বিট পুলিশ, পিঙ্ক বুথ ও ওয়ান স্টপ সেন্টারকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

*পুলিশে মহিলা ৫০ হাজার ছুঁতে চলেছে*

২০১৭ সালে পুলিশে মহিলা ছিলেন ১০ হাজার, এখন ৪৫ হাজার। ২০% সংরক্ষণের ফলে চলতি নিয়োগ শেষে সংখ্যাটা ৫০ হাজার হবে। লখনউতে উদা দেবী, গোরখপুরে ঝলকারী বাঈ ও বদায়ুঁতে অবন্তী বাঈ-এর নামে তিনটি মহিলা পিএসি ব্যাটালিয়ন গঠিত হয়েছে।

*আবাস থেকে ডিজিটাল উদ্যোগ - সর্বত্র মহিলা*

কন্যা সুমঙ্গলা, গণবিবাহ, মাতৃ বন্দনা, সুপোষণ ও উজ্জ্বলার মতো প্রকল্পে মহিলারা লাভবান। ৬৫ লক্ষ পরিবার আবাস পেয়েছে, বহু ক্ষেত্রে বাড়ির মালিকানা পেয়েছেন মহিলারা। ৮ হাজার ন্যায় পঞ্চায়েতে ৫০% ডিজিটাল উদ্যোক্তা মহিলা করার লক্ষ্য। বিসি সখী, নমো ড্রোন দিদি প্রকল্পে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরা। ৩১ জেলায় দুগ্ধ উৎপাদনে ৪ লক্ষের বেশি মহিলা স্বাবলম্বী হচ্ছেন। শি-মার্টের মাধ্যমে তাঁদের পণ্যের ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিংয়ে জোর দিচ্ছে সরকার।