ডার্বির ক্ষতে প্রলেপ, জর্জকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে সুপার সিক্সের দৌড়ে মোহনবাগান*
*খেলা*

*কলকাতা লিগ*


*নিজস্ব প্রতিবেদক,কলকাতা:* ডুরান্ড কাপ ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের কাছে ১-৪ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার ক্ষত এখনও টাটকা। তবে মঙ্গলবার কলকাতা লিগের ম্যাচে জর্জ টেলিগ্রাফকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এই জয়ের সুবাদে সুপার সিক্সের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে গেল মোহনবাগান। ম্যাচে হ্যাটট্রিক করলেন সুহেল ভাট।

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে মোহনবাগান। ১৩ মিনিটে কিয়ান নাসিরির নিখুঁত সেন্টার থেকে গোলের খাতা খোলেন সুহেল ভাট। ২০ মিনিটে একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হলেও, ২৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান অ্যালেক্স সাজি। বাঁ দিক থেকে আসা পাসে ডান পায়ের আউটস্টেপে গোল করেন তিনি।

২৭ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় জর্জ। বিভান জ্যোতি লস্করকে বাজে ট্যাকল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন জর্জ অধিনায়ক রণজয় সামন্ত। ১০ জনে হয়ে যাওয়ার পর থেকেই ম্যাচ থেকে হারিয়ে যেতে থাকে জর্জ। গোলকিপার বিশ্বনাথ ওঁরাও একাধিক দুর্দান্ত সেভ না করলে স্কোরলাইন আরও বড় হতে পারত।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও বিধ্বংসী মেজাজে ধরা দেয় মোহনবাগান। ৪৭ মিনিটে তৃতীয় গোলটি করেন সন্দীপ মালিক। ৫০ মিনিটে মাঠে নেমেই অভিষেক সূর্যবংশী স্কোর ৪-০ করেন। এরপর শুরু হয় সুহেল ভাট শো। ৬১ মিনিটে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের পঞ্চম গোল করেন সুহেল। ৭৩ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তিনি।

এই জয়ের ফলে ৮ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের তিন নম্বরে উঠে এল মোহনবাগান। ৯ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ভবানীপুর এবং ৭ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ইস্টবেঙ্গল।

ডুরান্ডে ডার্বি হারের ক্ষত জর্জকে হারিয়ে হয়তো মিটবে না, তবে এই বড় জয় মোহনবাগানের ট্রফির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল।

*ছবি: সৌজন্যে আইএফএ।*
तृणमूल के डेढ़ दशक के शासन में स्कूल शिक्षा की बदहाल तस्वीर, केंद्र की रिपोर्ट में खुलासा

*न्यूज़ डेस्क :* तृणमूल के डेढ़ दशक के शासन में राज्य की स्कूली शिक्षा का बुनियादी ढांचा कितना कमजोर और असमान हो गया है, इसकी झलक केंद्रीय संस्था ‘यूनिफाइड डिस्ट्रिक्ट इन्फॉर्मेशन सिस्टम फॉर एजुकेशन प्लस’ (UDISE+) की हालिया रिपोर्ट में सामने आई है।

*छात्र-विहीन स्कूलों में हजारों शिक्षक तैनात*

रिपोर्ट में आए आंकड़े चौंकाने वाले हैं। आंकड़ों के अनुसार, राज्य के 4,133 स्कूलों में इस समय एक भी छात्र नहीं पढ़ता। हैरानी की बात यह है कि इन्हीं शून्य-छात्र वाले स्कूलों में 19,502 शिक्षक कार्यरत के रूप में दर्ज हैं! सरकारी और निजी दोनों तरह के स्कूलों को मिलाकर सामने आया यह विरोधाभास बड़ा सवाल खड़ा करता है- जहां छात्र ही नहीं हैं, वहां ये हजारों शिक्षक क्या काम कर रहे हैं?

हालांकि इस गड़बड़ी का ठीकरा राज्य के शिक्षा मंत्री दीपक बर्मन ने तकनीकी खामी पर फोड़ा है। उनका कहना है, “कई निजी स्कूलों ने पोर्टल पर सही तरीके से जानकारी अपलोड नहीं की है। उन्होंने शिक्षकों के नाम की सूची तो दी, लेकिन छात्रों का हिसाब नहीं दिया। इसलिए पोर्टल पर उन स्कूलों में छात्रों की संख्या शून्य दिख रही है। हम इस समस्या को दूर करने की कोशिश कर रहे हैं।”

*एक शिक्षक के भरोसे दो लाख से ज्यादा छात्र*

जहां एक तरफ छात्र-विहीन स्कूलों में शिक्षकों की भरमार है, वहीं राज्य के 6,769 स्कूलों में शिक्षकों का भारी टोटा है। इन स्कूलों में से हर एक में मात्र एक ही शिक्षक है! जबकि इन एकल-शिक्षक वाले स्कूलों में 2 लाख 29 हजार से ज्यादा छात्र पढ़ रहे हैं। जाहिर है, एक शिक्षक के लिए इतनी बड़ी संख्या में छात्रों को पढ़ाना और प्रशासनिक जिम्मेदारी संभालना असंभव है।

पिछली सरकारों के भ्रष्टाचार को जिम्मेदार ठहराते हुए शिक्षा मंत्री दीपक बर्मन ने कहा, “15 साल तक भ्रष्टाचार के कारण लगभग कोई शिक्षक भर्ती ही नहीं हुई। हम अब पूरी व्यवस्था को ठीक कर रहे हैं। उम्मीद है इस साल के अंत तक इस समस्या का समाधान हो जाएगा।”

*स्कूलों में भारी असमानता*

राज्य के कुल 93,147 स्कूलों की संरचना देखने पर बुनियादी ढांचे की भारी असमानता स्पष्ट होती है। रिपोर्ट के मुताबिक, कुल स्कूलों में से 8 प्रतिशत स्कूलों में छात्रों की संख्या 10 से भी कम है। वहीं, 8.5 प्रतिशत स्कूलों में छात्रों की संख्या 500 से अधिक है। इस असमानता को दूर करने के लिए कदम उठाने का आश्वासन मंत्री ने दिया है। दीपक बर्मन ने बताया कि जिन स्कूलों में जरूरत से ज्यादा शिक्षक हैं, वहां से शिक्षकों को उन स्कूलों में ट्रांसफर करने की प्रक्रिया सरकार ने शुरू कर दी है जहां शिक्षकों की कमी है।


_Picture created by AI_
।। হাসনাবাদে অবৈধ মূল্যবৃদ্ধি রুখতে প্রশাসনের বাজার অভিযান ।।

বসিরহাট : সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার হাসনাবাদে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর অবৈধ মূল্যবৃদ্ধি রুখতে বুধবার বিকালে বাজারে প্রশাসনিক অভিযান চালানো হলো। হাসনাবাদ বনবিবি সেতু সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ড বাজারে একাধিক মুদি, মাংস ও সব্জি সহ বিভিন্ন দোকানে যৌথভাবে তল্লাশি চালিয়ে বাজারদর খতিয়ে দেখেন প্রশাসনের আধিকারিকরা।
হাসনাবাদ বাসস্ট্যান্ড বাজারটি বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেনাকাটার কেন্দ্র। বরুণহাট, বিশপুর, পাটলিখানপুর, হিঙ্গলগঞ্জ ও সন্দেশখালি সহ বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা প্রতিদিন এই বাজার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনেন। পাশাপাশি টাকি ও হাসনাবাদ শহরের বাসিন্দাদেরও একটি বড় অংশ এই বাজারের উপর নির্ভরশীল।
নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ও সব্জির দামে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, বেশি দামে বিক্রি বা ক্রেতাদের সঙ্গে কোনওরকম প্রতারণা হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতেই এই অভিযান বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন দোকানে পণ্যের দাম, মজুত এবং বিক্রির বিষয়গুলি খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। ক্রেতারা যাতে নির্ধারিত ও যুক্তিসঙ্গত দামে সামগ্রী কিনতে পারেন, সেদিকেও নজর দেওয়া হয়। এদিনের অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বসিরহাটের মহকুমা শাসক জসলিন কৌর, হাসনাবাদের এসডিপিও ওমর আলী মোল্লা, হাসনাবাদ ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সমীর মণ্ডল সহ কৃষি এবং খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের আধিকারিকরা। প্রশাসনের এই ধরনের নজরদারি আগামী দিনেও চলবে বলে জানা গিয়েছে।
যোগী সরকারের বড় উপহার: ৫০ হাজার ছাত্রীকে স্কুটি, ৬০ ঊর্ধ্ব মহিলাদের আজীবন বিনামূল্যে বাস যাত্রা

*নিজস্ব প্রতিবেদক,লখনউ:* রক্ষাবন্ধনের আগে মহিলাদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। স্নাতক স্তরের ৫০ হাজার ছাত্রীকে অক্টোবর-নভেম্বরের মধ্যে স্কুটি দেওয়া হবে। পাশাপাশি চালু হল ‘লোকমাতা অহল্যাবাঈ মাতৃশক্তি যাত্রা’। এই প্রকল্পে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী মহিলারা উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সড়ক পরিবহণ নিগমের বাসে আজীবন বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন।

বুধবার ইন্দিরা গান্ধী প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগী বলেন, মহিলাদের ভূমিকা এখন আর চার দেওয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মহিলারা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছেন অর্থনীতি থেকে প্রযুক্তি, ব্যবসা থেকে নেতৃত্বে। এটাই "উনুন থেকে চেক, চেক থেকে ব্যবসা, ব্যবসা থেকে প্রযুক্তি" পর্যন্ত নারী ক্ষমতায়নের যাত্রা।

*রক্ষাবন্ধনে ৩ দিন বিনামূল্যে যাত্রা, তৈরি হচ্ছে ৫০০ আসনের হোস্টেল*

মুখ্যমন্ত্রী জানান, রক্ষাবন্ধন উপলক্ষ্যে ২৭ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত মহিলা ও তাঁদের এক সহযোগী বিনামূল্যে বাস যাত্রার সুবিধা পাবেন। লোকমাতা অহল্যাবাঈ হোলকরের সুশাসনের আদর্শে একাধিক জেলায় কর্মজীবী মহিলাদের জন্য ৫০০ আসন বিশিষ্ট হোস্টেল তৈরি হচ্ছে।

*কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের অংশগ্রহণ ১২% থেকে বেড়ে ৩৬%*

যোগীর দাবি, ২০১৭-র আগে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের অংশগ্রহণ ছিল ১২%, এখন তা ৩৬%। লক্ষ্য ৫০%। নারী সুরক্ষায় মিশন শক্তি, এআই ভিত্তিক সেফ সিটি, ১০৯০, ১১২, মহিলা বিট পুলিশ, পিঙ্ক বুথ ও ওয়ান স্টপ সেন্টারকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

*পুলিশে মহিলা ৫০ হাজার ছুঁতে চলেছে*

২০১৭ সালে পুলিশে মহিলা ছিলেন ১০ হাজার, এখন ৪৫ হাজার। ২০% সংরক্ষণের ফলে চলতি নিয়োগ শেষে সংখ্যাটা ৫০ হাজার হবে। লখনউতে উদা দেবী, গোরখপুরে ঝলকারী বাঈ ও বদায়ুঁতে অবন্তী বাঈ-এর নামে তিনটি মহিলা পিএসি ব্যাটালিয়ন গঠিত হয়েছে।

*আবাস থেকে ডিজিটাল উদ্যোগ - সর্বত্র মহিলা*

কন্যা সুমঙ্গলা, গণবিবাহ, মাতৃ বন্দনা, সুপোষণ ও উজ্জ্বলার মতো প্রকল্পে মহিলারা লাভবান। ৬৫ লক্ষ পরিবার আবাস পেয়েছে, বহু ক্ষেত্রে বাড়ির মালিকানা পেয়েছেন মহিলারা। ৮ হাজার ন্যায় পঞ্চায়েতে ৫০% ডিজিটাল উদ্যোক্তা মহিলা করার লক্ষ্য। বিসি সখী, নমো ড্রোন দিদি প্রকল্পে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরা। ৩১ জেলায় দুগ্ধ উৎপাদনে ৪ লক্ষের বেশি মহিলা স্বাবলম্বী হচ্ছেন। শি-মার্টের মাধ্যমে তাঁদের পণ্যের ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিংয়ে জোর দিচ্ছে সরকার।
সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার পুকুরে তল্লাশি, উদ্ধার ৩ আগ্নেয়াস্ত্র ও ৪০ রাউন্ড গুলি
বসিরহাট : সন্দেশখালিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করলো পুলিশ। বুধবার বসিরহাটের সন্দেশখালি থানার কোড়াকাটি এলাকায় তৃণমূল নেতা সমীর সর্দারের পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং প্রায় ৪০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সন্দেশখালি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বলাই ঘোষের নেতৃত্বে পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালায়। তল্লাশির সময় পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার হয়। ঘটনায় সমীর সর্দারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত সমীর সর্দার সন্দেশখালির তৎকালীন প্রভাবশালী নেতা শেখ শাহাজাহানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিগুলি কোথা থেকে এলো, সেগুলি কোথায় ব্যবহার করা হত এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুরো ঘটনার সঙ্গে অস্ত্র পাচার বা অন্য কোনও অপরাধচক্রের যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বসিরহাটে ৪৪৩৮ পিস ফেনসিডিল উদ্ধার, পিকআপ ভ্যান-সহ গ্রেফতার পাচারকারী

বসিরহাট : বসিরহাটে নাকা তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ বা ফেন্সিডিল উদ্ধার করলো পুলিশ। ঘটনায় একটি পিকআপ ভ্যান সহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ফেন্সিডিলের পরিমাণ ৩৭ বস্তায় মোট ৪৪৩৮ পিস। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বসিরহাট থানার আমতলা চড়কতলা এলাকায় রাজ্য সড়ক-২ অর্থাৎ টাকি রোডে নাকা তল্লাশি চালাচ্ছিল বসিরহাট থানার পুলিশ। সেই সময় বসিরহাট পুলিশ জেলার ডিএসপি হেডকোয়ার্টার দিপাঞ্জন চট্টোপাধ্যায় এবং বসিরহাট থানার আইসি মহম্মদ ফিরোজ আলীর নেতৃত্বাধীন পুলিশ একটি পিকআপ ভ্যানকে দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির সময় গাড়িটি থেকে উদ্ধার হয় ৩৭ বস্তা ফেন্সিডিল, যাতে মোট ৪৪৩৮ পিস নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, পিকআপ ভ্যানটির রেজিস্ট্রেশন কালিম্পংয়ের। গাড়িটি এবং বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তির নাম হোসেন বিশ্বাস। তার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগণার বারাসাতের কাজীপাড়া এলাকায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের দাবি, কলকাতা থেকে ওই বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল নিয়ে সোলাদানার দিকে যাচ্ছিল গাড়িটি। সেখান থেকে বাংলাদেশে পাচারের পরিকল্পনা ছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। এই পাচারচক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ফেনসিডিল পাচারের মূল চক্র এবং এর সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য ব্যক্তিদের সন্ধানের চেষ্টা চলছে। ধৃত হোসেন বিশ্বাসকে বুধবার বারাসাত জেলা আদালতে পেশ করা হয়।
মেজারার্সকে ৩-২ গোলে হারাল সাদা-কালো ব্রিগেড*
*খেলা*

*কলকাতা আই লিগ*

*নিজস্ব প্রতিনিধি:* নৈহাটি স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর ম্যাচে মেজারার্স ক্লাবকে ৩-২ গোলে হারাল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। শেষ মুহূর্তে মহিতোষের গোলে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করল সাদা-কালো শিবির।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে মহামেডান। রেমসাঙ্গা গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর লালংগাইসাকা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।

প্রথমার্ধে দাপট দেখিয়ে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় মহামেডান।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় মেজারার্স ক্লাব। একটি গোল শোধ করে ম্যাচ ২-২ করে দেয় তারা। ফলে শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা তৈরি হয় নৈহাটি স্টেডিয়ামে।

ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে, তখনই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে মহামেডান। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগেই জয়সূচক গোল করেন মহিতোষ।

শেষ বাঁশি বাজতেই ৩-২ ব্যবধানে কষ্টার্জিত জয় নিশ্চিত করে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। এই জয়ের ফলে অভিযানে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ জয় যোগ করল দল।

*ছবি:সঞ্জয় হাজরা।*
টিএমসিপির দুই গোষ্ঠীকেই শর্তসাপেক্ষে প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের অনুমতি হাইকোর্টের
*হাইকোর্ট*


*কলকাতা:* তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দুই গোষ্ঠীকেই শর্তসাপেক্ষে প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী শুক্রবার, ২৮ অগস্ট টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবস।

এতো বছর ওই দিনে ধর্মতলার মেয়ো রোডে সভা করত তৃণমূলের ছাত্র শাখা। এবার দলে বিভাজনের পর দুই গোষ্ঠীই মেয়ো রোডে সভা করার আবেদন জানিয়েছিল। তবে আদালত কাউকেই মেয়ো রোডে সভার অনুমতি দেয়নি।

হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, কালীঘাটপন্থী গোষ্ঠী ওই দিন ক্যাথিড্রাল রোডে কর্মসূচি করবে এবং ঋতব্রতপন্থী শিবির কর্মসূচি পালন করবে ধর্মতলার রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে।

মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। আদালত দুই গোষ্ঠীর জমায়েতের সংখ্যা বেঁধে দিয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, কোনও সভাতেই ১৫০০ জনের বেশি জমায়েত করা যাবে না। সভার সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে — দুপুর ১২টা থেকে ৩টে পর্যন্ত।

শুনানির সময় বিচারপতি দুই গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে বলেন, "একযোগে অনুষ্ঠান করুন। ব্রিগেডে ১০ হাজার জমায়েতের অনুমতি দেব।"

এছাড়া আদালত নির্দেশ দিয়েছে, শুক্রবারের কর্মসূচির জন্য বুধবারের মধ্যে দুই পক্ষকেই ২০ জন করে স্বেচ্ছাসেবকের ফোন নম্বর পুলিশের কাছে জমা দিতে হবে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার দায়িত্ব থাকবে স্বেচ্ছাসেবকদের উপর। কলকাতা পুলিশকে ওই দিন পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
अन्नपूर्णा योजना पर ममता के आरोपों को मुख्यमंत्री शुभेंदु ने किया खारिज*

*कोलकाता:* अन्नपूर्णा योजना का पैसा नहीं मिलने और आम लोगों से धोखाधड़ी के आरोपों को लेकर पूर्व मुख्यमंत्री ममता बनर्जी द्वारा लगाए गए सभी आरोपों को मुख्यमंत्री शुभेंदु अधिकारी ने खारिज कर दिया।

सोमवार को पत्रकार वार्ता में मुख्यमंत्री ने बताया कि अब तक राज्य की 1 करोड़ 46 लाख से अधिक योग्य महिलाओं के बैंक खातों में सीधे अन्नपूर्णा योजना की राशि भेजी जा चुकी है। उन्होंने दावा किया कि यह राशि बिना किसी राजनीतिक या धार्मिक भेदभाव के बांटी गई है।

इससे पहले सोमवार शाम को सोशल मीडिया पर लाइव आकर ममता बनर्जी ने नई भाजपा सरकार की अन्नपूर्णा योजना पर नाराजगी जताई थी। उनका आरोप था कि चुनाव से पहले भत्ते का लालच देकर वोट लेने के बाद अब कई तरह की शर्तें लगाकर महिलाओं को वंचित किया जा रहा है।

इस पर पलटवार करते हुए शुभेंदु ने कहा, "हमारी सरकार किसी धर्म के आधार पर भेदभाव नहीं करती। इस योजना के तहत करीब 19 लाख मुस्लिम परिवारों के खातों में भी पैसा पहुंच चुका है।" पात्र-अपात्र के सवाल पर उन्होंने कहा कि सरकारी नियमों के अनुसार ही स्क्रूटनी की जा रही है। करीब साढ़े 4 लाख आवेदनों से जुड़ी शिकायतें मिली हैं, जिनकी जांच की जा रही है।

साथ ही मतुआ और हिंदू शरणार्थियों के लिए मुख्यमंत्री ने बड़ा ऐलान किया। उन्होंने बताया कि CAA के तहत नागरिकता प्रमाण पत्र देने की प्रक्रिया शुरू हो रही है। इस संबंध में जिलाधिकारियों को निर्देश भेज दिया गया है। वर्तमान में लंबित 2 लाख 7 हजार आवेदनों के साथ-साथ नए आवेदनों का भी तेजी से निपटारा कर सभी योग्य शरणार्थियों को भारतीय नागरिकता का आधिकारिक सर्टिफिकेट दिया जाएगा।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মমতার অভিযোগ খারিজ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু*
*কলকাতা:* অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না মেলা এবং সাধারণ মানুষকে প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোলা সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই রাজ্যের ১ কোটি ৪৬ লক্ষেরও বেশি যোগ্য মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাঠানো হয়েছে। কোনও রাজনৈতিক বা ধর্মীয় ভেদাভেদ ছাড়াই এই টাকা বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এর আগে সোমবার বিকেলে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে নয়া বিজেপি সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ ছিল, ভোটের আগে ভাতার লোভ দেখিয়ে পরে নানা শর্ত চাপিয়ে মহিলাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে।

এর পাল্টা জবাবে শুভেন্দু বলেন, "আমাদের সরকার কোনও ধর্মের বিভাজন করে না। প্রায় ১৯ লক্ষ মুসলিম পরিবারের অ্যাকাউন্টেও টাকা পৌঁছেছে।" যোগ্য-অযোগ্যের প্রশ্নে তিনি জানান, সরকারি নিয়ম মেনেই স্ক্রুটিনি চলছে। প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ আবেদন সংক্রান্ত অভিযোগ জমা পড়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

একইসঙ্গে মতুয়া ও হিন্দু শরণার্থীদের জন্য বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান,সিএএ অনুযায়ী নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। জেলাশাসকদের এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঝুলে থাকা ২ লক্ষ ৭ হাজার আবেদন-সহ নতুন আবেদনগুলিও দ্রুত নিষ্পত্তি করে যোগ্যদের নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।